ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে আমাদের মিশনগুলো হবে আরও দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী


শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে আমাদের মিশনগুলো হবে আরও দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শান্তিরক্ষায় ভবিষ্যতে আমাদের মিশনগুলো হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী ও প্রযুক্তিনির্ভর।

এই লক্ষ্যে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন অথবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনীর আধুনিকায়নে পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।

আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেছেন।

আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ওয়াকফের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ

আজ সকালে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার মহান দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে সারা বিশ্বের সেই সাহসীদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।

তিনি জানান, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ১৯৮৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশের ১৭৫ জন শান্তিরক্ষী শহীদ হয়েছেন। অনেকেই আহত হয়েছেন। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শুধুমাত্র বাংলাদেশের জন্য নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষাবাহিনীর সদস্য হিসেবে শহীদদের এই আত্মদান, যুদ্ধবিরোধী ও শান্তিকামী মানুষের জন্য উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, তাদের এই আত্মত্যাগ প্রমাণ করে, শুধু মাতৃভূমির স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বই নয়, জাতিসংঘের পতাকাতলে শান্তিরক্ষা বাহিনীর সদস্যরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে যে কোনো মূল্যে শান্তিরক্ষায় বদ্ধপরিকর।

আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ

কিন্তু এ পথ বন্ধুর ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বমঞ্চে যে গৌরব এবং কৃতিত্ব অর্জন করেছেন, তা সহজ ছিলো না। শত প্রতিকূলতা, সীমাবদ্ধতা এবং কঠিন চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এই মহান ও মানবিক দায়িত্ব পালন করতে হয়েছে তাদের।

শান্তিরক্ষীদের উদ্দেশ্যে তারেক রহমান বলেন, পরিবার-পরিজন থেকে দূরে থেকে একটি প্রতিকূল পরিবেশে আপনারা নিষ্ঠা, সাহস ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় দায়িত্ব পালন করছেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় আপনাদের এই অবদানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে দেশের সামরিক বাহিনীর অবদান তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে শহীদ হওয়া শান্তিরক্ষীদের পরিবার ও আহতদের সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এই সময়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ পর্যন্ত বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের ২ লাখেরও বেশি শান্তিরক্ষী বিশ্বের ৪৩ টি দেশের প্রায় ৬৩ টি শান্তিরক্ষা মিশনে সাফল্যের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে প্রায় ৫ হাজার ৮৬০ বাংলাদেশি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ১০ টি শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। হাইতিতে নতুন একটি মিশনে যোগ দেয়ার জন্যও প্রস্তুতি চলছে।

আরও পড়ুন: মাইশার মৃত্যুর পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, বিশেষজ্ঞ দল আসছে

তিনি বলেন, পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ও পুলিশের প্রায় ১১ শতাংশ নারী সদস্য সাহসের সঙ্গে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে বিশ্ব শান্তি রক্ষায় আমাদের এই গৌরবের ইতিহাস একদিনে রচিত হয়নি। প্রায় চার দশক ধরে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের সশস্ত্রবাহিনী একটি আস্থা ও নির্ভরতার নাম।

সশস্ত্রবাহিনী একটি দেশের স্বাধীনতা, সম্মান ও সাহসের প্রতীক জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধে সেনাবাহিনীর ভূমিকা ছিল ঐতিহাসিক। সেনাবাহিনীর একজন মেজর বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এই গৌরব ও অহংকার আমাদের সশস্ত্রবাহিনীর জন্য অনন্ত প্রেরণার উৎস। তাই এই গৌরব যেন কোনোভাবেই ম্লান না হয় সেটি রক্ষা করা সশস্ত্রবাহিনীর কর্তব্য।

তিনি বলেন, তবে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে, দেশে সশস্ত্রবাহিনীর কিংবা সশস্ত্র বাহিনীকে নিয়ে কিছু অপতৎপরতা কখনো কখনো জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির কারণ হয়েছে। দেশে বিদেশে সশস্ত্রবাহিনীর ইমেজ বিনষ্ট করতে নানা তৎপরতাও বিদ্যমান ছিল। তবে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে ১৯৭৫ এর সাত নভেম্বর স্বাধীনতার ঘোষকের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ঐক্যবদ্ধভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, এরপরও বিভিন্ন সময়ে নানারকম ঘটনায় সশস্ত্রবাহিনীর ঐক্য বিনষ্টের তৎপরতা চলেছে। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সশস্ত্রবাহিনীর ওপর সর্বগ্রাসী আঘাতটি এসেছিল। সেই আঘাতের ফলে বাংলাদেশে কি ঘটেছিলো সেটি আমাদের সবার জানা। তাই, ইউনিফর্মধারী বাহিনীর জন্য প্রধান বার্তাটি হলো, ‘প্রফেশনালিজম, ইউনিটি, ডিসিপ্লিন এবং চেইন অফ কমান্ড' ছাড়া সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে টিকে থাকা কঠিন।

আরও পড়ুন: জিয়া এ দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন: এমপি হাফিজ ইব্রাহিম

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধুই অতীত চর্চা নয় বরং অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতিটি রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের সামনে স্বমহিমায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। যারা সশস্ত্রবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করছেন অথবা সরকারে বা জনপ্রশাসনে রয়েছেন, আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। আমরা দেশে বা বিদেশে যেখানে যে দায়িত্ব পালন করছি, সেই দায়িত্বটি যথাযথভাবে পালন করাই হোক আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার।

বর্তমান বিশ্ব এক জটিল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ ও প্রযুক্তির দ্রুত বিবর্তনের ফলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের চ্যালেঞ্জগুলো এখন অনেক বেশি বহুমুখী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রথাগত যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার যুদ্ধ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপব্যবহার, মিডিয়া অপপ্রচার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট নিরাপত্তা সংকট বিশ্বশান্তির নতুন অন্তরায়।

বাংলাদেশ সব সময় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং পারস্পরিক রাষ্ট্রীয় মর্যাদার নীতিতে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তাহলে আমাদের ভবিষ্যৎ মিশনগুলো হতে হবে আরও আধুনিক, দূরদর্শী এবং প্রযুক্তিনির্ভর। এমন পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন অথবা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দায়িত্ব পালনের জন্য সশস্ত্র ও পুলিশ বাহিনী আধুনিক করতে সরকার পর্যায়ক্রমিকভাবে উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সংবিধানে বিশ্বশান্তি, আন্তর্জাতিক সহাবস্থান ও ন্যায়বিচারের প্রতি যে অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে, আমরা তা বজায় রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বাংলাদেশ যে কোনো আগ্রাসন ও সংঘাতের বিরুদ্ধে একটি নিরাপদ ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ে তুলতে বহুপাক্ষিক কূটনীতি ও জাতিসংঘ সনদের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।

আরও পড়ুন: ‘আমাকেও নিয়ে যাও, আমি কেমনে থাকব’, তিতাসের স্ত্রীর আহাজারি

তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা তাদের আন্তরিকতা, কর্তব্যবোধ এবং পেশাদারিত্বের গৌরবোজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বিশ্বমঞ্চে প্রতিষ্ঠিত করেছে। শান্তিরক্ষা মিশনের প্রতিটি সদস্য বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশের প্রতিনিধি, দেশের মান-সম্মানের বাহক। আশা করি, আগামী দিনেও যারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালন করতে বিভিন্ন দেশে যাবেন, তারা একইভাবে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের সুনাম সমুন্নত রাখবেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পরিষদের সদস্য, সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানসহ সশস্ত্রবাহিনীর কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী ২৯ মে আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস পালিত হয়। কিন্তু এবার বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি থাকায় রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ ১০ জুন এটি পালিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করেছে: প্রধানমন্ত্রী

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন সভা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫২ পি.এম


ঝালকাঠিতে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন সভা

ঝালকাঠিতে ইলিশ সম্পদের নিরাপত্তা, উন্নয়ন এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় বাস্তবায়িত কার্যক্রম পর্যালোচনা ও মূল্যায়ন সম্পর্কিত একটি সেমিনার আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ঝালকাঠি জেলা মৎস্য দপ্তরের আয়োজনেও এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের পরিচালকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনিসুজ্জামান।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. এনামুল হকের সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নীরোধ বরণ জয়ধর, ঝালকাঠি সদর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মঞ্জুরুল আলম, জেলা ক্ষুদ্র মৎস্য জেলে সমিতির সভাপতি কে এম জহিরুল ইসলামসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মচারী, মৎস্যজীবী প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজন।

সেমিনারে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়িত কার্যক্রম, অর্জন, চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। জাতীয় মাছ ইলিশ দেশের অর্থনীতি, পুষ্টি ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। জেলেদের সচেতনতা বৃদ্ধি, অভয়াশ্রম সংরক্ষণ, আইন প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, ইলিশ দেশের গুরুত্বপূর্ণ মৎস্যসম্পদ। তিনি বলেন, ইলিশ সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে জাটকা রক্ষা, নিষিদ্ধ সময়ে মাছ আহরণ বন্ধ রাখতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি এখন রাজনৈতিক: গভর্নর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৩ পি.এম


ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি এখন রাজনৈতিক: গভর্নর

গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়ে দিয়েছেন যে ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি এখন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রয়েছে। তবে, তিনি আর্থিক খাতের স্বার্থে দ্রুত এটি সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন।

গত বুধবার (১০ জুন) তিনি ব্যাংকার্স সভায় এ কথা বলেন। সভার শেষে সাংবাদিকদের বিষয়টি জানান এবিবির সভাপতি মাসরুর আরেফিন।

ব্যাংকার্স সভায় এবিবির পক্ষ থেকে ইসলামী ব্যাংকের আন্দোলন নিয়ে উদ্বেগ জানানো হয়।

সবচেয়ে বড় ব্যাংকটির ক্ষেত্রে গ্রাহকের আস্থার সংকট অন্যান্য ব্যাংকেও পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা। এই প্রেক্ষাপটে গভর্নর দ্রুত সমাধানের আশ্বাস প্রদান করেছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হামের চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছে কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে হামের চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছে কানাডিয়ান প্রতিষ্ঠান

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের কাছে হামের চিকিৎসা ও প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় অত্যাধুনিক ভেন্টিলেটরসহ জীবন রক্ষাকারী অন্যান্য জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জাম হস্তান্তর করেছে কানাডার স্বনামধন্য ইমিগ্রেশন প্রতিষ্ঠান স্কশিয়া কনসালট্যান্টস।

আজ বুধবার (১০ জুন) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর কক্ষে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান ডা. মো. জামিলুর রহিম প্রায় চার কোটি টাকা মূল্যমানের এই সকল অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা সামগ্রী স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো: সাখাওয়াত হোসেন-এর কাছে হস্তান্তর করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার এগিয়ে আসার এই ধরনের মহৎ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে ডা. জামিলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব জনাব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস ও এমপরি এ্যাংশো মেডিকেয়ার লিমিটেড এর নির্বাহী পরিচালক শাহেদ কামাল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রামিসার ঘটনার আগেই নিখোঁজ হয় তার প্রতিবেশী ইব্রাহিম, খেলতে গিয়ে গায়েব আরেক শিশু আলী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১০ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:৫৯ পি.এম


রামিসার ঘটনার আগেই নিখোঁজ হয় তার প্রতিবেশী ইব্রাহিম, খেলতে গিয়ে গায়েব আরেক শিশু আলী

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী ও দারুসসালাম থানাধীন এলাকায় ৫ ও ৯ বছরের দুই শিশু এক মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ রয়েছে। পল্লবীর শিশু রামিসার মর্মান্তিক ঘটনার দিন ছয় দিন আগে রামিসাদের বাসার ৩ গলি পিছনের একটি বাসা থেকে ৫ বছরের ইব্রাহিম গায়েব হয়ে যায়। তার ঠিক ৪ দিন আগে খেলতে বের হয়ে ৯ বছরের আলী হোসেন বাসায় ফেরেনি। প্রতিদিনের মতো ঘটনার দিনও ইব্রাহিম বাসার সামনে খেলছিল। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ইব্রাহিম মে মাসের ১৩ তারিখ সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে বাসভবনের গেট দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। তবে সে একা ছিল না; তার পেছনে পেছনে এক ব্যক্তিকেও ভেতরে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বেশ কয়েক মিনিট পরে ভেতরে প্রবেশ করা ঐ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির পেছন পেছন তাড়াহুড়ো করে বের হয়ে যাওয়ার দৃশ্যও দেখা যায়। কিন্তু ইব্রাহিমের পরে আর কোনো সন্ধান মেলেনি। এটি এখন পর্যন্ত পাওয়া তার সর্বশেষ ভিডিও। এরপর যেন ইব্রাহিম হাওয়ায় মিলিয়ে গেছে। শুধুমাত্র রয়ে গেছে তার ছোট্ট দুপায়ের একজোড়া স্যান্ডেল, যা পরে বাসা থেকে খেলতে বের হয়ে সন্ধ্যায় ফিরেছিল। ইব্রাহিমের এক ভাই ও এক বোন আছে। এর মধ্যে ইব্রাহিমই সবার ছোট। বাবা-মা আদর করে তাকে 'রাজা' বলে ডাকতেন। হঠাৎ এভাবে গায়েব হয়ে যাওয়ার পর প্রশ্ন উঠছে, কোথায় গেলো শিশুটি? যে ঘর একসময় বাবা-মায়ের আদরের রাজার মায়াভরা দুষ্টুমিতে মাতোয়ারা থাকতো, সে রাজাহীন রাজ্য এখন শুধুই স্মৃতি। ইব্রাহিমের বাবা-মা জানান, ছেলে নিখোঁজ হওয়ার পরদিন পল্লবী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। যে সিসিটিভি ফুটেজে ইব্রাহিমকে বাসায় ঢুকতে দেখা গেছে, তা পাশের একটি ক্লাবের সিসিটিভি ফুটেজ, যা তারা অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে ঘটনার ৪ দিন পরে হাতে পেয়েছিলেন। কিন্তু শিশু রামিসার মুক্তমত হত্যাকাণ্ডের কারণে অনেকাংশে চাপা পড়ে যায় ইব্রাহিম নিখোঁজের ঘটনা। সিসিটিভি ফুটেজে আরো কয়েকজন ব্যক্তিকে প্রবেশ ও বের হতে দেখা যায় বলে তারা জানান। প্রথমে জিডি করলেও ঘটনার ২০ দিনের মাথায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পল্লবী থানা পুলিশ জানিয়েছে, তারা এবং ডিবি পুলিশ ঘটনার রহস্য উদঘাটনে কাজ করে যাচ্ছে। অন্যদিকে, শিশু ইব্রাহীম নিখোঁজের ৪ দিন আগে নিখোঁজ হয় মিরপুর দারুস সালাম থানাধীন বাগবাড়ী চারআনিপাড়ার শহীদুল হকের শিশু সন্তান মো. আলী হোসেন। তার হতভাগ্য বাবা বলেন, মে মাসের ৯ তারিখ বেলা সাড়ে তিনটার দিকে বাসা থেকে খেলতে বের হয়েছিলো আলী। তার এক আত্মীয়ের ছেলের সঙ্গে মিরপুর বেড়ীবাঁধের পাশে খেলতে গিয়ে সন্ধ্যায় এলাকা ফেরলেও আলী বাসায় ফিরেনি। এলাকার পরিচিত এক মহিলা রাত ১০টার দিকে সর্বশেষ আলীকে দেখেছিলো একটি মাদ্রাসার পাশে। ওই মাদ্রাসারই দ্বিতীয় শ্রেণীতে পড়ছিল আলী। পরের দিন দারুস সালাম থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন আলীর বাবা শহিদুল ইসলাম, যে নিখোঁজের ৩১তম দিন পর্যন্ত ঢাকার প্রায় সব জায়গায় কলিজার টুকরোকে পাগলের মতো খোঁজার কথা জানান। দিনকয়েক আগে অপরিচিত এক নাম্বার থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি কল করে অস্বাভাবিক কথা বলেছেন বলেও জানান শহিদুল ইসলাম। দারুস সালাম থানা পুলিশ জানিয়েছে, সব বিষয় মাথায় রেখেই রহস্য উৎঘাটনে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে তারা। নিখোঁজ দুই শিশুর পরিবার জানিয়েছে, কয়েক মাস আগে অপহরণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় অপহৃতদের উদ্ধার এবং খুব অল্প সময়ে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার তাদের এখনো এ আশায় বাঁচিয়ে রেখেছে যে, তারা হারানো মানিকরা অল্প সময়ের মধ্যেই ফিরবে তাদের শূন্য বুকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%