০৭:০৯ পি.এম
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ডেটিং অ্যাপের ক্রমবর্ধমান ব্যবহারের ফলে তরুণ প্রজন্মের জীবনযাত্রায় নতুন ট্রেন্ডের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই কর্মস্থল বা পড়াশোনার সূত্রে নতুন কোনো শহরে গিয়ে জীবনসঙ্গী বা মনের মানুষ খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করছেন। যেকোনো মানুষের জন্য ডেটিং বা নতুন সম্পর্ক তৈরির ব্যাপারটি অনেক সহজ হয়ে যায় যদি সেই শহরে অবিবাহিত বা সিঙ্গেল নারীর সংখ্যা বেশি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনসাইডার মাঙ্কি ইউরোপের এমন ২৫টি শহরের তালিকা তৈরি করেছে, যেখানে সিঙ্গেল নারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শহরে নারীর সংখ্যা বেশি, স্বাভাবিকভাবেই সেখানে সিঙ্গেল নারী পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। শীর্ষ ২৫টি ইউরোপীয় শহর ও তাদের নারী-পুরুষের অনুপাত নিচে তুলে ধরা হলো।
শীর্ষ ১০ শহর:
আরও পড়ুন: ভারতীয় গোয়েন্দার সঙ্গে গোলাম পরওয়ারের গোপন বৈঠক, রাশেদের দাবি
রিগা (লাটভিয়া): তালিকায় শীর্ষস্থানে রয়েছে লাটভিয়ার রাজধানী রিগা। এখানে পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১২৬ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন পুরুষের বিপরীতে ১২৬ জন নারী রয়েছেন। আর্ট নুভো স্থাপত্যের প্রদর্শনী, চমৎকার খাবার এবং রোমান্টিক পরিবেশের জন্য এই শহরটি নতুন সম্পর্ক গড়ার জন্য সেরা হিসেবে বিবেচিত।
পর্তো (পর্তুগাল): উত্তর পর্তুগালের উপকূলীয় এই দৃষ্টিনন্দন শহরটি তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। এখানকার অনুপাত ১২২.৭ শতাংশ। প্রথম ডেটে এখানকার ঐতিহ্যবাহী ‘ফ্রান্সেসিনহা স্যান্ডউইচ’ বেশ জনপ্রিয়।
সালামাঙ্কা (স্পেন): স্পেনের এই ঐতিহ্যবাহী শহরে প্রতি ১০ জন পুরুষের বিপরীতে ১২ জনেরও বেশি নারী রয়েছেন। ১২০.৬ শতাংশ অনুপাত নিয়ে শহরটি তালিকার তৃতীয় স্থানে আছে।
থেসালোনিকি (গ্রিস): গ্রিসের এই বন্দর নগরীতে পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১১৯.২ শতাংশ। সমুদ্রের ওপর সূর্যাস্ত দেখার মতো রোমান্টিক আবহ থাকায় এখানে ডেটিং বা আড্ডার জন্য প্রচুর সুযোগ রয়েছে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের
লিসবন (পর্তুগাল): পর্তুগালের রাজধানী লিসবন ১১৮.৪ শতাংশ অনুপাত নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানে রয়েছে। সাতটি পাহাড়ের এই শহরে ভালোবাসার মানুষ খুঁজে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
ওয়ারশ (পোল্যান্ড): পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশে অনুপাত ১১৮ শতাংশ। শহরের ঐতিহাসিক ‘স্তারা প্রাগা’ এলাকায় হাঁটতে হাঁটতে মনের মানুষের সাথে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ফুঞ্চাল (পর্তুগাল): মাডেইরা দ্বীপপুঞ্জের এই দৃষ্টিনন্দন দ্বীপাঞ্চলের অনুপাত ১১৭.৫ শতাংশ। তালিকায় এর অবস্থান সপ্তম।
কোইমব্রা (পর্তুগাল): মোনদেগো নদীর তীরের এই বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় শহরটি তালিকায় অষ্টম স্থানে রয়েছে। ছাত্র সংস্কৃতির কারণে এখানে তরুণ-তরুণীদের মেলামেশার সুযোগ বেশি।
আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী টোকিওতে বাংলাদেশ-জাপান টেক পার্ক প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দিয়েছেন
মাদ্রিদ (স্পেন): স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ নবম স্থানে রয়েছে। ১১৪.৯ শতাংশ অনুপাতের এই কর্মচঞ্চল শহরে আড্ডা দেওয়ার জন্য প্রচুর বার, ক্যাফে, এবং সামাজিক স্থান রয়েছে।
বুদাপেস্ট (হাঙ্গেরি): হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্ট ১১৪.৯ শতাংশ অনুপাত নিয়ে দশম স্থানে আছে। এখানকার বৈচিত্র্যময় নৈশজীবন এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংস্কৃতির কারণে নতুন সম্পর্ক তৈরি করা বেশ সহজ।
তালিকায় থাকা অন্য ১৫টি শহর:
বুখারেস্ট (রোমানিয়া): অনুপাত ১১৪ শতাংশ। এটি ‘ছোট প্যারিস’ নামেও পরিচিত।
আরও পড়ুন: সৌদিতে হুতিদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, জোটের ধ্বংসের দাবি
ফ্লোরেন্স (ইতালি): অনুপাত ১১২.৯ শতাংশ। ইতালির মধ্যে এই শহরেই সিঙ্গেল নারী সবচেয়ে বেশি।
দোনোসতিয়া-সান সেবাস্তিয়ান (স্পেন): অনুপাত ১১২.৭ শতাংশ।
ব্রাতিস্লাভা (স্লোভাকিয়া): অনুপাত ১১২.৫ শতাংশ।
ব্রাগা (পর্তুগাল): অনুপাত ১১২.২ শতাংশ। এটি মূলত বারোক সংস্কৃতির শহর।
আরও পড়ুন: কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুরে পৌঁছাল ইউরেনিয়ামের নতুন চালান
বিলবাও (স্পেন): অনুপাত ১১২.২ শতাংশ।
বোর্দো (ফ্রান্স): অনুপাত ১১১.৯ শতাংশ। এটি ফ্রান্সের বিখ্যাত ওয়াইন অঞ্চল হিসেবে পরিচিত।
বলোনিয়া (ইতালি): অনুপাত ১১১.৮ শতাংশ।
জেনোয়া (ইতালি): অনুপাত ১১১.৭ শতাংশ।
আরও পড়ুন: স্পেনে বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানালেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
বার্সেলোনা (স্পেন): অনুপাত ১১১.৫ শতাংশ।
মার্সেই (ফ্রান্স): অনুপাত ১১০.৯ শতাংশ। এটি ফ্রান্সের সবচেয়ে পুরোনো এবং রৌদ্রোজ্জ্বল শহর।
রোম (ইতালি): অনুপাত ১১০.৮ শতাংশ।
সেভিল (স্পেন): অনুপাত ১১০.৭ শতাংশ। ধারণা করা হয়, এখানকার নারীরা বেশ বন্ধুবৎসল।
অ্যাথেন্স (গ্রিস): অনুপাত ১১০.৭ শতাংশ। এটি পাশ্চাত্য সভ্যতার ঐতিহাসিক স্থাপত্যের শহর।
ভেনিস (ইতালি): অনুপাত ১১০.৬ শতাংশ। অর্থাৎ এখানে প্রতি ১০ জন পুরুষের বিপরীতে ১১ জনের বেশি নারী রয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন