বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৬:৪৭ এম
সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে এবং আলোকসজ্জা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ সাশ্রয় ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্তটি নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়-২ শাখা থেকে জারি করা এক স্মারকে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, ১২ আগস্ট থেকেই বিভিন্ন শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।
এর আগের নির্দেশনা অনুযায়ী, যা ১১ জুন জারি করা হয়েছিল, শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৯টা পর্যন্ত খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত কার্যকর ছিল। নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে এই সময়সীমা এক ঘণ্টা কমিয়ে রাত ৮টা নির্ধারণ করা হলো।
স্মারকে আরো বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান ও অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মেলা, বাণিজ্য মেলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রেও এই সময়সীমা প্রযোজ্য হবে। এসব আয়োজন রাত ৮টার মধ্যে শেষ করতে হবে।
তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলোর জন্য এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে।
বিদ্যুৎ বিভাগের উপসচিব মো. মামুন ভূঁইয়ার সই করা স্মারকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
সরকারের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, শপিংমল, মার্কেট ও দোকান সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখা, সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে সব ধরনের আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করা, আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাত ৮টার মধ্যে শেষ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে দুই দেশ সম্মত হয়েছে, এই তথ্যটি পাকিস্তানের সরকারি সূত্র থেকে জানা গেছে।
পাকিস্তান সরকারের সূত্রগুলো বুধবার (১২ আগস্ট) আনাদোলু এজেন্সিকে জানিয়েছে, বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ১৭ আগস্ট শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র বলেছে, ‘মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে দুই পক্ষই মধ্যস্থতাকারীদের কাছে সম্মতি জানিয়েছে।’ তবে কত দিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হবে সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নিজেদের মধ্যে বার্তা আদান-প্রদান করছে বলেও তিনি জানান।
এপ্রিল মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। পরে ১৭ জুন দুই দেশ একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে এবং চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা শুরু করে।
নিরাপত্তার নিশ্চয়তা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুটটি হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে মতবিরোধের কারণে আলোচনা পরবর্তী সময়ে স্থবির হয়ে পড়ে। এর জেরে ৮ থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই সময় ওয়াশিংটন ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। জবাবে তেহরান জর্ডান, বাহরাইন ও কুয়েতসহ কয়েকটি আরব দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জাম লক্ষ্য করে হামলা চালায়।
তথ্যসূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়ায় আবাসিক এলাকা এবং বিদেশিদের বসবাসের প্রধান হটস্পটগুলোতে দুই দিনের বিশেষ অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৪৩ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটকদের মধ্যে সাড়ে চারশ জনেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী আছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, ১০ ও ১১ আগস্ট দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩০৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৮৮০ জন পুরুষ এবং ১৬৩ জন নারী। তাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে নির্ধারিত।
দ্য স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আটকদের মধ্যে মোট ৪৬০ জন বাংলাদেশি। বাংলাদেশিদের মধ্যে ৩৬৯ জন পুরুষ এবং ৯১ জন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া ৩২৮ জন ইন্দোনেশীয়, ১৮৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ৫৫ জন ভারতীয় পুরুষ, ২২ জন নেপালি পুরুষ এবং অন্যান্য দেশের ১৪৩ জন নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
জাকারিয়া শাবান বলেন, জনগণের অভিযোগ, ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে প্রাপ্ত তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আবাসিক এলাকাগুলোকে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্বচিত করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় কিছু এলাকায় বিদেশিদের অনিয়ন্ত্রিত উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগের কারণে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাকারিয়া আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগের পর দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন পাঁচটিরও বেশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আটকদের নথিপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জাকারিয়া জানিয়েছেন।
অভিযানে কয়েকটি শিশুকেও তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে পাওয়া গেছে। চিহ্নিত অপরাধের মধ্যে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং স্বীকৃত নয়—এমন কার্ড বহন করা অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া অভিযানের সময় ৪৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে হাজির হওয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে। নথিপত্রহীন বিদেশিদের আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে বাড়ি বা সম্পত্তির মালিকদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা হবে।
নথিপত্রহীন বিদেশিদের চলমান মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রামের সুবিধা নেয়ার আহ্বান জানান জাকারিয়া। এই কর্মসূচির আওতায় তারা স্বেচ্ছায় ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে আত্মসমর্পণ করে ৫০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে নিজেদের দেশে ফিরতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে প্রামাণ্য, তথ্যনির্ভর ও নির্মোহ ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের প্রকৃত এবং নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের কৌশল ও করণীয় নির্ধারণ করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভা বুধবার (১২ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিচ্ছিন্ন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তালিকা না করতে এবং বহুমুখী যাচাই-বাছাই ও গবেষণালব্ধ উপাত্তের সমন্বয়ে একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় আলোচকরা বলেন যে, মুক্তিযুদ্ধের পরে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে দ্রুত প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এর জন্য প্রশাসন, গবেষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
রণাঙ্গনের সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নিহত সাধারণ মানুষ, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী এবং নারীদের তথ্যও যথাযথভাবে যাচাই ও সংরক্ষণের তাগিদ দেন তারা। তালিকাভুক্ত প্রতিটি নামের পেছনের দলিল ও তথ্যের উৎস সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষণায় তা নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, দীর্ঘকাল ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অনিয়ম এবং অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ রয়েছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বিষয়। স্বাধীনতার পরপরই প্রশাসনিক কাঠামো স্বাভাবিক না থাকায় কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই অনুমাননির্ভর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিগত কয়েক দশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা লক্ষাধিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করে স্বাধীনতার ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের সঠিক তালিকা প্রস্তুত করতে মন্ত্রণালয় অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, সঠিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, শহীদদের তালিকা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা উপস্থাপন করতে পারলেই ইতিহাসবিদদের কাছে ইতিহাস রচনার জন্য প্রামাণ্য তথ্য তুলে দেওয়া সম্ভব হবে; নইলে আমরাই ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যাব।
সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তির অবকাশ থাকা উচিত নয়। প্রকৃত বীরদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি সর্বোচ্চ সতর্কতা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আশরাফুল ইসলাম, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার এবং বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক আবদুল হাই সিদ্দিক।
এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল আলম বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান বীর উত্তম, সিপিবির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান ও নইম জাহাঙ্গীরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দীর্ঘদিন ক্যান্সার ও জন্ডিসে ভুগে অসহ্য যন্ত্রণা সইতে না পেরে বিষাক্ত কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন নোয়াব মোল্লা (৯০) নামে এক বৃদ্ধ। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নোয়াব মোল্লা নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামের মোল্লাবাড়ির মৃত ওসমান মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থতাজনিত কষ্টের মধ্যে নোয়াব মোল্লা বিষাক্ত কীটনাশক পান করেন। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা রোববার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের মেয়ে শামসুন্নাহার জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার ও জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোগের কারণে সৃষ্ট অসহনীয় কষ্ট ও ব্যথা সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে বাঁচাতে পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মানসিক হতাশা থেকে ওই বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি নাসিরনগর থানাকে অবহিত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ