বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:২০ পি.এম
বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানিয়েছেন, সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে বাজারে আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধি বা মূল্যস্ফীতির ওপর বড় ধরনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা নেই। তিনি উল্লেখ করেন, গত ১১ বছর ধরে সরকারি কর্মচারীদের বেতন সমন্বয় করা হয়নি। মূল্যস্ফীতির বর্তমান পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন পর বেতন সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যৌক্তিক। তবে নতুন পে-স্কেল একবারে কার্যকর করার পরিবর্তে ধাপে ধাপে আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালীতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব মন্তব্য করেন। মন্ত্রী আরও বলেন, দীর্ঘ সময় বেতন সমন্বয় না হওয়ার কারণে সরকারি কর্মচারীদের আয় এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে। তাই পে-স্কেল সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ফলে একবারে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত অর্থ বাজারে প্রবাহিত হবে না। এর ফলে পে-স্কেলকে কেন্দ্র করে পণ্যের দাম হঠাৎ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও নেই।
মন্ত্রী জানান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বেতন ছাড়াও বাজারে পণ্যের সরবরাহ, আমদানি পরিস্থিতি, উৎপাদন ব্যয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারের দামের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। ভোজ্যতেলের দাম সম্পর্কে তিনি বলেন, সয়াবিন তেল প্রায় পুরোপুরি আমদানি-নির্ভর। আন্তর্জাতিক বাজারের এফওবি মূল্যের সঙ্গে জাহাজভাড়া, খালাস, বিমা, রিফাইনারির প্রক্রিয়াকরণ ও পরিবহন ব্যয়সহ অন্যান্য খরচ যোগ করে স্থানীয় দাম নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের লোকসানের ঝুঁকিও বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী জানান, বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে টিসিবির মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৭৮ লাখ পরিবারকে ভর্তুকি মূল্যে নিত্যপণ্য দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ওএমএস কার্যক্রম এবং আমদানির এলসি ও সরবরাহ পরিস্থিতি নজরদারি করা হচ্ছে।
এদিকে, চামড়া শিল্পে সংস্কার পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, সাভারে নতুন বিশ্বমানের সিইটিপি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বড় ট্যানারিতে নিজস্ব ইটিপি এবং ছোট ট্যানারিকে কেন্দ্রীয় সিইটিপির আওতায় এনে শতভাগ কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা হবে। এলডব্লিউজি সনদ অর্জন এবং উচ্চমূল্যের চামড়াজাত পণ্য রফতানির মাধ্যমে ‘বাংলাদেশ লেদার’ ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানে নতুন করে হামলার ঘটনার প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে ওয়াশিংটনের ভুল পদক্ষেপ অবিলম্বে সংশোধনের জন্য বেইজিং আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে, চীনা কোম্পানি ও নাগরিকদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি করেছে তেহরানের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়াং লিং নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহ্বান জানান। সিনহুয়ার প্রতিবেদন অনুসারে, চীন বারবার তাদের দৃঢ় অবস্থানের কথা জানিয়ে আসছে যে, আন্তর্জাতিক আইনে কোনো ভিত্তি নেই এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনও নেই এমন একতরফা নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে।
মুখপাত্র উল্লেখ করেন, চীনের পক্ষ থেকে বারবার বিষয়টি তুলে ধরা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সাথে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে একাধিকবার চীনা কোম্পানি ও নাগরিকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। বেইজিং এ ধরনের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ ও দৃঢ় বিরোধিতা প্রকাশ করেছে।
হুয়াং লিং আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা নিষেধাজ্ঞা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক আদান-প্রদানে অন্যায্যভাবে হস্তক্ষেপ করে। একই সঙ্গে, বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তা ও স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে।
হুয়াং আরও জানান, চীন যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের ভুল কার্যক্রম অবিলম্বে সংশোধন এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানাচ্ছে। এছাড়া, নিজেদের কোম্পানি ও নাগরিকদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে বলেও জানান।
সূত্র: সিনহুয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকা-৩ আসনের সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় মন্তব্য করেছেন, “জলবায়ু সহনশীল জাত উদ্ভাবনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কৃষিক্ষেত্রে টেকসই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এর ফলে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথ আরো প্রশস্ত হচ্ছে।”
এ মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের রাজেন্দ্রপুরের পাইনার খালে রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কৃষি নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষকের উৎপাদন ধরে রাখা এবং খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ অপরিহার্য। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান ভিত্তি। কৃষকের স্বার্থ রক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর মাধ্যমে কৃষিকে আরো শক্তিশালী করার প্রয়োজন রয়েছে।
তিনি বলেন, কৃষিতে গবেষণা এবং নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচির ফলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল এবং বিদেশে খাদ্য রপ্তানিও সম্ভব হয়েছিল। কিন্তু পরে সেই কর্মসূচি বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আবারও খাল খনন শুরু হয়েছে। এতে দেশ আবারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবে এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।
তিনি বলেন, টেকসই কৃষি উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা আরো সুদৃঢ় হবে। এর জন্য কৃষক, গবেষক এবং সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।
পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে প্রায় ১৫০ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়। এ কর্মসূচির আয়োজন করে কেরানীগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওমর ফারুক, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা কারিশমা আহমেদ জাকসি, তেঘরিয়া ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক খোরশেদ আলম জমিদার, সদস্যসচিব সামিউল্লাহ, ঢাকা জেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক জুয়েল মোল্লা, ঢাকা জেলা দক্ষিণ ছাত্রদলের সভাপতি পাভেল মোল্লাসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেনে সামরিক অভিযান পরিচালনার জন্য নতুন করে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন সেনা নিয়োগ বা সামরিক সমাবেশের (মোবিলাইজেশন) পরিকল্পনা নিয়ে চলমান আলোচনা ইউক্রেনের ‘অপপ্রচার’ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
এই মন্তব্যটি তিনি বৃহস্পতিবার ভ্লাদিভস্তকে অনুষ্ঠিত ইস্টার্ন ইকোনমিক ফোরামের একটি পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে করেছেন।
পুতিন আরও বলেন, বর্তমানে এমন কোনো পরিস্থিতি বিদ্যমান নেই, যার কারণে সেনা সমাবেশের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি দাবি করেছেন, চলতি মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিতব্য রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তার মতে, নির্বাচনের ফলাফলে প্রভাব ফেলার উদ্দেশ্যে ‘শত্রুপক্ষের অপপ্রচার অভিযান’ চলছে।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের মানুষ স্বেচ্ছায় সেনাবাহিনীতে যোগদান করে এবং চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
তবে, পুতিনের এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে কিয়েভ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য আসেনি।
এর আগে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জুলাই মাসে বলেছিলেন, সম্মুখযুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির পর মস্কো শরতে নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্রে একের পর এক সামরিক ব্যর্থতার পর পুতিন সর্বশেষ রিজার্ভ সেনাদের ‘আংশিক মোবিলাইজেশন’ এর নির্দেশ দিয়েছিলেন।
ক্রেমলিন জানিয়েছিল, প্রায় ১৪ কোটি জনসংখ্যার রাশিয়ায় ওই নির্দেশের আওতায় ৩ লাখ মানুষ ছিলেন। এই সিদ্ধান্তটি ব্যাপকভাবে অজনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং সামরিক বয়সী অনেক রুশ পুরুষ দেশ ছেড়ে চলে যান। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : ডেঙ্গু প্রতিরোধ, মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে জেলা পর্যায়ে ‘ঝুঁকি যোগাযোগ ও জনসম্পৃক্ততা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরিশাল জেলা তথ্য অফিসের আয়োজনে এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বিভিন্ন অংশীজন ও সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততামূলক কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে এ সভার আয়োজন করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার সকালে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সিভিল সার্জন ডা. মো. সাইয়েদুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।
প্রধান অতিথি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু চিকিৎসা নয়, মশার প্রজনন ও বিস্তার রোধে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু আক্রান্ত ব্যক্তিকে এডিস মশা কামড়ানোর পর ওই মশা অন্য সুস্থ ব্যক্তিকে কামড়ালে ডেঙ্গু ছড়ায়। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধের প্রধান উপায় হলো, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং মশার বিস্তার রোধ করা। বাড়ি ও আশপাশে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে এবং অন্তত তিন দিন পরপর জমে থাকা পানি অপসারণ করতে হবে। এছাড়া স্কুল-কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ডেঙ্গু প্রতিরোধে সম্পৃক্ত করে নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতন করতে হবে।
তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি একাধিকবার ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হতে পারেন এবং পরবর্তী সংক্রমণে শারিরীক ঝুঁকি বাড়তে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে কোনো ব্যক্তি নিজেকে ঝুঁকিমুক্ত মনে না করে সতর্ক থাকতে হবে। এসময় তিনি ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, সাংবাদিক, স্বেচ্ছাসেবকসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন।
জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক অনিমেষ কান্তি হাওলাদারের সভাপতিত্বে এবং সহকারী তথ্য অফিসার মৃদুল চৌধুরী কনকের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, বরিশাল ও খুলনা বিভাগের ইউনিসেফের প্রধান মোহাম্মদ কাওসার হোসেন, জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আ. জব্বার ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল।
জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক বলেন, জেলা তথ্য অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রান্তিক এলাকার মানুষের দোরগোড়ায় সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দেয়ার পাশাপাশি জনগণের চাহিদা সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়া।
তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে তথ্য অফিস দীর্ঘদিন ধরে ইউনিসেফের সহযোগিতা নিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সিভিল সার্জন অফিসের রিপোর্ট অনুযায়ী যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি, সেসব এলাকায় বিশেষভাবে জনসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
এ সময় সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিসহ গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ