জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০২:২৪ পি.এম
উঠোনের এক কোণে বসে ছিলেন আলেয়া বেগম (৬৫), চালের খুদ কুড়োচ্ছিলেন। হঠাৎ তার হাত থেমে যায়। তিনি চোখ ছোট করে সামনে তাকান এবং মৃদু হেসে বলেন, "এখন সব পরিষ্কার দেখি।" কয়েক মাস আগেও তার পৃথিবী ছিল ঝাপসা, রান্নাঘরের আগুন, উঠোনের পথ, এমনকি নাতি-নাতনিদের মুখও ঠিকমতো চিনতে পারতেন না তিনি।
সেই অন্ধকার থেকে আলোয় ফেরার গল্পের পেছনে আছেন রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার এক নীরব মানুষ বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাসার খান।
২০১৫ সালে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ বর্তমানে রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও আশপাশের কয়েকটি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। খায়রুল বাসার মালেকা চক্ষু হাসপাতাল থেকে ছানি ও নেত্রনালী অপারেশনের ব্যবস্থা করেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাসারের ভাষ্য, "সঠিক হিসেব নেই তবে ৪শতাধিক হবে।" দশক পেরিয়ে গেছে, প্রায়ই তো এ ধরনের সমস্যা নিয়ে দরিদ্র মানুষ আসে বাড়ীতে।
শুরুটা যেভাবে হয়েছিল:
মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাসার বলেন, "আমার স্ত্রীর চোখের নেত্রনালীর সমস্যার কারণে ২০১৫ সালের শুরুর দিকে মালেকা চক্ষু হাসপাতালে গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে এমন একটি দৃশ্য দেখি, যা আমার জীবনটাই বদলে দেয়।" তিনি বলেন, "দুইজন দরিদ্র মানুষ অপারেশনের খরচ জোগাড় করতে না পেরে কান্না করছিলেন। তাদের সেই অসহায় কান্না আমাকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়।"
তিনি আরও বলেন, "তখনই মনে হয়েছিল আমি কি তাদের পাশে দাঁড়াতে পারি না? শুধু ওই দুজন নয়, এমন শত শত মানুষ আছে, যারা টাকার অভাবে এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পারছে না।" সেই ভাবনা থেকেই তিনি ছানি-নেত্রনালী অপারেশনে সহযোগিতা শুরু করেন।
এই উদ্যোগে তার পরিবারের সদস্যরাও তার শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছেন। খায়রুল বাসার জানালেন, "এই কাজের সিংহভাগ অর্থ জোগান দেয় আমার মেয়ের জামাই শামিম আহমেদ, সে চাকরি করে।" তিনি জানান যে, "আমার ছেলেও যথেষ্ট সহযোগিতা করে। তাদের সহায়তা না থাকলে এতদূর আসা সম্ভব হতো না।"
মুক্তিযোদ্ধা খায়রুল বাসার খান এর বাড়ি রাজবাড়ী জেলার বালিয়াকান্দি উপজেলার খোর্দ্দমেগচামী গ্রামে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। স্ত্রীসহ তিনি গ্রামের বাড়ীতেই থাকেন। আনসার ও ভিডিপি থেকে অবসর নেয়ার পর তিনি কৃষি কাজে যুক্ত হয়েছেন। প্রতিবন্ধী সেবার জন্য তিনি রাষ্ট্রপতি পদক পেয়েছিলেন।
খায়রুল বাসার জানান, "সাধারণভাবে একজন রোগীর ছানি অপারেশনে প্রায় ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। তবে মানবিক দৃষ্টিকোণ বিবেচনায় মালেকা চক্ষু হাসপাতাল তার কাছ থেকে প্রতি রোগীর জন্য মাত্র ৪ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করে।" হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এই বিষয়টি বুঝে তাদের সহযোগিতা করছে বলেই তারা আরও বেশি মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারছেন।
বালিয়াকান্দির আলেয়া বেগম জানান, "চোখের সমস্যা শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক জীবন থমকে যায়।" রান্না করতে গিয়ে বারবার ভুল হতো এবং হাঁটাচলাও ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। অপারেশন করানোর মতো টাকা ছিল না। পরে এক পরিচিতজনের মাধ্যমে তিনি বাসারের কাছে যান এবং তিনিই সব ব্যবস্থা করে দেন।
একই অভিজ্ঞতা কালুখালীর আব্দুল খালেক (৫৮) এর। দিনমজুর হিসেবে কাজ করতেন এবং চোখে ঠিকমতো দেখতেন না ফলে কাজও ঠিকঠাক করতে পারতেন না। কিন্তু এখন আবার মাঠে কাজ করতে পারছি, বলেন তিনি।
খায়রুল বাসার খান বলেন, "নিজের সামর্থ্যের মধ্যেই আমি এই মানবিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি। মুক্তিযোদ্ধা ভাতা এবং পরিবারের সহায়তাই আমার প্রধান ভরসা।" তার ভাষায়, "টাকা দিলে একসময় শেষ হয়ে যায়, কিন্তু কারও চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে পারলে সেটাই আমার সারাজীবনের সম্পদ হয়ে থাকে।" তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি গ্রাম-গ্রামান্তরে গিয়ে দৃষ্টিহীন হয়ে পড়া মানুষের খোঁজ নেন এবং তাদের অপারেশনের ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, নিজের কথা না ভেবে অন্যের জন্য কাজ করাই এখন তার জীবনের মূল লক্ষ্য। পরিবারও তার এই কাজে পাশে আছে। স্ত্রীসহ সবাই তার মানবিক উদ্যোগকে সমর্থন করেন। গ্রামে দরিদ্র মানুষের কাছে চোখের ছানি একটি বড় সমস্যা। অর্থের অভাবে অনেকেই চিকিৎসা করাতে পারেন না, ফলে ধীরে ধীরে তারা দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেন। এমন বাস্তবতায় খায়রুল বাসারের এই উদ্যোগ তাদের জীবনে নতুন করে আলো ফিরিয়ে দিচ্ছে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আকরাম হোসেন বলেন, "খায়রুল বাসার খান এলাকায় এক অত্যন্ত সম্মানিত ও নির্ভরতার নাম।" দরিদ্র মানুষের কাছে তিনি যেন আশ্রয়ের ঠিকানা। তিনি যে কোনো ছানি রোগীর কথা জানতে পারলেই নিজেই তার বাড়িতে ছুটে যান। রোগীকে হাসপাতালে নেওয়া, অপারেশনের সব ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরানো পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে তিনিই পাশে থাকেন। শুধু নিজ এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা শত শত মানুষ তার সহায়তায় ফিরে পেয়েছেন দৃষ্টিশক্তি এবং জীবনের আলো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য মোছা. আশিকা সুলতানা। ছবিটি কালের কণ্ঠের।
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য মোছা. আশিকা সুলতানাকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সারাহ্ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।
রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান’ দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কী করেছি, কী অপরাধ আমার যে বারবার রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে?’
এর আগে একই মামলায় গত শুক্রবার থেকে তিনি তিন দিনের রিমান্ডে ছিলেন। আজ আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক আল মামুন হোসাইন পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আশিকা সুলতানার আইনজীবী শাহাব উদ্দিন রাজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সাবেক এ এমপি গত শুক্রবার থেকে এই মামলায় রিমান্ডে ছিল। একজন মহিলা মানুষকে বারবার একই মামলায় রিমান্ডে নেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন, যা আমরা আদালতে রিমান্ড শুনানিতে বলেছি। কিন্তু আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে তাকে পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার আশিকা সুলতানাকে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর ১১ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ জুন মিরপুর-১-এর এপেক্স শোরুমসংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনের রাস্তায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৪০/৫০ জন সরকারবিরোধী মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা মিছিল করেছে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই ঘটনার সঙ্গে আসামি আশিকা সুলতানা জড়িত আছে।
পুলিশ দাবি করেন, তিনি আওয়ামী লীগের একজন অর্থদাতা। সুতরাং, মিছিলের মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতকদের গ্রেপ্তার ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের মিছিলের নেতৃত্বদানকারীদের রহস্য উদঘাটনে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে চতুর্থ শ্রেণি থেকে জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্যে মাঠের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে একগুচ্ছ নির্দেশনা জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)।
গতকাল রবিবার (২৮ জুন) অধিদপ্তরের সেকশন-২ থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এতে জানানো হয়েছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত সভার সিদ্ধান্তের আলোকে দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খেলার মাঠ রয়েছে, সেগুলো খেলাধুলার উপযোগী করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় চাহিদা নিরূপণ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে বরাদ্দ পাওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।
এছাড়া দেশের প্রায় ১১ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো খেলার মাঠ নেই উল্লেখ করে বিদ্যালয়গুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করে বিস্তারিত তথ্যসহ প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভবিষ্যতে নতুন কোনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব পাঠানোর আগে সেখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের ব্যবস্থা রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
যেসব বিদ্যালয়ের নিজস্ব মাঠ নেই, তাদের ক্ষেত্রে আশপাশের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি মালিকানাধীন মাঠ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ব্যবহারের লক্ষ্যে সমঝোতা বা চুক্তির উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।
একই সঙ্গে মন্দির, মসজিদ, খালি অঞ্চল, পতিত জমি কিংবা অন্য কোনো সরকারি সংস্থার মাঠ থাকলে স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় যৌথভাবে খেলাধুলার আয়োজনের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অধিদপ্তরের আরও বলেছে, যেসব বিদ্যালয়ে মাঠের ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়, সেখানে বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে দাবা, ক্যারামসহ বিভিন্ন ইনডোর গেমসের সরঞ্জাম সরবরাহ করতে হবে।
এছাড়া প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন, প্রতিদিন পাঠদান শেষে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে বিদ্যালয়ের মাঠ শিশুদের খেলাধুলার জন্য উন্মুক্ত রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তাদের এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে পূর্ণাঙ্গ অগ্রগতি প্রতিবেদন দ্রুত প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, জাতীয় পাঠ্যক্রমে খেলাধুলাকে বাধ্যতামূলক করার এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক বিকাশ, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং দলগত কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পাবে।
এছাড়া বিদ্যালয়ভিত্তিক খেলাধুলার সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়া থানাধীন ডিসি রোড এলাকায় প্রায় ১৭ বছর আগে সংঘটিত পলাশ হত্যা মামলায় আদালত দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন।
এই রায় সোমবার (২৯ জুন) চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত প্রকাশ করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- মাহমুদুল হাসান, প্রকাশ সোহেল এবং আইয়ুব আলী, যিনি বাবুল নামেও পরিচিত।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানালেন, মামলার ১৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছিল। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে মো. পলাশ হত্যার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত দুই আসামির প্রত্যেককে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করেছে। রায়ের সময় আসামিরা পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানা মূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার কারণে আসামিরা পরিকল্পনাভিত্তিকভাবে মো. পলাশকে ২০০৯ সালের ২৭ আগস্ট নগরের বক্লিয়া থানাধীন ডিসি রোড এলাকার জামাল বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় নিয়ে হত্যা করে।
এই ঘটনার পর নিহতের ভাই মো.সম্রাট ২০০৯ সালের ২৮ আগস্ট বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হলে আদালত ২০১২ সালের ১২ নভেম্বর অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। আগে মামলাটি বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল এবং পরে চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা আদালতে স্থানান্তরিত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে কামরুল ইসলাম (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু ঘটেছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরের সময়ে উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের বলগাড়ী চন্ডিদাসপুর গ্রামে এই দুঃখজনক ঘটনা ঘটে।
মৃত কামরুল ইসলাম ছিলেন ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের বলগাড়ী চন্ডিদাসপুর গ্রামের দিলদার রহমানের ছেলে।
ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত কামরুল ইসলাম বাড়ির পাশে জমিতে কাজ করছিলেন।
দুপুরে হঠাৎ আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে বৃষ্টি শুরু হলে অপ্রত্যাশিতভাবে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এর ফলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ