বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:১২ পি.এম
ভূমিমন্ত্রী বলেছেন, সরকারি স্বার্থ এবং সুষম ভূমি ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, সরকারি জমি বরাদ্দ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সরকারি স্বার্থ সংরক্ষণ করা এবং ভূমির সুষম ব্যবহার নিশ্চিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভূমি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির ১৫৭তম সভায় এসব কথা বলেন।
সভায় ভূমি মন্ত্রী বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, অধিগ্রহণের ফলে জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের অসন্তোষ সৃষ্টি না হওয়ার বিষয়েও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং কৃষিজমি সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।
সভায় কেন্দ্রীয় ভূমি বরাদ্দ কমিটির পূর্বানুমোদনের জন্য উপস্থাপিত বিভিন্ন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের বাস্তবায়নাধীন ‘চট্টগ্রাম শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে খাল পুনঃখনন, সম্প্রসারণ, সংস্কার ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন মৌজায় মোট ৪.১৩০৫ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
এছাড়া, চট্টগ্রাম দক্ষিণ সড়ক বিভাগের ‘চাতুরী (চৌমুহনী)-সিইউএফএল-কর্ণফুলী ড্রাইডক (মেরিন একাডেমি)-ফকিরনীহাট (এন-১২১) জাতীয় মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ’ প্রকল্পের আওতায় কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় মোট ২১.৭০৮৩ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।
সুনামগঞ্জের পাইকরাটি থেকে নেত্রকোণা ১৩২/৩৩ কেভি গ্রিড উপকেন্দ্র পর্যন্ত ১৩২ ডাবল সার্কিট বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন নির্মাণের জন্য নেত্রকোণা সদর উপজেলার ঠাকুরাকোনা ও গন্ধর্বপুর মৌজায় ০.০৭৫০ একর ভূমি অধিগ্রহণের প্রস্তাবও অনুমোদন করা হয়।
অন্যদিকে, নাজমা পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস লিমিটেডের নামে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার সাদিপুর মৌজায় ০.৩৭ একর ভূমি অধিগ্রহণের পূর্বানুমোদন দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে মেঘনা ইকোনমিক জোন লিমিটেডের অনুকূলে সোনারগাঁও উপজেলার চর রমজান সোনাউল্লাহ মৌজায় ১.৮৬৫২ একর ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় বিভিন্ন জেলা ভূমি বরাদ্দ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে ৫০ বিঘার ঊর্ধ্বে ভূমি অধিগ্রহণের কয়েকটি প্রস্তাবও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে জামালপুর সড়ক বিভাগের ‘মাদারগঞ্জ-কয়ড়া-মনসুরনগর (কাজিপুর)-আব্দুল্লাহ মোড় (সরিষাবাড়ী)-ধনবাড়ী সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় ভূমি অধিগ্রহণের অনুমোদন দেওয়া হয়।
এছাড়া, বাংলাদেশ রেলওয়ের জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ২১টি মৌজায় ২০.০১৩৬ একর ভূমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
‘বারৈয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্তকরণ (LOC-III)’ প্রকল্পের আওতায় চট্টগ্রামের মিরসরাই ও ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন মৌজায় সর্বমোট ৫৭.৯৩৮০ একর এবং ‘যশোর রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা’ প্রকল্পের আওতায় অভয়নগর উপজেলার ছয়টি মৌজায় মোট ৬.৪৭৬০ একর জমি অধিগ্রহণের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভায় আরো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, পরিবর্তিত বাস্তবতা বিবেচনায় বগুড়া কোল্ড স্টোরেজ অ্যান্ড এলাইড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের অনুকূলে অধিগ্রহণ করা সম্পত্তি ভূমি অধিগ্রহণ আইন, ২০১৭-এর আওতায় জনকল্যাণমূলক হাসপাতাল স্থাপনের উদ্দেশ্যে ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হবে।
সভায় ভূমি অধিগ্রহণ ও বরাদ্দের ক্ষেত্রে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং কৃষিজমির সুরক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের অলরাউন্ডার মেহেদি হাসান মিরাজ ক্যারিবীয় প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেক ম্যাচে বল হাতে অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছেন। তার ঘূর্ণির কারণে সেন্ট লুসিয়া কিংসকে মাত্র ১১৯ রানে অলআউট করে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স ৪ উইকেটের জয় অর্জন করেছে। গায়ানার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন অধিনায়ক ইমরান তাহির, যিনি ৪৭ বছর বয়সে ৪ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন।
প্রভিডেন্স স্টেডিয়ামে টস জিতে গায়ানা আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। শুরু থেকেই গায়ানার স্পিন আক্রমণের মুখে বিপাকে পড়ে সেন্ট লুসিয়া। টিম সেইফার্টকে ১৪ রানে হারানোর পর জন ক্যাম্পবেলের সঙ্গে জুটি গড়ে তারা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল। তবে সেই জুটি ভাঙার কাজটি করেন মিরাজ।
এরপর কামিল পুরান ও রোস্টন চেজকে ফিরিয়ে সেন্ট লুসিয়ার ব্যাটিংয়ে বড় ধাক্কা দেন ইমরান তাহির। অন্যদিকে, মিরাজ তার স্পিনের জাদু অব্যাহত রেখে ক্যামল স্যাভরি ও চারিথ আসালাঙ্কাকে সাজঘরে পাঠিয়ে কিংসের ব্যাটিং লাইনআপের কোমর ভেঙে দেন।
শেষ পর্যন্ত ১৮.৫ ওভারে ১১৯ রানেই অলআউট হয়ে যায় সেন্ট লুসিয়া। তাদের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৩ রান করেন কামিল পুরান, আর ওবার পিয়েনার ৩৫ রান করেন। গায়ানার হয়ে তাহির ৫টি এবং মিরাজ ৩টি উইকেট শিকার করেন।
সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমেও গায়ানা শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে। পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা মিরাজও ব্যাট হাতে অবদান রাখতে পারেননি, তিনি মাত্র ৪ বলে ১ রান করে সাজঘরে ফেরেন।
তবে গ্লেন ফিলিপস ও কুইন্টিন স্যাম্পসন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের মাধ্যমে দলের জয় নিশ্চিত করেন। দুজনই ৩৭ রান করেন। শেষ পর্যন্ত গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্স ৯ বল হাতে রেখেই ৪ উইকেটের জয় তুলে নেয়।
এই জয়ের মাধ্যমে গায়ানা পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও মজবুত করেছে। ৮ ম্যাচে তাদের সংগ্রহ ১৪ পয়েন্ট।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, এই মর্যাদাপূর্ণ পদে মনোনয়ন ও নির্বাচনে সমর্থনের জন্য তিনি দায়িত্বটি ন্যায়সংগত, নিরপেক্ষতা ও সততার সঙ্গে পালনের অঙ্গীকার করেছেন। জাতিসংঘের সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদের প্রতি আস্থা ও সমর্থন জানানোতে তিনি তাদেরও ধন্যবাদ জানান।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। উদ্বোধনী বক্তব্যে ড. খলিলুর রহমান উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করা তার জন্য গভীর সম্মানের বিষয়। তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্ব এমন এক সময়ে রয়েছে, যখন বহুপক্ষীয় ব্যবস্থা ও জাতিসংঘের ওপর আস্থা নানা দিক থেকে পরীক্ষার মুখোমুখি। এই পরিস্থিতিতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সংলাপ, সহযোগিতা ও অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে বের করা তার অগ্রাধিকার হবে।
জাতিসংঘের ভূমিকা তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আট দশকের বেশি সময়ে বিশ্বে শান্তি ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠায় সংস্থাটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধ থেকে শুরু করে উন্নয়ন, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কাজ করে যাচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও প্রযুক্তিগত রূপান্তরের মতো নতুন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সংস্থাটিকে আরও কার্যকর করে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘আস্থা পুনর্গঠন, রূপান্তর ব্যবস্থাপনা: সবার জন্য কার্যকর জাতিসংঘ’। এই প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ড. খলিলুর রহমান জাতিসংঘের ওপর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর আস্থা পুনর্গঠন এবং প্রতিষ্ঠানটিকে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও সক্ষম করে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি জাতিসংঘে গভীরতর সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেছেন।
এর আগে গত ২ জুন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হন ড. খলিলুর রহমান। প্রতিদ্বন্দ্বী সাইপ্রাসের প্রার্থী আন্দ্রেয়াস কাকুরিসকে হারিয়ে তিনি ১৯০টি বৈধ ভোটের মধ্যে ৯৯ ভোট পান; প্রতিদ্বন্দ্বী পান ৯১ ভোট। এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রায় চার দশক পর আবারও বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্বে ফিরে আসে। এর আগে বাংলাদেশের হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ১৯৮৬-৮৭ সালে ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন।
৮ সেপ্টেম্বর থেকে এক বছরের জন্য ১৯৩ সদস্যের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন ড. খলিলুর রহমান। জাতিসংঘে তার ৩০ বছরের বেশি সময়ের অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং তিনি সাধারণ পরিষদের ১৬টি অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন। নতুন অধিবেশনে বৈশ্বিক সংঘাত, উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে সদস্যরাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমঝোতা তৈরিতে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ড. খলিলুর রহমান বলেন, সব সমস্যার দ্রুত ও সহজ সমাধান সম্ভব—এমন ধারণা তার নেই। তবে মতপার্থক্য থাকলেও সংলাপ ও সহযোগিতার মাধ্যমে অভিন্ন ভিত্তি খুঁজে বের করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। তিনি একই সঙ্গে জাতিসংঘকে ভবিষ্যতের জন্য উপযোগী করে তুলতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরপুর জেলা সদর উপজেলায় বিদ্যমান বিএসআইসি, বিএডিসি এবং খুচরা সার বিক্রেতা ও ডিলারদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেরপুর জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ ফরিদা ইয়াসমিন। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. শাকিল আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (শেরপুর সদর) মিজ আসমা বিনতে রফিক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা এবং অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিগণ।
সভায় কৃষকদের মধ্যে সারের সুষ্ঠু ও ন্যায্য মূল্যে সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। এছাড়া, সার বিতরণে স্বচ্ছতা বজায় রাখার পাশাপাশি সারের সঠিক সাপ্লাই চেইন পালন এবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
কৃষকের স্বার্থ সংরক্ষণ ও কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, রুমিন ফারহানার মধ্যে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী হাসিনার ছায়া দেখা যায়। তিনি বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এই মন্তব্য করেন।
ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো: "রুমিন ফারহানা আপার মধ্যে শেখ হাসিনার ছায়া দেখা যায়! যখন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইনের ফেসবুক পোস্ট আর রুমিন ফারহানা আপার ফেসবুক পোস্টের মধ্যে কোন পার্থক্য থাকে না, তখন বলতেই হয়, জাতীয় সংসদে আওয়ামীলীগের একমাত্র যোগ্য প্রতিনিধি রুমিন ফারহানা আপা! হয়তো এই পারফরম্যান্স দেখে রুমিন ফারহানা আপাকে আ.লীগের বাংলাদেশ শাখার সভানেত্রী হিসেবেও দায়িত্ব দিতে পারে শেখ হাসিনা।"
তিনি উল্লেখ করেছেন যে, গতকাল তার বক্তব্য তার পূর্ববর্তী বক্তব্যের সাথে সাংঘর্ষিক। ২০২৬ সালের জাতীয় নির্বাচনে নমিনেশন পাওয়ার আগে এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে সংরক্ষিত নারী এমপি হয়ে সংসদে আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে দেওয়া বক্তব্যের ফটোকপি গতকাল বিএনপির বিরুদ্ধে উত্থাপন করেছেন রুমিন ফারহানা আপা।
এছাড়া, জামায়াতের আমির তাকে বেশ উৎসাহ দিয়েছেন। তবে তিনি কি ভুলে গেছেন যে, কিছুদিন আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদের বক্তব্যের সময় জামায়াতের ৯০ জন এমপি কিভাবে হট্টগোল করছিলো? নিজেদের সংস্কৃতির সূচনা করা সেই ধরনের সংস্কৃতির বিরুদ্ধে কথা বলা তো বেমানান!
অন্যদিকে, জামায়াতের এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ ২০০১-২০০৬ পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সমালোচনা করতে গিয়ে মূলত থুতু উপরের দিকে ফেলে নিজের গায়েই মাখলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন যে ঐ সরকারের কৃষিমন্ত্রী ছিলেন মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, আর সেটি ছিলো বিএনপি-জামায়াতের জোট সরকার। পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে, জাতীয় সংসদে জামায়াত এমপি শফিকুল ইসলাম মাসুদ, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও স্বতন্ত্র এমপি রুমিন ফারহানারা সবাই আওয়ামী বয়ানের পক্ষে বেঁধেছে জোট!
কিন্তু জাতি কি ভুলে গেছে, জাতীয় নির্বাচনের আগে রুমিন ফারহানা আপা হাসনাত আব্দুল্লাহকে ফকিন্নির বাচ্চা বলে সম্বোধন করেছিলো?
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ