০৯:১৮ এম
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সড়ক পরিবহন আইনকে কঠোরভাবে কার্যকর করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) মোটরযান চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তন শুরু করেছে।
সম্প্রতি এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি চালকদের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে গাড়ি চালানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
বিআরটিএ জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ধারা-১১ (১) অনুযায়ী প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সের বিপরীতে মোট ১২টি পয়েন্ট বরাদ্দ থাকে। সড়ক-মহাসড়কে কোনো চালক আইন অমান্য করলে বা বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করলে অর্থদণ্ড বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি, অতিরিক্ত শাস্তি হিসেবে তার লাইসেন্স থেকে এই দোষসূচক পয়েন্ট কর্তন করা হচ্ছে।
বর্তমানে ‘রোড সেফটি পেনাল্টি সিস্টেম’ (আরএসপিএস) অ্যাপের মাধ্যমে কোনো চালক ট্রাফিক আইন অমান্য করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই পয়েন্ট কাটা হচ্ছে, বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনা এবং অপরাধ কমাতে, দেশের সব চালককে ট্রাফিক আইন যথাযথভাবে অনুসরণ করার নির্দেশ দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে স্পেনের বিপক্ষে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না উরুগুয়ের। কিন্তু অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরার বড় ভুলের খেসারত দিতে গিয়ে ১-০ গোলে হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।
মেক্সিকোর গুয়াদালাহারায় অনুষ্ঠিত সেই ম্যাচে স্পেনকে জয় এনে দেন আলেক্স বায়েনা। ৪২তম মিনিটে তার নেওয়া তুলনামূলক সহজ একটি শট সামলাতে ব্যর্থ হন উরুগুয়ের গোলরক্ষক ফার্নান্দো মুসলেরা। বলটি তার হাত ফসকে জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় স্পেন, এবং ওই একটি গোলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়।
গোল হজমের পরপরই কোচ মার্সেলো বিয়েলসা মুসলেরাকে মাঠ থেকে তুলে সের্হিও রোচেতকে নামালেও, ততক্ষণে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। ৪০ পেরোনো এই গোলরক্ষক আগের ম্যাচগুলোতেও ভুল করেছিলেন। তবু গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে তাকে প্রথম একাদশে রাখার সিদ্ধান্ত উরুগুয়ের জন্য শেষ পর্যন্ত ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচের পুরো সময়জুড়ে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল উরুগুয়ে। একের পর এক আক্রমণ করলেও, শেষ তৃতীয়াংশে কার্যকর পরিকল্পনার অভাব স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। ফলে বহু চেষ্টা করেও স্পেনের রক্ষণভাগ ভাঙতে তারা সক্ষম হয়নি।
এই হারের ফলে, তিন ম্যাচে মাত্র দুই পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছে উরুগুয়ে। প্রথম দুই ম্যাচেও কেপ ভার্ডে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে তারা ব্যর্থ হয়েছিল। অন্যদিকে, তিনটি ড্র করে তিন পয়েন্ট পাওয়া কেপ ভার্ডে তাদের ওপরে থেকে নকআউটের দৌড়ে এগিয়ে যায়। স্পেনের বিপক্ষে ড্র করতে পারলেও, গোল ব্যবধানে কেপ ভার্ডেকে পেছনে ফেলে শেষ ষোলো নিশ্চিত করতে পারত উরুগুয়ে।
তৃতীয় সেরা দলগুলোর মধ্যে একটি হিসেবেও, শেষ ষোলোয় ওঠার সুযোগ পাওয়া যায়নি উরুগুয়ের। কারণ অন্যান্য গ্রুপগুলোতে ইতোমধ্যে অন্তত আটটি দল তিন পয়েন্টের বেশি অর্জন করেছে।
অন্যদিকে, সাত পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউটে উঠেছে স্পেন। কেপ ভার্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্র করার পর টানা দুই জয় তুলে নিয়ে তারা নিজেদের শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে প্রমাণ করেছে। তবে শেষ ষোলোয় তাদের প্রতিপক্ষ এখনও নিশ্চিত হয়নি।
ম্যাচের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠার বদলে, উরুগুয়ের খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা ও অস্থিরতা দেখা যায়। বদলি খেলোয়াড় আগুস্তিন ক্যানোবিও মেজাজ হারিয়ে ফেলেন, এবং শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে হতাশায় মাঠে লুটিয়ে পড়ে উরুগুয়ের ফুটবলাররা। বিশ্বকাপ মিশনের এমন সমাপ্তি নিশ্চয়ই দীর্ঘকাল মনে রাখবে দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আজ, ২৭ জুন, পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক বধির-অন্ধ দিবস। এই বিশেষ দিনটি দৃষ্টি এবং শ্রবণ—এই দুটির মধ্যে গুরুতর প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেঁচে থাকা মানুষের অধিকার, মর্যাদা ও সমাজে অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব অন্বেষণ করার জন্য পালন করা হচ্ছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২৭ জুনকে আন্তর্জাতিক বধির-অন্ধ দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, আজকের এই দিনটি বিশ্বখ্যাত লেখক ও সমাজকর্মী হেলেন কেলারের জন্মদিন উপলক্ষে উদযাপিত হচ্ছে। তিনি দৃষ্টি ও শ্রবণ—দুই ধরনের প্রতিবন্ধকতা নিয়ে বেঁচে থেকেও ভূবনজুড়ে লাখো মানুষের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠেছেন।
জাতিসংঘের বক্তব্য অনুযায়ী, বধির-অন্ধত্ব কেবল দৃষ্টি ও শ্রবণশক্তি হারানোর বিষয় নয়, বরং এটি একটি স্বতন্ত্র প্রতিবন্ধকতা। এক ইন্দ্রিয়ের সীমাবদ্ধতা অন্য ইন্দ্রিয় দ্বারা পূরণ করা প্রায় অসম্ভব হয়ে যায়। এর ফলেই শিক্ষা, যোগাযোগ, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান সহ দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তাদের আলাদা ধরনের সাহায্যের প্রয়োজন হয়।
বাংলাদেশে বধির-অন্ধ ব্যক্তিরা বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছেন। তাদের জন্য এখনো একটি নির্ভরযোগ্য জাতীয় তথ্যভান্ডার নেই, যার ফলস্বরূপ কতজন মানুষ এই প্রতিবন্ধকতা নিয়ে জীবনযাপন করছে, তার সঠিক সংখ্যা বের করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলে থাকেন, পরিসংখ্যানের অভাবে নীতিনির্ধারণ, সরকারি সেবা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে তারা অনেক সময় অবহেলিত হয়ে যান।
দেশে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত দোভাষী, পথপ্রদর্শক এবং যোগাযোগ সহায়তাকারীর সংখ্যা অনেক কম। এর কারণে অনেক বধির-অন্ধ ব্যক্তি শিক্ষা গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া কিংবা সরকারি ও বেসরকারি সেবা গ্রহণে সমস্যায় পড়ছেন। তাদের অনেক পরিবারেরও প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং সচেতনতার অভাবে তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
প্রতিবন্ধী অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠনগুলোর মতে, বধির-অন্ধ ব্যক্তিদের জন্য আলাদা শিক্ষা ব্যবস্থা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ ও প্রশিক্ষিত সহায়তাকারী নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। এই ক্ষেত্রে সরকারি নীতিমালায় এই প্রতিবন্ধকতাকে স্বতন্ত্রভাবে গুরুত্ব দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করার দাবিও জোরালোভাবে জানানো হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বধির-অন্ধ দিবসের মূল বার্তা হলো— কাউকে অদৃশ্য করে রাখা নয়, বরং সমান অধিকার, প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করা। সচেতনতা বৃদ্ধি ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশেও বধির-অন্ধ ব্যক্তিদের জন্য আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের তিনটি জেলায় মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে চলেছে। এই তাপপ্রবাহ আগামী শনিবারও (২৭ জুন) চালু থাকতে পারে। এর পাশাপাশি দেশের কিছু অঞ্চলে বৃষ্টিহীন অবস্থায় ভ্যাপসা গরম অনুভূত হতে পারে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সন্ধ্যায় আবহাওয়া অধিদফতরের নিয়মিত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, রাজশাহী, পাবনা ও যশোর জেলার ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বইছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। শনিবার (২৭ জুন) সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রার প্রায় কোন পরিবর্তন হতে পারে না।
এছাড়া শনিবার (২৭ জুন) রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি আসতে পারে।
সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টির তথ্যও জানা গেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ