প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মালদ্বীপকে পরাজিত করে ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশন্স ট্রফি’র ফাইনালে স্থান করে নিয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। মঙ্গলবার পল্টনের শহীদ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ মালদ্বীপকে ৩৩-২০ গোলে পরাজিত করে। আগামী বৃহস্পতিবার শিরোপার লড়াইয়ে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ভারত।
প্রথমার্ধে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ১৭-৫ গোলের বিশাল ব্যবধান গড়ে তোলে। দ্বিতীয়ার্ধে মালদ্বীপ ১৫ গোল করলেও বাংলাদেশ আরও ১৬ গোল করে। ফলে বাংলাদেশ ৩৩-২০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মোসাম্মৎ সানজিদা আক্তার, যিনি দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৮ গোল করেন।
বাংলাদেশ টুর্নামেন্টে নেপালকে ৩৩-২০ গোলে পরাজিত করে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে পরবর্তী ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের কাছে ৪৭-১৩ গোলে হেরে যায় তারা। ফাইনালে ওঠার জন্য রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের বিরুদ্ধে জয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সেই লক্ষ্য পূরণ করে আনা আলোনসো ফ্রাগুয়ারের দল শিরোপার লড়াই নিশ্চিত করেছে।
বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বুধবার দুপুর ২টায় তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবে মালদ্বীপ ও নেপাল।
ম্যাচ শেষে সানজিদা আক্তার তার পারফরম্যান্স ও ফাইনাল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, ঘরের মাঠে সেরা খেলাটা উপহার দিয়ে দেশের সম্মান অক্ষুণ্ন রাখাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। ফাইনালে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করবেন বলেও জানান তিনি।
ভারতের প্রস্তুতি ও অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে সানজিদা বলেন, ভারতীয় দল বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি শক্তিশালী। তারা নিয়মিত অনুশীলনের পাশাপাশি বছরজুড়েই ক্যাম্পে থাকার সুযোগ পায়। বিপরীতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়েরা সাধারণত চার থেকে পাঁচ মাসের ক্যাম্পে প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পান। সীমিত সময়ের মধ্যেই নিজেদের প্রস্তুত করে তুলতে হয় তাদের।
দলের আরেক খেলোয়াড় সাকিবা জান্নাত শাম্মীও ভারতকে অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, ভারত নিয়মিত আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার পাশাপাশি বেশি ম্যাচ খেলার সুযোগ পায় এবং র্যাঙ্কিংয়েও এগিয়ে রয়েছে। সে তুলনায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার সুযোগ সীমিত।
তবে ভবিষ্যতে ভারতকে হারানোর ব্যাপারে আশাবাদী শাম্মী। আপাতত ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে ভালো মানের একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দেওয়াই বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন