০৮:২৫ পি.এম
বৃষ্টি হলো মহান আল্লাহর অফুরন্ত রহমতের একটি নিদর্শন। এই বৃষ্টির মাধ্যমে মহান আল্লাহ কল্যাণ ও রিজিকের ব্যবস্থা করেন। প্রকৃতিতে বৃষ্টির মাধ্যমে স্বস্তির ছাপ প্রকাশ পায়। বৃষ্টির সঙ্গে মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য প্রাণীদের রিজিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে।
পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বৃষ্টি সম্পর্কে বলেন, ‘আর আমি আসমান থেকে বরকতময় পানি বর্ষণ করেছি। অতঃপর তা দ্বারা আমি উৎপন্ন করি বাগ-বাগিচা ও কর্তনযোগ্য শস্যদানা।’ (সুরা কাফ, আয়াত: ৯)
নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর সময়েও বৃষ্টি হতো। নিম্নে এগুলো তুলে ধরা হলো, যে সব আমল তিনি বৃষ্টিমুখর দিনে করতেন।
আরও পড়ুন: ১৭ কোটি টাকার বিল অনুমোদন, টেন্ডার ব্যবস্থাপনা ও সম্পদের উৎস নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে মাহবুবুল হক চৌধুরীর
বিখ্যাত সাহাবি হজরত আনাস (রা.) বলেন, আমরা নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সঙ্গে ছিলাম; এমন সময় বৃষ্টি শুরু হলো। তখন নবীজি তার কাপড় খুলে দিলেন, যাতে বৃষ্টির পানি তার শরীরে পৌঁছাতে পারে। আমরা জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রসুল! আপনি এরূপ কেন করলেন? তিনি উত্তর দিলেন, কেননা এটা মহান আল্লাহর কাছে আসার সময় খুবই অল্প। (মুসলিম: ১৯৬৮)
এ সময় দোয়া কবুল হয়। নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, বৃষ্টির সময় দোয়া কবুল হয়ে থাকে। (আবু দাউদ: ২৫৪০)
হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে উল্লেখ আছে, যখন বৃষ্টি হতো; নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলতেন, ‘আল্লাহুম্মা সয়্যিবান নাফিআহ’, (অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি এ বৃষ্টিকে প্রবহমান এবং উপকারী করে দাও)। (নাসায়ি: ১৫২৩)
একবার অতিবৃষ্টিতে নবীজি (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন, ‘আল্লাহুম্মা হাওয়ালাইনা ওয়ালা আলাইনা।’ অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি বৃষ্টি আমাদের আশপাশে বর্ষণ করো, আমাদের ওপরে নয়। (নাসায়ি: ১৫২৭)
আরও পড়ুন: মজলুম থেকে জালিম হলে আবার গণমাধ্যমের কাছে বলবেনÑ বাঁচান: মাসুদ
এই দোয়ায় উদ্দেশ্য নয় যে আমাদের পাশের এলাকা ডুবিয়ে দাও; বরং উদ্দেশ্য হলো জনবসতিহীন কোথাও বৃষ্টি সরিয়ে দেওয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন