প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বন্যা, নদী ভাঙন ও অসহায়ের মধ্যে বিতরণের জন্য সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার খাসপুকুরিয়া ও বাঘুটিয়া ইউনিয়নে সরকারি বরাদ্দকৃত জিআরের প্রায় সাড়ে ৭ টন চালের কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সচিব অপূর্ব সরকার জানান, বুধবার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে মাথাপিছু ৩০ কেজি করে ৬০০ মানুষের মধ্যে চাল বিতরণের পরিকল্পনা ছিল। ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান কাউকে না জানিয়ে চালগুলো উত্তোলন করে বিনানই পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে ৫২০ বস্তা চাল মজুদ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান শাকিল বুধবার সকালে ঘটনাস্থলে এসে ৮০ বস্তা চাল কমের সত্যতা পান। এ ঘটনার পর ৮০ বস্তা বা দুই হাজার চারশ কেজি চালের কোনো হদিস না পাওয়ায় বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন ইউএনও। একই দিন খাসপুখুরিয়া ইউনিয়নে জিআরের ৫ টন চালের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এ খবরে এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে জানতে খাসপুকুরিয়ার চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান ও বাঘুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সাইদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে চৌহালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান শাকিল বলেন, বাঘুটিয়া এবং খাসপুখুরিয়া ইউনিয়নে বরাদ্দকৃত প্রায় সাড়ে ৭ টন জিআরের চাল গোডাউনে সংরক্ষিত নেই। ঘটনাটি নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার পর থেকে ওই দুই ইউপি চেয়ারম্যান গা-ঢাকা দিয়েছেন। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। ঊর্ধ্বতনদের পরামর্শে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন