০৬:৫৫ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী কয়দিনের মধ্যে গ্যাসের সমস্যা কমে আসবে। তিনি বিদ্যুতের সমস্যার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বনানীচক অসহায়দের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিস্টরা এই দেশকে বিধ্বস্ত করে ফোকলা করেছে। দেশ গড়ে তুলতে হবে। এজন্য আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি। তবে ৬ মাসের মধ্যে সবকিছু করে ফেলা সম্ভব নয়। ৩ লাখ কোটি টাকা দেনা করে গিয়েছে। অনেক জায়গায় মানুষ বিদ্যুৎ-গ্যাসের জন্য কষ্ট পাচ্ছে। গ্যাস আমাদের প্রাকৃতিক সম্পদ ছিল। কিন্তু পুরো সেক্টর বিদেশিদের হাতে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার জাহাজ ক্যান্সেল করেছিল।
আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে
বিরোধী দলকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ৭১ সালে ভুল করেছেন, ৮৬ সাল, ৯৬ সালে ভুল করেছেন। ২৬ সালেও টিকিট বিক্রি করেছেন। এখনো বিভ্রান্ত করছেন। এসব থেকে বের হয়ে এসে আপনাদের কোনো পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। সমালোচনা বাদ দিয়ে মুরোদ থাকলে মাঠে নেমে কাজ করুন।
সরকারপ্রধান বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের নেতারা পেছনে ফ্যান ঘুরছে, আর সামনে কেরোসিনবিহীন হারিকেন নিয়ে বসে বলছে, ‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে’। তারা হঠকারিতা করছে। আমরা সংসদে আগামী দশ বছর জ্বালানি সংকট মোকাবিলার রূপরেখা দেবো। এই রাজনৈতিক দলগুলোকে বলবো, পরিকল্পনা নিয়ে আসুন। ৬ মাসের মধ্যে এই সমস্যা সমাধানে তারা পরিকল্পনা নিয়ে আসুক। সেই পরিকল্পনা আমরা গ্রহণ করবো। চ্যালেঞ্জ দিলাম তাদেরকে।
তিনি আরও বলেন, বিভ্রান্তি-ভাঙচুরের রাজনীতি স্বৈরাচার করেছে। এসব হঠকারিতার রাজনীতি বাদ দেন। আপনাদের পরিকল্পনা জনগণের সামনে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় ভাঙচুর করার দিন শেষ।
তারেক রহমান বলেন, স্বৈরাচারের আমলে বিএনপি তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করেই টিকে ছিল। কিন্তু এখন যারা বড় বড় কথা বলছেন, মানুষ আপনাদের রাজপথে দেখতে পায়নি।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রামে দুই কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে চার খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
তিনি বলেন, আমরা মাত্র ৬ মাস বয়সী সরকার। ধীরে ধীরে সব সমস্যা সমাধানে কাজ করছি। নির্বাচনের আগে ৩১ দফা উপস্থাপন করেছিলাম। কৃষক, নারীসহ বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। সেসব প্রতিশ্রুতি পূরণে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড প্রদান শুরু করেছি। খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছি। ৬ মাসে ৯০০ কিলোমিটার খাল খনন হয়েছে। বাচ্চাদের স্কুল ড্রেস, ব্যাগ বিতরণ কার্যক্রম ১ মাসের মধ্যে শুরু হবে। ৭১ সালে দেশ স্বাধীন হয়েছে। এরপর বারবার গণতন্ত্র হোঁচট খেয়েছে। মানুষের কাছে সরকারের জবাবদিহিতা থাকলে মানুষের উন্নয়নে কাজ হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন