ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইউরোপের যে শহরে অবিবাহিত নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি


ইউরোপের যে শহরে অবিবাহিত নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডেটিং অ্যাপের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় নতুন ট্রেন্ডের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই কর্মস্থল বা পড়াশোনার সূত্রে নতুন কোনো শহরে গিয়ে জীবনসঙ্গী বা মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন। যেকোনো মানুষের জন্য ডেটিং বা নতুন সম্পর্ক তৈরির ব্যাপারটি অনেক সহজ হয়ে যায় যদি সেই শহরে অবিবাহিত বা সিঙ্গেল নারীর সংখ্যা বেশি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনসাইডার মাঙ্কি ইউরোপের এমন ২৫টি শহরের তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে সিঙ্গেল নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শহরে নারীর সংখ্যা বেশি, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে সিঙ্গেল নারী পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। শীর্ষ ২৫টি ইউরোপীয় শহর ও তাদের নারী-পুরুষের অনুপাত নিচে তুলে ধরা হলো।

শীর্ষ ১০ শহর:

আরও পড়ুন: ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক, রাশেদের দাবি

রিগা (লাটভিয়া): তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে লাটভিয়ার রাজধানী রিগা। এখানে পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১২৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন পুরুষের বিপরীতে ১২৬ জন নারী রয়েছেন। আর্ট নুভো স্থাপত্যের প্রদর্শনী, চমৎকার খাবার এবং রোমান্টিক পরিবেশের জন্য এই শহরটি নতুন সম্পর্ক গড়ার জন্য সেরা হিসেবে বিবেচিত।

পর্তো (পর্তুগাল): উত্তর পর্তুগালের উপকূলীয় এই দৃষ্টিনন্দন শহরটি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এখানকার অনুপাত ১২২.৭ শতাংশ। প্রথম ডেটে এখানকার ঐতিহ্যবাহী ‘ফ্রান্সেসিনহা স্যান্ডউইচ’ বেশ জনপ্রিয়।

সালামাঙ্কা (স্পেন): স্পেনের এই ঐতিহ্যবাহী শহরে প্রতি ১০ জন পুরুষের বিপরীতে ১২ জনেরও বেশি নারী রয়েছেন। ১২০.৬ শতাংশ অনুপাত নিয়ে শহরটি তালিকার তৃতীয় স্থানে আছে।

থেসালোনিকি (গ্রিস): গ্রিসের এই বন্দর নগরীতে পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১১৯.২ শতাংশ। সমুদ্রের ওপর সূর্যাস্ত দেখার মতো রোমান্টিক আবহ থাকায় এখানে ডেটিং বা আড্ডার জন্য প্রচুর সুযোগ রয়েছে।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের

লিসবন (পর্তুগাল): পর্তুগালের রাজধানী লিসবন ১১৮.৪ শতাংশ অনুপাত নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাতটি পাহাড়ের এই শহরে ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

ওয়ারশ (পোল্যান্ড): পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশে অনুপাত ১১৮ শতাংশ। শহরের ঐতিহাসিক ‘স্তারা প্রাগা’ এলাকায় হাঁটতে হাঁটতে মনের মানুষের সাথে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ফুঞ্চাল (পর্তুগাল): মাডেইরা দ্বীপপুঞ্জের এই দৃষ্টিনন্দন দ্বীপাঞ্চলের অনুপাত ১১৭.৫ শতাংশ। তালিকায় এর অবস্থান সপ্তম।

কোইমব্রা (পর্তুগাল): মোনদেগো নদীর তীরের এই বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় শহরটি তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে। ছাত্র সংস্কৃতির কারণে এখানে তরুণ-তরুণীদের মেলামেশার সুযোগ বেশি।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন

মাদ্রিদ (স্পেন): স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ নবম স্থানে রয়েছে। ১১৪.৯ শতাংশ অনুপাতের এই কর্মচঞ্চল শহরে আড্ডা দেওয়ার জন্য প্রচুর বার, ক্যাফে, এবং সামাজিক স্থান রয়েছে।

বুদাপেস্ট (হাঙ্গেরি): হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট ১১৪.৯ শতাংশ অনুপাত নিয়ে দশম স্থানে আছে। এখানকার বৈচিত্র্যময় নৈশজীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতির কারণে নতুন সম্পর্ক তৈরি করা বেশ সহজ।

তালিকায় থাকা অন্য ১৫টি শহর:

বুখারেস্ট (রোমানিয়া): অনুপাত ১১৪ শতাংশ। এটি ‘ছোট প্যারিস’ নামেও পরিচিত।

আরও পড়ুন: সৌদিতে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জোটের ধ্বংসের দাবি

ফ্লোরেন্স (ইতালি): অনুপাত ১১২.৯ শতাংশ। ইতালির মধ্যে এই শহরেই সিঙ্গেল নারী সবচেয়ে বেশি।

দোনোসতিয়া-সান সেবাস্তিয়ান (স্পেন): অনুপাত ১১২.৭ শতাংশ।

ব্রাতিস্লাভা (স্লোভাকিয়া): অনুপাত ১১২.৫ শতাংশ।

ব্রাগা (পর্তুগাল): অনুপাত ১১২.২ শতাংশ। এটি মূলত বারোক সংস্কৃতির শহর।

আরও পড়ুন: কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান

বিলবাও (স্পেন): অনুপাত ১১২.২ শতাংশ।

বোর্দো (ফ্রান্স): অনুপাত ১১১.৯ শতাংশ। এটি ফ্রান্সের বিখ্যাত ওয়াইন অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।

বলোনিয়া (ইতালি): অনুপাত ১১১.৮ শতাংশ।

জেনোয়া (ইতালি): অনুপাত ১১১.৭ শতাংশ।

আরও পড়ুন: স্পেনে বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বার্সেলোনা (স্পেন): অনুপাত ১১১.৫ শতাংশ।

মার্সেই (ফ্রান্স): অনুপাত ১১০.৯ শতাংশ। এটি ফ্রান্সের সবচেয়ে পুরোনো এবং রৌদ্রোজ্জ্বল শহর।

রোম (ইতালি): অনুপাত ১১০.৮ শতাংশ।

সেভিল (স্পেন): অনুপাত ১১০.৭ শতাংশ। ধারণা করা হয়, এখানকার নারীরা বেশ বন্ধুবৎসল।

অ্যাথেন্স (গ্রিস): অনুপাত ১১০.৭ শতাংশ। এটি পাশ্চাত্য সভ্যতার ঐতিহাসিক স্থাপত্যের শহর।

ভেনিস (ইতালি): অনুপাত ১১০.৬ শতাংশ। অর্থাৎ এখানে প্রতি ১০ জন পুরুষের বিপরীতে ১১ জনের বেশি নারী রয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ট্রাম্পের হিজবুল্লাহর সঙ্গে ফোনালাপ, বিষয়টি ঘিরে কৌতূহল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১০ পি.এম


ট্রাম্পের হিজবুল্লাহর সঙ্গে ফোনালাপ, বিষয়টি ঘিরে কৌতূহল

লেবাননে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে এবং ইসরাইলের সঙ্গে একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা জন্য হিজবুল্লাহর সঙ্গে খুব ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন। বৈরুতের শহরতলিতে ইসরাইলি বাহিনীর নতুন করে জোরপূর্বক উচ্ছেদ আদেশের পর সোমবার (১ জুন) তিনি এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান।

ট্রাম্প তার নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি পোস্টে জানিয়েছেন, উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের মাধ্যমে তিনি হিজবুল্লাহর সঙ্গে খুব ভালো ফোনালাপ করেছেন। উভয় পক্ষ সব ধরনের গোলাগুলি বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। চুক্তি অনুযায়ী, ইসরাইল হিজবুল্লাহর ওপর আর কোনো হামলা চালাবে না এবং হিজবুল্লাহও ইসরাইলে আক্রমণ করবে না।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গেও একটি ফলপ্রসূ আলোচনা করেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, বৈরুতে কোনো মার্কিন সেনা পাঠানো হবে না এবং যেসব সেনা ইতোমধ্যে সেখানে যাওয়ার পথ ছিল, তাদের ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে এই আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য হোয়াইট হাউজের প্রেস অফিসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের বাইরে কোনও অতিরিক্ত মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।

এদিকে ট্রাম্পের এই বার্তার পর লেবাননের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকেও ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেছে। হিজবুল্লাহর সংসদ সদস্য হাসান ফাদলাল্লাহ বলেছেন, হিজবুল্লাহ সমগ্র লেবানন জুড়ে একটি ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি’ সমর্থন করে, যা লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহারের পথ সুগম করবে।

তবে, বৈরুতে হামলা বন্ধের বিনিময়ে উত্তর ইসরাইলে হিজবুল্লাহর আক্রমণ বন্ধ করার প্রস্তাব তারা সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। লেবাননের প্রেসিডেন্সিও নিশ্চিত করেছে যে হিজবুল্লাহ সমগ্র লেবাননে ‘পারস্পরিক হামলা বন্ধের’ একটি মার্কিন প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও লেবাননের ইতিবাচক সুরের বিপরীতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু তার কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে নেতানিয়াহু স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলাপের সময় তিনি জানিয়ে দিয়েছেন যে, হিজবুল্লাহ যদি ইসরাইলের শহর ও নাগরিকদের ওপর হামলা বন্ধ না করে, তবে ইসরাইলি বাহিনী বৈরুতের সন্ত্রাসী আস্তানায় হামলা চালিয়ে যাবে।

তিনি আরও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ইসরাইলের অবস্থানে কোনো পরিবর্তন আসেনি এবং দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) তাদের পূর্বপরিকল্পিত অভিযান অব্যাহত রাখবে। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইসরাইল কাৎজও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হিজবুল্লাহর হামলা চলতে থাকলে বৈরুতে শান্তি থাকবে না। এই হুমকির ফলে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলের বাসিন্দারা নতুন করে বাড়িঘর ছেড়ে পালাচ্ছেন।

অন্যদিকে, ইরান চলমান মার্কিন আলোচনা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে গুঞ্জন উঠলেও, ডোনাল্ড ট্রাম্প তা নাকচ করেছেন। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননে ইসরাইলের ক্রমবর্ধমান হামলার কারণে ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা স্থগিত করেছে।

ইরান মূলত গাজা ও লেবাননে ইসরাইলের সামরিক অভিযানের অবসান চায় এবং দাবি আদায় না হলে হরমুজ প্রণালি ও বাব আল-মান্দেব প্রণালি সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তবে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন যে ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে খুব দ্রুত গতিতে আলোচনা চলমান রয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে চলা এই সংঘাতের নিরসনে পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। গত সপ্তাহে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের নীতিবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি এলব্রিজ কোলবি ইসরাইল ও লেবাননের সামরিক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের স্থলাভিষিক্ত হওয়া বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ওয়াশিংটনে ইসরাইল ও লেবাননের রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে সরাসরি বৈঠক করেছেন, যা গত চার দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মুখোমুখি আলোচনা। হিজবুল্লাহকে ওয়াশিংটন সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে গণ্য করলেও, লেবাননের প্রধান সামরিক ও রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে তাদের বাদ দিয়ে যেকোনো স্থায়ী সমাধান কঠিন, তা ট্রাম্পের এই সাম্প্রতিক ফোনালাপের দাবি থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত শেষ হবে বলে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত শেষ হবে বলে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি উল্লেখ করেন, মামালাটির দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মামলার কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। নির্ধারিত ১২ জন সাক্ষীর মধ্যে ইতোমধ্যে ১১ জন নিজেদের সাক্ষ্য প্রদান করেছেন। এই সাক্ষীদের মধ্যে চিকিৎসা ও ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘সকলের প্রত্যাশা অল্প সময়ের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ হবে। আমরাও সেই লক্ষ্য পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’ তিনি উল্লেখ করেছেন, সরকার বিচারাধীন মামলার নির্দিষ্ট বিষয়ে মন্তব্য না করলেও, প্রতিটি শুনানিতে তদন্ত কর্মকর্তা ও সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে সহায়তা করে যাচ্ছে।

তিনি জানান, বর্তমানে হেফাজতে থাকা অভিযুক্তের জবানবন্দি ১৬৪ ধারায় ইতোমধ্যে রেকর্ড করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আদালতের অনুমতি ছাড়া বাইরের কারো সঙ্গে এই মামলার বিষয় নিয়ে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকতে আদালত একটি নির্দেশনা জারি করেছে বলেও জানা গেছে।

তিনি দ্রুত রায় ঘোষণার প্রতি আশাবাদী হয়ে বলেন, মামলার চূড়ান্ত রায় এবং রায় ঘোষণার সময়সূচি সম্পূর্ণরূপে আদালতের এখতিয়ারভুক্ত একটি বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
২০২৬ বিশ্বকাব

দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সি নিয়ে বিশাল অপেক্ষা, বাকিদের কী অবস্থা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৫ পি.এম


দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সি নিয়ে বিশাল অপেক্ষা, বাকিদের কী অবস্থা

আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপ। মাঠের লড়াই এই তিন দেশে অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু ফুটবলের এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের নামও সেই তালিকায় রয়েছে।

বিশ্বকাপকে সামনে রেখে মার্কিন প্রশাসন সকল কিছু, জার্সি থেকে পরিবহন খরচ, সবকিছুর দাম বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক দূরত্ব আকাশপথে গড়ে প্রায় ১২,৪৪০ থেকে ১৩,২৪৭ কিলোমিটার। তবে একই চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশের জার্সি মার্কেটে।

রাজধানীর ফুটপাত থেকে শুরু করে স্পোর্টস শোরুমগুলোতে দেখা মিলছে বিভিন্ন দেশের পতাকা ও জার্সির। আকাশি-সাদা, হলুদ-সবুজসহ নানা রঙের জার্সিতে সাজানো হয়েছে দোকানের তাক ও ফুটপাতের পসরা।

গুলিস্তানের ফুটপাত ও স্পোর্টস মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে জার্সি কিনতে এসেছেন। তারা নিজেদের পছন্দের দলের জার্সি কিনছেন।

ফুটপাত ও শোরুমে সারি সারি করে সাজানো আছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের জার্সি। ফুটপাতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে জার্সি পাওয়া গেলেও দোকান ও শোরুমে ৫০০ টাকার নিচে জার্সি পাওয়া যাচ্ছে না। উন্নতমানের জার্সির দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন দোকানিরা।

গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দেশ থেকে বিভিন্ন জেলা থেকে খুচরা বিক্রেতারা পাইকারিভাবে জার্সি সংগ্রহ করছেন। যদিও সব দলের জার্সির চাহিদা রয়েছে, কিন্তু বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি। বিশ্বকাপ উপলক্ষে জার্সির দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

এদিকে, জার্সি বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনলাইন ব্যবসায়ীরাও। অনলাইনে সব ধরণের জার্সি পাওয়া যাচ্ছে। তবে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ফ্যান এডিশন ও প্লেয়ার এডিশন জার্সি। দর্শকরা পছন্দের দলের জার্সি কিনে নিজেদের নাম লেখাতে ব্যস্ত।

দক্ষিণ এশিয়ায় বরাবরই বিশ্বকাপে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের মার্কেটে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সি। গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দলের সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। তাই ৩ তারা বিশিষ্ট জার্সিটা কিনতে মার্কেটগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন ভক্তরা।

বিপরীতে মার্কেটে একটি আলোচিত নাম হলো ব্রাজিল। গত দুই যুগ ধরে শিরোপা পথে ছুটতে থাকা দলটি বরাবরই বিশ্বকাপে ফেভারিট হিসেবে মাঠে আসে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। আনচেলত্তির নতুন প্লেয়িং স্টাইল ও নেইমার-ভিনিদের মতো তারকা ফুটবলাররা এবারের বিশ্বকাপের যোগ্য দাবিদার।

বিশেষ করে আনচলত্তিকে কোচ হিসাবে নিয়োগ দেওয়ায় নতুন করে স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিলিয়ান ফ্যানরা। প্রথমবার জাতীয় দলের দায়িত্ব নিলেও ক্লাবে আনচেলত্তির সাফল্যের কথা সবারই জানা। তাই এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্লেষকদের নজর থাকবে এই ইতালিয়ান কোচের উপর।

পরিসংখ্যান ও শক্তি ব্রাজিলকে আলোচনায় রেখেছে। তেমনই জার্সি মার্কেটে আগুন ছড়াচ্ছে ৫ তারা যুক্ত হলুদ-সবুজের সমন্ময়ে তৈরি করা জার্সিটি।

গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেটের সালমান স্পোর্টসের বিক্রেতা নূরে আলম মিয়াজি বলেন, সারাদেশ থেকেই খুচরা বিক্রেতারা আমাদের কাছে আসেন। এখানে পাইকারিভাবে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা দামের জার্সি বিক্রি হয়।

স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বর্তমানে প্রতিটি জার্সি ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য দলের তুলনায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির বিক্রি কয়েকগুণ বেশি।

ফুটপাতের বিক্রেতা শামীম বলেন, ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জার্সি আছে আমার কাছে। বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে, খেলা যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রিও তত বাড়বে বলে আশা করছি।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পর জার্সির মার্কেটে চাহিদা রয়েছে পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানির। প্রতিবার রোনালদোর কারণে পর্তুগালের জার্সি বিক্রি হলেও বিশ্লেষকদের মতে এবারের বিশ্বকাপের যোগ্যদাবিদার নেশন্স লিগ জয়ী দলটি।

এদিকে তরুণ নির্ভর দল গড়ে আলোচনায় রয়েছে স্পেন। গত কয়েকবছর ধরে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে তারা। পেদ্রি-ইয়ামালদের নিয়ে আবারো সোনালী ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছে স্প্যানিশরা।

অন্যদিকে টানা দুটি ফাইনাল খেলে এশিয়ার ফুটবল ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। নতুন প্রজন্মের অনেকেই এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের অ্যাটাকিং ফুটবলে মুগ্ধ। ফলে ফ্রান্সের জার্সিরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে ঢাবি-চীন যৌথ গবেষণা কার্যক্রম চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে ঢাবি-চীন যৌথ গবেষণা কার্যক্রম চালু

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক কেন্দ্র ফর ওশান গভর্ন্যান্স (ICOG-DU) এবং চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফি (FIO)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশের উপকূলীয় জলসীমায় আধুনিক সমুদ্র পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশগত মডেলিং কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সেমিনারে আরও বক্তৃতা করেন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন, প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবীর, HEAT প্রকল্পের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, ড. টোনিয়া অ্যাস্ট্রিড ক্যাপুয়ানো (Dr. Tonia Astrid Capuano), ও FIO-এর বিজ্ঞানী, ড. শুমিন জিয়াং (Dr. Shumin Jiang)। স্বাগত বক্তব্য দেন ICOG-এর পরিচালক, প্রফেসর ড. কে. এম. আজম চৌধুরী।

এছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO)-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির বিজ্ঞানীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা), প্রফেসর ড. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে ICOG-DU ও FIO-এর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে ক্রেস্ট বিনিময় করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, "সমুদ্রবিজ্ঞান, উপকূলীয় পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে চলমান বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।"

উপাচার্য আরও বলেন, "বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক বাংলাদেশের অর্থনীতি, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল।" সে অনুযায়ী, চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির সঙ্গে পরিচালিত যৌথ গবেষণা কার্যক্রম দেশের সমুদ্র পর্যবেক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তিনি জানান, "আন্দামান সাগরে GNSS বয়া সফলভাবে স্থাপন এবং মেঘনা মোহনায় CNSS বয়া স্থাপনের চলমান উদ্যোগ বাংলাদেশের সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।" এসব প্রযুক্তি উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা, নৌ-নিরাপত্তা, দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি, জলবায়ু অভিযোজন এবং টেকসই ব্লু ইকোনমি পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ভিসি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনুমোদিত HEAT উপ-প্রকল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, "এ অর্জন দেশের গবেষকদের সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, "প্রকল্পটির গবেষণালব্ধ ফলাফল টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।"

তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "আগামী দিনের সামুদ্রিক ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষণার নেতৃত্ব তাদেরই দিতে হবে।" জ্ঞান, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুস্থ সমুদ্র পরিবেশ এবং জলবায়ু সহনশীল বিশ্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সেমিনারের কারিগরি অধিবেশনে FIO-এর বিজ্ঞানীরা আধুনিক সমুদ্র পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি, সামুদ্রিক ভূ-ঝুঁকি এবং উপকূলীয় পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া HEAT প্রকল্পের অগ্রগতি, প্রকল্পের মডেলিং কাঠামো এবং GNSS Buoy Deployment Project-এর ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির আওতায় অত্যাধুনিক মাঠপর্যায়ের প্রযুক্তি ও সংখ্যাগত (Numerical) মডেলিংকে সমন্বিত করা হয়েছে। Delft3D মডেলিং সিস্টেম ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দূষণের গতিশীলতা, বিষাক্ত পদার্থের বিস্তার এবং উপকূলীয় অঞ্চলে দূষণ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ পরিবেশগত ডেটাবেইস গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে গবেষকদের জন্য রিয়েল-টাইম বয়া তথ্য বিশ্লেষণ, সমুদ্রবিজ্ঞানভিত্তিক মডেলিং, উপকূলীয় ঝুঁকি পূর্বাভাস এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণে দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেইসঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ভারী ধাতু ও তেল দূষণের প্রভাব মূল্যায়ন এবং তা মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৬ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২৩
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৩
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%