ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

তবুও সিরিয়ার রাশিয়াকে প্রয়োজন?


তবুও সিরিয়ার রাশিয়াকে প্রয়োজন?

দামেস্কের ক্ষমতার পালাবদলের পর সিরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যকার সম্পর্ক সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়নি বরং তা একটি নতুন বাস্তবতার ভিত্তিতে আরও সুসংহত হচ্ছে।

বাশার আল-আসাদের পতনের পর অনেকে ভেবেছিলেন যে সিরিয়ায় মস্কোর প্রভাব চিরতরে শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু দীর্ঘ দেড় বছরের বেশি সময় ধরে চলা কূটনৈতিক আলোচনা ও সমঝোতার পর চলতি আগস্ট মাসের গোড়ার দিকে, দুই দেশ একটি নতুন সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছে। এর মাধ্যমে তার্তুস ও হেমেইমিম সামরিক ঘাঁটির ভবিষ্যৎ রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে, দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক ধ্বংসের পরিবর্তে মূলত এক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।

দামেস্কের নতুন নীতিনির্ধারকরা আদর্শগত বা গতানুগতিক রাজনৈতিক আনুগত্যের চেয়ে বাস্তবভিত্তিক প্রয়োজনীয়তাকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধ এবং পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কারণে সিরিয়ার অর্থনীতি বর্তমানে মারাত্মক সংকটের মুখে। অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি, তীব্র জ্বালানি সংকট এবং খাদ্যের উচ্চ মূল্যস্ফীতির মতো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সিরিয়া এখন এমন অংশীদারদের খুঁজছে যারা সরাসরি বাস্তব সুবিধা দিতে সক্ষম।

আরও পড়ুন: সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে জানতে চেয়েছে সংসদীয় কমিটি

যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তুরস্ক এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পাশাপাশি সিরিয়া তাই মস্কোর সঙ্গে পুরোনো সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। কারণ কিয়েভ বা পশ্চিমা দেশগুলোর কাছ থেকে বড় ধরনের সাহায্য পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সময় লাগলেও, রাশিয়ার সরবরাহ করা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও জ্বালানি তাৎক্ষণিকভাবে দেশের অভ্যন্তরীণ স্থায়িত্ব বজায় রাখতে সাহায্য করছে।

বিশেষ করে খাদ্য নিরাপত্তা এবং জ্বালানি খাতের ওপর রাশিয়ার গভীর প্রভাব রয়েছে। সিরীয় কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২০২৬ মৌসুমে দেশটিতে আমদানিকৃত গমের প্রায় পঁচাশি শতাংশই এসেছে রাশিয়া থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ২৯ লাখ টন। যুদ্ধবিধ্বস্ত সিরিয়ায় রুটি মানুষের দৈনন্দিন জীবনের মৌলিক চাহিদা হওয়ায় এই খাদ্যপণ্য সরবরাহ দেশটির রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়া, জ্বালানি খাতেও রাশিয়ার অবদান ব্যাপক। গত বছর সিরিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তেল সরবরাহ করেছে রাশিয়া এবং চলতি বছরের প্রথম মাসগুলোতেও এই সরবরাহের পরিমাণ বেশ উর্ধ্বমুখী ছিল। দেশের ভেতরের উৎপাদন ক্ষমতা তলানিতে ঠেকে থাকায় যাতায়াত ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং কলকারখানা সচল রাখতে এই আমদানিকৃত জ্বালানির কোনো বিকল্প নেই।

সামরিক ক্ষেত্রেও পুরোনো চুক্তি সংশোধন করে নতুন পথ বেছে নেওয়া হয়েছে। তার্তুস ও হেমেইমিমের বেসামরিক স্থাপনাগুলোর নিয়ন্ত্রণ সিরিয়ার সরকারের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং সামরিক সাইটগুলোকে যৌথ প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়ন কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তর করা হচ্ছে। এর ফলে দামেস্ক যেমন নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে পারছে, তেমনি সিরিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর পুনর্গঠন ও আধুনিকায়নে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও সামরিক কারিগরি সহায়তা অক্ষুণ্ণ থাকছে।

আরও পড়ুন: তানজিন তিশার মামলার অধিকতর তদন্তের নির্দেশ সিআইডিকে

এছাড়া, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষাগত সম্পর্ক জোরদার করতে দামেস্কে রুশ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। সিরিয়ার নতুন নেতৃত্ব পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে বিনিয়োগ ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ালেও, মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন না করে বরং একটি ভারসাম্যপূর্ণ বৈদেশিক নীতি বজায় রাখছে, যা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রকে এবার পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি দিলেন ইরানি ধর্মীয় নেতা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রকে এবার পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকি দিলেন ইরানি ধর্মীয় নেতা!

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে মোহাম্মদ নবী মুসাভিফার্ড নামে এক ইরানি ধর্মীয় নেতা প্রতিপক্ষের উদ্দেশে ভয়ংকর এক হুমকি দিয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) জুমার খুতবায় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের উদ্দেশে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, যদি প্রতিপক্ষরা ইরানের অবকাঠামো ধ্বংসে আবারও যুদ্ধ শুরু করে, তবে তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র হাতে নিতে বাধ্য করা হবে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) ইরানি সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের একটি প্রতিবেদন থেকে এটি জানা গেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের আহভাজ শহরে জুমার নামাজে ইমাম মোহাম্মদ নবী মুসাভিফার্ড বলেন, ইরানের পারমাণবিক শক্তি অন্য কোনো দেশের বিষয় নয়। এটি একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়, এবং যদি কেউ ভিন্নভাবে মনে করে, তবে তারা এসে যুদ্ধ করুক।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হবে মার্কিন স্বার্থ। এ ধরনের সংঘাত শুরু হলে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র হাতে তুলে নেবে।

এ সময় মুসাভিফার্ড উল্লেখ করেন, জর্ডানে মার্কিন বিনিয়োগের উপর হামলা, আমেরিকান ঘাঁটিগুলো থেকে সৈন্য প্রত্যাহার এবং বাব আল-মান্দেব প্রণালীর সংকটের বিষয়। তিনি বলেন, ওয়াশিংটন আত্মসমর্পণের কাছাকাছি চলে এসেছে। হরমুজ প্রণালী নিয়ে সংঘাতে প্রবেশ করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন সংকটের সম্মুখীন হয়েছে।

এদিকে, ইরানের গার্ডিয়ান কাউন্সিল এবং অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসের সদস্য ও ধর্মীয় নেতা আহমদ খাতামি সম্প্রতি দেশটির রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করতে ব্যর্থ হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মার্কিন ও ইস্রায়েলি হামলা সত্ত্বেও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্য করে আমাদের পারমাণবিক সক্ষমতা এখনও বিদ্যমান। আমাদের পারমাণবিক শক্তি দেশের বিজ্ঞানী এবং পারমাণবিক জ্ঞানের ফসল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ পি.এম


৬ জেলায় ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কসংকেত

দেশের ৬ জেলা সকালের ৯টা থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেইসাথে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে নির্দেশ করা হয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাত ৯টা থেকে রবিবার (১৬ আগস্ট) সকাল ৯টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে ঝিনাইদহে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রির দায়ে ঝিনাইদহে ২ ব্যবসায়ীকে জরিমানা

ঝিনাইদহ শহরের কেপি বসু সড়কসংলগ্ন বাজার এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিনের মজুদ এবং বিক্রির অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের পরিচালনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়েছে।

শনিবার (১৫ আগস্ট) এই অভিযান পরিচালনা করা হয়, যেখানে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

যাত্রা পথে, আনুমানিক ৩২ কেজি অবৈধ পলিথিনের শপিং ব্যাগও জব্দ করা হয়েছে।

অভিযানটির নেতৃত্ব দেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাজনীন সুলতানা। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০)-এর ৬ক(খ) ধারা অনুসারে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়।

অভিযানে প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ঝিনাইদহ জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মুন্তাছির রহমান। এসময় অধিদপ্তরের হিসাবরক্ষক আকরাম হোসেন, নমুনা সংগ্রহকারী মো. কামরুজ্জামান এবং ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের একটি দল অভিযানে সহযোগিতা করে।

পরিবেশ অধিদপ্তর ঝিনাইদহ কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পরিবেশ দূষণ রোধ ও আইনের সুষ্ঠু বাস্তবায়নে নিষিদ্ধ পলিথিনের ব্যবহার, মজুদ ও বিক্রির বিরুদ্ধে এই ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পদ্মার বুকে মিনি সুইজারল্যান্ড সবুজের টানে মাঝচরে দর্শনার্থীর ঢল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শনিবার, ১৫ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৪৯ পি.এম


পদ্মার বুকে মিনি সুইজারল্যান্ড সবুজের টানে মাঝচরে দর্শনার্থীর ঢল

রাজশাহী নগরী থেকে মাত্র তিন কিলোমিটার দূরে, পদ্মা নদীর বুকের উপরে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ মাঝচর আজ প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য নতুন আকর্ষণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। চারপাশে সবুজ ঘাসের মাঠ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জলাশয়, ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা বসতঘর আর নদীর নির্মল বাতাস-সব মিলিয়ে মাঝচর যেন প্রকৃতির নিজ হাতে আঁকা এক অসাধারণ ছবি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি ও ভিডিওতে এর মুগ্ধকর সৌন্দর্য দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিদিনই দর্শনার্থীদের আগমন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পবার হরিয়ান ইউনিয়নে অবস্থিত এই মাঝচরে বসবাস করেন প্রায় ৬০ থেকে ৭০টি পরিবার। নদীর বুকেই তাদের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও জীবন-জীবিকা। তবে বরাবরই এই বসতি স্থায়ী নয়। পদ্মায় পানি বাড়লেই ডুবে যায় চর; পানির সঙ্গে হারিয়ে যায় ঘরবাড়ি ও ফসল। পানি নেমে গেলে চর আবার জেগে ওঠে এবং নতুন করে বসতি গড়ার সংগ্রাম শুরু হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর বর্ষায় পানি বাড়লেই সুদৃশ্য মাঝচর তলিয়ে যায়। পানি কমলে আবার তারা ঘর তুলে বসবাস শুরু করেন। এবার বর্ষা মৌসুমেও পানি না বাড়ায় এখনো সবুজে ঢাকা মাঝচর। দূর থেকে দেখা যায় সবুজ মাঠের মধ্যে ছোট ছোট টিনের ঘর, বাঁশের বেড়া ও খড়ের গোলা। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্যই টানছে দর্শনার্থীদের।

অনেকে নৌকায় পদ্মা পাড়ি দিয়ে পরিবার-পরিজন এবং বন্ধুদের সঙ্গে মাঝচরে আসছেন। কেউ ঘুরছেন, কেউ ছবি-ভিডিও ধারণ করছেন। সেগুলো পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার ফলে আগ্রহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। দর্শনার্থীদের মধ্যে অনেকে মাঝচরকে মিনি সুইজারল্যান্ড বলে উল্লেখ করছেন।

দর্শনার্থী আনোয়ার হোসেন বলেন, সবুজ মাঠ, নদী আর ছোট ছোট ঘর মিলে এখানে অসাধারণ এক দৃশ্য সৃষ্টি হয়েছে। তবে সৌন্দর্যের আড়ালে চরবাসীর জীবন রয়েছে অনিশ্চিত। ইউপি সদস্য আবু জাফর ইবনে আলম প্রমিজ জানান, নদীর পানি ও ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এখানে বসবাস করছেন মানুষ।

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আর মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম- এই দুইয়ের সম্পর্কেই পদ্মার মাঝচর এখন রাজশাহীর নতুন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%