ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

সরকার ৩ মাসে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী


সরকার ৩ মাসে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

ঢাকা, ১ নভেম্বর, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ৩ মাসের মধ্যে ৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। এর মধ্যে ২৯৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হবে শুধুমাত্র ঢাকা শহর থেকে।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সায়েন্স পলিসি ডায়লগ অন ব্ল্যাক কার্বন অ্যান্ড আদার শর্ট লাইভড ক্লাইমেট পল্যুটেন্টস শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন করা। পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে, যাতে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমিয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ জ্বালানি নিশ্চিত করা যায়।

আরও পড়ুন: স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে দেয়ায় বন্ধুকে হত্যা, কুয়েতে বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড

তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার পূর্ববর্তী সরকারের কাছ থেকে কিছু কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পেয়েছে। এসব কেন্দ্রে প্রতিদিন প্রায় ১২,০০০ মেট্রিক টন কয়লা পোড়ানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রচুর ইটভাটা রয়েছে, যা থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ব্ল্যাক কার্বন নির্গত হচ্ছে।

ইটভাটার বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মোট বায়ুদূষণের প্রায় ১৩ শতাংশ আসে ইটভাটা থেকে। উচ্চ সালফারযুক্ত কয়লা ব্যবহার করে এমন ইটভাটাগুলো বন্ধ করা হচ্ছে এবং কাঠের পরিবর্তে কংক্রিট ব্লক ব্যবহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছি, যাতে দূষণ কমানো সম্ভব হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখানে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট কাজ করছে। কাজটি কঠিন হলেও পেশাদারিত্বের সাথে আমরা তা মোকাবিলা করছি। ইটভাটা বন্ধ না হলে বায়ুর মান উন্নয়ন সম্ভব নয়।

ট্রান্স-বাউন্ডারি দূষণের বিষয়ে তিনি জানান, দেশের প্রায় ৩০ শতাংশ বায়ুদূষণ সীমান্ত অতিক্রম করে আসে। ভারতের বেশিরভাগ ভারী শিল্পকারখানা সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত, যা একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল কূটনৈতিক বিষয়। প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা এই ৩০ শতাংশ বায়ু দূষণ বন্ধ করা আমাদের জন্য বাস্তবিক অর্থেই কঠিন।

আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে

বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকার প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও তিনি জানান। সরকার ব্যাপক বৃক্ষরোপণ, খাল খনন ও পুনঃখননের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, পাশাপাশি বৈদ্যুতিক বাস ও গাড়ি আমদানির কথাও বলা হয়েছে। এগুলো প্রকৃতিভিত্তিক বায়ুদূষণ সমাধানের উপাদান।

নদী দূষণের বিষয়েও তিনি বলেন, বুড়িগঙ্গা, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ, বালু এবং ধলেশ্বরী নদীর ৪২৪টিরও বেশি পয়েন্ট শনাক্ত করা হয়েছে, যেখানে শোধন ছাড়াই বিষাক্ত বর্জ্য ও দূষিত পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এসব বর্জ্যের মধ্যে রয়েছে শিল্পবর্জ্য, সিটি কর্পোরেশনের বর্জ্য, ঢাকা ওয়াসা এবং অন্যান্য সেবা সংস্থার নির্গমন। ঢাকার চারপাশের এই নদী ও জলাশয়গুলোকে পুনরুদ্ধার করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক ড. এ এস এম আব্দুল আওয়াল, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আব্দুস সালাম এবং স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ওরজান গুসটাফসোন।

আরও পড়ুন: সরকার পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করছে : নাহিদ ইসলাম

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন অনলাইন ড্যাশবোর্ড চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে আবাসন ব্যবস্থার উন্নয়নে নতুন অনলাইন ড্যাশবোর্ড চালু

যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন ও নগর উন্নয়ন বিভাগ (এইচইউডি) নতুন একটি অনলাইন ড্যাশবোর্ড চালু করেছে, যা সরকারি আবাসন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করবে। এই নতুন ব্যবস্থার নাম পাবলিক হাউজিং অথরিটি অ্যাকাউন্টেবিলিটি ড্যাশবোর্ড।

৩০ অক্টোবর শুক্রবার এই উদ্যোগের ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সরকারি আবাসন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম, অর্থায়ন এবং কর্মদক্ষতার তথ্য সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।

নতুন ড্যাশবোর্ড ব্যবহার করে নির্দিষ্ট অঙ্গরাজ্য, স্থানীয় আবাসন কর্তৃপক্ষ অথবা পুরো দেশের সরকারি আবাসন ব্যবস্থার বিভিন্ন তথ্য এক জায়গায় দেখা যাবে।

এইচইউডির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন ড্যাশবোর্ডের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা, আবাসন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রমের উপর নজর রাখা এবং নিম্নমানের সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনা।

ড্যাশবোর্ডে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এর মধ্যে সরকারি আবাসন কর্তৃপক্ষের কর্মদক্ষতার স্কোর, সেবার মান, আবাসন ইউনিটের সংখ্যা এবং হাউজিং ভাউচার ব্যবস্থাপনার তথ্য রয়েছে।

এছাড়া, কোন আবাসন কর্তৃপক্ষ কতটুকু সরকারি অর্থ ব্যবহার করছে, তাদের বরাদ্দ কত এবং ভাউচার ব্যবহারের হার কেমন—এসব তথ্যও দেখা যাবে। আবাসন কর্তৃপক্ষগুলোর অবস্থান চারটি শ্রেণিতে দেখানো হবে: উচ্চ কর্মদক্ষতা, স্বাভাবিক মান, নিম্নমান এবং সমস্যাগ্রস্ত কর্তৃপক্ষ। ব্যবহারকারীরা চাইলে অঙ্গরাজ্য ও অঞ্চলভিত্তিক তুলনামূলক প্রতিবেদনও তৈরি করতে পারবেন।

এইচইউডির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে তাদের তত্ত্বাবধানে ৭৭টি সরকারি আবাসন কর্তৃপক্ষ সমস্যাগ্রস্ত অবস্থান থেকে বেরিয়ে এসেছে। একই সময়ে সাতটি আবাসন কর্তৃপক্ষকে গুরুতর প্রশাসনিক ব্যর্থতার পর্যায়ে ঘোষণা করে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিভাগটির দাবি, নতুন ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে আবাসন ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, অর্থের অপচয় এবং দুর্বল সেবার বিষয়গুলো শনাক্ত করা আরও সহজ হবে।

নতুন এই অনলাইন ব্যবস্থা সরকারি আবাসনে বসবাসকারী পরিবার, হাউজিং ভাউচারের সুবিধাভোগী, আবাসনপ্রত্যাশী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গবেষক এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর জন্য তথ্য সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করবে।

বিশেষ করে কোনো এলাকার আবাসন কর্তৃপক্ষের কর্মদক্ষতা, সরকারি বরাদ্দ এবং ভাউচার ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে জানতে আগ্রহীরা সরাসরি তথ্য যাচাই করতে পারবেন। তবে, এই ড্যাশবোর্ড চালুর অর্থ এই নয় যে নতুন করে আবাসন ভর্তুকি, বিনা মূল্যে বাসা কিংবা হাউজিং ভাউচার দেওয়া শুরু হয়েছে। এটি মূলত তথ্য প্রকাশ ও কর্তৃপক্ষের জবাবদিহি নিশ্চিত করার একটি অনলাইন ব্যবস্থা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আফ্রিকায় তরুণদের মন জয়ে ফ্রান্সকে ছাড়িয়ে গেল রাশিয়া, তবে শীর্ষেই চীন: নতুন জরিপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


আফ্রিকায় তরুণদের মন জয়ে ফ্রান্সকে ছাড়িয়ে গেল রাশিয়া, তবে শীর্ষেই চীন: নতুন জরিপ

আফ্রিকা মহাদেশের ভূ-রাজনীতি এবং তরুণ প্রজন্মের মনস্তাত্ত্বিক সমর্থনে একটি অভূতপূর্ব ও ঐতিহাসিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা ফরাসি ঔপনিবেশিক প্রভাব এবং পশ্চিমা আধিপত্যের দুর্গ গুঁড়িয়ে দিয়ে, আফ্রিকার তরুণদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে রাশিয়া এবার ফ্রান্সকে অতিক্রম করেছে। তবে, আফ্রিকান যুবসমাজের কাছে সামগ্রিক জনপ্রিয়তায় এখনও শীর্ষে রয়েছে চীন।

সম্প্রতি আফ্রিকা মহাদেশজুড়ে তরুণদের ওপর পরিচালিত একটি বিশেষ আন্তর্জাতিক জরিপে এই চাঞ্চল্যকর ও তাৎপর্যপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতার চিত্র উঠে এসেছে। জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, আফ্রিকার ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সী তরুণদের একটি বৃহৎ অংশ এখন পশ্চিমা দেশগুলোর তুলনায় চীন ও রাশিয়ার বৈশ্বিক নীতি, সমরাস্ত্র এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রতি অনেক বেশি আস্থা প্রকাশ করছে।

জরিপের মূল ফলাফল ও পরিসংখ্যান :

রাশিয়ার উত্থান : আফ্রিকার তরুণদের একটি বড় অংশ মনে করে যে, মহাদেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে রাশিয়া অত্যন্ত ইতিবাচক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। মালির ওয়াগাদুগু থেকে শুরু করে সেন্ট্রাল আফ্রিকান রিপাবলিক পর্যন্ত দেশগুলোতে পুতিন সরকারের প্রভাব দ্রুত বাড়ছে, যা ফ্রান্সের জনপ্রিয়তাকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।

ফ্রান্সের পতন : এক সময়ের ঔপনিবেশিক শাসক ফ্রান্সের প্রতি আফ্রিকার যুবসমাজের ক্ষোভ ও অনাস্থা এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। বিশেষ করে পশ্চিম আফ্রিকা (সাহেল অঞ্চল) থেকে ফরাসি সেনা বহিষ্কার এবং তরুণদের প্রবল ফরাসি-বিরোধী বিক্ষোভের কারণে মহাদেশটিতে প্যারিসের আবেদন তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে।

শীর্ষে চীনের আধিপত্য : রাশিয়া ফ্রান্সকে অতিক্রম করলেও আফ্রিকার তরুণদের কাছে সবচেয়ে বড় বন্ধু ও আদর্শ দেশ হিসেবে চীন এখনও এক নম্বরে রয়েছে। মহাদেশটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সড়ক, সেতু নির্মাণ এবং বিশাল কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেইজিংয়ের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ নীতি আফ্রিকান তরুণদের গভীরভাবে আকর্ষণ করেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আফ্রিকার নতুন প্রজন্ম পশ্চিমাদের শর্তযুক্ত ঋণ এবং অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ পছন্দ করছে না। তারা চীন ও রাশিয়ার মতো পরাশক্তিদের সাথে এমন অংশীদারিত্ব চায় যেখানে কোনো ‘হুকুমদারি’ থাকবে না। ফলে, বিশ্বমঞ্চে আফ্রিকার প্রাকৃতিক সম্পদ এবং ভূ-রাজনৈতিক সমর্থন আদায়ে পশ্চিমাদের যে একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল, তা এখন চীন ও রাশিয়ার নতুন সমীকরণের মুখে মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাইন্যান্সের বিশাল অঙ্কের ক্রিপ্টো চুরিতে জড়িত উত্তর কোরিয়া: এফবিআই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৩ পি.এম


বাইন্যান্সের বিশাল অঙ্কের ক্রিপ্টো চুরিতে জড়িত উত্তর কোরিয়া: এফবিআই

বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের প্ল্যাটফর্ম বাইন্যান্স থেকে ৬০০ কোটি ডলারের বেশি ভার্চুয়াল সম্পদ চুরির পেছনে উত্তর কোরিয়া জড়িত বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই। রাষ্ট্র-সমর্থিত হ্যাকাররা এই ডিজিটাল ডাকাতির কার্যক্রম পরিচালনা করেছে বলে সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে।

এফবিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘ট্রেডারট্রেটর’ নামে পরিচিত উত্তর কোরিয়ার একটি সাইবার ইউনিট এই হামলার জন্য দায়ী। রয়টার্সের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে, হ্যাকাররা চুরি করা সম্পদকে ইথেরিয়ামে রূপান্তরিত করেছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে এগুলোর আরও পাচার হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এফবিআই। তবে পিয়ংইয়ং বরাবরই সাইবার চুরির অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

সাইবার হামলার পর বাইন্যান্স জানিয়েছে, চুরি হওয়া টোকেনের ৯৫ শতাংশ উদ্ধার করার পর তারা প্ল্যাটফর্ম থেকে ধাপে ধাপে অর্থ উত্তোলনের সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে। রবিবার (১ নভেম্বর) বিটকয়েন, ইথার, বিএনবি, সোলানা, এক্সআরপি ও ডোজকয়েনসহ প্রধান প্রধান টোকেনগুলোর লেনদেন স্বাভাবিক করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি বার্তায় বাইন্যান্স নিশ্চিত করেছে, হারিয়ে যাওয়া বাকি ৫ শতাংশ টোকেন সহজে লিকুইড বা নগদায়নযোগ্য না হওয়ায় সেগুলো সংগ্রহ করতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাকরি ছেড়ে সেলাইয়ের কাজ শিখে চমক দেখালেন মার্কিন তরুণী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০২:২৪ পি.এম


চাকরি ছেড়ে সেলাইয়ের কাজ শিখে চমক দেখালেন মার্কিন তরুণী

যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ বছর বয়সী এক তরুণী করপোরেট চাকরি ত্যাগ করে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি পেশায় ক্যারিয়ার গড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি অফিসের নিয়মিত চাকরি ছেড়ে দেশটির বিখ্যাত ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্কে সেলাইয়ের কাজ শুরু করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসি মেক ইটে ২০২৬ সালের ১৯ জুলাই প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে তরুণীর এই পেশা পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনের শিরোনাম অনুযায়ী, তরুণী পূর্বে একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তবে তিনি সেই পেশা থেকে সরে এসে সেলাইয়ের কাজকে নতুন কর্মজীবন হিসেবে গ্রহণ করেন। সিএনবিসি ইয়েলোস্টোনে তার এই পেশা পরিবর্তনের গল্প প্রকাশ করেছে। কিন্তু তিনি কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতেন, তার পূর্বের বেতন কত ছিল এবং নতুন কাজে তার আয় কেমন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

ইয়েলোস্টোন ন্যাশনাল পার্ক যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইয়োমিং, মন্টানা ও আইডাহো অঙ্গরাজ্যজুড়ে বিস্তৃত। এই জাতীয় উদ্যানটি প্রাকৃতিক উষ্ণ প্রস্রবণ, গিজার, পাহাড়, বনভূমি এবং বন্য প্রাণীর জন্য পরিচিত। প্রতিবছর এখানে বিপুলসংখ্যক পর্যটক আসেন। পর্যটনকেন্দ্রিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সেবামূলক কার্যক্রমের কারণে পার্কটি ঘিরে নানা ধরনের কর্মসংস্থানও সৃষ্টি হয়েছে।

সেলাইয়ের কাজ বলতে নতুন পোশাক তৈরি করার পাশাপাশি পোশাকের মাপ ঠিক করা, ছেঁড়া কাপড় মেরামত, ইউনিফর্মের পরিবর্তন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কাপড়ের বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করাও অন্তর্ভুক্ত। তবে সিএনবিসির প্রতিবেদনে আলোচিত তরুণী ইয়েলোস্টোনে ঠিক কী ধরনের সেলাইয়ের দায়িত্ব পালন করেন, সে সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্রে করপোরেট চাকরি থেকে কারিগরি বা হাতে-কলমে কাজের পেশায় পরিবর্তনের ক্ষেত্রে আয়, কাজের পরিবেশ, দক্ষতা এবং ব্যক্তিগত পছন্দ গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়। নতুন পেশায় প্রবেশের আগে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা, কর্মসংস্থানের স্থায়িত্ব এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ও বিবেচনা করতে হয়। বিশেষ করে পর্যটনকেন্দ্রিক এলাকায় চাকরির ক্ষেত্রে মৌসুমি ও স্থায়ী কর্মসংস্থানের মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে তুলে ধরা তরুণীর অভিজ্ঞতা প্রচলিত করপোরেট চাকরির বাইরে ভিন্ন ধরনের পেশা বেছে নেওয়ার একটি উদাহরণ। তবে মূল প্রতিবেদনের পূর্ণ বিবরণ পাওয়া না যাওয়ায় তার নাম, চাকরি ছাড়ার নির্দিষ্ট কারণ, নতুন বেতন এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%