ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ইনস্টাগ্রামে দেড় কোটি ফলোয়ার, ফলো করেন শুধু অভিষেককে


ঐশ্বরিয়া রাইয়ের ইনস্টাগ্রামে দেড় কোটি ফলোয়ার, ফলো করেন শুধু অভিষেককে

বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। সৌন্দর্য, অভিনয় এবং ব্যক্তিজীবন নিয়ে অনুরাগীদের মধ্যে কৌতূহলের অন্ত নেই। ইনস্টাগ্রামে তার অনুসারীর সংখ্যা দেড় কোটি ছাড়িয়েছে। তবে, কি জানেন, এই অভিনেত্রী নিজে শুধুমাত্র একজনকেই অনুসরণ করেন?

তিনি আর কেউ নন, ঐশ্বরিয়ার স্বামী এবং বলিউডের অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। ইনস্টাগ্রামে ঐশ্বরিয়ার অনুসরণ করা ব্যক্তিদের তালিকায় শুধুমাত্র অভিষেকই রয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় ঐশ্বরিয়া। নিজের কাজ, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ, ফ্যাশন এবং পরিবারের বিশেষ মুহূর্তের ছবি তিনি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন। তবে অন্যদের অনুসরণ করার ক্ষেত্রে তিনি বেশ সংযত।

আরও পড়ুন: জয়ের বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো ছবি, ভক্তদের মন্তব্য ‘এবার জমি নিশ্চিত’

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, ইনস্টাগ্রামে একমাত্র অভিষেক বচ্চনকেই অনুসরণ করেন ঐশ্বরিয়া।

গত কয়েক বছর ধরে ঐশ্বরিয়া এবং অভিষেকের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে নানা ধরনের জল্পনা চলছে। তাদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তর আলোচনা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইনস্টাগ্রামে ঐশ্বরিয়ার একমাত্র অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করার বিষয়টি নতুন করে নজর কেড়েছে।

তবে দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে ছড়ানো জল্পনার বিষয়ে ঐশ্বরিয়া বা অভিষেক—কেউই প্রকাশ্যে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেননি।

আরও পড়ুন: আব্বাসউদ্দীনের ভাওয়াইয়া গান নিয়ে উৎসবের আয়োজন করবে সরকার: সংস্কৃতিমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আসমা হত্যাকাণ্ড: ৬০ দিন পর রহস্য খুলে দিলো নাকফুল-কাপড়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


আসমা হত্যাকাণ্ড: ৬০ দিন পর রহস্য খুলে দিলো নাকফুল-কাপড়

দীর্ঘ ৬০ দিন ছায়া তদন্তের পর পুলিশ চাঞ্চল্যকর আসমা বেগম হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে। ক্লু-লেস এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত দুইজন, ইকরামুল শেখ (৪০) ও মীর আলী (৪৮), গ্রেফতার করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোংলা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম।

ব্রিফিংয়ে পুলিশ জানায়, আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে আসমার চা দোকানে যাতায়াত করতেন। বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেনও হয়েছে। পূর্ব পরিচয়ের ভিত্তিতে তারা আসমাকে মোংলা থেকে দাকোপে ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে তার মরদেহ ফেলে দেওয়া হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তেমন কোনো আলামত ছিল না। তবুও সূক্ষ্ম তদন্ত চালানো হয়। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুই আসামির অবস্থান শনাক্ত করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে নিহত আসমার মোবাইল ফোনটিও উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা চা বিক্রেতা আসমাকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত আসমা বেগম (৩৯) দুই সন্তানের জননী এবং তার বাড়ি মোংলার মালগাজী এলাকায়। তিনি ফেরিঘাট সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকায় একটি চায়ের দোকান চালাতেন। ১৪ আগস্ট দিবাগত রাতে দোকান থেকে বাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন আসমা। কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে ১৬ আগস্ট মোংলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার পরিবার।

পরে, ২০ আগস্ট খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার কাজিবাছা নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। ওই সময় মরদেহটির পরিচয় শনাক্ত না হলেও; আলামত হিসেবে নাকফুল ও পরিধেয় কাপড়ের ছবি সংরক্ষণ করা হয়।

নৌ পুলিশের সংরক্ষিত ছবি-তথ্যের ভিত্তিতে ছায়া তদন্ত শুরু করে মোংলা থানা পুলিশ। নিখোঁজ আসমার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে তার ব্যবহৃত কাপড়ের সঙ্গে অর্ধগলিত মরদেহের কাপড়ের সাদৃশ্য খুঁজে পায় তদন্ত দল। এছাড়া, বিশেষ ধরনের নাকফুলের ছবি দেখানোর পর উপস্থিত স্বজনরা মরদেহটি চা বিক্রেতা আসমার বলে নিশ্চিত করে।

নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর কল ডিটেলস রেকর্ড (সিডিআর) বিশ্লেষণ এবং নিবিড় গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে প্রথমে ধরা পড়ে ইকরামুল। পরে, তার দেওয়া তথ্যে ধরা পড়েন মীর আলী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চগড়ে খুদ্দামুল কোরআনের উদ্যোগে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কোরআন বিতরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২০ পি.এম


পঞ্চগড়ে খুদ্দামুল কোরআনের উদ্যোগে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে কোরআন বিতরণ

খুদ্দামুল কোরআন বাংলাদেশ কোরআন শিক্ষা বোর্ডের উদ্যোগে ৩০০ শিক্ষার্থীর মাঝে পবিত্র কোরআন বিতরণ ও সবক প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ আগস্ট) সকালে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার আজিজনগর মাঠে অনুষ্ঠিত সবক প্রদান অনুষ্ঠানে ৮০টি মক্তবের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

এই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ড-এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মুফতি বখতিয়ার হোসেন সরদার।

কোরআনের সবক গ্রহণ করা শিশুরা সাধারণ বিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি প্রতি দিন ভোরে মক্তবে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে।

দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিম জানায়, ‘আমি এখন নিজে নিজে কোরআন পড়তে পারি। নিজের কোরআন পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।’

তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান বলেন, ‘প্রতিদিন ভোরে মক্তবে এসে পড়ি। বড় হয়ে পুরো কোরআন শিখতে চাই।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অভিভাবক আব্দুল্লাহ মন্তব্য করেন, ‘স্কুলের পড়ার পাশাপাশি সন্তান কোরআন শিখছে, এটা আমাদের জন্য বড় প্রাপ্তি। শৈশব থেকেই ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা পেলে ওরা সঠিক পথে বড় হবে। এমন চর্চা কোমলমতি শিশুদের জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক বখতিয়ার হোসাইন সরদার বলেন, ‘শিশুকাল থেকেই ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধের সঠিক বুনিয়াদ গড়ে তুলতে পারলে জীবনের শুরুতেই ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এটি আগামী প্রজন্মকে মাদকের ছোবল ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে নিরাপদ রাখতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।’

বোর্ডের সূত্র মতে, খুদ্দামুল কুরআন বাংলাদেশ কুরআন শিক্ষা বোর্ডের পরিচালনায় ‘সুবাহী মক্তব’ সারাদেশের ৩৬টি জেলায় প্রায় ছয় হাজার মক্তব চালু রয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে পর্যায়ক্রমে প্রতিবছর লাখ লাখ ছেলে-মেয়ে এসব মক্তব থেকে কোরআন শিক্ষা নিয়ে আসছে। চলতি বছরে ২ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী এসব মক্তবে পড়াশোনা করছে।

বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত নিয়মিত পরীক্ষায় ৪৫ হাজার ছেলে-মেয়ে আম্মাপারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছে। অক্টোবর মাসজুড়ে সারাদেশে একযোগে কুরআন সবক অনুষ্ঠান চলমান রয়েছে। বরিশালের এই আয়োজন সেই ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নওগাঁর কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি আবাদে ব্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


নওগাঁর কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি আবাদে ব্যস্ত

নওগাঁ, ১৪ অক্টোব, ২০২৬ : শীতকালীন সবজির উৎপাদনের সাথে শীতের আগমনের একটি নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান। এই মওসুমে শীতকালীন সবজিতে মানুষের শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় নানা পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়। এজন্য শীতকালীন সবজির প্রয়োজনীয়তা এবং উপযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নওগাঁ জেলা শহরের বিভিন্ন বাজার এবং গ্রামাঞ্চলের হাটগুলোতে বর্তমানে পর্যাপ্ত পরিমাণ শাক সবজি পাওয়া যাচ্ছে। এসব শাক সবজির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ফুলকপি, পাতা কপি, পটল, পালং শাক, লাল শাক, পুঁই শাক, করলা, বেগুন, সীম, লাউ, মূলা, ঢেড়স, শশা, চাল কুমড়া, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি। উৎপাদিত এসব শাক সবজি কৃষকদের কাছ থেকে ৪ হাত বদল হয়ে ভোক্তাদের কাছে পৌঁছায়।

নওগাঁ সদর উপজেলার কির্ত্তীপুর ইউনিয়নের খামারআতিথা গ্রাম শাক সবজি উৎপাদনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য এলাকা হিসেবে পরিচিত।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁ সদর উপজেলায় আগাম শীতকালীন শাক সবজি চাষের পরিমাণ ৫৪০ হেক্টর, রানীনগর উপজেলায় ১৫ হেক্টর, আত্রাই উপজেলায় ৩৫ হেক্টর, বদলগাছী উপজেলায় ৩৮০ হেক্টর, মহাদেবপুর উপজেলায় ৬৭০ হেক্টর, পত্নীতলা উপজেলায় ৩১০ হেক্টর, ধামইরহাট উপজেলায় ২৫০ হেক্টর, সাপাহার উপজেলায় ১৩০ হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ১২০ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ৬০০ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৩০৫ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষ হচ্ছে।

সদর উপজেলার খামারআতিথা গ্রামের কৃষক বাবুল হোসেন বাসস'কে জানান, তিনি তার ১২ কাঠা জমিতে এবারে আগাম জাতের ফুলকপি চাষ করেছেন। তিনি ২ হাজার ৫শ’টি কপির চারা রোপণ করেন। জমির চাষ, চারা তৈরি, পরিচর্যা, কীটনাশক, সার, ফসফেট, পটাশ ইত্যাদির জন্য মোট খরচ হয়েছে প্রায় ১৫ হাজার টাকা। গড়ে প্রতিটি কপির ওজন ৫০০ গ্রাম বা আধা কেজি। সেই হিসেবে ২৫শ’ পিচ কপির মোট ওজন ১২শ’ ৫০ কেজি। প্রতি কেজি কপি পাইকারি মূল্য ৫০ টাকা হিসেবে মোট বিক্রি মূল্য ৬২ হাজার ৫শ’ টাকা। সব খরচ বাদ দিয়ে তার নীট লাভ ৪৭ হাজার ৫শ’ টাকা।

বদলগাছী উপজেলার বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের কৃষক শাহিনুল ইসলাম জানান, তিনি এক বিঘা জমিতে পটল চাষ করেছেন। তিনি বাসসকে বলেন, এক বিঘা জমিতে চাষ করতে জমি তৈরি, চারা, বাঁশের আড়া, সার, কীটনাশক, পরিচর্যা ইত্যাদির জন্য মোট খরচ হয়েছে কমপক্ষে ৫০ হাজার টাকা। চৈত্র মাসে তিনি জমিতে চারা রোপণ করেন এবং জৈষ্ঠ মাস থেকে পটল বাজারে বিক্রি শুরু করেন। এটি কার্তিক মাস পর্যন্ত চলবে। প্রতি সপ্তাহে জমি থেকে প্রায় ১০ মণ হারে মাসে ৪০ মণ পটল তুলেন। সেই হিসেবে ৬ মাসে তার মোট পটল উৎপাদনের প্রত্যাশা ২৪০ মণ। বর্তমানে পাইকারিভাবে প্রতি মণ পটলের বিক্রি মূল্য ৯শ’ টাকা, যা ২ লাখ টাকার ওপরে।

পাইকারি ব্যবসায়ী আজিজুল জানান, তিনি সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ১১৫ টাকা দরে সীম কিনে এনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন।

নওগাঁ বাজারের খুচরা শাক সবজি ব্যবসায়ী মো. শামসুল আলম এবং হাসান আলী বলেন, তারা নওগাঁর পাইকারি বাজার থেকে সব ধরনের শাক সবজি ক্রয় করেন এবং ভোক্তা পর্যায়ে ১০ টাকা লাভ রেখে খুচরা বিক্রি করে থাকেন।

নওগাঁ জেলা সদরের বড় বাজারে পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী বরাত আলী বাসসকে জানান, তিনি বা তার মত ব্যবসায়ীরা গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন হাট এবং কৃষকদের থেকে সরাসরি বিভিন্ন শাক সবজি কিনে এনে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন। খুচরা বিক্রেতারা পরে ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দেন।

তিনি বলেন, কৃষকদের কাছ থেকে ৯শ’ টাকা মণ হিসেবে পটল কিনে আনেন এবং খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে মণ প্রতি ১শ’ টাকা লাভ করে ১ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এভাবে তারা সবগুলো শাক সবজি মণ প্রতি ১শ’ থেকে ১৫০ টাকা মুনাফা রেখে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ফুলকপি ৮০ টাকা কেজি, পালং শাক ১০০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, লাল শাক ৪০ টাকা, পুঁই শাক ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, বেগুন ১০০ টাকা, সীম ১৫০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৩০/৪০ টাকা, ঢেড়স ৬০ টাকা, মূলা ৫০ টাকা কেজি, শশা ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

সুলতানপুর থেকে নওগাঁ বড় বাজারে বাজার করতে আসা আব্দুর রশিদ বাসসকে জানান, বাজারে পর্যাপ্ত শীতের শাক সবজি উঠেছে এবং দাম ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রয়েছে। গত মওসুমের তুলনায় এ বছর সব কিছুর দাম কিছুটা কম রয়েছে।

নওগাঁ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বাসস'কে বলেন, কৃষকরা যে আগাম শাক সবজি চাষ করেন, তারা অধিক মূল্য পাওয়ার আশায় কাজ করেন। এ ক্ষেত্রে কৃষকদের পরিশ্রম কিছুটা বেশি হয়। বর্তমানে বাজারে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত শাক সবজির যে মূল্য পাচ্ছেন, তাতে তারা সন্তুষ্ট। ভোক্তারাও বর্তমান মূল্যে খুশি রয়েছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নওগাঁর উপ-পরিচালক মো. মনজুর রহমান বাসসকে জানান, নওগাঁ জেলার জমি প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত উর্বর। যে কোন ফসলের মত শাক সবজি উৎপাদনও ভালো হয়। আগাম শাক সবজি চাষ করে জেলার কৃষকরা ভালো দাম পাচ্ছেন।

তিনি জানান, এ বছর জেলায় মোট ৩ হাজার ৩শ’ ৫৫ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন শাক সবজি চাষ হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে বই পড়ার আগ্রহ বৃদ্ধিতে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২১ পি.এম


ঝালকাঠিতে বই পড়ার আগ্রহ বৃদ্ধিতে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ অনুষ্ঠিত

ঝালকাঠি, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ : শিশুদের বই পড়ার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, পাঠাভ্যাস গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে এবং আনন্দের মাধ্যমে শেখার পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে ‘পড়া-খেলা উৎসব’ আয়োজন করা হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় ঝালকাঠি শহরের পৌরসভা আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ‘রুম টু রিডে’র উদ্যোগে এ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এতে অংশগ্রহণ করে।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. বশির গাজী।

জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিদ্যালয়ের সভাপতি অ্যাড. মো. শাহাদাৎ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেগুফতা মেহনাজ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শাহিনুল ইসলাম মজুমদার এবং পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট দীনা ইয়াসমিন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘রুম টু রিডে’র ব্যবস্থাপক কামাল হোসেন, ঝালকাঠি সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম তালুকদার, উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম আল মামুন এবং প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সদর উপজেলা শাখার সদস্যসচিব রফিকুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকরা।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, পড়া ও খেলার সমন্বয়ে শিশুদের পঠনদক্ষতা বৃদ্ধি, অভিভাবকদের শিশুদের বই পড়তে উৎসাহিত করা এবং বিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় বই পড়ার উপযোগী পরিবেশ তৈরি করাই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য, ‘রুম টু রিড’ ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সংস্থাটি বাংলাদেশে ২০০৯ সাল থেকে শিক্ষা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রাথমিক স্তরে শিশুদের পঠনদক্ষতা বৃদ্ধি ও পাঠাভ্যাস গঠনে কাজ করছে সংস্থাটি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%