শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২০ পি.এম
মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলায় গৃহবধূ মরিয়ম আক্তার মুন্নী (২২) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার প্রধান আসামি ছামেলী আক্তার (২৫) কে ঢাকার মোহাম্মদপুরের বছিলা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে বড়লেখা থানা পুলিশ। গত ২১ আগস্ট বিকেল আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে ৩টার মধ্যে যেকোনো সময়, মুড়িরগুল গ্রামে স্বামীর বাড়িতে মরিয়ম আক্তার মুন্নী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এই ঘটনার পর মুন্নীর মা মোছা. রেনু বেগম বাদী হয়ে যৌতুকের জন্য নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে বড়লেখা থানায় মামলা দায়ের করেন। ৫ সেপ্টেম্বর দায়ের করা মামলাটিতে দণ্ডবিধির ৩০৬/৩৪/১০৯ ধারাসহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১১(গ)/৩০ ধারায় মামলা রুজু করা হয়। মামলার নম্বর-৫।
মামলা দায়েরের পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে বড়লেখা থানা পুলিশের একটি দল বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালাচ্ছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করার পর এসআই শেখ কামরুল ইসলাম ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. আবদুল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দুই দিন অভিযান পরিচালনা করে।
এর ধারাবাহিকতায়, গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের সহায়তায় মোহাম্মদপুর থানাধীন বছিলা এলাকা থেকে মামলার ১ নম্বর ও প্রধান আসামি ছামেলী আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।
বড়লেখা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জানিয়েছেন, গ্রেপ্তার আসামিকে মামলার ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিধি অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর বিদ্যমান অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০৩১ সাল পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য একটি আইনে স্বাক্ষর করেছেন। এই আইনটি মার্কিন সরকারের নতুন পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
নতুন আইনের মাধ্যমে রাশিয়ার ওপরও নতুন বিধিনিষেধ, শুল্ক এবং নিষেধাজ্ঞার পরিধি বৃদ্ধি করেছে ওয়াশিংটন।
হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ট্রাম্প শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ‘লিন্ডসে ও. গ্যারেহাম স্যাংকশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট ২০২৬’ শীর্ষক একটি খসড়া বিল অনুমোদন করেন।
‘এইচ.আর. ৫৩৩৪’ নম্বরের এই বিশেষ বিলটি ট্রাম্পের স্বাক্ষরের মাধ্যমে চূড়ান্ত আইনে পরিণত হয়েছে। আগে ইরানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।
নতুন আইনটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। ওয়াশিংটনের এই কঠোর পদক্ষেপকে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতিমালা পরিপন্থী বলে দাবি করেছে তেহরান। ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা আচরণকে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
আইনটির নামকরণে প্রয়াত মার্কিন সিনেটর লিন্ডসে গ্যারেহামের নাম রাখা হয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন রাজনীতিতে প্রভাবশালী ছিলেন। ইসরাইলের প্রতি আনুগত্যের জন্য পরিচিত এই সিনেটর মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি সামরিক অভিযানের এবং গাজায় ইসরাইলের সহিংস যুদ্ধনীতির সমর্থক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
সূত্র: মিডলইস্ট আই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বলিউড অভিনেত্রী ক্যাটরিনা কাইফ দীর্ঘদিন পর সন্তান জন্মের পর প্রকাশ্যে এসেছেন। তার চেহারা ও শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা ও কটাক্ষ শুরু হয়েছে। তবে এই পরিস্থিতি ক্যাটরিনার জন্য নতুন নয়। সন্তান জন্মের পর বলিউডের অন্যান্য অভিনেত্রীদের চেহারা ও শরীরের পরিবর্তন নিয়ে মন্তব্য করার প্রবণতা বহুদিনের। এবার সেই তালিকায় ক্যাটরিনার নামও যুক্ত হয়েছে।
এদিকে, ‘কেমন দেখতে লাগছে’—এই ধারণা নিয়ে ক্যাটরিনার একটি পুরোনো সাক্ষাৎকারের বক্তব্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ‘দ্য হলিউড রিপোর্টার ইন্ডিয়া’র সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি জানিয়েছিলেন, ক্যারিয়ারের শুরুর সময়ের তুলনায় এখন তার কাছে সুন্দর দেখানোর সংজ্ঞা অনেকটাই বদলে গেছে।
ক্যাটরিনা বলেছিলেন, ‘এটা অনেক বদলে গেছে। মডেলিং ও অভিনয়জীবনের শুরুর দিকে সৌন্দর্যের মানদণ্ড নিয়ে অনেক ধরনের বাঁধাধরা ধারণা ছিল। এখন আমার কাছে নিজের সেরা দেখানোর অর্থ হলো নিজের সবচেয়ে ভালো অনুভব করা। আর সেটা আসে নিজেকে সামগ্রিকভাবে যত্ন নেওয়ার মাধ্যমে।’
নিজেকে ভালো রাখার জন্য তিনি স্বাস্থ্যকর খাবার, শরীরে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত সক্রিয় থাকা, ধ্যান, সকালে এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকা এবং ঘুম থেকে ওঠার পর প্রাকৃতিক আলো নেওয়ার মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেন বলেও জানান।
ক্যাটরিনার ভাষায়, ‘স্বাস্থ্যকর খাবার, শরীরে প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে রাখা, সক্রিয় থাকা, ধ্যান, সকালে এক ঘণ্টা ফোন থেকে দূরে থাকা এবং দিনের শুরুতেই প্রাকৃতিক আলো নেওয়া—এসব আমার অনুভূতিতে বড় পরিবর্তন আনে। শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব আমার ত্বকের ওপরও পড়ে। আমার মনে হয়, আপনি যখন ভেতর থেকে সুস্থ অনুভব করেন, সেই আত্মবিশ্বাস স্বাভাবিকভাবেই বাইরেও ফুটে ওঠে।’
এদিকে, ক্যাটরিনার সাম্প্রতিক ছবি ও ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দুই ধরনের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ তার চেহারার পরিবর্তন নিয়ে কটাক্ষ করেছেন, আবার কেউ তার পাশে দাঁড়িয়ে সমালোচনার জবাব দিয়েছেন।
এক এক্স ব্যবহারকারী ক্যাটরিনার আগের ও বর্তমান সময়ের ছবি পাশাপাশি প্রকাশ করে লিখেছেন, ‘আমি ভাবছি, বিয়ের আগে এবং বিয়ের পর আমরা যে ক্যাটরিনাকে দেখতাম, তার কী হলো।’
গণেশ চতুর্থীর একটি অনুষ্ঠানে ক্যাটরিনার ভিডিও প্রকাশ করে আরেক ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘বছরের পর বছর মুখে বোটক্স ব্যবহার করে এবং প্রাকৃতিক ত্বকের বদলে প্লাস্টিক ব্যবহার করলে এভাবেই বয়স বাড়ে।’
অন্যদিকে, ক্যাটরিনার সমর্থনে এগিয়ে এসেছেন অনেক অনুরাগী। এক ভক্ত লিখেছেন, ‘সে নতুন মা হয়েছে, তার শরীরের আপনাদের বিচার নয়, ভালোবাসা প্রয়োজন। নারীদের শরীর নিয়ে কটাক্ষ না করে তাদের সুস্থ হয়ে ওঠার সময় দিন, মাতৃত্বকে গ্রহণ করার সুযোগ দিন।’
ওই অনুরাগী আরও বলেন, ক্যাটরিনা তার বর্তমান চেহারা নিয়ে স্বচ্ছন্দ থাকার মাধ্যমে অনেক নারীকে নিজেদের শরীর নিয়ে ইতিবাচক হতে সাহায্য করছেন। তার দাবি, ক্যাটরিনার চাইলে ওজন কমানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষক ও পুষ্টিবিদ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে; কিন্তু তিনি শরীরের পরিবর্তনকে স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করে নিজের জীবন উপভোগ করছেন।
ক্যাটরিনা কাইফ ও তার স্বামী ভিকি কৌশল ২০২৫ সালের ৭ নভেম্বর পুত্রসন্তানের বাবা-মা হন। তাদের সন্তানের নাম ভিহান। সন্তান জন্মের এক বছরও পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যেই ক্যাটরিনার চেহারা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন আলোচনা শুরু হওয়ায় বিষয়টি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলমান এই সমালোচনা নিয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি ক্যাটরিনা কাইফ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তেলঙ্গানার গাদওয়াল জেলার রেপাল্লে গ্রামে আন্তঃজাতি বিবাহের কারণে এক দলিত পরিবারের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হলে একটি অনুসন্ধানকারী দল তদন্তে নামে এবং পুলিশ ইতিমধ্যে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
দলিত বহুজন ফ্রন্ট (ডিবিএফ), হিউম্যান রাইটস ফোরাম (এইচআরএফ) এবং আম্বেদকর স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এএসএ)-এর যৌথ অনুসন্ধানকারী দলটি দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
অনুসন্ধানকারী দলের তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ সেপ্টেম্বর হায়দরাবাদের একটি আর্য সমাজ মন্দিরে মাদিগ সম্প্রদায়ের (দলিত) এক যুবক এবং বোয়া সম্প্রদায়ের এক তরুণী বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর নিরাপত্তার স্বার্থে নবদম্পতি মাসাব ট্যাঙ্ক থানায় যান।
অভিযোগ রয়েছে, এর পরপরই গত ১০ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা নাগাদ কনেপক্ষের প্রায় ১৫ জন সদস্য রেপাল্লে গ্রামে এসে হামলা চালায়। তারা ট্রাক্টর, সাবল ও বিভিন্ন দেশীয় সরঞ্জাম ব্যবহার করে দলিত পরিবারের বাড়িটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। ঘটনার দিনই পুলিশে একটি প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (এফআইআর) দায়ের করা হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান ডিবিএফ-এর জাতীয় সম্পাদক পি. শঙ্কর, এইচআরএফ কর্মী সঞ্জীব, এএসএ মুখপাত্র তথা হাইকোর্টের আইনজীবী এডু দিবাকর এবং সমাজকর্মী ভাস্কর। গাদওয়ালের ডিএসপি মোগুলিও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অনুসন্ধানকারী দলটি হামলায় সরাসরি যুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি যারা পেছনে থেকে উসকানি দিয়েছে তাদেরও দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। এছাড়াও, দায়ের করা এফআইআর-এ সম্পত্তি ক্ষয়ক্ষতির ধারা যুক্ত করার পাশাপাশি ‘এসসি/এসটি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইন’-এর আওতায় পরিবারটিকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে, যাতে তারা পুনরায় মাথা গোঁজার ঠাঁই গড়ে তুলতে পারে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে দিশাহারা কিশোর ইশায়াত শাহরিয়ার ওরফে অপ্রতীমের পরিবার। গতকাল বিকেল থেকে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় থাকা পরিবার আজ শনিবার তার মরদেহ উদ্ধারের খবর পায়। ইশায়াতের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক–শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা–কর্মচারীদের মধ্যে শোক নেমে এসেছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ উদ্ঘাটন ও জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আবদুল হাকিম বলেন, ‘বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের একমাত্র ছেলের এমন মৃত্যু আমরা কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবার এ ঘটনায় শোকাহত।’
মরদেহ উদ্ধারের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ইশায়াত শাহরিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন।
তিনি লেখেন, ‘শুধুমাত্র একটি আইফোনের জন্য ছেলেটাকে মেরে ফেললি। এইরকম ১০টা ফোন মুক্তিপণ হিসেবে চাইতি—আমরা দিতাম। নিখোঁজ অপ্রতীমকে মেরে ফেলা হয়েছে। হে আল্লাহ বাবা–মাকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুন।’
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ঘটনার শুরু থেকেই পুলিশ বিষয়টি নিয়ে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে কাজ চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
এরআগে আজ দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গল থেকে ইশায়াতের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইশায়াত শাহরিয়ার কোটবাড়ি এলাকার বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকায় মা–বাবার সঙ্গে থাকত সে।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তোলার কথা বলে গতকাল শুক্রবার বেলা আড়াইটার দিকে মায়ের আইফোন নিয়ে বাসা থেকে বের হয়েছিল ইশায়াত। পরে আর বাসায় ফেরেনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ