বৃহস্পতিবার, ২৪শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪৮ পি.এম
গাজীপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের (জিসিসি) ট্রেড লাইসেন্স ও হোল্ডিং ট্যাক্সসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার উদ্দেশ্যে ট্রেড লাইসেন্স ও হোল্ডিং ট্যাক্স অটোমেশন সফটওয়্যারের ‘সফট লঞ্চ’ সম্পন্ন হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় জিসিসির নগর ভবনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি এই অটোমেশন সফটওয়্যারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার।
নতুন ডিজিটাল সেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরার জন্য সভাপতিত্ব করেন সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম।
ডিজিটাল সেবা চালুর ফলে নগরবাসী ঘরে বসেই হোল্ডিং ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন, প্রয়োজনীয় তথ্য জমা, ফি প্রদানসহ আনুষঙ্গিক পরিষেবা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এতে রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও তথ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে।
প্রশাসক মো. শওকত হোসেন সরকার উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় ট্যাক্স ও ট্রেড লাইসেন্স সুবিধা নির্বিঘ্নে পৌঁছে দিতে এ ডিজিটাল পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। এটি জিসিসির সেবাব্যবস্থায় একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য সেবাও অনলাইন প্রসেসের আওতায় আনা হবে, যা নাগরিকদের সময় ও অর্থ বাঁচানোর পাশাপাশি ভোগান্তি কমাবে।
সভাপতি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ তানজিলা খানম বলেন, সঠিক হোল্ডিং ম্যাপিং এবং তথ্যভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে রাজস্ব বাড়াতে সংস্থাটি কাজ করছে। তিনি বিদ্যমান কারিগরি ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ সমাধান করে ভবিষ্যতে অন্যান্য সেবাসহ প্রয়োজনে মোবাইল অ্যাপ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সংস্থাটির হোল্ডিং ট্যাক্স, ট্রেড লাইসেন্স, নাগরিক সনদ, পানির বিল, ইজারার অর্থ ও মার্কেট ভাড়াসহ সব লেনদেন ডিজিটালাইজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) এবং গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর অধীনে এটুআইয়ের পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম ‘একপে’কে সিটি কর্পোরেশনের সফটওয়্যারের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে।
এর ফলে নাগরিকরা মোবাইল ব্যাংকিং, ডিজিটাল ওয়ালেট, অনলাইন বা এজেন্ট ব্যাংকিং এবং কার্ডের মাধ্যমে যে কোনো স্থান থেকে নিরাপদে ফি পরিশোধের সুবিধা পাবেন। ইতোমধ্যে পানির বিল ‘একপে’র মাধ্যমে সংগ্রহের কার্যক্রম পরীক্ষামূলকভাবে চালু রয়েছে এবং সংগৃহীত অর্থ নিয়মিত অনুমোদিত ব্যাংক হিসাবে জমা হচ্ছে।
নতুন এ অটোমেশন সিস্টেমে রয়েছে কেন্দ্রীয় ডিজিটাল ডাটাবেজ, ডাটা বিশ্লেষণ, অনলাইন পেমেন্ট ও ডিজিটাল রসিদের ব্যবস্থা, নোটিফিকেশন প্রদান এবং সেবার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ সুবিধা। এর ফলে সরাসরি অফিসে আসার প্রয়োজনীয়তা কমবে এবং দ্রুততম সময়ে সেবা প্রদান সম্ভব হবে।
স্পেকট্রাম আইটি সলিউশন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন সফটওয়্যারের কারিগরি রূপরেখা উপস্থাপন করেন।
এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন এটুআই প্রকল্পের চিফ অ্যাডভাইজার মাসুদুর রহমান, জিসিসির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার এবং কর নির্ধারণ কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম পাঠান।
এ সময় প্রধান প্রকৌশলী মো. আব্দুল বারেকসহ কারিগরি দল ও সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পাবনা সদর উপজেলার রাধানগর মজুমদারপাড়ায় পুলিশ একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও আট রাউন্ড গুলির সাথে খন্দকার শাহরিয়ার কবির রিমন (২৩) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাতে তার নিজ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পাবনা সদর থানা পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত রিমন পাবনা শহরের রাধানগর মজুমদারপাড়ার মৃত খন্দকার হারুনুর রশিদের পুত্র।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সদর থানার এসআই মাহবুবুল আলম ও এসআই জাকির উল ইসলামের নেতৃত্বে একটি পুলিশ দল রিমনের বাড়িতে অভিযান চালায়। অভিযানের সময় তার বাড়ি থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও আট রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, "এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।" পরে রিমনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গ্রীষ্মের দলবদলে আর্জেন্টাইন তারকা স্ট্রাইকার জুলিয়ান আলভারেজের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে। আতলেতিকো মাদ্রিদ থেকে এই খেলোয়াড়কে দলে ভেড়ানোর জন্য বার্সেলোনা জোর চেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু লিগের প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আলভারেজ বিক্রি করতে অস্বীকৃতি জানানোয় আতলেতিকো ম্যানেজমেন্ট অনড় ছিল। ফলে, দলবদলের সময় শেষ হওয়ার আগে আলভারেজ মাদ্রিদেই থেকে যান।
তবে শীতকালীন দলবদলে আলভারেজকে দলে টানার জন্য বার্সেলোনা আবারো যুক্ত হবে, এমন ধারণা ছিল দলবদল বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সা জানুয়ারিতে আলভারেজকে দলে নেওয়ার দৌড় থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর ফলে, আর্সেনালের জন্য আলভারেজকে পেতে একটি বড় সুবিধার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
স্প্যানিশ ফুটবল দলবদল ও গুঞ্জনভিত্তিক ওয়েবসাইট ‘ফিচাহেস’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বার্সেলোনা জানুয়ারিতে ২৬ বছর বয়সী আলভারেজকে দলে নেওয়ার পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। এর ফলে, শীতকালীন ট্রান্সফার উইন্ডোতে আলভারেজের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন গুঞ্জন শুরু হলে, নজর রাখার মতো ক্লাব হিসেবে কেবল আর্সেনাল এবং প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) রয়ে যাচ্ছে।
আলভারেজকে দলে পেতে আর্সেনালের আগ্রহ নতুন নয়। গ্রীষ্মের দলবদলে গানার্সদের সাথে আলভারেজের নাম জোরালোভাবে জড়ানো হয়েছিল। এমিরেটস স্টেডিয়ামে তাকে নিয়ে আসার জন্য তারা একটি বড় অঙ্কের আর্থিক বিনিয়োগেও প্রস্তুত ছিল। তবে দলবদলের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে কোনো চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি।
গ্রীষ্মের দলবদলে নতুন খেলোয়াড় কেনার কারণে বার্সেলোনার পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে পড়েছে। কাতালান ক্লাবটি আর্সেনাল থেকে গ্যাব্রিয়েল জেসুসকে দলে নিয়েছে। তাই তারা জানিয়েছে, নতুন কোনো স্ট্রাইকার বা ফরোয়ার্ড কেনা তাদের কাছে খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।
ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর ডেকো বলেছেন, দলে ইতিমধ্যেই মাঝ মাঠে খেলার মতো বেশ কয়েকজন ভালো খেলোয়াড় আছেন, যেমন—রাফিনহা এবং জেসুস।
বার্সেলোনা পিছিয়ে যাওয়ায় আর্সেনালের সামনে এখন ভালো সুযোগ তৈরি হতে পারে, যদি তারা আলভারেজকে নেওয়ার জন্য নতুন করে চেষ্টা শুরু করে।
তবে আলভারেজের সাথে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের চুক্তি ২০৩০ সাল পর্যন্ত রয়েছে। তাই তাকে দলবদল করতে হলে স্প্যানিশ ক্লাবটির সম্মতি পাওয়া সবচেয়ে জরুরি।
বর্তমানে, আলভারেজকে কেনার জন্য আর্সেনালের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হয়নি। তিনি আপাতত অ্যাথলেতিকোতেই থাকছেন। তবে জানুয়ারিতে বার্সেলোনা তাকে আর কিনতে যাবে না—এই খবরটি অন্য ক্লাবগুলোর (যেমন আর্সেনাল) জন্য একটি বড় বাধা দূর করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় বেসরকারি সংগঠন রূপান্তর এর “সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বন ও তার সংলগ্ন অঞ্চলসমুহের পলিথিন ও প্লাষ্টিক দূষণ কমানো এবং বাস্তুসংস্থান উন্নয়ন” প্রকল্পের পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণ প্রতিরোধে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১ টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা যুব ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শাহিনা আক্তার সুমা এর সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মোঃ ইমরান হোসেন, যুব উন্নয়ন অফিসার সৈয়দ আজমল হোসেন, সমাজসেবা অফিসার মোঃ মতিউর রহমান, মৎস অফিসার সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সমবায় অফিসার মোঃ মঈনুল হাসান, রূপান্তরের প্রজেক্ট অফিসার সাহিদা বানু সোনিয়া, শিক্ষক নয়ন পাল, যুব সংগঠক সালমান খান বাদশাহ প্রমুখ।
সমন্বিত প্রচারাভিযানের মাধ্যমে প্লাষ্টিক ও পলিথিন বর্জের ক্ষতিকর প্রভাব এবং দূষণ প্রতিরোধ সচেতনীকরণ এবং সরকারি বেসরকারি সংগঠনসমুহ এবং স্থানীয় সরকারের মধ্যে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে সুন্দরবন ইমপ্যাক্ট জোনের সমন্বিত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উন্নয়ন করা এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
এসময় উপজেলার যুব ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, বনজীবী, মৎস্যজীবী, সহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বন্যা, নদী ভাঙন ও অসহায়ের মধ্যে বিতরণের জন্য সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাসপুকুরিয়া ও বাঘুটিয়া ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দকৃত জিআরের প্রায় সাড়ে ৭ টন চালের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিব অপূর্ব সরকার জানান, বুধবার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে মাথাপিছু ৩০ কেজি করে ৬০০ মানুষের মধ্যে চাল বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান কাউকে না জানিয়ে চালগুলো উত্তোলন করে বিনানই পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ৫২০ বস্তা চাল মজুদ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান শাকিল বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে এসে ৮০ বস্তা চাল কমের সত্যতা পান। এ ঘটনার পর ৮০ বস্তা বা দুই হাজার চারশ কেজি চালের কোনো হদিস না পাওয়ায় বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন ইউএনও। একই দিন খাসপুখুরিয়া ইউনিয়নে জিআরের ৫ টন চালের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ খবরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে জানতে খাসপুকুরিয়ার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাইদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান শাকিল বলেন, বাঘুটিয়া এবং খাসপুখুরিয়া ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত প্রায় সাড়ে ৭ টন জিআরের চাল গোডাউনে সংরক্ষিত নেই। ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই দুই ইউপি চেয়ারম্যান গা-ঢাকা দিয়েছেন। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ঊর্ধ্বতনদের পরামর্শে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ