বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৮:০২ এম
মালয়েশিয়ায় আবাসিক এলাকা এবং বিদেশিদের বসবাসের প্রধান হটস্পটগুলোতে দুই দিনের বিশেষ অভিযানে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ১ হাজার ৪৩ জন বিদেশিকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। আটকদের মধ্যে সাড়ে চারশ জনেরও বেশি বাংলাদেশি প্রবাসী আছেন।
স্থানীয় সময় বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, ১০ ও ১১ আগস্ট দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে মোট ৩ হাজার ৩০৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ ও নথিপত্র যাচাই করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৮৮০ জন পুরুষ এবং ১৬৩ জন নারী। তাদের বয়স ১৭ থেকে ৫৯ বছরের মধ্যে নির্ধারিত।
দ্য স্ট্রেইট টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়, আটকদের মধ্যে মোট ৪৬০ জন বাংলাদেশি। বাংলাদেশিদের মধ্যে ৩৬৯ জন পুরুষ এবং ৯১ জন নারী রয়েছেন। এ ছাড়া ৩২৮ জন ইন্দোনেশীয়, ১৮৬ জন মিয়ানমারের নাগরিক, ৫৫ জন ভারতীয় পুরুষ, ২২ জন নেপালি পুরুষ এবং অন্যান্য দেশের ১৪৩ জন নাগরিককে আটক করা হয়েছে।
জাকারিয়া শাবান বলেন, জনগণের অভিযোগ, ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে প্রাপ্ত তথ্য এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আবাসিক এলাকাগুলোকে অভিযানের মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্বচিত করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় কিছু এলাকায় বিদেশিদের অনিয়ন্ত্রিত উপস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগের কারণে অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
জাকারিয়া আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ এবং সাধারণ মানুষের উদ্বেগের পর দেশজুড়ে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। প্রতিদিন পাঁচটিরও বেশি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। আটকদের নথিপত্র যাচাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জাকারিয়া জানিয়েছেন।
অভিযানে কয়েকটি শিশুকেও তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে পাওয়া গেছে। চিহ্নিত অপরাধের মধ্যে বৈধ পরিচয়পত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থান করা, পাসের শর্ত লঙ্ঘন এবং স্বীকৃত নয়—এমন কার্ড বহন করা অন্তর্ভুক্ত।
এ ছাড়া অভিযানের সময় ৪৫ জন মালয়েশীয় নাগরিককে সাক্ষী হিসেবে হাজির হওয়ার নোটিশ দেয়া হয়েছে। নথিপত্রহীন বিদেশিদের আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে বাড়ি বা সম্পত্তির মালিকদের বিরুদ্ধেও তদন্ত করা হবে।
নথিপত্রহীন বিদেশিদের চলমান মাইগ্র্যান্ট রিপ্যাট্রিয়েশন প্রোগ্রামের সুবিধা নেয়ার আহ্বান জানান জাকারিয়া। এই কর্মসূচির আওতায় তারা স্বেচ্ছায় ইমিগ্রেশন বিভাগের কাছে আত্মসমর্পণ করে ৫০০ মালয়েশীয় রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে নিজেদের দেশে ফিরতে পারবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে প্রামাণ্য, তথ্যনির্ভর ও নির্মোহ ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত করার উদ্দেশ্যে শহিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের প্রকৃত এবং নির্ভুল তালিকা প্রণয়নের কৌশল ও করণীয় নির্ধারণ করার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এই সভা বুধবার (১২ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিচ্ছিন্ন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে তালিকা না করতে এবং বহুমুখী যাচাই-বাছাই ও গবেষণালব্ধ উপাত্তের সমন্বয়ে একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যভান্ডার গড়ে তোলার ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
সভায় আলোচকরা বলেন যে, মুক্তিযুদ্ধের পরে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে যাওয়ার কারণে দ্রুত প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। এর জন্য প্রশাসন, গবেষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সম্পৃক্ত করে মাঠপর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।
রণাঙ্গনের সশস্ত্র মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে নিহত সাধারণ মানুষ, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী এবং নারীদের তথ্যও যথাযথভাবে যাচাই ও সংরক্ষণের তাগিদ দেন তারা। তালিকাভুক্ত প্রতিটি নামের পেছনের দলিল ও তথ্যের উৎস সংরক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষণায় তা নির্ভরযোগ্য ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, দীর্ঘকাল ধরে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় অনিয়ম এবং অমুক্তিযোদ্ধাদের অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ রয়েছে, যা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক বিষয়। স্বাধীনতার পরপরই প্রশাসনিক কাঠামো স্বাভাবিক না থাকায় কোনো তথ্য-উপাত্ত ছাড়াই অনুমাননির্ভর শহীদ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, বিগত কয়েক দশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা লক্ষাধিক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা তৈরি করে স্বাধীনতার ইতিহাসকে কলঙ্কিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এই অবস্থার অবসান ঘটিয়ে শহীদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বীরাঙ্গনাদের সঠিক তালিকা প্রস্তুত করতে মন্ত্রণালয় অঙ্গীকারবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, সঠিকভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা, শহীদদের তালিকা ও বীরাঙ্গনাদের তালিকা উপস্থাপন করতে পারলেই ইতিহাসবিদদের কাছে ইতিহাস রচনার জন্য প্রামাণ্য তথ্য তুলে দেওয়া সম্ভব হবে; নইলে আমরাই ইতিহাসের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে যাব।
সভায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির ক্ষেত্রে কোনো অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তির অবকাশ থাকা উচিত নয়। প্রকৃত বীরদের যথাযথ মর্যাদা নিশ্চিত করতে তালিকা যাচাই-বাছাইয়ের কাজটি সর্বোচ্চ সতর্কতা, নিরপেক্ষতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে সম্পন্ন করার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব আশরাফুল ইসলাম, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আব্দুল হাই শিকদার এবং বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক আবদুল হাই সিদ্দিক।
এ ছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুল আলম বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল (অব.) আজিজুর রহমান বীর উত্তম, সিপিবির সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান খান, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাদেক আহমেদ খান ও নইম জাহাঙ্গীরসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে দীর্ঘদিন ক্যান্সার ও জন্ডিসে ভুগে অসহ্য যন্ত্রণা সইতে না পেরে বিষাক্ত কীটনাশক পান করে আত্মহত্যা করেছেন নোয়াব মোল্লা (৯০) নামে এক বৃদ্ধ। বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেল ৫টার দিকে ময়নাতদন্ত শেষে তাঁর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। নোয়াব মোল্লা নাসিরনগর উপজেলার কুন্ডা ইউনিয়নের কুন্ডা গ্রামের মোল্লাবাড়ির মৃত ওসমান মোল্লার ছেলে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার (৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে অসুস্থতাজনিত কষ্টের মধ্যে নোয়াব মোল্লা বিষাক্ত কীটনাশক পান করেন। পরে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে পরিবারের সদস্যরা রোববার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১টার দিকে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে মেডিসিন বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। এরপর পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নিহতের মেয়ে শামসুন্নাহার জানান, তাঁর বাবা দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সার ও জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন। রোগের কারণে সৃষ্ট অসহনীয় কষ্ট ও ব্যথা সহ্য করতে না পেরে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তাঁকে বাঁচাতে পরিবারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হলেও শেষ রক্ষা হয়নি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মানসিক হতাশা থেকে ওই বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। বিষয়টি নাসিরনগর থানাকে অবহিত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করার কারণে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে নুপুর কর্মকার (১৭) নামে এক পরীক্ষার্থী।
এটি ঘটেছে বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে পৌর এলাকার আনন্দধাম এলাকায়।
নুপুর কর্মকার খোকা কর্মকারের মেয়ে। তিনি আলমডাঙ্গা পৌর এলাকায় বসবাস করতেন। এ বছর তিনি আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। নুপুর মানবিক বিভাগের ছাত্রী হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যদের তথ্যমতে, নুপুর একজন ভালো ছাত্রী ছিল। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষায় ইংরেজি বিষয়ে ফেল করার পর সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলাফল মোবাইলে দেখার পর তার অবস্থার আরও অবনতি হয়। বুধবার বিকেলবেলা ঘরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় সে।
নুপুরের পিতা খোকা কর্মকার জানান, মেয়েটি গত দুই দিন ধরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করায়। তিনি ঘর থেকে বের হতে চাননি। পরিবারের সদস্যরা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল। বুধবার বিকেলে অনেকবার ডাকাডাকি করার পর ঘরের মধ্যে তার কোনো সাড়া না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরে গিয়ে তিনি গলায় ফাঁস লটকে থাকতে দেখেন। পরে তাকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
আলমডাঙ্গা থানার কর্মকর্তা বানী ইসরাইল জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ জানানো হয়নি। তাই মরদেহের ময়নাতদন্ত ছাড়াই সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার টিকটকারদের সংগঠন "নাসিরনগর সুপার গ্রুপ"-এর উদ্যোগে সরাইলের ধরন্তী পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে টিকটকারদের এক মিলনমেলা।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন অর্ধশতাধিক টিকটক সেলিব্রিটি বলেও জানা গেছে।
টিকটকারদের এই মিলনমেলায় অংশ নেওয়া টিকটকাররা তাদের ভিডিওতে বেশি লাইক, কমেন্ট, শেয়ার ও ফলো করে পাশে থাকার জন্য অনুরাগীদের প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে টিকটক সেলিব্রিটিদের ফুল দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। এ ছাড়া তারা নাচ-গানসহ বিভিন্ন পরিবেশনার আয়োজন করেন, যা নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, উক্ত টিকটক গ্রুপের চেয়ারম্যান মোছা. হালিমা বেগম, ভাইস-চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান এবং সভাপতি হাবিব মিয়া। সংগঠনটির সদস্যপদ নিতে হলে প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে ফি প্রদান করতে হয় বলে জানানো হয়েছে।
ধরন্তী পার্কে অনুষ্ঠিত এই মিলনমেলাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। অনেকেই এই আয়োজনের বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে মন্তব্য করছেন।
এ বিষয়ে নাসিরনগর উপজেলার সচেতন যুবসমাজের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা এ ধরনের আয়োজনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি খতিয়ে দেখে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এ ধরনের আয়োজন এলাকার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
নাসিরনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন যে, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ