মোঃ একদিল হোসেন স্টাফ রিপোর্টার
০৫:১৫ পি.এম
আজ ০৬-১০-২০২৬ রোজ মঙ্গলবার টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ‘কিশোর গ্যাং’ এর প্রধান এবং একাধিক মামলার আসামি এনাম জাবির অমিওসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে নাগরপুর থানা পুলিশ। ০৫ অক্টোবর সোমবার রাতে গয়হাটা ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করা হয়।
সম্প্রতি নাগরপুর থানার একটি বিশেষ অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন কিশোর গ্যাং প্রধান গয়হাটা গ্রামের আমিনুর রহমানের ছেলে এলাম জাবির ওমিও(২১), আজগর আলীর ছেলে মো: মাসুদ মিয়া (২২), সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো: জীবন হোসেন (২১) ও মানিকগঞ্জ জেলার কৃষ্ণ পুর ইউনিয়নের দক্ষিণ সাগর হাজীনগর গ্রামের মো: সাইফুল ইসলামের ছেলে মো: জাহিদুল ইসলাম (২০)।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই কিশোর গ্যাংটি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মারামারিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে। সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে নাগরপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে।
নাগরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল ইসলাম গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এলাকাকে অপরাধমুক্ত রাখতে পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
‘বড়লোকের বেটি লো’—বাংলার লোকসংগীতের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় গান নিয়ে আবারও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গানটি বিকৃত করে প্রকাশের অভিযোগে পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত শিল্পী রতন কাহার সাইবার ক্রাইম সেলের সাহায্য নিয়েছেন। অভিযোগ করা হয়েছে যে, একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পেজ থেকে তার সৃষ্ট গানটি বিকৃতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, গানটির স্রষ্টা হিসেবে রতন কাহারের নামও সেখানে উল্লেখ করা হয়নি।
রতন কাহার তার সংগীতজীবন শুরু করেছিলেন ভাদু গান গেয়ে। পরে তিনি নিজেই গান লেখা এবং সুর করার কাজ শুরু করেন। ১৯৭২ সালে তার লেখা ‘বড়লোকের বেটি লো’ গানটি প্রথম গেয়েছিলেন শিল্পী স্বপ্না চৌধুরী। এরপর থেকে গানটি ধীরে ধীরে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে ২০২০ সালে বলিউডের জনপ্রিয় র্যাপার বাদশার ‘লাল গেন্দা ফুল’ গান প্রকাশিত হওয়ার পর ‘বড়লোকের বেটি লো’ নতুন করে আলোচনায় আসে। বাদশার গাওয়া গানটির সঙ্গে রতন কাহারের সৃষ্টির মিল নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার পর বাদশা প্রকাশ্যে রতন কাহারের কাছে ক্ষমা চান। তিনি শিল্পীকে পাঁচ লাখ রুপি আর্থিক সহায়তাও প্রদান করেন।
বাদশা তখন বলেছিলেন, ‘আমি জানি রতন কাহার একজন মহান শিল্পী। শুনেছি ওনার অর্থনৈতিক অবস্থাও ভালো নয়। আমি ওনাকে সম্মান দিয়ে সাহায্য করতে চাই।’
কিছু বছর পর, এবার ফের নিজের গান নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন রতন কাহার। তার ছেলে দেবাশিস কাহারও এ ঘটনায় সক্রিয় হয়েছেন। তাদের অভিযোগ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি পেজ থেকে গানটির বিকৃত সংস্করণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, গানের স্রষ্টার নাম বাদ দেওয়ায় বিষয়টি আরো গুরুতর বলে মনে করছেন তারা।
বীরভূমের সিউড়ির বাসিন্দা রতন কাহার দীর্ঘ সংগীতজীবনে নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও লোকসংগীতের চর্চা চালিয়ে গেছেন। ‘বড়লোকের বেটি লো’ গানটি আজও বাংলার মানুষের মুখে মুখে ফেরে। সংগীতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পদ্মশ্রী সম্মানও পেয়েছেন এই শিল্পী। তবে সম্মান ও পরিচিতি পাওয়ার পরও জীবনের একটি দীর্ঘ সময় তিনি আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে কাটাতে বাধ্য হয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরো জোরদার করার লক্ষ্যে তিন দিনের সফরে ভারত গেছেন সুইজারল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট গি পারমেলিন। সোমবার (৫ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তিনি বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনশক্তি চলাচলের সুযোগ বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। খবর এএফপি
এই তিন দিনের সফর এমন একটি সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যখন ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের (ইএফটিএ) সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য চুক্তির এক বছর পূর্ণ হয়েছে। সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং লিশটেনস্টাইন—এই চারটি দেশ ইএফটিএর সদস্য। চুক্তির আওতায় আগামী ১৫ বছরে ভারতে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ইএফটিএর পক্ষ থেকে।
চুক্তির ফলে শুল্ক কমানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে ভারতীয় কোম্পানিগুলোর জন্য ইএফটিএভুক্ত চার দেশের বাজারে পণ্য রপ্তানি সহজতর হবে। একইসঙ্গে, ভারতেও ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর বাজারে প্রবেশের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে সুইস প্রেসিডেন্ট গি পারমেলিন মন্তব্য করেন, তার এই সফর দুই দেশের সম্পর্কের আরো অগ্রগতির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশ একসঙ্গে যতটা পথ অতিক্রম করেছে, তা উদ্যাপনের পাশাপাশি ভবিষ্যতে সম্পর্ক কীভাবে আরো উন্নত করা যায়, সেটিও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাবিষয়ক সম্মেলনে অংশ নিতে ভারত সফর করেছিলেন পারমেলিন।
এদিকে, ইএফটিএর সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তির ক্ষেত্রে পারমেলিনের ব্যক্তিগত সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মোদি বলেন, ভারতের রপ্তানির জন্য সুইজারল্যান্ডের বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং দুই দেশের মধ্যে বিনিয়োগের প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
মোদি আরও বলেন, এসব উদ্যোগের ফলে সুইজারল্যান্ডে ভারতের কৃষিপণ্য, ওষুধ, বস্ত্র এবং প্রকৌশল পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে। পাশাপাশি, বায়োটেকনোলজি, জীবনবিজ্ঞান, ব্যাংকিং, বিমা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং টেকসই উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে নতুন সুইস বিনিয়োগ আকৃষ্ট হবে।
দুই দেশের সরকার সোমবার জনশক্তি চলাচল সংক্রান্ত একটি চুক্তিতে সই করেছে। মোদি বলেন, এর ফলে সুইজারল্যান্ডে ভারতীয় শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের জন্য আরো সুযোগ সৃষ্টি হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারত রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের সমাধানে আরো সক্রিয় ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি উল্লেখ করেন, নৌচলাচলের নিরাপত্তা, জ্বালানি সরবরাহ এবং সংঘাত কমানোর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভারত উভয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে।
একটি সম্মেলনে জয়শঙ্কর জানান, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভারত শুধুমাত্র বক্তব্য দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এ বিষয়ে আরো সরাসরি যুক্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “কৃষ্ণ সাগরে নৌ চলাচলের নিরাপত্তা নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ এবং সম্ভাব্য ‘আক্রমণ না করার’ বিষয় নিয়েও আলোচনা চলছে।” জয়শঙ্করের এই বক্তব্যে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাতের সমাধানে ভারতের আরো সক্রিয় ভূমিকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
ভারত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও রাশিয়ার সমালোচনা থেকে বিরত রয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন ভোটাভুটিতে ভোটদানে বিরত থেকেছে। আগস্টের শেষের দিকে কিরগিজস্তানে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সংঘাতের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, যুদ্ধের অবসানে সংলাপ ও কূটনীতির কোনো বিকল্প নেই। তিনি জানান, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে আরো বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে দুই দেশের সহযোগিতা জ্বালানি, মহাকাশ ও বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ছড়িয়ে পড়েছে।
সেপ্টেম্বরে ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে দুই নেতা ভারত-রাশিয়ার সম্পর্ক গভীর করার অঙ্গীকার করেন। এ বৈঠকটি এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়, যখন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে রাশিয়া থেকে দূরত্ব বজায় রাখার জন্য চাপ দিচ্ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে নয়াদিল্লিকে রুশ তেল কেনা বন্ধে চাপ দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের সময় ভারতের রুশ তেল আমদানি কিছুটা কমলেও পরে তা আবার বেড়ে যায়।
প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রেও রাশিয়া ভারতের অন্যতম প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী। ভারতীয় সামরিক বাহিনীর কাছে রুশ নির্মিত শত শত যুদ্ধবিমান এবং একাধিক এস-৪০০ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসে পাকিস্তানের সঙ্গে চার দিনের সংঘাতের সময় এসব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কয়েকটি ব্যবহার করা হয়েছিল।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে আসন্ন আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বহুল প্রত্যাশিত যৌথ শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে ভয়াবহ বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। দেশের প্রধান নদী চাও ফ্রায়ার পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে, যা উত্তর ও মধ্য থাইল্যান্ড থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল এবং অবিরাম মৌসুমি বর্ষণের ফলস্বরূপ ঘটছে।
রাজধানী ব্যাংককের নিচু এলাকাগুলো তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় নতুন করে তীব্র বিশৃঙ্খলা ও নাগরিক ভোগান্তির আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। এমন দুর্যোগপূর্ণ আবহে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারকদের এই মেগা সম্মেলন সফলভাবে আয়োজন করা নিয়ে থাই প্রশাসন চরম চাপে পড়েছে।
স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সূত্রে জানা যায়, নদীর পানির স্তর বৃদ্ধি এবং সম্ভাব্য সামুদ্রিক জোয়ারের কারণে নদীর তীরবর্তী বাণিজ্যিক এলাকা ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে পানি প্রবেশের চরম ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। শহর রক্ষা বাঁধগুলোকে সুরক্ষিত রাখতে জরুরি ভিত্তিতে লাখ লাখ বালুর বস্তা ফেলা হচ্ছে। অতিরিক্ত পানি অপসারণে বড় বড় পাম্প স্টেশনগুলো সার্বক্ষণিক চালু রাখা হয়েছে। তবুও তীব্র ঢল সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ায় বিভিন্ন এলাকার জনজীবনে চরম স্থবিরতা নেমে এসেছে।
সম্মেলনে অংশ নিতে আসা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার শীর্ষ প্রতিনিধিদের নিরাপত্তা ও যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখা থাই কর্তৃপক্ষের জন্য এখন এক অগ্নিপরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। শীর্ষ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ব্যাংককজুড়ে কড়া সতর্কতা জারি করা হলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতায় তৈরি হওয়া এই অচলাবস্থা সরকারের কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক সক্ষমতাকে আন্তর্জাতিক মহলে বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। সূত্র : সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ