ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মুসলিম পরিচয় নিয়ে হেনস্তার চেষ্টা, কড়া জবাব আব্দুল এল-সায়েদের


মুসলিম পরিচয় নিয়ে হেনস্তার চেষ্টা, কড়া জবাব আব্দুল এল-সায়েদের

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে মিশিগান অঙ্গরাজ্যের সিনেট নির্বাচনে ধর্মীয় পরিচয় এবং রাজনৈতিক বিভাজন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। ডেমোক্রেটিক পার্টির সিনেট মনোনীত প্রার্থী আব্দুল এল-সায়েদের বিরুদ্ধে রিপাবলিকানদের পক্ষ থেকে ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’-এর সাথে সম্পর্কিত অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে। এ অবস্থায় গত শনিবার মিশিগানের কারে (Caro) শহরে অনুষ্ঠিত এক টাউনহল সভায় তিনি এক দর্শকের কঠোর প্রশ্নের সম্মুখীন হন।

সভায় এক ব্যক্তি আব্দুল এল-সায়েদের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে জানতে চান, তিনি ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’-কে আনুষ্ঠানিকভাবে বয়কট বা অস্বীকার করবেন কি না। এল-সায়েদ ওই আন্দোলনকে অস্বীকার করার পাশাপাশি প্রশ্নকর্তাকে তীব্র ভাষায় জবাব দেন। তিনি বলেন, প্রশ্নকর্তা তাঁর মধ্যে ‘দ্বৈত আনুগত্য’ (dual loyalty) বা মার্কিন সংবিধানের প্রতি অবিশ্বাসের সন্দেহ তৈরির চেষ্টা করছেন।

এল-সায়েদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “আপনি ধরে নিয়েছেন যে—যেহেতু আমি মুসলিম, সেহেতু আমাদের সংবিধানের বাইরে অন্য কোনো কিছুর প্রতি আমার আনুগত্য থাকতে পারে। কিন্তু আমার কাছে একমাত্র পথপ্রদর্শক আলো হলো আমাদের এই সংবিধান।” তাঁর এই বক্তব্যের পর উপস্থিত জনতা তাকে করতালিতে সমর্থন জানায় এবং প্রশ্নকর্তা সভা ছেড়ে চলে যান।

আরও পড়ুন: জমানো খাবারে বানানো কেকেও ছাড় নেই, বন্দিদের জীবন নরক বানানোর হুমকি বেন-গভিরের

মিশিগানের এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সেনেট আসনে রিপাবলিকান প্রার্থী ও সাবেক প্রতিনিধি মাইক রজার্স এবং আব্দুল এল-সায়েদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাচনী প্রচারণায় এল-সায়েদের ধর্মবিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করে তাকে ‘জিহাদি’ বলে অভিহিত করেন এবং তাঁর নাম ভুল উচ্চারণ করেন।

রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্স সিএনএন-এর সাথে সাক্ষাৎকারে জানান যে তিনি এল-সায়েদকে সরাসরি সন্ত্রাসী বলেননি, তবে তাঁর কট্টর আদর্শ এবং মুসলিম ব্রাদারহুডের সাথে তাঁর পরিবারের কিছু অতীত যোগাযোগের বিষয়টিকে বিপজ্জনক বলে আখ্যায়িত করেছেন। রক্ষণশীল সংবাদমাধ্যম ও রিপাবলিকানদের দাবি, এল-সায়েদের পরিবারের কিছু সদস্য অতীতে এই ইসলামপন্থী রাজনৈতিক আন্দোলনের সাথে জড়িত ছিলেন, যা নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা ও বৈদেশিক সংযোগের প্রশ্ন তুলেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

উল্লেখ্য, মিসরে প্রতিষ্ঠিত ‘মুসলিম ব্রাদারহুড’ একটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক আন্দোলন, যা ঐতিহাসিকভাবে সহিংসতা পরিহারের কথা বললেও এর বিভিন্ন শাখা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ব্যাপক রাজনৈতিক বিতর্ক ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা চলছে। বর্তমান নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে এই ইস্যুটি মিশিগানের ভোটারদের মেরুকরণে বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে। সূত্র: সিএনএন।

আরও পড়ুন: যুদ্ধের শঙ্কার মধ্যে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না ইরানের শীর্ষ নেতা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত, বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফির ফাইনালে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৭ পি.এম


বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ভারত, বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফির ফাইনালে

মালদ্বীপকে পরাজিত করে ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফি’র ফাইনালে স্থান করে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। মঙ্গলবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ৩৩-২০ গোলে পরাজিত করে। আগামী বৃহস্পতিবার শিরোপার লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ভারত।

প্রথমার্ধে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১৭-৫ গোলের বিশাল ব্যবধান গড়ে তোলে। দ্বিতীয়ার্ধে মালদ্বীপ ১৫ গোল করলেও বাংলাদেশ আরও ১৬ গোল করে। ফলে বাংলাদেশ ৩৩-২০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মোসাম্মৎ সানজিদা আক্তার, যিনি দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮ গোল করেন।

বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে নেপালকে ৩৩-২০ গোলে পরাজিত করে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের কাছে ৪৭-১৩ গোলে হেরে যায় তারা। ফাইনালে ওঠার জন্য রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই লক্ষ্য পূরণ করে আনা আলোনসো ফ্রাগুয়ারের দল শিরোপার লড়াই নিশ্চিত করেছে।

বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বুধবার দুপুর ২টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও নেপাল।

ম্যাচ শেষে সানজিদা আক্তার তার পারফরম্যান্স ও ফাইনাল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ঘরের মাঠে সেরা খেলাটা উপহার দিয়ে দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। ফাইনালে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।

ভারতের প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে সানজিদা বলেন, ভারতীয় দল বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তারা নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি বছরজুড়েই ক্যাম্পে থাকার সুযোগ পায়। বিপরীতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা সাধারণত চার থেকে পাঁচ মাসের ক্যাম্পে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পান। সীমিত সময়ের মধ্যেই নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে হয় তাদের।

দলের আরেক খেলোয়াড় সাকিবা জান্নাত শাম্মীও ভারতকে অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, ভারত নিয়মিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় এবং র‍্যাঙ্কিংয়েও এগিয়ে রয়েছে। সে তুলনায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ সীমিত।

তবে ভবিষ্যতে ভারতকে হারানোর ব্যাপারে আশাবাদী শাম্মী। আপাতত ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ভালো মানের একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দেওয়াই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি: ট্রাম্পের বিপরীত অবস্থানে জেডি ভ্যান্স

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:১৯ পি.এম


নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাতে অস্বীকৃতি: ট্রাম্পের বিপরীত অবস্থানে জেডি ভ্যান্স

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে নির্বাচনী ঘোষণা দিলেও, দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স তা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন। আসন্ন ইসরাইলি সংসদ নির্বাচনে নেতানিয়াহুকে সমর্থন জানাতে তিনি সরাসরি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।

সোমবার (২০ অক্টোবর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে এই বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক মার্ক হ্যালপারিনের করা এক সরাসরি প্রশ্নের জবাবে ভ্যান্স স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন যে, তিনি কেবল মার্কিন প্রার্থীদেরই সমর্থন করেন এবং ইসরাইলি রাজনীতিতে জড়ানোর কোনো ইচ্ছা তার নেই।

ভ্যান্স বলেন, “প্রেসিডেন্টের সমর্থন মার্কিন ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী। তবে আমি আমেরিকান প্রার্থীদেরই সমর্থন করি এবং আমার সমস্ত মনোযোগ মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়েই।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমি তাকে নিয়ে কোনো নেতিবাচক প্রচারণাতেও নেই, আবার ইতিবাচক সমর্থনেও নেই।”

এর আগে সোমবার ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল অ্যাকাউন্টে নেতানিয়াহুকে ‘অসাধারণ যোদ্ধা প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে অভিহিত করে নির্বাচনে তার পক্ষে ‘পূর্ণাঙ্গ সমর্থন’ ঘোষণা করেছিলেন। আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের মধ্যকার সম্পর্কে নীতিগত ও কৌশলগত কিছু ক্ষেত্রে দূরত্ব তৈরির লক্ষণ হিসেবেই ভ্যান্সের এই অবস্থানকে দেখা হচ্ছে। এর আগেও মধ্যপ্রাচ্য নীতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার প্রশ্নে নেতানিয়াহু সরকারের কিছু পদক্ষেপের সমালোচনা করেছিলেন এই মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ চুরি করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২০ পি.এম


সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ চুরি করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড

সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে বিদ্যুৎ বা যন্ত্রাংশ চুরি করা হলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রেখে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন অধ্যাদেশ, ২০২৬’ সরকার জারি করেছে। সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশের ক্ষতিসাধন করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাতে অধ্যাদেশটি জারি করে। এর আগে রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে অধ্যাদেশের খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, চোরাই বলে জানা সত্ত্বেও সৌরবিদ্যুতের যন্ত্রাংশ কেনা, বিক্রি বা নিজের হেফাজতে রাখলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।

এছাড়া, উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে অন্য কাউকে অবৈধ সংযোগ দিলে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড বা পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন, সংযোগ, পরিদর্শন বা রক্ষণাবেক্ষণের কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা, কর্মচারী কিংবা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানকে বাধা দিলে একই শাস্তি হতে পারে।

অধ্যাদেশে সৌরবিদ্যুতের বিস্তার এবং এ খাতে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সরকারি কোম্পানি এবং বাসাবাড়ির ছাদ, আঙিনা, ভবনসংলগ্ন পতিত জমি ও জলাশয়ে সর্বোচ্চ পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করা যাবে। এর আওতায় থাকবে সৌরচালিত সেচপাম্প, কোল্ড স্টোরেজ, বৈদ্যুতিক যানবাহনের চার্জিং স্টেশন, চা বাগান, ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ ও কৃষিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা। তবে বৃহৎ ভূমিভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প এ অধ্যাদেশের আওতায় পড়বে না।

অধ্যাদেশে নেট-মিটারিংয়ের সুযোগও রাখা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় গ্রাহক নিজের সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ ব্যবহারের পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারবেন। গ্রিডে সরবরাহ করা বিদ্যুতের পরিমাণ বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। এরপরও বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত থাকলে সরকার নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী তার মূল্য পাওয়া যাবে। এ ছাড়া নেট-মিটারিংয়ে প্রণোদনা দিতে পারবে সরকার।

সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়নে অপারেশনাল এক্সপেন্ডিচার (ওপেক্স) এবং ক্যাপিটাল এক্সপেন্ডিচার (ক্যাপেক্স)-দুই ধরনের মডেল রাখা হয়েছে। ওপেক্স মডেলে বিনিয়োগকারী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের ব্যয় বহন করবেন। অন্যদিকে ক্যাপেক্স মডেলে গ্রাহক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব অর্থায়নে প্রকল্প স্থাপন করে এর মালিকানা রাখতে পারবে।

ক্যাপেক্স মডেলে সীমিত দরপত্র পদ্ধতিতে পণ্য ও সংশ্লিষ্ট সেবা কেনার আর্থিক সীমা সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি) ব্যবহার বাধ্যতামূলক হবে না। যোগ্য সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের জেলাভিত্তিক তালিকা তৈরি করা হবে এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে গ্রাহক প্রতিষ্ঠান সেবাদানকারী নির্বাচন করবে। তবে গ্রাহক চাইলে ওপেন দরপত্রের মাধ্যমেও প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারবেন।

সৌরবিদ্যুৎ বিস্তার ও নীতিগত দিকনির্দেশনা দিতে জাতীয় পলিসি কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসককে সভাপতি এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সভাপতি করে কারিগরি ও সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। এসব কমিটি সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে সহায়তা, কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, প্রশিক্ষণ, বিরোধ নিষ্পত্তি এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির দায়িত্ব পালন করবে। টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (স্রেডা) তাদের ওয়েবসাইটে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার তথ্য সংরক্ষণ ও সচলতা পর্যবেক্ষণ করবে।

অধ্যাদেশের অধীন অপরাধের বিচার প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হবে। অপরাধগুলো মোবাইল কোর্ট আইনের তফসিলভুক্ত হলে মোবাইল কোর্টেও বিচার করা যাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানবসেবাই আসল ধর্ম: ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর মন্তব্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

১০:২১ পি.এম


মানবসেবাই আসল ধর্ম: ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর মন্তব্য

মানুষ ধর্মের কথা বলে, কিন্তু আসলে মানবসেবাই হচ্ছে আসল ধর্ম। কুমুদিনী কমপ্লেক্স একটি বিশেষ স্থান। এখানে যা আমি দেখলাম, তা ইতিহাসের একটি অংশ। শোনা গেছে, এটি তৃতীয় প্রজন্মের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। তারা সবকিছু অত্যন্ত সুন্দরভাবে সংরক্ষণ করে রেখেছেন। হাসপাতালটি খুবই বড়। যুগ যুগ ধরে তারা সেবা প্রদান করে আসছেন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়ির পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই মন্তব্য করেন।

বিকেলে ভারতীয় হাইকমিশনার কুমুদিনী কমপ্লেক্সে পৌঁছান। কুমুদিনী লাইব্রেরিতে চা চক্রের পর তিনি নৌকা যোগে লৌহজং নদী পার হয়ে দানবীর রণদা প্রসাদ সাহার বাড়িতে যান। সেখানে তার সঙ্গে কুমুদিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাজীব প্রসাদ সাহা, পরিচালক শ্রীমতি সাহা, পরিচালক মহাবীর পতি চন্দন, পরিচালক শ্রীমতি সাহা, ভারতেশ্বরী হোমসের অধ্যক্ষ মন্দিরা চৌধুরী, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, উপপরিচালক অনিমেষ ভৌমিকসহ অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, পূজার সময় একটি বিশেষ পরিবেশ তৈরি হয়। এই ধরনের পরিবেশ সবসময় থাকে না। আমি কামনা করি, সবসময় এই ধরনের পরিবেশ বজায় থাকুক।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%