মোঃ ওসমান গনি. শেরপুর জেলা প্রতিনিধি,
বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:০৭ এম
শেরপুর সদর হাসপাতালে নানা সংকটে ব্যাহত হচ্ছে ১৬ লাখ মানুষের চিকিৎসা সেবা। দেশের সীমান্তবর্তী জেলা শেরপুরের ৫ উপজেলার প্রায় ১৬ লাখসহ কুড়িগ্রামের রৌমারীও রাজিবপুর, জামালপুরের বকশীগঞ্জ ও দেওয়ানগঞ্জ এবং ময়মনসিংহের ফুলপুর ও হালুয়াঘাট উপজেলা আরো প্রায় চার লক্ষাধিক সহ প্রায় ২০ লক্ষাধিক মানুষ কেবলমাত্র কাগজে-কলমে ২৬৫ শয্যার এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।
উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে জেলা সদরের ১০০ শয্যা সদর হাসপাতালটি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫০ শয্যায় উন্নীত করেন। কিন্তু উদ্বোধন ৭ বছর অতিবাহিত হলেও হাসপাতালটির শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, দালালদের দৌরাত্ম্য, যন্ত্রাদী বিকল, কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সেবা না দেয়ার মানসিকতাসহ নানাকারণে যথাযথ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এই জেলাসহ আরো প্রায় তিনটি জেলার মানুষ।সরকারি আদেশ দেখুন
ফলে হাসপাতালে এসে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না রোগীরা। সরকারি হাসপাতালে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে অনেকেই ছুটছেন বেসরকারি ক্লিনিকগুলোতে।
শেরপুর সদর হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্যমতে, হাসপাতালে ৮৬ জন চিকিৎসকের পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ২৬ জন। এর মধ্যে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আছেন দুইজন। বাকি চিকিৎসকের পদই শূন্য। চিকিৎসকদের ৫৮ পদের মধ্যে সিনিয়র কনসালটেন্ট ১০টির নয়টি শূন্য, জুনিয়র কনসালটেন্ট ১৩টির মধ্যে ৮টি, আর এস পদে একটির মধ্যে ১টি এবং অ্যানেসথেটিস্ট তিনটি পদের মধ্যে একটি শূন্য।
এছাড়া একটি রেডিওলজিস্ট পদের মধ্যে একটিই শূন্য, চারটি মেডিকেল অফিসার পদের মধ্যে একটি, রেজিস্ট্রার ৯টি পদের মধ্যে পাচটি পদই শূন্য রয়েছে।এদিকে ৮৭ জন নার্সের বিপরীতে কর্মরত আছেন ৭৮ জন। বাকি পদগুলো দীর্ঘদিন ধরে শূন্য অবস্থায় আছে।
১৯৮৪ সালে সীমান্তবর্তী অঞ্চল শেরপুরকে জেলায় উন্নীত করা হয়। তখনও জেলা সদর হাসপাতালটি ছিল ৫০ শয্যার। দীর্ঘদিন পর তা ১০০ শয্যায় উন্নীত হলেও রাজস্ব খাতে ছিল ৫০ শয্যাই। পরে জেলার প্রায় ১৬ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে ১০০ শয্যার হাসপাতালটি ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার সিদ্ধান্ত হয়
এরপর শহরের নারায়ণপুর এলাকায় ২০১৫ সালের ১২ নভেম্বর জেলা সদর হাসপাতালের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন তৎকালীন সরকারদলীয় হুইপ আতিউর রহমান আতিক এবং হাসপাতালের পাশে এক একর ১০ শতাংশ জমির উপর ৩৬ কোটি টাকা ব্যয়ে আট তলা ভবনের প্রকল্প হাতে নেয় গণপূর্ত বিভাগ। পরে এক ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০১৮ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৫০ শয্যায় উন্নীত করেন।
জনবলসহ নানা সুযোগ সুবিধা যুক্ত না করেই তড়িঘড়ি উদ্বোধনের পর থেকেই নানান জটিলতায় ২৫০ শয্যার হাসপাতালটি চলছে ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে। আর এতেই ২৫০ শয্যার হাসপাতালটির আধুনিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এ জেলার বাসিন্দারা। অথচ এই হাসপাতালে প্রতিদিন সহস্রাধিক রোগী চিকিৎসা নেয় এবং ভর্তি থাকে। হলে বেড তো দূরের কথা হাসপাতালের কক্ষ ও বারান্দাতেও ঠাই হয় না রোগীদের।
জানা গেছে যে, রোগীদের চাপ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক ও নার্সরা। এছাড়া দুপুর ২টার পরে শুধু জরুরি বিভাগে মাত্র একজন চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোনো চিকিৎসকের দেখা মেলে কঠিন। রোগীর চাপে ওয়ার্ডে যথাযথ চিকিৎসাসেবা দিতে পারছেন না নার্সরা। যারাও দায়িত্ব পালন করছেন তাদের ব্যবহারও রোগীদের সাথে খুবই খারাপ ও অসন্তোষজনক এ অভিযোগ রোগি ও তাদের স্বজনদের।
অন্যদিকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের জন্য স্বল্প মূল্যে সরকারিভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা ব্যবস্থা থাকলেও জনবল সংকটের কারণে হাসপাতালে তেমন কোনো পরীক্ষা করানো যায় না। তাই বাধ্য হয়েই দুই থেকে তিনগুণ বেশি টাকা খরচ করে বেসরকারি ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে হয় রোগীদের। এতে বিড়ম্বনায় পড়েন চিকিৎসা সেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। যা মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্তদের জন্য মরার উপর খাড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার আশায় আসা নালিতাবাড়ী উপজেলার বৃদ্ধ আব্দুল হক জানান, গত (১৩ অক্টোবর) বিকেলের দিকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আজ দুপুরে ওয়ার্ডে ডাক্তার আসছে। যদি ২৪ ঘণ্টা ডাক্তার পেতাম তাহলে আমাদের জন্য অনেক ভালো হতো।
সদর উপজেলার কামারের চর গ্রামের দেলোয়ার হোসেন জানান, আমাদের শেষ ভরসা শেরপুর সদর হাসপাতাল। ডাক্তার ঠিকমতো আসে না। এতে আমরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। এছাড়া সবগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা যদি হাসপাতালেই করাতে পারতাম তাহলে আমাদের জন্য অনেক উপকার হতো। ডাক্তার ওয়ার্ডে এসে শুধু টেস্ট লিখে দিচ্ছেন। এখন প্রাইভেট ক্লিনিকে টেস্ট করতে হবে।
হাসপাতালে ভর্তি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রোগী জানান, হাসপাতালে চুরির ভয় দিন দিন বাড়তেছে। গেল দিনও আমার পাশের রোগীর মোবাইল চুরি হয়ে গেছে। সেই সাথে দালালরা হাসপাতালেও এসে পড়ে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাঃ সাজ্জাদ হোসেনকে ১৪ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত তার চেম্বারে না পেয়ে বারবার ফোন করেও (০১৭০১২৪৮২২০) পাওয়া যায়নি। ফলে এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭ নম্বর জগদল ইউনিয়নে হেরাচাপ্টি নদীর ওপর নির্মিত ব্রিজের উত্তর ও দক্ষিণ পাড়ের সংযোগ সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন এলাকাবাসী। বিশেষ করে জগদল মহাবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের সড়কসহ ব্রিজের দুই পাড়ের চলাচলের পথ ভেঙে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের যাতায়াত ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকায় রোগী, কৃষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ সর্বস্তরের মানুষকে দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে। সড়কের ভাঙাচোরা অংশ দিয়ে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ঝুঁকির মুখে পড়ছেন পথচারীরা।
বিশেষ করে অসুস্থ রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়ার সময় ভোগান্তি পোহাতে হয়। কৃষকদের উৎপাদিত ধান ও অন্যান্য কৃষিপণ্য পরিবহনেও সৃষ্টি হচ্ছে নানা প্রতিবন্ধকতা। অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়ে যাতায়াতেও দুর্ভোগের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
হেরাচাপ্টি নদীর ওপর ব্রিজ নির্মিত হলেও দুই পাড়ের সংযোগ সড়ক চলাচলের উপযোগী
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশালে জাতীয় পার্টির কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা ও বরিশাল মহানগর কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুলসহ কয়েকজন নেতাকে থানায় নেওয়ার পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসূচি পালনের আগে পুলিশকে অবহিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম।
ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, নেতাদের গ্রেপ্তার বা আটকের উদ্দেশ্যে থানায় নেওয়া হয়নি; সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তাঁদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পুলিশের পক্ষ থেকে জাতীয় পার্টির নেতাদের জানানো হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনো দলীয় কর্মসূচি পালন করতে চাইলে আগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করতে হবে। এরপর পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুল ইসলাম তালাশ বিডিকে বলেন, জাতীয় পার্টির নেতাদের গ্রেপ্তার বা আটক করার কোনো বিষয় ছিল না। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে তাঁদের থানায় নিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পরে মুচলেকা নিয়ে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে দলীয় কর্মসূচি পালনের আগে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অথবা সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে অবহিত করতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি বিবেচনা করে পুলিশ পরবর্তী নির্দেশনা দেবে।
ওসির বক্তব্য অনুযায়ী, নেতাদের থানায় নেওয়ার বিষয়টি গ্রেপ্তার বা আটকের ঘটনা নয়; বরং সতর্কতামূলক নির্দেশনা দেওয়ার অংশ ছিল। মুচলেকা দেওয়ার পর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে রাস্তা পার হওয়ার সময় অজ্ঞাতনামা একটি নোহা গাড়ির চাপায় মেহরাজ হোসেন (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে উপজেলার দরবেশপুর ইউনিয়নের আলিপুর গ্রামের কচুয়া বাজারে কচুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মেহরাজ হোসেন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার জীবতলী ইউনিয়নের বিজয়নগর গ্রামের মেজবা উদ্দিন ও শারমিন সুলতানা দম্পতির ছেলে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এশার নামাজ শেষে বাসায় ফেরার পথে রাস্তা পার হচ্ছিল মেহরাজ। এ সময় অজ্ঞাতনামা একটি নোহা গাড়ি তাকে চাপা দিয়ে দ্রুত চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নূর মিয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ হাসপাতালে পৌঁছে শিশুটির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন।
পুলিশ আরও জানায়, নিহত মেহরাজের মা কচুয়া বাজারের আলহেরা ইসলামি একাডেমির সহকারী শিক্ষিকা। তিনি পরিবার নিয়ে ওই প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোন্নাফ বলেন, বিষয়টি রামগঞ্জ থানাকে বেতার বার্তার মাধ্যমে জানানো হয়েছে। ফিরতি বেতার বার্তা পাওয়ার পর মরদেহ নিহতের স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনাটি রামগঞ্জ থানা এলাকায় ঘটায় নিহত শিশুর পরিবারকে সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দরিদ্র ও অসহায় নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের স্বাবলম্বী করে তুলতে নোয়াখালীতে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদী। সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে অসহায় নারীদের হাতে সেলাই মেশিন তুলে দেওয়া হয়। সেলাই মেশিন পেয়ে উপকারভোগী নারীদের মধ্যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালী জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যালয়ের একটি হলরুমে এ সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর নেতৃবৃন্দ, সদস্য ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর সভাপতি লায়ন্স শাহাদাত হোসেন, ক্লাবের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন বাদল, নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর পরিচালক আকবর হোসেন সোহাগ, পরিচালক মো.হাসান এবং অ্যাডভোকেট কাজলসহ অন্যরা।
সেলাই মেশিন বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে অসচ্ছল নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ সুগম করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একটি সেলাই মেশিনের মাধ্যমে নারীরা ঘরে বসেই পোশাক তৈরি, কাপড় সেলাই ও বিভিন্ন ধরনের কাজ করে আয় করতে পারবেন। এতে তাদের পারিবারিক আয়ে অবদান রাখার পাশাপাশি পরিবারের আর্থিক সংকট মোকাবিলায় সহায়তা হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সেলাই মেশিন পাওয়া নারীরা এ উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের মতে, এ ধরনের সহযোগিতা শুধু আর্থিক সহায়তা নয়, বরং নিজের পায়ে দাঁড়ানোর সুযোগও তৈরি করে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও কাজের পরিবেশ পেলে তারা সেলাইয়ের কাজের মাধ্যমে নিয়মিত আয় করতে পারবেন এবং পরিবারের ভরণপোষণে ভূমিকা রাখতে পারবেন।
লায়ন্স ক্লাব অব নোয়াখালী, মাইজদীর সদস্যরা জানান, সমাজের অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করা সংগঠনটির অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হলে তারা পরিবারের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নিজেরাই আয় করতে পারবেন। এ লক্ষ্য সামনে রেখে সেলাই মেশিন বিতরণের মতো মানবিক কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ