ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৩০ জন


চর দখলকে কেন্দ্র করে মেঘনায় সংঘর্ষ, আহত অন্তত ৩০ জন

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের আলীপুর এলাকার একটি চর দখলকে কেন্দ্র করে পার্শ্ববর্তী তিতাস উপজেলার বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার টেঁটা-বল্লম নিয়ে দফায় দফায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। আহতদের মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে ২৮ জনকে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পরে ছেড়ে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত দুজনকে ঢাকার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে, এ তথ্য জানিয়েছেন মেঘনা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সায়মা রহমান।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে চরের মালিকানা ও দখল নিয়ে মেঘনা উপজেলার আলীপুর গ্রামের বাসিন্দাদের এবং তিতাস উপজেলার নতুন বাটেরা ও দুধঘাটা এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ বাটেয়ারা মৌজার ১৪ দশমিক ৭৫ একর জমি ১৯৮৯-৯০ সালে ২৩টি দলিলের মাধ্যমে আলীপুর গ্রামের বাসিন্দারা জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে ইজারা নিয়েছিলেন।

আরও পড়ুন: পটুয়াখালী জেলা যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে জনতার উপস্থিতি, আলোচনায় কবির শিকদার

অন্যদিকে নতুন বাটেরা ও দুধঘাটা এলাকার বাসিন্দারা দাবি করে আসছেন যে, তারা ১৯৯৯-২০০০ সালে একই এলাকার ১০ দশমিক ১৪ একর জমি ইজারা নিয়েছিলেন। এই বিরোধের সূত্র ধরেই সংঘর্ষের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।

মেঘনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তিতাস থানার সঙ্গে সমন্বয় করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেঘনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌসুমি আক্তার জানান, সংশ্লিষ্ট জমির কাগজপত্র ও রেকর্ড যাচাই-বাছাই করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: জগন্নাথপুরে পানি সেচ ও মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১৫

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তিন মাসের মধ্যেই চীনে খুলছে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস: আশিক চৌধুরী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ এম


তিন মাসের মধ্যেই চীনে খুলছে বিডার প্রথম বিদেশি অফিস: আশিক চৌধুরী

চায়না-সাউথ এশিয়া এক্সপোতে অংশ নিয়ে বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের বাইরে বিডার প্রথম অফিস খুব শিগগিরই চালু করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে এই অফিস স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

এক প্রতিবেদনে চীনা গণমাধ্যম সিজিটিএন এই তথ্য জানিয়েছে। আশিক চৌধুরী আরও বলেছেন, চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ প্রক্রিয়া বিদেশি অফিসের মাধ্যমে আরও সহজ ও দ্রুত হবে। ফলে তাদের জন্য যোগাযোগ, তথ্য সংগ্রহ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া অনেক বেশি সুবিধাজনক হবে।

তিনি উল্লেখ করেছেন, গত পাঁচ বছরে চীনা বিনিয়োগ বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় বিদেশি বিনিয়োগের উৎসগুলোর একটি হয়ে উঠেছে। এই গুরুত্বকে বিবেচনায় নিয়ে বিডা চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি আলাদা সেবা কাঠামো গড়ে তুলেছে এবং তাদের জন্য পৃথকভাবে কাজ করছে।

আশিক চৌধুরী জানান, গত বছরের শেষ প্রান্তিকে বিডার অধীনে একটি বিশেষ 'চায়না ডেস্ক' চালু করা হয়েছে। এই ডেস্কে নিয়োজিত কর্মকর্তারা কেবল চীনা বিনিয়োগকারীদের সহায়তা ও সেবা প্রদানের জন্য নিয়োজিত থাকছেন। চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য পৃথক ফোকাসড সাপোর্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের ১৮০ দিনের সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। গত মার্চ মাসে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেছিলেন, চীনে বাংলাদেশের উপস্থিতি আরও দৃশ্যমান করা এবং বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ দ্রুত সমাধানের সুযোগ তৈরি করবে এই অফিস।

তখন তিনি আশা করেছিলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই অফিসটির কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) প্রথমবারের মতো দেশের বাইরে একটি অফিস স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করছে। চীনা বিনিয়োগের কিছু অংশ বাংলাদেশে আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিলতা উৎস পর্যায়ে সমাধান করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

এদিকে, এই উদ্যোগের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিডা ১৩টি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্প চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল (চাইনিজ ইকোনমিক জোন) বাস্তবায়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিডার ধারণা, প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

বিডার বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশে বেসরকারি প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ক্ষেত্রে সৌদি আরবের পর দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন। এই সময়ে মূল ভূখণ্ড চীন থেকে ৪ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং হংকং থেকে ১৭৩ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ এসেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্সে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


মোটরযান মেরামত কারখানার লাইসেন্সে বিআরটিএর নতুন নির্দেশনা

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত পদ্ধতি ও ফি দিয়েই লাইসেন্স গ্রহণ করা ছাড়া মোটরযান মেরামত কারখানা স্থাপন কিংবা পরিচালনা করতে পারবে না।

সংস্থাটি সম্প্রতি এক বার্তায় জানায়, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ এর ধারা ৬৪ (১) অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়া কোন ব্যক্তিকে বা প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পদ্ধতি ও নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে লাইসেন্স গ্রহণ করার অনুমতি দেয়া হবে না যা মোটরযান মেরামত কারখানা চালানোর জন্য প্রয়োজন।

বিআরটিএ আরও জানায়, ঢাকা বিভাগের আওতাধীন এলাকায় যারা লাইসেন্স গ্রহণে আগ্রহী, তাদের সড়ক পরিবহন বিধিমালা, ২০২২ এর বিধি ১৫৭ এর উপবিধি-(১) অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এলাকার রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক (ইঞ্জিনিয়ারিং) বা সহকারী পরিচালকের (ইঞ্জিনিয়ারিং) কাছে নির্ধারিত ফরম-৪০ (বিআরটিএর ওয়েবসাইট www.brta.gov.bd থেকে সংগ্রহযোগ্য) অনুযায়ী আবেদন করতে হবে।

এছাড়া, বিআরটিএ আরও জানিয়েছে যে, বিধি-১৫৬ এর উপবিধি-(৫) অনুযায়ী আবেদনের সঙ্গে প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এর মধ্যে মোটরযান মেরামতে নিয়োজিত কর্মীদের (অটোমোবাইল) মোটরযানের উপর প্রাসঙ্গিক কারিগরি জ্ঞান ও দক্ষতার প্রমাণপত্র, মোটরযান মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও সাজসরঞ্জামের ব্যবস্থা থাকার প্রমাণ, কারখানায় অন্তত পাঁচটি যানবাহন রাখার জায়গার প্রমাণ, মালিক বা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স সনদের সত্যায়িত কপি, টিআইএন সার্টিফিকেট ও হালনাগাদ আয়কর পরিশোধ সনদের সত্যায়িত কপি, স্থানীয় কাউন্সিলর বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সুপারিশ এবং আর্থিক সচ্ছলতার সনদ জমা দিতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অসদাচরণের অভিযোগে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বাতিলের আইন পাস করল সুইডেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৫ এম


অসদাচরণের অভিযোগে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বাতিলের আইন পাস করল সুইডেন

সুইডেনের পার্লামেন্ট নতুন একটি অভিবাসন আইন পাস করেছে। চলতি বছরের সোমবার অনুমোদিত এই আইনের আওতায় দেশটির কর্তৃপক্ষ অসদাচরণের অভিযোগে অভিবাসীদের বসবাসের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

সরকার বলছে, যারা দেশের আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলবে না, তাদের সুইডেনে থাকার সুযোগ দেওয়া হবে না। নতুন এই আইনের মাধ্যমে সুইডেন অভিবাসন নীতি আরো কঠোর করার পথে একটি বড় পদক্ষেপ নিয়েছে। নতুন আইনে বলা হয়েছে, যদি কোনো অভিবাসীর বিরুদ্ধে বকেয়া ঋণ পরিশোধ না করা, কর না দেওয়া, নিবন্ধন ছাড়া কাজ করা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকা বা উগ্রপন্থি সংগঠনের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে তার বসবাসের অনুমতি বাতিল করা যেতে পারে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই আইন শুধুমাত্র নতুন আবেদনকারীদের ক্ষেত্রেই নয়, বরং আগেই বসবাসের অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ, অতীতের আচরণও পর্যালোচনা করে কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিতে পারবে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে সুইডেনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন ডানপন্থি সরকার এবং তাদের সমর্থক জাতীয়তাবাদী দল সুইডেন ডেমোক্র্যাটস দীর্ঘদিন ধরে অভিবাসন নীতি কঠোর করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নতুন আইনকে দেখা হচ্ছে।

তবে নতুন আইনটি নিয়ে দেশটিতে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দল, মানবাধিকার সংগঠন এবং নাগরিক অধিকারকর্মীরা এই আইনের সমালোচনা করেছেন। তাদের ভাষ্য, আইনে কোন আচরণকে 'খারাপ আচরণ' হিসেবে গণ্য করা হবে, তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়নি। তাই এই আইন ইচ্ছামতো ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি হতে পারে। স্টকহোমভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন সিভিল রাইটস ডিফেন্ডার্স এক বিবৃতিতে বলেছে, এই আইন অভিবাসীদের মধ্যে ভয় ও অনিশ্চয়তা তৈরি করবে।

তাদের মতে, একজন ব্যক্তি আগে থেকে বুঝতে পারবেন না যে তার কোন কাজ, বক্তব্য বা আচরণ ভবিষ্যতে তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হতে পারে। ফলে অনেকেই নিজেদের মত প্রকাশ বা স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়তে পারেন। সিভিল রাইটস ডিফেন্ডার্স আরো বলেছে, এই আইন আইনের শাসন এবং সবার জন্য সমান আইনি সুরক্ষার নীতিকে দুর্বল করতে পারে।

২০২২ সালের নির্বাচনে অভিবাসন কমানোর এবং অপরাধ দমনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসে। এর পর থেকে অভিবাসন নীতিতে একের পর এক কঠোর পরিবর্তন আনা হচ্ছে। সরকারের অবস্থান হচ্ছে, যারা সুইডিশ সমাজের নিয়মকানুন মানবে না বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াবে, তাদের দেশে থাকার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।

নতুন আইনের আওতায় কারো বসবাসের অনুমতি বাতিল করা হবে কি না, তা পর্যালোচনা করবে সুইডেনের মাইগ্রেশন এজেন্সি। এই সংস্থাটিই প্রতিটি মামলা আলাদাভাবে মূল্যায়ন করবে। তবে এ ধরনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মাইগ্রেশন আদালতে আপিল করার সুযোগ পাবেন। চলতি বছরের মার্চে বিলটি পার্লামেন্টে উপস্থাপন করার সময় অভিবাসনমন্ত্রী জোহান ফোরসেল বলেছিলেন, 'যারা সঠিক কাজ করার চেষ্টা করছে না, তাদের সুইডেনে থাকার আশা করা উচিত নয়।'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৬ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৮ এম


হজ শেষে দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

দেশে ফিরে আসা হাজিদের সংখ্যা ৫৭ হাজার ৪২২ জন। জানানো হয়েছে যে, হজ পালন শেষে সৌদি আরব থেকে এ পর্যন্ত ১৩৮ ফ্লাইটে দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশি হাজিরা। সরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৩১৩ জন হাজি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ফিরে এসেছেন ৫৩ হাজার ১০৯ জন হাজি। এদিকে, হজ পালনের জন্য সৌদি আরবে গিয়ে এখন পর্যন্ত ৫২ জন বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ এবং ১৭ জন নারী রয়েছেন। মক্কায় ৩৭ জন, মদিনায় ১৪ জন এবং জেদ্দায় একটি মৃত্যু হয়েছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সর্বশেষ তথ্যে জানা গেছে, সৌদি সময় অনুযায়ী ১৬ জুন পর্যন্ত ফিরতি হজযাত্রী পরিবহনে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস শীর্ষে রয়েছে। এসময় প্রতিষ্ঠানটি ২৪ হাজার ৪৯৯ জন হাজিকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে। সৌদি এয়ারলাইনস ১৯ হাজার ৮২৭ জন, ফ্লাইনাস এয়ারলাইনস ৮ হাজার ৩৮০ জন এবং অন্যান্য এয়ারলাইনসের মাধ্যমে ৪ হাজার ৭১৬ জন হাজি ফিরেছেন। এখন পর্যন্ত মোট ১৩৮ ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে। এই ফ্লাইটগুলোর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালনা করেছে ৬৭টি, সৌদি এয়ারলাইনস ৫০টি এবং ফ্লাইনাস ২১টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে। স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে, সৌদি আরবে বাংলাদেশি চিকিৎসাকেন্দ্রগুলো থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪ হাজার ৭৫১টি স্বয়ংক্রিয় চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র প্রদান করা হয়েছে এবং আইটি হেল্পডেস্কের মাধ্যমে ২৭ হাজার ৯২০টি সেবা দেওয়া হয়েছে। চলতি বছর পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে। বাংলাদেশ থেকে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার ৫৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭৩ হাজার ৯৩৫ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে গিয়েছিলেন। হাজীদের প্রথম ফিরতি ফ্লাইট শুরু হয় ৩০ মে এবং শেষ ফিরতি ফ্লাইট নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৩০ জুন। হাজীদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%