বুধবার, ২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৫৭ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী রুফটপ সোলার স্থাপনের সুবিধা সম্পর্কে জানিয়েছেন, বাড়িওয়ালারা কী সুবিধা পাবেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন, তাদের জন্য সরকার প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ গ্রিডে সরবরাহের জন্য ১০ টাকা ১৫ পয়সা দরে কিনবে। বাল্ক রেটের অতিরিক্ত অর্থ সরকার প্রণোদনা হিসেবে প্রদান করবে।
এতে গড়ে প্রতি ইউনিট ৬-৭ টাকা উৎপাদন ব্যয়ের বিপরীতে ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সুযোগ সৃষ্টি হবে। এই সুবিধা আগামী তিন বছরের জন্য কার্যকর থাকবে।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের তৃতীয় দিনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনিরের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ বাড়াতে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।তিনি আরও জানান, ‘বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে ৮ জুন সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য অপরিহার্য পণ্যসমূহ যেমন— সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ইত্যাদির ওপর আরোপণীয় সমুদয় কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২ শতাংশ অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর হতে শর্তসাপেক্ষে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।’
রুফটপ সোলার স্থাপনে সরকারের উদ্যোগের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ ভবনের ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে। ওই কর্মসূচি বাস্তবায়নে একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে।’
তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ/সংস্থাগুলোকে ইতিমধ্যে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ইতিমধ্যে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপন করা হয়েছে।’
সৌর বিদ্যুতের পাশাপাশি পানি বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি, ওই কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সংকট মোকাবেলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চায়নায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে চায়না বিএনপির উদ্যোগে গুয়াংজু শহরের স্থানীয় একটি হোটেলে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দলটির সিনিয়র নেতা সাখাওয়াত হোসেন কানন। সভা পরিচালনা করেন আসিফ হক রুপু।
কানন সভায় উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে অবিরাম কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে।
সরকারে আসার ১৫ দিনের মাথায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এভাবে একের পর এক প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে শুরু করেছেন তিনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথে এগিয়ে যাবেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মাহাবুবর রশীদ, ওয়ালী উল্লাহ, মো. সাখাওয়াৎ, হাসমত আলি মৃধা, মো. মাসুদ, মো. অপু, মো. রাকিবুল ইসলাম, মো. নাদিম আহম্মেদ এবং মাহাবুব জামান প্রমুখ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
র্যাবের মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়েছে। এই অভিযানে র্যাবের নেতৃত্বে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যৌথভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে অভিযানের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে।
তিনি গণমাধ্যম এবং সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। তথ্য দাতাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করবে।
বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় র্যাব-৬ খুলনার সদর দপ্তরে সুন্দরবনের জলদস্যুদের আত্মসমর্পণ ও অস্ত্র উদ্ধার উপলক্ষে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেন তিনি। এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার সুন্দরবনের পাঁচটি জলদস্যু বাহিনীর ৫৯ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন এবং ৬৯টি অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে র্যাব-৬।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে র্যাব মহাপরিচালক জানান, এ পর্যন্ত সুন্দরবনের ৩১৮ জন জলদস্যু আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৩০ জন আবার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ফিরে গেছে। আত্মসমর্পণকারীদের একটি অংশ পুনর্বাসনের সুযোগ পাওয়ার পরও কেন তারা আবার অপরাধে ফিরে যাচ্ছে, সেটি এখন নতুন করে ভাবনার বিষয়।
তিনি বলেন, সামাজিক চাপ, রাজনৈতিক কারণ, সচেতনতার অভাব, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে অনীহা এবং হয়রানির ভয়-এসব কারণে কেউ কেউ আবার অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। তবে, ৩১৮ জনের মধ্যে ৩০ জনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ফিরে যাওয়ার হারকে খুব বেশি মনে করছেন না র্যাব মহাপরিচালক।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ১শ’ শতাংশ তো আর স্বাভাবিক জীবনে আনতে পারব না। যেহেতু আমরা তাদের সার্বক্ষণিক নজরদারি করতে পারি না। আর কিছু বাস্তব সীমাবদ্ধতাও থাকে।’ আত্মসমর্পণকারীদের বিষয়ে নজরদারি নেই-এমনটি নয় বলেও জানান তিনি। র্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। আত্মসমর্পণের পর কেউ আবার অপরাধে জড়াচ্ছে কি-না, তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
র্যাব মহাপরিচালক জানান, সুন্দরবনে এখনো চার থেকে পাঁচটি জলদস্যু বাহিনী সক্রিয় রয়েছে। এসব বাহিনীর সদস্যদের অপরাধের পথ ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরানোর চেষ্টা চলছে। আত্মসমর্পণকারীদের জন্য নেয়া পুনর্বাসন প্যাকেজ দেখে অন্যরাও উৎসাহিত হবে বলে আশা করছেন তিনি। তবে, অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে এবার পুনর্বাসন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, আত্মসমর্পণকারীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে আগের চেয়ে ভালো পুনর্বাসন ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সঙ্গে আলোচনা চলছে। অন্যদিকে আত্মসমর্পণকারীদের অহেতুক মামলা ও হয়রানির বিষয়টিও সামনে এসেছে।
র্যাব মহাপরিচালক আরও বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা প্রমাণ ছাড়া কাউকে আটক কিংবা মামলা দেওয়া উচিত নয়। ভবিষ্যতে আত্মসমর্পণকারীরা যাতে অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সতর্ক করা হয়েছে। সুন্দরবনের নিরাপত্তা জোরদারে সেখানে একটি র্যাব ব্যাটালিয়ন স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বর্তমানে সুন্দরবন এলাকায় কোস্ট গার্ডের একটি ক্যাম্প রয়েছে। সুন্দরবনবাসী চাইলে সেখানে র্যাবের একটি ব্যাটালিয়ন স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে পারেন বলে জানান তিনি।
এদিকে, বন্য প্রাণীর প্রজনন, বিচরণ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনে পর্যটক ও বনজীবীদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞা শেষে ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিধিবিধান ও অনুমতি সাপেক্ষে সুন্দরবন আবার পর্যটক ও বনজীবীদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে।
সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন র্যাব মহাপরিচালক। একই সঙ্গে উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তা, বনজীবীদের জীবন-জীবিকা এবং দেশের মূল্যবান প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, এবার আত্মসমর্পণকারী ৫৯ জনের মধ্যে বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর ১৬ জন, আনারুল বাহিনীর ১৩ জন, আফজাল ওরফে দুলাভাই বাহিনীর ১৫ জন, আফতাব বাহিনীর ৮ জন এবং মিজান বাহিনীর ৭ জন রয়েছেন।
তাদের আত্মসমর্পণের সঙ্গে সুন্দরবনের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদও উদ্ধার করেছে র্যাব। উদ্ধার করা হয়েছে ৫৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৪১ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৪টি খালি কার্তুজ ও ৭টি ওয়াকিটকি।
উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে চারটি শটগান, ৪৭টি ওয়ান শুটার গান, চারটি পাইপগান, তিনটি এয়ারগান এবং একটি পয়েন্ট ২২ বোর রাইফেল।
র্যাব বলছে, সুন্দরবনের জলদস্যু ও বনদস্যু দমনে র্যাব, কোস্ট গার্ড, স্থানীয় প্রশাসন, নৌ-পুলিশ ও বন বিভাগের সমন্বয়ে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ নামে বিশেষ অভিযান চলছে। গত ২ মার্চ থেকে ধারাবাহিকভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে র্যাব ফোর্সেস।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঞ্চসার এআর ক্লিনিকে অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে কর্তৃপক্ষকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বুধবার, বেলা ১১টার দিকে অভিযোগের ভিত্তিতে ক্লিনিকটিতে অভিযান শুরু করা হয়। অভিযানের সময় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংরক্ষণ, ফার্মেসির অনুমোদন না থাকা এবং অনুমোদিত শয্যার তুলনায় অতিরিক্ত রোগী ভর্তি রাখার বিষয়গুলো ধরা পড়ে। এছাড়া, এক্স-রে টেকনোলজিস্টসহ প্রয়োজনীয় জনবলও সেখানে উপস্থিত ছিল না।
ক্লিনিকটিতে অনুমোদিত শয্যার সংখ্যা ১০টি, কিন্তু সেখানে ১৭ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুটি ধারায় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষকে মোট ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
অভিযানটি পরিচালনা করেন মুন্সীগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. সাজেদা বেগম এবং সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারজানা আক্তার। অভিযানের সময় পুলিশের একটি দল সহযোগিতা করেছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন, অনুমোদনের শর্ত ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ক্লিনিক পরিচালনা এবং রোগীদের স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলার মতো অনিয়মের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্ব) গভীর রাতে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নে পৃথক অভিযান পরিচালনা করে দুই ব্যাবসায়ীকে এইজরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ। তাঁর সাথে ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম তারেক এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার। এ সময় ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, উপজেলার পাইকের ছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা কুড়ারপাড় এলাকায় মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খোকনের মালিকানাধীন মেসার্স খোকন ব্রিক্স-এর দুটি ঘরে অভিযান চালিয়ে ১৬ বস্তা ইউরিয়া ও ৭ বস্তা ডিএপি সার পাওয়া যায়। অবৈধভাবে সার মজুদের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির মালিককে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অপরদিকে একই ইউনিয়নের কুড়ারপাড় বাজারের সার ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলামের মেসার্স রফিক ট্রেডার্স-এর দোকানে অভিযান চালিয়ে ৯ বস্তা এমওপি সার পাওয়া যায়। এ ঘটনায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জানা গেছে, একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে সার মজুদ করে কৃষকদের কাছে বেশি দামে বিক্রির চেষ্টা করে আসছে—এমন তথ্যের ভিত্তিতেই অভিযান পরিচালনা করা হয়। কৃষি মৌসুমে সারের কৃত্রিম সংকট ও কালোবাজারি ঠেকাতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমৃত দেব নাথ বলেন, ‘অবৈধভাবে সার মজুদ করা হয়েছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। কৃত্রিম সঙ্কট ও কালোবাজারি বন্ধে এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রি করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ