ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
২০২৬ বিশ্বকাব

দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সি নিয়ে বিশাল অপেক্ষা, বাকিদের কী অবস্থা


দেশে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার জার্সি নিয়ে বিশাল অপেক্ষা, বাকিদের কী অবস্থা

আগামী ১১ জুন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপ। মাঠের লড়াই এই তিন দেশে অনুষ্ঠিত হবে, কিন্তু ফুটবলের এই মহাযজ্ঞের উন্মাদনা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের নামও সেই তালিকায় রয়েছে।

বিশ্বকাপকে সামনে রেখে মার্কিন প্রশাসন সকল কিছু, জার্সি থেকে পরিবহন খরচ, সবকিছুর দাম বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাংলাদেশের ভৌগোলিক দূরত্ব আকাশপথে গড়ে প্রায় ১২,৪৪০ থেকে ১৩,২৪৭ কিলোমিটার। তবে একই চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশের জার্সি মার্কেটে।

রাজধানীর ফুটপাত থেকে শুরু করে স্পোর্টস শোরুমগুলোতে দেখা মিলছে বিভিন্ন দেশের পতাকা ও জার্সির। আকাশি-সাদা, হলুদ-সবুজসহ নানা রঙের জার্সিতে সাজানো হয়েছে দোকানের তাক ও ফুটপাতের পসরা।

আরও পড়ুন: ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘটে মরদেহ পরিবহনে বিপাকে স্বজনরা, রোগীরাও ভোগান্তিতে

গুলিস্তানের ফুটপাত ও স্পোর্টস মার্কেট ঘুরে দেখা যায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খুচরা বিক্রেতারা বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে জার্সি কিনতে এসেছেন। তারা নিজেদের পছন্দের দলের জার্সি কিনছেন।

ফুটপাত ও শোরুমে সারি সারি করে সাজানো আছে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন, পর্তুগাল, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশের জার্সি। ফুটপাতে ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে জার্সি পাওয়া গেলেও দোকান ও শোরুমে ৫০০ টাকার নিচে জার্সি পাওয়া যাচ্ছে না। উন্নতমানের জার্সির দাম ১ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত হাঁকছেন দোকানিরা।

গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেটের ব্যবসায়ীরা জানান, বিশ্বকাপকে সামনে রেখে দেশ থেকে বিভিন্ন জেলা থেকে খুচরা বিক্রেতারা পাইকারিভাবে জার্সি সংগ্রহ করছেন। যদিও সব দলের জার্সির চাহিদা রয়েছে, কিন্তু বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সি। বিশ্বকাপ উপলক্ষে জার্সির দামও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

এদিকে, জার্সি বিক্রিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন অনলাইন ব্যবসায়ীরাও। অনলাইনে সব ধরণের জার্সি পাওয়া যাচ্ছে। তবে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে ফ্যান এডিশন ও প্লেয়ার এডিশন জার্সি। দর্শকরা পছন্দের দলের জার্সি কিনে নিজেদের নাম লেখাতে ব্যস্ত।

আরও পড়ুন: কেপটাউনে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন, দক্ষিণ আফ্রিকা ৩২৯ রানে গুটিয়ে

দক্ষিণ এশিয়ায় বরাবরই বিশ্বকাপে জনপ্রিয়তার শীর্ষে থাকবে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। বাংলাদেশের মার্কেটে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার জার্সি। গত আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় দলের সমর্থকদের আত্মবিশ্বাস এখন তুঙ্গে। তাই ৩ তারা বিশিষ্ট জার্সিটা কিনতে মার্কেটগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন আর্জেন্টাইন ভক্তরা।

বিপরীতে মার্কেটে একটি আলোচিত নাম হলো ব্রাজিল। গত দুই যুগ ধরে শিরোপা পথে ছুটতে থাকা দলটি বরাবরই বিশ্বকাপে ফেভারিট হিসেবে মাঠে আসে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না। আনচেলত্তির নতুন প্লেয়িং স্টাইল ও নেইমার-ভিনিদের মতো তারকা ফুটবলাররা এবারের বিশ্বকাপের যোগ্য দাবিদার।

বিশেষ করে আনচলত্তিকে কোচ হিসাবে নিয়োগ দেওয়ায় নতুন করে স্বপ্ন দেখছে ব্রাজিলিয়ান ফ্যানরা। প্রথমবার জাতীয় দলের দায়িত্ব নিলেও ক্লাবে আনচেলত্তির সাফল্যের কথা সবারই জানা। তাই এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিশ্লেষকদের নজর থাকবে এই ইতালিয়ান কোচের উপর।

পরিসংখ্যান ও শক্তি ব্রাজিলকে আলোচনায় রেখেছে। তেমনই জার্সি মার্কেটে আগুন ছড়াচ্ছে ৫ তারা যুক্ত হলুদ-সবুজের সমন্ময়ে তৈরি করা জার্সিটি।

আরও পড়ুন: তারেক রহমান: জামায়াত-এনসিপি আমার রাষ্ট্রীয় সম্মান সহ্য করতে পারছে না

গুলিস্তান স্পোর্টস মার্কেটের সালমান স্পোর্টসের বিক্রেতা নূরে আলম মিয়াজি বলেন, সারাদেশ থেকেই খুচরা বিক্রেতারা আমাদের কাছে আসেন। এখানে পাইকারিভাবে ২০০ থেকে ১ হাজার টাকা দামের জার্সি বিক্রি হয়।

স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় বর্তমানে প্রতিটি জার্সি ১৫০ থেকে ৫০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। অন্যান্য দলের তুলনায় আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির বিক্রি কয়েকগুণ বেশি।

ফুটপাতের বিক্রেতা শামীম বলেন, ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে বিভিন্ন ধরনের জার্সি আছে আমার কাছে। বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে, খেলা যত ঘনিয়ে আসবে, বিক্রিও তত বাড়বে বলে আশা করছি।

ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পর জার্সির মার্কেটে চাহিদা রয়েছে পর্তুগাল, স্পেন, ফ্রান্স ও জার্মানির। প্রতিবার রোনালদোর কারণে পর্তুগালের জার্সি বিক্রি হলেও বিশ্লেষকদের মতে এবারের বিশ্বকাপের যোগ্যদাবিদার নেশন্স লিগ জয়ী দলটি।

আরও পড়ুন: আদাবরে যুবদল নেতাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে জখম

এদিকে তরুণ নির্ভর দল গড়ে আলোচনায় রয়েছে স্পেন। গত কয়েকবছর ধরে দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে তারা। পেদ্রি-ইয়ামালদের নিয়ে আবারো সোনালী ট্রফি জয়ের স্বপ্ন দেখছে স্প্যানিশরা।

অন্যদিকে টানা দুটি ফাইনাল খেলে এশিয়ার ফুটবল ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছে ফ্রান্স। নতুন প্রজন্মের অনেকেই এমবাপ্পে-দেম্বেলেদের অ্যাটাকিং ফুটবলে মুগ্ধ। ফলে ফ্রান্সের জার্সিরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে ঢাবি-চীন যৌথ গবেষণা কার্যক্রম চালু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


ব্লু ইকোনমি উন্নয়নে ঢাবি-চীন যৌথ গবেষণা কার্যক্রম চালু

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক কেন্দ্র ফর ওশান গভর্ন্যান্স (ICOG-DU) এবং চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফি (FIO)-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশের উপকূলীয় জলসীমায় আধুনিক সমুদ্র পর্যবেক্ষণ এবং পরিবেশগত মডেলিং কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি দিনব্যাপী সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এই সেমিনারের উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। সেমিনারে আরও বক্তৃতা করেন আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন, প্রফেসর ড. মো. হুমায়ুন কবীর, HEAT প্রকল্পের আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ, ড. টোনিয়া অ্যাস্ট্রিড ক্যাপুয়ানো (Dr. Tonia Astrid Capuano), ও FIO-এর বিজ্ঞানী, ড. শুমিন জিয়াং (Dr. Shumin Jiang)। স্বাগত বক্তব্য দেন ICOG-এর পরিচালক, প্রফেসর ড. কে. এম. আজম চৌধুরী।

এছাড়া সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-গবেষক, শিক্ষার্থী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (SPARRSO)-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির বিজ্ঞানীরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা), প্রফেসর ড. আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

অনুষ্ঠানে ICOG-DU ও FIO-এর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রতীক হিসেবে ক্রেস্ট বিনিময় করা হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন, "সমুদ্রবিজ্ঞান, উপকূলীয় পরিবেশ পর্যবেক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা বৃদ্ধিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশ এবং চীনের মধ্যে চলমান বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা সমুদ্রসম্পদ ব্যবস্থাপনা, উপকূলীয় ঝুঁকি মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।"

উপাচার্য আরও বলেন, "বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক বাংলাদেশের অর্থনীতি, উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু সহনশীলতা সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার ওপর নির্ভরশীল।" সে অনুযায়ী, চীনের ফার্স্ট ইনস্টিটিউট অব ওশেনোগ্রাফির সঙ্গে পরিচালিত যৌথ গবেষণা কার্যক্রম দেশের সমুদ্র পর্যবেক্ষণ সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

তিনি জানান, "আন্দামান সাগরে GNSS বয়া সফলভাবে স্থাপন এবং মেঘনা মোহনায় CNSS বয়া স্থাপনের চলমান উদ্যোগ বাংলাদেশের সামুদ্রিক পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে।" এসব প্রযুক্তি উপকূলীয় ব্যবস্থাপনা, নৌ-নিরাপত্তা, দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতি, জলবায়ু অভিযোজন এবং টেকসই ব্লু ইকোনমি পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

ভিসি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অনুমোদিত HEAT উপ-প্রকল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করে বলেন, "এ অর্জন দেশের গবেষকদের সক্ষমতার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।" তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, "প্রকল্পটির গবেষণালব্ধ ফলাফল টেকসই উন্নয়ন এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।"

তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রমে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, "আগামী দিনের সামুদ্রিক ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষণার নেতৃত্ব তাদেরই দিতে হবে।" জ্ঞান, উদ্ভাবন ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি সুস্থ সমুদ্র পরিবেশ এবং জলবায়ু সহনশীল বিশ্ব গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।

সেমিনারের কারিগরি অধিবেশনে FIO-এর বিজ্ঞানীরা আধুনিক সমুদ্র পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তি, সামুদ্রিক ভূ-ঝুঁকি এবং উপকূলীয় পরিবেশ ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এছাড়া HEAT প্রকল্পের অগ্রগতি, প্রকল্পের মডেলিং কাঠামো এবং GNSS Buoy Deployment Project-এর ওপর একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে একটি প্রাণবন্ত প্রশ্নোত্তর পর্বও অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মসূচির আওতায় অত্যাধুনিক মাঠপর্যায়ের প্রযুক্তি ও সংখ্যাগত (Numerical) মডেলিংকে সমন্বিত করা হয়েছে। Delft3D মডেলিং সিস্টেম ব্যবহার করে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত দূষণের গতিশীলতা, বিষাক্ত পদার্থের বিস্তার এবং উপকূলীয় অঞ্চলে দূষণ সঞ্চয়ের ক্ষেত্রসমূহ চিহ্নিত করা হবে। পাশাপাশি সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়ক একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ পরিবেশগত ডেটাবেইস গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

এ উদ্যোগের মাধ্যমে গবেষকদের জন্য রিয়েল-টাইম বয়া তথ্য বিশ্লেষণ, সমুদ্রবিজ্ঞানভিত্তিক মডেলিং, উপকূলীয় ঝুঁকি পূর্বাভাস এবং পরিবেশগত পর্যবেক্ষণে দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হবে। সেইসঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক, ভারী ধাতু ও তেল দূষণের প্রভাব মূল্যায়ন এবং তা মোকাবিলায় বৈজ্ঞানিক তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম গড়ে উঠবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণে সময় দেওয়ার সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২০ পি.এম


বাংলাদেশকে এলডিসি উত্তরণে সময় দেওয়ার সুপারিশ জাতিসংঘ কমিটির

জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণে আরও ৩ বছর বাড়তি সময় দেওয়ার সুপারিশ করেছে। কমিটি এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতির সময়সীমা ২০২৯ সালের ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের অনুরোধের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করেছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকার সিডিপির এই ইতিবাচক মূল্যায়ন ও সুপারিশকে স্বাগত জানায়।

আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আবেদনটি উত্থাপন করা হয়েছিল এবং পরে ৬ এপ্রিল জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে প্রধানমন্ত্রীর একটি চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে সিডিপি এই সুপারিশ তৈরি করেছে।

সিডিপি বলছে, বাংলাদেশ ৩টি এলডিসি উত্তরণ সূচকের প্রতিটি ক্ষেত্রেই নির্ধারিত সীমা উল্লেখযোগ্যভাবে অতিক্রম করেছে। নিকট ও মধ্যমেয়াদে এ অবস্থান থেকে পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি অত্যন্ত কম। তবে সাম্প্রতিক মধ্যপ্রাচ্য সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার অনিশ্চয়তা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিবেশের পরিবর্তন এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ দেশের উত্তরণ প্রস্তুতি বাস্তবায়নে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলস্বরূপ উই থাকায় প্রস্তুতির জন্য অতিরিক্ত সময় দেওয়ার প্রয়োজনিয়তা দেখা দিয়েছে।

প্রাথমিকভাবে ২০২৬ সালের নভেম্বরে এলডিসি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তরণের পরিকল্পনা ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু গত vài বছরে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে একের পর এক সংকট দেখা দেওয়ার কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতি নানা চাপের মুখে পড়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিস্ফোরণে ঘুমধুম সীমান্তে প্রাণ হারাল শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


বিস্ফোরণে ঘুমধুম সীমান্তে প্রাণ হারাল শিশু

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে শূন্য লাইনে ঘটে যাওয়া একটি রহস্যজনক বিস্ফোরণে মর্মান্তিকভাবে প্রান হারিয়েছে সতনাই তংচঙ্গা (১১) নামের এক শিশু। মঙ্গলবার (২জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে ঘুমধুম ইউনিয়নের বাইশফাঁড়ি এলাকায় ৪১ নম্বর সীমান্ত পিলার সংলগ্ন শূন্য লাইনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত সতনাই ছিল বাকী হ্লা তংক্গার একমাত্র সন্তান, যিনি বাইশ ফাঁড়ি পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা। পরিবারের সাথে জুম চাষের কাজে সীমান্তবর্তী এলাকায় গিয়ে এই হৃদয়বিদারক ঘটনার শিকার হয় সে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুরে সতনাই তার পিতার সাথে জুম চাষের কাজে যায়। তার বাবা জমিতে কাজ করছিলেন এবং শিশুটি আশপাশে খেলাধুলা করছিল।

একপর্যায়ে শূন্য লাইনের কাছাকাছি পড়ে থাকা একটি বিস্ফোরক সদৃশ বস্তুর সংস্পর্শে গেলে প্রচণ্ড শব্দের সাথে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ যায় শিশুটির।

বিস্ফোরণের শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সতনাইকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।

ঘটনার পর পুরো সীমান্ত এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে নিরাপত্তা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সীমান্তবর্তী জনপদের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি সীমান্ত এলাকায় বিভিন্ন ধরনের অজানা বস্তু পড়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। এসব বিষয়ে সচেতনতার অভাব এবং নিরাপত্তার ঝুঁকি সাধারণ মানুষের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলছে।

৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম কায়রুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘুমধুমের বাইশ ফাঁড়ি সীমান্তের ৪১ নম্বর পিলার সংলগ্ন শূন্য লাইনে বিস্ফোরণের ঘটনায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, নিহতের পরিবার প্রায় পাঁচ বছর আগে বাইশ ফাঁড়ি পশ্চিমপাড়ার খাস জমিতে বসতি স্থাপন করে। দারিদ্র্যের মোকাবেলা করার এই পরিবারটির ছিলেন একমাত্র সন্তান সতনাই। তার মৃত্যুর সংবাদে পরিবারে ঘোর অমানিশা নেমে এসেছে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে উঠেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহল সীমান্ত এলাকায় বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক বস্তু শনাক্ত করতে বিশেষ নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন। তারা সীমান্তবর্তী জনগণের মধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার এবং ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রসায়নে দেশের সেরা জাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:২৮ পি.এম


রসায়নে দেশের সেরা জাবি

গবেষণা ও বৈজ্ঞানিক প্রকাশনার মান পরিমাপের আন্তর্জাতিক সূচক ‘নেচার ইনডেক্স’ (Nature Index)-এর সর্বশেষ র‍্যাংকিংয় গুরুত্বরূপভাবে রসায়ন বিষয়ে দেশের মধ্যে সাক্ষাৎ প্রথম স্থান অর্জন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি)।

এ অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের গভীর অভিনন্দন জানিয়েছেন জাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ অফিসের পরিচালক ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত একটি অভিনন্দনবার্তায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

অভিনন্দনবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, নেচার ইনডেক্সের সর্বশেষ র‍্যাংকিংয়ে (ফেব্রুয়ারী ২০২৫-জানুয়ারি ২০২৬) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগ বাংলাদেশে প্রথম স্থান অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক মানের ১৪৫টি গবেষণা জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার ভিত্তিতে এই সূচক প্রকাশ করা হয়, যা বৈশ্বিক গবেষণার মান নির্ধারণে অন্যতম স্বীকৃত মানদণ্ড হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

উপাচার্য প্রদত্ত বক্তব্যে তিনি জানিয়েছেন, রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ও গবেষকদের নিঃস্বার্থ প্রচেষ্টা, গবেষণায় নিষ্ঠা এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রমের স্বীকৃতি স্বরূপ এই অর্জন এসেছে। তিনি বলেন, এই সাফল্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত।

তিনি রসায়ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে ভবিষ্যতেও গবেষণায় উৎকর্ষতা ধরে রাখার আহ্বান জানান। তিনি বিভাগের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেন।

এছাড়াও নেচার ইনডেক্সের একই র‍্যাংকিংয়ে দেখা যায় যে, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেস বাংলাদেশে ১৬তম, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস ১১তম এবং হেলথ সায়েন্সেস ১৮তম অবস্থানে রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%