১১:৩৬ এম
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, সরকার দেশে অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের প্রবণতা কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসব বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিচ্ছে।
তিনি বলেছেন, যদি স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করা যায়, তাহলে নবজাতক জন্মের পরপরই শালদুধ পাবে, যা শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
এ কথা তিনি সোমবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে ব্র্যাক ও লেগো ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত 'মানবিক সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে খেলাধুলা, শিক্ষা ও দক্ষতা টিকিয়ে রাখা (স্প্ল্যাশ)' প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেছিলেন।
আরও পড়ুন: পদ্মা সেতু হয়ে রূপপুরে ইউরেনিয়াম পরিবহন, শ্রমিক আন্দোলনের শঙ্কা
স্বাস্থ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন যে, অপ্রয়োজনীয় সিজারিয়ানের কারণে অনেক নবজাতক জন্মের পরেই মায়ের শালদুধ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। অথচ শিশুর জন্য সৃষ্টিকর্তার দেওয়া সর্বোত্তম পুষ্টি হলো শালদুধ। তাই সিজারিয়ান সংস্কৃতি কমিয়ে স্বাভাবিক প্রসবে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।
তিনি যোগ করেছেন, মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে সরকার এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০ হাজার নারী থাকবেন, যাঁদের একটি বড় অংশ কেয়ারগিভার ও মিডওয়াইফ হিসেবে গর্ভবতী নারীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সেবা ও পরামর্শ দেবেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন, উপজেলা পর্যায়ে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যানসার স্ক্রিনিং সম্প্রসারণ, জেলা ও উপজেলা হাসপাতালগুলোতে ডায়ালাইসিস সেবা বাড়ানো এবং পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম জোরদার করতেও সরকার কাজ করছে।
তিনি বলেন, শিশু ও তরুণ প্রজন্মকে সুস্থ ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে পরিবারের পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রকেও একইসঙ্গে কাজ করতে হবে।
আরও পড়ুন: ত্রিশাল ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ২০ বছরেও নিয়োগ হয়নি জনবল
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ সভাপতিত্ব করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন