বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২৯ পি.এম
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফ উল আরেফীনের বদলিজনিত বিদায় উপলক্ষে কর্মরত সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদান করা হয়েছে। এ উপলক্ষে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ তাঁর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কালকিনিতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ মন্তব্য করেন, কালকিনিতে দায়িত্ব পালনকালে ইউএনও সাইফ উল আরেফীন উপজেলা প্রশাসনের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সেবায় আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। তাঁরা উপজেলা উন্নয়ন ও জনসেবা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানের প্রশংসা করেন।
এ সময় সাংবাদিকরা ইউএনও সাইফ উল আরেফীনের সঙ্গে কালকিনির সাংবাদিকদের সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সহযোগিতামূলক সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের পেশাগত কাজে তিনি যে সহযোগিতা করেছেন, সেটি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে উল্লেখ করেন তারা।
অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায়ী ইউএনও সাইফ উল আরেফীনের হাতে যৌথ শুভেচ্ছা স্মারক ও সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন।
বিদায়ী ইউএনও সাইফ উল আরেফীন বলেন,
"কালকিনির সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করতে পেরে আমি আনন্দিত। বিশেষ করে এখানকার সাংবাদিকসমাজ সবসময় বস্তুনিষ্ঠ তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে প্রশাসনিক কাজে গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা করেছে। সাংবাদিকদের এই ভালোবাসা ও সহযোগিতা আমার পেশাগত জীবনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।"
তিনি আরও বলেন, কালকিনিতে দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছ থেকে তিনি সবসময় সহযোগিতা পেয়েছেন। ভবিষ্যতেও কালকিনির মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মিক সম্পর্ক অটুট থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে কালকিনি মডেল প্রেসক্লাবসহ উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, স্থানীয় জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং তরুণ সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
শেষে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে বিদায়ী ইউএনও সাইফ উল আরেফীনের নতুন কর্মস্থলে সফলতা, সুস্বাস্থ্য ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহের প্রতিযোগিতা চলছে। এই প্রতিযোগিতায় কাইরন পোলার্ড ও জশ বাটলার অংশগ্রহণ করছেন।
একদিন পোলার্ডের রান বাড়ছে, অন্যদিন বাটলারের।
এবার পোলার্ড আবার সিংহাসন ফিরে পেলেন। গতকাল তিনি ২৬ বলে ৬৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন, যার ফলে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাবেক অলরাউন্ডার হিসেবে তার মোট রান এখন ১৪ হাজার ৯২১।
অন্যদিকে, বাটলারের রান ১৪ হাজার ৮৯০। সিংহাসন ফিরে পাওয়ার আগে পোলার্ড ৩৫ রান পিছিয়ে ছিলেন, কিন্তু এখন তিনি ৩১ রান এগিয়ে আছেন। এই সংখ্যা আরও বাড়বে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না
গতকাল ব্রায়ান লারা স্টেডিয়ামে কীর্তি গড়ার রাতটি পোলার্ড জয়ে রাঙাতে পারেননি।
সেন্ট লুসিয়া কিংসের দেওয়া ২১২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৭৫ রান করতে সক্ষম হয়। ফলে সেন্ট লুসিয়া ৩৬ রানের জয় পায়। পোলার্ড ২৫০.০০ স্ট্রাইকরেটে ৬ চার ও ৫ ছক্কার ইনিংসে কেবল ব্যবধান কমিয়েছেন। প্রতিপক্ষের ওপেনার টিম সেইফার্ট ৬১ বলে ১০৫ রান করে ম্যাচসেরা হন।
অন্যদিকে, পোলার্ডের সতীর্থ সুনিল নারাইনও একটি মাইলফলক অর্জন করেছেন।
গতকাল জন ক্যাম্পবেলকে এলবিডব্লিউ করে তিনি স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে ৬৫০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছেন। তার উপরে আছেন আরেক স্পিনার রশিদ খান, যিনি ৭৩৬ উইকেট নিয়ে শীর্ষ স্থানে রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার আদালত প্রাঙ্গণে মামলার কার্যক্রম শেষে এক আইনজীবীর ওপর হামলার অভিযোগে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ভুক্তভোগী আইনজীবী মো. মোহাইমিনুল ইসলাম খান বাদী হয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালতে মামলার আবেদন করেন। বাদীর জবানবন্দি গ্রহণের পর আদালত নির্দেশ দেন যে, অভিযোগটি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোতোয়ালি থানায় এজাহার (এফআইআর) হিসেবে গণ্য করতে হবে। আসামিদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলা দায়েরের সময় ঢাকা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম খান, সাবেক সিনিয়র সহসাধারণ সম্পাদক জহিরুল হাসান মুকুল এবং লাইব্রেরি সম্পাদক মাকসুদুল হাসান সবুজ বাদীপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মামলার এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন—উম্মে হাফসা তন্বী, হুমায়ুন কবির, মো. আশরাফুল আলম খান, মাহাবুব আলম খান, শাহাদাত হোসেন, জিদান, মো. মোহিবুল্লাহ, রায়হান, খালেদ সাইফুল্লা নাঈম এবং আরমান হোসেন।
মামলার বিবরণে উল্লেখ করা হয়েছে যে, গত ২৫ আগস্ট বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাদী যৌতুক নিরোধ আইনের একটি মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবী হিসেবে শুনানি শেষ করেন। এরপর মক্কেলদের নিয়ে চেম্বারে ফেরার সময় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানার সামনে তাঁদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়।
অভিযোগে বলা হয়েছে যে, প্রথম চার আসামির মদদে ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা আইনজীবীকে হত্যার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালায়।
এ সময় তাঁর মাথা, মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারা হয়।
আক্রান্তদের চিৎকার শুনে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত পথচারী ও আইনজীবীরা এগিয়ে এসে তাঁদের উদ্ধার করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সহায়তায় ছয়জনকে হাতেনাতে ধরে ঢাকা আইনজীবী সমিতিতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অন্য সহযোগীরা পালিয়ে যায়।
পরে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে পলাতক ব্যক্তিরা আরও ২০ থেকে ২৫ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে নিয়ে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মূল ভবনের তৃতীয় তলায় প্রবেশ করে পুনরায় অতর্কিত হামলা চালায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এই গোলাগুলির ফলে ছয় বছর বয়সী একটি শিশু এবং তার মা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
ঘটনাটি বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে কুতুপালংয়ের ৮ নম্বর ওয়েস্ট ক্যাম্পে ঘটে। গুলিবিদ্ধ শিশুটির নাম ইউসুফ (৬) এবং তার মা তাহেরার পেটেও গুলি লেগেছে।
বালুখালী পানবাজার এপিবিএন ক্যাম্পের ইনচার্জ ইন্সপেক্টর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গোলাগুলির ঘটনায় এক শিশু ও তার মা গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন।
তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। গোলাগুলির ঘটনা আরাকান রোহিঙ্গা আর্মি (এআরএ) এবং রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও) এর মধ্যে সংঘটিত হয়েছে।
আহত তাহেরা ঘটনার সময় তার পাশে বসা ছেলে বাপ্পীকে নিয়ে জানান, তিনি চাল থেকে ধান আলাদা করছিলেন।
হঠাৎ দুই সশস্ত্র পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হলে একটি গুলি এসে তার ছেলের মাথায় লাগে। একই সময়ে তার পেটেও গুলি লাগে। পরে মা ও শিশুকে উদ্ধার করে প্রথমে ক্যাম্পের এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে রাত ৮টার দিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার হার্ভে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও নিজস্ব কোচিং সেন্টারে পড়তে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে। কোচিংয়ে না পড়লে পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা।
এ ঘটনায় প্রতিকার ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবিতে বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে বিদ্যালয়ের সাধারণ অভিভাবকদের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বেশ কিছুদিন ধরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সময় অসৌজন্যমূলক ও দুর্ব্যবহারপূর্ণ আচরণ করছেন। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভীতি ও মানসিক চাপ তৈরি হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অভিভাবকেরা।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, সান্তাহার পৌর শহরের সোনার বাংলা মার্কেটের তৃতীয় তলায় ওই শিক্ষকের একটি কোচিং সেন্টার রয়েছে। সেখানে না পড়লে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার সরাসরি হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে সিনিয়র শিক্ষক মাহবুবুল হক বলেন, স্কুলের পর কোচিং করানো যেতেই পারে। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার পরিস্থিতি বর্তমানে ভালো না হওয়ায় দুর্বল শিক্ষার্থীরা তাঁর কোচিংয়ে পড়তে পারে। তবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, শাসন করার কারণে শিক্ষার্থীরা এমন অভিযোগ করতে পারে।
আদমদীঘি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের একাডেমিক সুপারভাইজার জাহিদুল ইসলাম বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক নিজে কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে শিক্ষার্থী পড়ানোর বিষয়টি কোনো নীতিমালায় নেই।
আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুমা বেগম বলেন, অভিভাবকেরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ