ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

লালপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত, ১০ হাজার টাকা জরিমানা


লালপুরে বাল্যবিয়ে বন্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

 

নাটোরের লালপুর উপজেলায় বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের ধূপাইল এলাকায় এই অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন। তিনি জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখা যায়, ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছে। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: বরিশাল মহানগরের নিরাপত্তায় নতুন ছক, থানার সংখ্যা ৮ করার পরিকল্পনা বিএমপির

পরে উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা মোছা. শাহিনা সুলতানার প্রসিকিউশনে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে মেয়ের বাবা মো. আসাদুল ইসলামকে বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেওয়া হয়। পাশাপাশি তিনি তার মেয়ের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার মর্মে লিখিত মুচলেকা দেন।

অভিযান শেষে বিয়ের জন্য প্রস্তুত করা খাবার অপচয় না করে কাছের এতিমখানায় বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই উদ্দেশ্যে খাবারগুলো ওয়ালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নূরে আলম সিদ্দিকীর জিম্মায় দেওয়া হয় এবং তিনি তা যথাযথভাবে এতিমখানায় পৌঁছে দেন।

অভিযান চলাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ওয়ালিয়া পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।

এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আবীর হোসেন বলেন, বাল্যবিয়ে একটি সামাজিক অপরাধ। এটি বন্ধের জন্য প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আরও পড়ুন: রাজশাহীতে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনের এমন পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি, করণীয় কী?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ এম


শিশুদের মধ্যে বাড়ছে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি, করণীয় কী?

 

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘ফ্যাটি লিভার’ বা যকৃতে চর্বি জমার সমস্যাটিকে মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের রোগ হিসেবেই দেখা হতো। কিন্তু এখন বিশ্বজুড়ে চিকিৎসকদের কাছে এক উদ্বেগজনক প্রবণতা প্রকাশিত হচ্ছে। শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাব ক্রমশ বাড়ছে, যা তরুণ জনগোষ্ঠীর মধ্যে এটিকে অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল দীর্ঘস্থায়ী লিভারের রোগে পরিণত করেছে।

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলকায় শিশুদের মধ্যে এর ঝুঁকি আরও বেশি। গবেষণা বলছে, ১৯৭৫ সালে শিশু ও কিশোর-কিশোরীর মধ্যে স্থূলতার হার ছিল মাত্র ৪ শতাংশ, যা ২০১৬ সালে বেড়ে ১৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে ফ্যাটি লিভার বা 'মেটাবলিক ডিসফাংশন-অ্যাসোসিয়েটেড স্টেয়াটোটিক লিভার ডিজিজ' বিশ্বব্যাপী শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের সবচেয়ে সাধারণ দীর্ঘস্থায়ী লিভারের রোগে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ শিশু এই রোগে আক্রান্ত।

প্রতিবেশী দেশ ভারতও এর ব্যতিক্রম নয়। ১১ থেকে ১৫ বছর বয়সী অতিরিক্ত ওজনের শিশুদের ওপর করা স্কুলভিত্তিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, তাদের প্রায় ৬২ শতাংশেরই কোনো স্পষ্ট উপসর্গ ছাড়াই ফ্যাটি লিভার রয়েছে। কিছু প্রতিবেদনে এমনও বলা হয়েছে যে, ভারতের প্রায় ৩৫ শতাংশ শিশুর বর্তমানে ফ্যাটি লিভার থাকতে পারে। এদের অনেকেরই ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড বা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে, যা লিভারের রোগ ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যের (মেটাবলিক হেলথ) মধ্যে গভীর সম্পর্কের বিষয়টিই তুলে ধরে।

শিশুদের ফ্যাটি লিভারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো, এটি নীরবে শরীরে বাসা বাঁধে। বেশিরভাগ শিশুই নিজেকে পুরোপুরি সুস্থ মনে করে এবং তাদের কোনো শারীরিক সমস্যার কথা জানায় না। অথচ লিভারে ধীরে ধীরে চর্বি জমতে থাকে, যা একপর্যায়ে প্রদাহ এবং লিভারের ক্ষতির কারণ হতে পারে। সময়মতো পরীক্ষা না করালে এই নীরব ঘাতক বা 'টিকিং বোম' পরবর্তী জীবনে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদ্‌রোগ এবং লিভারের মারাত্মক জটিলতার জন্ম দিতে পারে।

ফ্যাটি লিভারের প্রকৃত কারণ

ফ্যাটি লিভার বাড়ার পেছনে কেবল চর্বিযুক্ত খাবারই দায়ী নয়। শিশুদের ক্ষেত্রে স্থূলতা এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সকেই এর প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রোগের পেছনের মূল কারণগুলো হলো:

অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয়, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণ শরীরে অস্বাস্থ্যকর ওজন বৃদ্ধি করে।

জীবনযাপন: শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম (মোবাইল বা টিভির পর্দায় চোখ রাখা) এই ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দেয়।

একটি গবেষণায় দেখা গেছে, চিনিমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার ফলে মাত্র আট সপ্তাহের মধ্যে বয়ঃসন্ধিকালীন শিশুদের লিভারের চর্বি উল্লেখযোগ্য হারে কমে এসেছে। গবেষকেরা ফ্যাটি লিভারের জন্য নির্দিষ্ট কোনো একক উপাদানকে (যেমন: রান্নার তেল) দায়ী করেন না। বরং অতিরিক্ত ক্যালরি, বিপাকীয় সমস্যা, জিনগত প্রবণতা এবং শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার সম্মিলিত রূপই এই রোগের কারণ।

তাই ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধের মূল লক্ষ্য শুধু ওজন কমানো নয়, বরং পেটের মেদ কমানো এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটানো। খাদ্যতালিকায় ফলমূল, শাকসবজি, গোটা শস্য, ডাল, বাদাম, বীজ এবং সামুদ্রিক মাছের মতো পুষ্টিকর খাবার রাখা জরুরি। ট্রান্স ফ্যাটের বদলে ওমেগা-৩ (মাছের তেল, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড) এবং ওমেগা-৬ (পাম তেল, সয়াবিন, আখরোট, ডিম, সূর্যমুখী তেল) সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর চর্বি বেছে নিতে হবে।

টোকোট্রিয়েনল: সম্ভাবনাময় এক সমাধান

সুষম খাদ্যে চর্বির ভূমিকা সম্পর্কে সচেতনতার পাশাপাশি বিজ্ঞানীরা চর্বিতে থাকা প্রাকৃতিক বায়োঅ্যাকটিভ যৌগগুলো নিয়েও গবেষণা করছেন। এমনই একটি যৌগ হলো 'টোকোট্রিয়েনল', যা ভিটামিন 'ই'-এর একটি বিশেষ রূপ। এটি পাম তেলে প্রচুর পরিমাণে এবং রাইস ব্র্যান অয়েলে মাঝারি মাত্রায় পাওয়া যায়।

পাম তেলে ফ্যাটি অ্যাসিডের এক চমৎকার ভারসাম্য রয়েছে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি (প্রদাহরোধী) গুণ রয়েছে। প্রাণী ও মানুষের ওপর করা বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, টোকোট্রিয়েনল লিভারের চর্বি কমাতে, লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে এবং প্রদাহ ও দাগ (স্কারিং) কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আমাদের করণীয়

যদিও টোকোট্রিয়েনল বা অন্যান্য পুষ্টি উপাদান নিয়ে গবেষণা চলছে, তবে কোনো সাপ্লিমেন্টই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের বিকল্প হতে পারে না। শিশুদের সুস্থ রাখতে প্রয়োজন:

• সুষম খাদ্যাভ্যাস

• নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম

• প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা

• পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ক্রিন টাইম কমানো

ছোটবেলার এই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন পদ্ধতি শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই পরিবার ও স্কুলগুলোকে শিশুদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে উৎসাহিত করতে হবে। সবার জন্য স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং সঠিক খাবার বেছে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করতে সমাজ ও সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ল্যান্ড ক্রুজারে সেনাবাহিনীর স্টিকার লাগিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, পুলিশের অভিযানে ভেস্তে গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ এম


ল্যান্ড ক্রুজারে সেনাবাহিনীর স্টিকার লাগিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা, পুলিশের অভিযানে ভেস্তে গেল

গাড়িতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই, এবার বিলাসবহুল একটি ল্যান্ড ক্রুজারে সেনাবাহিনীর স্টিকার লাগিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা পুলিশ ভেস্তে দিয়েছে।

কক্সবাজারের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় পরিচালিত অভিযানে ২৮ হাজার পিস ইয়াবাসহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক ল্যান্স করপোরাল পরিচয়ধারী একজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ল্যান্ড ক্রুজারটিও জব্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে কক্সবাজার সদর মডেল থানাধীন ঝিলংজা ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের ৩ নম্বর গেটের সামনে, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনা করে এ অভিযান চালানো হয়েছিল।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম ওবায়দুল হাসান (৪১)। তিনি বগুড়া সদর উপজেলার বাগুপাড়া এলাকার মৃত দেলোয়ার রহমানের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, তিনি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক ল্যান্স করপোরাল।

পুলিশ জানায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান এবং কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল চেকপোস্ট পরিচালনা করছিলেন। এসময় একটি বিলাসবহুল ল্যান্ড ক্রুজারকে থামার সংকেত দেওয়া হলে, চালক দ্রুতগতিতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

পালানোর সময় গাড়িটি একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে, মোটরসাইকেল আরোহী আহত হন।

এ ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসানসহ অন্যান্য পুলিশ সদস্যও আহত হন। পরে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে গাড়িটি আটক করে তল্লাশি চালায়।

তল্লাশিতে গাড়ি থেকে ২৮ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত ল্যান্ড ক্রুজারটিও জব্দ করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মাহমুদুল হাসান জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে থামার সংকেত দিলে, তিনি দ্রুতগতিতে পালানোর চেষ্টা করেন। এসময় একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিলে মোটরসাইকেল আরোহী আহত হন। একই ঘটনায় অন্য পুলিশ সদস্যসহ তিনি নিজেও আহত হন। পরে ধাওয়া করে ওবায়দুলকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির দেওয়া পরিচয় ও অন্যান্য তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তার সঙ্গে কোনো সংঘবদ্ধ মাদক চক্র জড়িত রয়েছে কি না, সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, গত ১৫ জুলাই কক্সবাজারের রামু উপজেলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো একটি প্রাইভেট কারে ইয়াবা পাচারের সময় ৩ সদস্যের একটি চক্রকে আটক করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। ওই অভিযানে ৬ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি ইয়াবা বহনে ব্যবহৃত প্রাইভেট কার ও ৪টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছিল।

মাত্র ৮ দিনের ব্যবধানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্টিকার ব্যবহার করে ইয়াবা পাচারের দ্বিতীয় ঘটনা সামনে আসায়, মাদক পাচারকারীদের নতুন কৌশল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সূর্যবংশীর বিশ্বরেকর্ডে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৪:৫২ এম


সূর্যবংশীর বিশ্বরেকর্ডে জিম্বাবুয়েকে উড়িয়ে সিরিজে এগিয়ে ভারত

ভারত প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে দারুণ সূচনা করেছে। বৈভব সূর্যবংশীর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে সফরকারীরা মাত্র ১৩.২ ওভারেই জয়ী লক্ষ্য অর্জনে সক্ষম হয়।

হারারের স্পোর্টস ক্লাবে অনুষ্ঠিত ম্যাচে, জিম্বাবুয়ে প্রথমে ব্যাটিং করে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৫ রান সংগ্রহ করে। জবাবে, ভারত ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই জয় নিশ্চিত করে।

বিজয়ের নায়ক বৈভব সূর্যবংশী। বাঁহাতি ওপেনার এই ম্যাচে মাত্র ১৯ বলে ৫৯ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসে ছিল ৪টি চার এবং ৪টি ছক্কা। ২৬৩.১৫ স্ট্রাইক রেটে খেলা এই ইনিংসে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সে ফিফটি করার বিশ্বরেকর্ড গড়েছেন তিনি।

সুর্যবংশীর বয়স ছিল ১৫ বছর ১১৮ দিন, যখন তিনি ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক অর্ধশতক করলেন। এর আগে এই বিষয়ে রেকর্ডটি নেপালের কুশল মাল্লার কাছে ছিল, যিনি ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে ১৫ বছর ৩৪০ দিন বয়সে ফিফটি করেছিলেন।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আন্তর্জাতিক অভিষেকের সুযোগে ব্যর্থতার পর, জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে নিজেকে প্রমাণ করলেন সূর্যবংশী।

ভারতের বোলিং বিভাগে মায়াঙ্ক যাদব এবং প্রিন্স যাদব দুটি করে উইকেট লাভ করেন। এই জয়ের ফলে ভারত তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।

এদিকে, এটি অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি জয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাসে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:০০ এম


চায়ের সঙ্গে বিস্কুট খাওয়ার অভ্যাসে লুকিয়ে থাকতে পারে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি

চায়ের সঙ্গে বিস্কুট, এই সাধারণ অভ্যাসটি কি আপনার স্বাস্থ্যকে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিচ্ছে? বিকেলের আলসেমি কাটাতে বা সকালে ঘুম থেকে উঠে চায়ের কাপে মচমচে বিস্কুট ডুবিয়ে খাওয়া, বাঙালিদের মধ্যে একটি জনপ্রিয় চর্চা। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, চা এবং বিস্কুটের এই যৌথ উপাদানগুলো আমাদের পরিপাকতন্ত্রের সুরক্ষা প্রাচীর বা ‘গাট ব্যারিয়ার’-কে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

আমাদের পরিপাকতন্ত্রে প্রাকৃতিক সুরক্ষা স্তর ‘গাট ব্যারিয়ার’ রয়েছে। এটি ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া ও জীবাণুকে রক্তে মিশে যেতে বাধা দেয় এবং খাবারে থাকা পুষ্টি উপাদান শোষণে সহায়তা করে। এই সুরক্ষা স্তরের সচল থাকা অত্যন্ত জরুরি যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে এবং পরিপাকপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করে।

চা-বিস্কুটের মিশ্রণ কিভাবে পরিপাকতন্ত্রের ক্ষতি করছে? চায়ের ক্যাফেইন এবং বিস্কুটের প্রক্রিয়াজাত উপাদান একত্রে পেটে তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। বিস্কুটে থাকা মিহি ময়দায় ফাইবারের পরিমাণ প্রায় শূন্য থাকে, যা পরিপাকতন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়া ‘মাইক্রোবায়োম’ বিনষ্ট করে। এর ফলে মানুষ প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বিস্কুট খেয়ে ফেলে। এছাড়া, বিস্কুটে অতিরিক্ত চিনি, কৃত্রিম উপাদান এবং ইমালসিফায়ারও বিপজ্জনক ইফেক্ট সৃষ্টি করে, যা পেটে প্রদাহ তৈরি করে।

চা, বিশেষ করে খালি পেটে খেলে, পাকস্থলীর সংবেদনশীল আস্তরণকে উত্তেজিত করে, যা অ্যাসিডিটির সমস্যা বৃদ্ধি করে। বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকায় হজমপ্রক্রিয়া ধীরে হয়ে যায়। খাবারে ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি, শারীরিক পরিশ্রম কমে যাওয়া এবং অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসের কারণে পেট ফাঁপা ও বদহজমের মাত্রা বৃদ্ধি পায়।

যদি আপনার পরিপাকতন্ত্র বা ‘গাট ব্যারিয়ার’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, শরীর নিম্নলিখিত লক্ষণগুলোর মাধ্যমে সংকেত দেয়: ঘন ঘন পেট ফাঁপা, এসিডিটি, খাবার পর পেট ভারী লাগা, এবং অতিরিক্ত ক্লান্তি। অত্যাবশ্যকীয় সতর্কতা হলো, যদি পেট ফাঁপার সঙ্গে ওজন কমতে থাকে, দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া হয়, পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায় বা পেটে তীব্র ব্যথা হয়, তবে অবিলম্বে পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

চা-বিস্কুটের ক্ষতিকর অভ্যাস থেকে উদ্ধার পেতে কিছু পুষ্টিকর পরিবর্তন করা যেতে পারে। স্বাস্থ্যকর নাশতার মধ্যে ভাজা ছোলা, বাদাম, ফল ও দই অথবা লাল আটার পাউরুটি দ্বারা তৈরি সবজি স্যান্ডউইচ যোগ করতে পারেন। সাধারণ চায়ের বদলে আদা চা, জিরা পানি, অথবা মৌরি ভেজানো পানি পান করা যেতে পারে। সহজপাচ্য খাবার হিসেবে ঘরে তৈরি দই, ফারমেন্টেড খাবার, কলা, ওটস, ডাল, এবং সেদ্ধ সবজি পেটের স্থায়িত্ব ও হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে কিছুটা সচেতনতাই আপনার পরিপাকতন্ত্রকে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%