ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গাজীপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল; গ্রেপ্তার ৫


গাজীপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল; গ্রেপ্তার ৫

গাজীপুর, ২৯ জুলাই, ২০২৬ : গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের ঝটিকা মিছিল থেকে হামলার ঘটনায় ১২ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতনামা ৪০ জনকে আসামি করে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা করা হয়েছে। এই মামলায় পুলিশ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ বাসস’কে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

এসআই মনোহর আলী বাদী হয়ে সন্ত্রাস দমন আইনে মামলাটি দায়ের করেন।

আরও পড়ুন: কাঁঠালিয়ায় ৫০ চুল্লিতে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি, জনস্বাস্থ্যে ঝুঁকি

গ্রেপ্তারকৃতদের নাম হচ্ছে- টঙ্গী পূর্ব থানার শালিকচূড়া গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে আজিজুল ইসলাম (৪৩), মাছিমপুর এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে জসিম উদ্দিন (৩২), পূবাইলের রবীন্দ্র কুমার দাসের ছেলে জীবন কুমার দাস (৩৫), বড় দেওড়ার সামসুদ্দিনের ছেলে খলিলুর রহমান (৫০) এবং সাতাইশ এলাকার হাকিম আলীর ছেলে নিয়ামুল হাসান নাহিদ (১৮)।

অপর আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- মো. আলাউদ্দিন সিপাই (৩৫), পঙ্কজ, নাজমুল, নামিম বাবু, নিয়ামুল হাসান নাহিদ, আশরাফুল ইসলাম, শ্রাবন বেপারী, তানজীম আহমেদ তামিম, সাইফুল ইসলাম সজিব, শিশির আহমেদ অনিক, জীবন কুমার লালসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের ৩০ থেকে ৪০ জন লোক।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে ডিউটি করার সময় টঙ্গীর সাতাইশ বাগান বাড়ি রোডের পাশে মায়ের দোয়া রিয়েল এস্টেটের কাছাকাছি হযরত শাহজালাল রোডের মাথায় নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকে। গাছা থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ গাজীপুর মহানগর শাখার ব্যানারে অনুষ্ঠিত মিছিলে ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’-সহ নানা স্লোগান প্রচার করা হয়।

টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, ৫ আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে।

আরও পড়ুন: চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমের খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে 'ম্যাংগো পিল টি'

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:০৯ পি.এম


জেন জি’রা আসছে, সাবধান ভারত

আপাতত শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মাধ্যমে ককরোচ জনতা পার্টির আন্দোলন সামলাতে পেরেছে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার। তবে এই আন্দোলন কেবল সরকারি দলের নয়, প্রচলিত ধারার সব রাজনৈতিক দলের সামনে পালাবদলের একটি বড় ঈঙ্গিত এনে দিয়েছে। দুর্নীতি এবং অনিয়মের মাধ্যমে মানুষের সামনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত না করে কিছু করার দিন শেষ হয়ে এসেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচনের সময় জেন জি প্রজন্মই ভারত হিসেবে সবচেয়ে বড় ভোটার গোষ্ঠিতে পরিণত হবে। শুধু সংখ্যায় নয়, প্রভাবের দিক থেকেও তারা হবে নির্ধারক। মাত্র ৩৭ দিনের আন্দোলন। তারা গোটা জাতিকে দেখিয়ে দিয়েছে, তাদের সক্ষমতা কতটা। ২০২৯ সালের মধ্যে ভারতে ১৮ থেকে ৩২ বছর বয়সী জেনারেশন জেড-এর সংখ্যা প্রায় ৩৮ কোটিতে পৌঁছবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর মধ্যে থাকবে প্রায় ১৯ কোটি ৯০ লাখ পুরুষ এবং ১৮ কোটি ১০ লাখ নারী। এটি তাদের ভারতের বৃহত্তম প্রাপ্তবয়স্ক প্রজন্মে পরিণত করবে। এমনকি ২০২৯ সালের মধ্যে জেন জি’রা মিলেনিয়ালদেরও ছাড়িয়ে যাবে। ২০২৯ সালে মিলেনিয়াল প্রজন্মের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ৩৫ কোটি ৭০ লাখে। এই পরিবর্তনের তাৎপর্য কেবল জনসংখ্যার হিসাবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। দেশের শিক্ষার্থী, প্রথমবার ভোট দেওয়া ভোটার, কর্মজীবনের শুরুতে থাকা পেশাজীবী এবং তরুণ পরিবারের সবচেয়ে বড় অংশটি এসেছে এই জেন জি থেকে। তাই কর্মসংস্থান, শিক্ষা, জীবনযাত্রার ব্যয়, আবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং সুশাসনের মতো বিষয়গুলো রাজনৈতিকভাবে আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। আর জেন জি’র পেছনে অপেক্ষা করছে আরও বিশাল আকারের জেন আলফা। যদিও ২০২৯ সালে আলফা প্রজন্মের সদস্যরা ভোটাধিকারের বয়সের নিচে থাকবে, তবুও তাদের সংখ্যা ৪১ কোটি ৭০ লাখেরও বেশি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যা তাদের সামগ্রিকভাবে ভারতের বৃহত্তম প্রজন্মে পরিণত করবে। জেন জি’রা ভারতের বৃহত্তম ভোটার গোষ্ঠিতে পরিণত হলেও সামগ্রিক ভোটার তালিকায় তরুণ ভোটারদের অনুপাত ক্রমাগত কমছে। কারণ চিকিতসা ব্যবস্থার আধুনিকায়নের ফলে ভারতে প্রবীণ জনগণের সংখ্যা বাড়ছে। ১৯৮৮ সালে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীরা ভারতের মোট ভোটারের ৩৮ দশমিক ৩ শতাংশ ছিল। ২০২৪ সালের মধ্যে সেই অনুপাত ৩০ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসবে। ২০২৯ সালের মধ্যে তা আরও কমে ২৭ দশমিক ৮ শতাংশে নেমে আসতে পারে। তবে শুধু সংখ্যা দিয়ে জেন জি’দের বিচার করলে রাজনীতিবিদরা অবশ্যই ভুল করবেন। জেন জি’রা অন্যরকম। ১৯৮১ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মিলেনিয়ালরা অ্যানালগ থেকে ডিজিটালের রূপান্তর দেখেছে। কিন্তু ১৯৯৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া জেন জি’দের জন্মই হয়েছে ডিজিটাল দুনিয়ায়। আধুনিক প্রযুক্তি কেবল ভারতে নয়, সারাবিশ্বকে জেন জি‘দের হাতের মুঠোয় নিয়ে এসেছে। তারা প্রযুক্তি ব্যবহারে অত্যন্ত দক্ষ। মুহূর্তেই নিজেদের আপডেট করে নিতে পারে। সুতরাং আগের মত জেন জি’দের ভুল বুঝিয়ে পার পাওয়া সম্ভব নয়। এরা প্রচলিত রাজনীতিতে হয়তো আগ্রহী নয় তবে রাজনীতি সচেতন। শুধু রাজনীতি নয়; জলবায়ু পরিবর্তন, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিয়ে জেন জি’রা অত্যন্ত সোচ্চার ও সচেতন। যেকোনো প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাব্যবস্থা বা সরকারের কাছ থেকে তারা স্পষ্টতা, সততা এবং জবাবদিহিতা প্রত্যাশা করে। নিজেদের দাবি আদায়ের জন্য এরা খুব দ্রুত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে এবং একত্রিত হতে পারে। কতটা পারে সেটাও তো ভারত শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপালের পর দেখেছে। তাই কেবল সংখ্যার অনুপাতই রাজনৈতিক প্রভাব নির্ধারণ করে না। জেন জি তাদের বিপুল সংখ্যার সাথে নজিরবিহীন ডিজিটাল যোগাযোগ, উচ্চতর শিক্ষাগত আকাঙ্ক্ষা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সাহায্যে দ্রুত সংগঠিত হওয়ার ক্ষমতা যুক্ত করেছে। ফলে রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য প্রবীণ ভোটারদের মন জয় করা যতটা সহজ, জেন জি’দের মন বোঝা ততটাই কঠিন। যন্তর-মন্ত্রে টানা ৩৭ দিনের সফল আন্দোলনের ঢেউ ছড়িয়ে পড়েছে গোটা ভারতে। এই সাফল্য জেন জি’দের আরও আত্মবিশ্বাসী, আরও সোচ্চার এবং সচেতন করেছে। ২০২৯ সালের নির্বাচন তাই প্রচলিত ধারার রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এক অগ্নিপরীক্ষা। যারা যত দ্রুত জেন জি’দের সাথে নিজেদের কানেক্ট করতে পারবে, রাজনীতিবিদরা যত দ্রুত তাদের ভাষা বুঝতে পারবে; ততই মঙ্গল তাদের জন্য। জেন জি’দের অবহেলা করার ভুল যেন কেউ না করে। তাহলে তাদের নিশ্চিত পস্তাতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ায় বার্ড ফ্লু সংক্রমণের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১০ পি.এম


অস্ট্রেলিয়ায় বার্ড ফ্লু সংক্রমণের আশঙ্কা

ঢাকা, ২৯ জুলাই, ২০২৬ : অস্ট্রেলিয়ায় প্রাণঘাতী এইচ৫ বার্ড ফ্লুর সংক্রমণের প্রথম সন্দেহভাজন ঘটনা শনাক্ত হওয়ার পর বন্যপ্রাণী রক্ষার জন্য জনপ্রিয় একটি দ্বীপের সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ বুধবার স্থগিত করা হয়েছে।

অস্ট্রেলিয়া ছিল বিশ্বজুড়ে হাঁস-মুরগি ও বন্য পাখির মধ্যে মারাত্মক অসুস্থতা ও উচ্চ মৃত্যুহারের জন্য দায়ী এইচ৫ ধরণের বার্ড ফ্লু থেকে দীর্ঘদিন ধরে মুক্ত একমাত্র মহাদেশীয় স্থলভাগ। সিডনি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এটি জানায়।

গোটা অস্ট্রেলিয়ায় গত জুন মাসে দেশটির প্রথমবারের মতো এক পরিযায়ী সামুদ্রিক পাখির শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়।

বুধবার অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য ক্যাঙ্গারু আইল্যান্ডে বার্ড ফ্লুর চারটি সন্দেহভাজন সংক্রমণের ঘটনা জানা গেছে। দ্বীপটিতে সি লায়নের অন্যতম বৃহৎ আবাসস্থল থাকা সত্ত্বেও সেখানে এটি ঘটেছে।

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার প্রাথমিক শিল্পমন্ত্রী ক্লেয়ার স্ক্রিভেন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সি লায়ন রক্ষায় দ্বীপটির সমুদ্রসৈকত ভ্রমণ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হবে।

তিনি আরও বলেন, বুধবারের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন স্থানে বার্ড ফ্লুর আরও ১১টি নতুন সংক্রমণের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্ক্রিভেন জানান, ‘এই পাখিগুলোর মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে বলে মনে হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে।’

দেশটির জাতীয় বিজ্ঞান গবেষণাগার চলতি সপ্তাহে অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় গ্রেটার ক্রেস্টেড টার্ন প্রজাতির পাখির মধ্যে সাতটি সংক্রমণ নিশ্চিত করেছে। এর ফলে অস্ট্রেলিয়ায় মোট শনাক্ত সংক্রমণের সংখ্যা এখন ২৭।

প্রাণঘাতী এই রোগ অস্ট্রেলিয়ার বন্যপ্রাণীর বিলুপ্তির ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে, এমন উদ্বেগ রয়েছে। দেশটির বহু প্রাণী প্রজাতি বিশ্বের অন্য কোথাও পাওয়া যায় না। অস্ট্রেলিয়ার প্রায় অর্ধেক বন্য পাখির প্রজাতি অবস্থিত। ৮৩ শতাংশ স্তন্যপায়ী প্রাণী কেবল দেশটিতেই পাওয়া যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পরিবারের হাল ধরতে প্রবাসে, আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল ফাহিমের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৩ পি.এম


পরিবারের হাল ধরতে প্রবাসে, আগুনে পুড়ে প্রাণ গেল ফাহিমের

এক যুগের কাছাকাছি সময় কাটিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিতেই গিয়েছিলেন। তাঁর স্বপ্ন ছিল, দেশের আর্থিক অবস্থার উন্নতি করে দেশে ফিরে এক নতুন জীবন শুরু করবেন। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন অপূর্ণই রয়ে গেল। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার বাসিন্দা মো. ফাহিম (২৯) দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্সটাউনে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছেন।

মঙ্গলবার স্থানীয় সময় ভোরে কুইন্সটাউনের একটি দোকানে আগুন লাগার ঘটনায় নিহত ছয় বাংলাদেশির মধ্যে একজন ছিলেন ফাহিম। তাঁর মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর থেকেই পরিবার ও স্বজনরা শোকে ভেঙে পড়েছেন।

ফাহিমের মা, লুৎফা আক্তার, বলেন, তার সন্তান সংসারের বড় ছেলে হিসেবে সব দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছিল। পরিবারের সুখের জন্য বিদেশে পাড়ি দিয়েছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত আগুনের করুণ কবলে প্রাণ হারাতে হলো তাকে। তিনি তার ছেলেকে দেশে ফিরিয়ে এনে শেষবারের মতো দাফনের আকুতি জানান।

পরিবারের সদস্যরা জানালেন, ফাহিম বিগত ১১ বছর ধরেই দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছে। তিন ভাই এবং তিন বোনের মধ্যে সে বড়। দক্ষিণ আফ্রিকায় যাওয়ার পর তিনি আর দেশে আসেননি। তিনি আশা করেছিলেন যে, পরিবারের সকল সদস্যদের নিয়ে একদিন দেশে ফিরে আসবেন। বিয়ের পরিকল্পনাও ছিল তার। কিন্তু এখন সেই স্বপ্ন আর পূরণ হবে না, কারণ আগুনে পুড়ে ছাই হতে হলো তাকে।

মো. ফাহিমের মামা, তাজুল ইসলাম, বলেন, আমার ভাগ্নে অনেক আদরের ছিল। আমার কাছে বলার ভাষা নেই। ভাগ্নে কত কষ্ট করে মারা গেল। বর্তমানে সে কোথায়, সেটাও জানি না। আমার ভাগ্নের লাশ ফেরত পেতে চাই। আমি চাই, আমার ভাগ্নেকে দেশের মাটিতে কবর দিতে।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইউএনও ফয়েজ উদ্দিন বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার অগ্নিকাণ্ডে নিহত ছয়জনের মধ্যে ৪ জনের বাড়ি আলীরটেকে, একজনের বাড়ি বক্তাবলীতে এবং একজনের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে। ইতোমধ্যে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে কথা হয়েছে। সরকারিভাবে যে সহায়তা ও ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা রয়েছে, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করা হবে। অগ্নিকাণ্ডের কারণ তদন্ত শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেহেরপুরে পৃথক দুই বাড়ির প্রবেশপথে মিললো বোমাসদৃশ বস্তু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৯শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:১৪ পি.এম


মেহেরপুরে পৃথক দুই বাড়ির প্রবেশপথে মিললো বোমাসদৃশ বস্তু

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার নওদাপাড়া গ্রামে পৃথক দুইটি বাড়ির প্রবেশপথ থেকে পুলিশ দুইটি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করেছে। আজ বুধবার সকালে স্থানীয়দের খবর পেয়ে ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বস্তু দুটি উদ্ধার করেন।

পুলিশ এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নওদাপাড়া গ্রামের নাজিমুদ্দিন ও ইমদাদুল হকের বাড়ির প্রবেশপথে রাতের আঁধারে দুর্বৃত্তরা কালো টেপে মোড়ানো দুইটি বোমাসদৃশ বস্তু রেখে যায়। সকালে বাড়ির সদস্যরা যখন বাইরে বের হওয়ার সময় বস্তু দুটি দেখতে পান তখন তারা আতঙ্কিত হয়ে পুলিশকে খবর দেন।

খবর পেয়ে ভবানীপুর পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে বস্তু দুটি উদ্ধার করেন। পরে সেগুলো পানিভর্তি বালতিতে করে থানায় নেওয়া হয়।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহাদ্দিস মোরশেদ চৌধুরী জানান, বাড়ির সামনে বোমাসদৃশ বস্তু পড়ে থাকার খবর পেয়ে পুলিশ সেগুলো উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। বস্তুগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%