০২:৪৬ পি.এম
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের প্রেক্ষাপটে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সতর্ক করেছে যে, মার্কিন ও ইসরাইলি হামলা প্রতিরোধ করার জন্য উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রতিবেশী দেশগুলোর একটি ‘আইনি ও নৈতিক দায়িত্ব’ রয়েছে।
এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী এবং ইসরাইলকে তাদের ভূখণ্ড বা স্থাপনা ব্যবহার করে ইরানের বিরুদ্ধে বৈরী কার্যকলাপের পরিকল্পনা, সংগঠন, বাস্তবায়ন বা সমর্থন করা থেকে বিরত রাখার জন্য এই অঞ্চলের সকল দেশের (বিশেষ করে পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলবর্তী দেশগুলোর) আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব পুনর্ব্যক্ত করেছে।’
একটি মার্কিন অ্যাপাচি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করার প্রতিবাদে মার্কিন সামরিক বাহিনী ইরানে হামলা চালানোর কয়েক ঘণ্টা পরেই এই বিবৃতিটি আসে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হেলিকপ্টারটি গুলি করে ভূপাতিত করার জন্য ইরানকে দায়ী করেছেন।
আরও পড়ুন: ড. ইউনূসের রবেন আইল্যান্ড পরিদর্শন, নেলসন ম্যান্ডেলাকে বন্দি রাখা ছিল সেখানে
এদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ‘ইরানের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষামূলক হামলা’-কে ইরানের অযৌক্তিক আগ্রাসনের একটি আনুপাতিক জবাব হিসেবে বর্ণনা করেছে।
পরে সেন্টকম হামলা সম্পন্ন করার ঘোষণা দিয়ে জানায়, এই হামলায় হরমুজ প্রণালীর নিকটবর্তী ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ভূমি নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং নজরদারি রাডার সাইটগুলোতে আঘাত হানা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের এসব হামলার জবাবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি गার্ড কোর জানায়, তারা বাহরাইনে মার্কিন পঞ্চম নৌবহরের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে এবং তাদের ভাষায় মার্কিন ‘আগ্রাসন’ অব্যাহত থাকলে ‘আরও কঠোর জবাব’ দেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। পরে তারা কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে আরও হামলার ঘোষণা দেয়।
সূত্র: ডন
আরও পড়ুন: আরব উপসাগরে তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এক নাবিক নিহত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন