০৭:১৩ পি.এম
শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি, অভিভাবকদের অসচেতনতা, প্রধান শিক্ষকগণের উদাসীনতা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতিবাচক মনিটরিং এর প্রভাবে মাধ্যমিক শিক্ষা দিন দিন পিছিয়ে পরার ফলে এসএসসি ২০২৬ পরিক্ষায় হবিগঞ্জ জেলা অনাকাঙ্ক্ষিত সর্বনিম্ন পাসের হার অর্জন করেছে। এমন মন্তব্য প্রকাশ করেছেন হবিগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফরিদা নাজমীন।
তিনি বলেন জেলার ৯টি উপজেলায় এবার এসএসসিতে ১৫ হাজার ৬৯৪ জন
শিক্ষার্থী পরিক্ষায় অংশ নেয়।
সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে হবিগঞ্জ জেলায় পাসের হার ৫৫.৪০% এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬৭৫ জন শিক্ষার্থী।
যা সিলেট বিভাগের মধ্যেে সর্বনিম্ন।
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত
ফরিদা নাজমীন বলেন হবিগঞ্জ জেলায় এবার এসএসসিতে পাসের হার নিম্নমুখী হয়ার প্রাথমিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের চরম উদাসিনতা, শিক্ষার্থী অনুপস্থিতি, অভিভাবক অসচেতনতা ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের নেতিবাচক মনিটরিংয়ের প্রভাবে এমন অবস্থা দাবিয়েছ ।
তিনি বলেন একজন পিয়ন বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়ার আগে যদি প্রধান শিক্ষক উপস্থিত থাকেন তাহলে ওই বিদ্যালয়ের অন্য কোন শিক্ষক বিলম্বে উপস্থিত হয়ার কোন সুযোগ থাকে না।
প্রধান শিক্ষকদের অব্যবস্থাপনার ফলে দিন দিন হবিগঞ্জে শিক্ষার মান নিম্নমুখী হচ্ছে।
তাই প্রধান শিক্ষকগণ যেমন সেই বিদ্যালয়ের পড়ালেখা মানও তেমন।
তিনি বলেন অভিভাবকগণের অসচেতনতার প্রভাবের ফলে তাদের সন্তানরা ক্রমশই পিছিয়ে পড়েছে।
নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত, যথাযথ জ্ঞন অর্জন হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে তেমন কোনো খুঁজ খবরও রাখছেন না তারা।
আরও পড়ুন: ভাণ্ডারিয়ায় যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, র্যালি ও সমাবেশ
কিন্তু আজমিরীগঞ্জ, বানিয়াচং ও নবীগঞ্জ পাসের হার জেলার মধ্যে সর্ব নিম্ন রয়েছে।
তবে প্রতিকূল প্রাকৃতিক পরিবেশের কারনে হাওর অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত শিখন কাজে অংশ নিতে পারে না। কিন্তু অনুকুল পরিবেশে পাঠদান কার্যক্রম দ্রুতশীল করা হলে তা কাটিয়ে উঠা সম্ভব।
জেলা শিক্ষা অফিসার জানান বিদ্যালয় মনিটরিং নিয়মিত হচ্ছে না কারন সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার পদ ১ টি,
সহকারী পরিদর্শক ৩ টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ৪ টি একাডেমিক সুপারভাইজার ৩ টি শূন্য পদে জনবল না থাকায় বিদ্যালয় মনিটরিং কাযক্রম অনেকটা মন্থর গতিতে চলছে। ফলে যে যেভাবে পারছেন সেই ভাবে শিক্ষা প্রতিষ্টান পরিচালনা করছেন।
তিনি বলেন আমাদে স্বল্প জনবল নিয়েই ২০২৭ সালের এস এস সি পরিক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল অর্জনে লক্ষ্য নিয়ে এখন থেকে কাজ চালিয়ে যাবেন তিনি। এবং নিজেই জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান পরিদর্শন করার পত্যয় ব্যক্ত করেন।
আরও পড়ুন: নাটোরের বড়াইগ্রামে প্রাচীন রামাগাড়ী কাচারীঘরের জমি অবৈধ দখলের অভিযোগ, বিলুপ্তির পথে ঐতিহ্য
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন