বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:০৩ এম
মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা পত্রিকার একটি প্রতিনিধি দল।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) ২০২৬ সন্ধ্যায় মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এই সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে পত্রিকাটির প্রতিনিধি দল পুলিশ সুপারকে দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে চলমান কার্যক্রম এবং বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় জেলার সার্বিক উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের ভূমিকা এবং ভবিষ্যতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎকালে পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে জেলা পুলিশ পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বস্তুনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে গণমাধ্যম সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পারে, যা অপরাধ প্রতিরোধে পুলিশের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে সহায়তা করবে। এরপর তিনি দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তা ২য় বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান”
সৌজন্য সাক্ষাতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. কামরান হোসেন, দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার নির্বাহী সম্পাদক বর্ষন মোহাম্মদের নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ প্রতিনিধি সালেহীন তুহিন, সিরাজদিখান প্রতিনিধি সিজান খান, হরগঙ্গা কলেজ প্রতিনিধি আবরার অনিক, মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার মো. সাইফ প্রমুখ।
আন্তরিক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই সাক্ষাতে সকলে ভবিষ্যতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে অক্সিজেন লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশসহ রুবেল হাওলাদার (২৪) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হাসপাতালের দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করেন।
আটক রুবেল হাওলাদার মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি এলাকার পুরাতন বাজারের বাসিন্দা। তার বাবার নাম মিজান হাওলাদার।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে চুরির সন্দেহে রুবেলকে আটক করেন আনসার সদস্যরা। এ সময় তার কাছ থেকে হাসপাতালের অক্সিজেন লাইনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ এবং একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
পরে হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের খবর দেওয়া হলে তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে উদ্ধার করা মালামালসহ তাকে থানার টহল দলের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর সদর হাসপাতালে নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা। দেশের সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের ৫ উপজেলার প্রায় ১৬ লাখসহ কুড়িগ্রামের রৌমারীও রাজিবপুর, জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ এবং ময়মনসিংহের ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলা আরো প্রায় চার লক্ষাধিক সহ প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষ কেবলমাত্র কাগজে-কলমে ২৬৫ শয্যার এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।
উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে জেলা সদরের ১০০ শয্যা সদর হাসপাতালটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। কিন্তু উদ্বোধন ৭ বছর অতিবাহিত হলেও হাসপাতালটির শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, দালালদের দৌরাত্ম্য, যন্ত্রাদী বিকল, কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সেবা না দেয়ার মানসিকতাসহ নানাকারণে যথাযথ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই জেলাসহ আরো প্রায় তিনটি জেলার মানুষ।সরকারি আদেশ দেখুন
ফলে হাসপাতালে এসে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। সরকারি হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে অনেকেই ছুটছেন বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে।
শেরপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, হাসপাতালে ৮৬ জন চিকিৎসকের পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আছেন দুইজন। বাকি চিকিৎসকের পদই শূন্য। চিকিৎসকদের ৫৮ পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট ১০টির নয়টি শূন্য, জুনিয়র কনসালটেন্ট ১৩টির মধ্যে ৮টি, আর এস পদে একটির মধ্যে ১টি এবং অ্যানেসথেটিস্ট তিনটি পদের মধ্যে একটি শূন্য।
এছাড়া একটি রেডিওলজিস্ট পদের মধ্যে একটিই শূন্য, চারটি মেডিকেল অফিসার পদের মধ্যে একটি, রেজিস্ট্রার ৯টি পদের মধ্যে পাচটি পদই শূন্য রয়েছে।এদিকে ৮৭ জন নার্সের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৭৮ জন। বাকি পদগুলো দীর্ঘদিন ধরে শূন্য অবস্থায় আছে।
১৯৮৪ সালে সীমান্তবর্তী অঞ্চল শেরপুরকে জেলায় উন্নীত করা হয়। তখনও জেলা সদর হাসপাতালটি ছিল ৫০ শয্যার। দীর্ঘদিন পর তা ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও রাজস্ব খাতে ছিল ৫০ শয্যাই। পরে জেলার প্রায় ১৬ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে ১০০ শয্যার হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়
এরপর শহরের নারায়ণপুর এলাকায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন সরকারদলীয় হুইপ আতিউর রহমান আতিক এবং হাসপাতালের পাশে এক একর ১০ শতাংশ জমির উপর ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আট তলা ভবনের প্রকল্প হাতে নেয় গণপূর্ত বিভাগ। পরে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫০ শয্যায় উন্নীত করেন।
জনবলসহ নানা সুযোগ সুবিধা যুক্ত না করেই তড়িঘড়ি উদ্বোধনের পর থেকেই নানান জটিলতায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি চলছে ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে। আর এতেই ২৫০ শয্যার হাসপাতালটির আধুনিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ জেলার বাসিন্দারা। অথচ এই হাসপাতালে প্রতিদিন সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা নেয় এবং ভর্তি থাকে। হলে বেড তো দূরের কথা হাসপাতালের কক্ষ ও বারান্দাতেও ঠাই হয় না রোগীদের।
জানা গেছে যে, রোগীদের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। এছাড়া দুপুর ২টার পরে শুধু জরুরি বিভাগে মাত্র একজন চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোনো চিকিৎসকের দেখা মেলে কঠিন। রোগীর চাপে ওয়ার্ডে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিতে পারছেন না নার্সরা। যারাও দায়িত্ব পালন করছেন তাদের ব্যবহারও রোগীদের সাথে খুবই খারাপ ও অসন্তোষজনক এ অভিযোগ রোগি ও তাদের স্বজনদের।
অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য স্বল্প মূল্যে সরকারিভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালে তেমন কোনো পরীক্ষা করানো যায় না। তাই বাধ্য হয়েই দুই থেকে তিনগুণ বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয় রোগীদের। এতে বিড়ম্বনায় পড়েন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার আশায় আসা নালিতাবাড়ী উপজেলার বৃদ্ধ আব্দুল হক জানান, গত (১৩ অক্টোবর) বিকেলের দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আজ দুপুরে ওয়ার্ডে ডাক্তার আসছে। যদি ২৪ ঘণ্টা ডাক্তার পেতাম তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
সদর উপজেলার কামারের চর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন জানান, আমাদের শেষ ভরসা শেরপুর সদর হাসপাতাল। ডাক্তার ঠিকমতো আসে না। এতে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। এছাড়া সবগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা যদি হাসপাতালেই করাতে পারতাম তাহলে আমাদের জন্য অনেক উপকার হতো। ডাক্তার ওয়ার্ডে এসে শুধু টেস্ট লিখে দিচ্ছেন। এখন প্রাইভেট ক্লিনিকে টেস্ট করতে হবে।
হাসপাতালে ভর্তি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রোগী জানান, হাসপাতালে চুরির ভয় দিন দিন বাড়তেছে। গেল দিনও আমার পাশের রোগীর মোবাইল চুরি হয়ে গেছে। সেই সাথে দালালরা হাসপাতালেও এসে পড়ে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সাজ্জাদ হোসেনকে ১৪ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তার চেম্বারে না পেয়ে বারবার ফোন করেও (০১৭০১২৪৮২২০) পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭ নম্বর জগদল ইউনিয়নে হেরাচাপ্টি নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজের উত্তর ও দক্ষিণ পাড়ের সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে জগদল মহাবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের সড়কসহ ব্রিজের দুই পাড়ের চলাচলের পথ ভেঙে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় রোগী, কৃষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সড়কের ভাঙাচোরা অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছেন পথচারীরা।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় ভোগান্তি পোহাতে হয়। কৃষকদের উৎপাদিত ধান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে নানা প্রতিবন্ধকতা। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে যাতায়াতেও দুর্ভোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হেরাচাপ্টি নদীর ওপর ব্রিজ নির্মিত হলেও দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক চলাচলের উপযোগী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে জাতীয় পার্টির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও বরিশাল মহানগর কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ কয়েকজন নেতাকে থানায় নেওয়ার পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসূচি পালনের আগে পুলিশকে অবহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, নেতাদের গ্রেপ্তার বা আটকের উদ্দেশ্যে থানায় নেওয়া হয়নি; সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টির নেতাদের জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো দলীয় কর্মসূচি পালন করতে চাইলে আগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে। এরপর পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম তালাশ বিডিকে বলেন, জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তার বা আটক করার কোনো বিষয় ছিল না। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তাঁদের থানায় নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসূচি পালনের আগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে অবহিত করতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুলিশ পরবর্তী নির্দেশনা দেবে।
ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, নেতাদের থানায় নেওয়ার বিষয়টি গ্রেপ্তার বা আটকের ঘটনা নয়; বরং সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেওয়ার অংশ ছিল। মুচলেকা দেওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ