ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হোটেল নর্থ ভিউয়ের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরীর মৃত্যু


হোটেল নর্থ ভিউয়ের ছাদ থেকে পড়ে কিশোরীর মৃত্যু

 

রংপুর নগরীর পায়রা চত্বরে অবস্থিত নর্থ ভিউ আবাসিক হোটেল ও রেস্টুরেন্টের ৯ তলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে একটি কিশোরীর মৃত্যু ঘটেছে। সোমবার (২২ জুন) বিকেল সন্ধ্যা পৌনে ৬টার সময় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।

মৃত কিশোরীর নাম নুজসাত, সে রংপুরের খলিফাপাড়ার বাসিন্দা নজরুল ইসলামের মেয়ে। এ বছর রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার।

আরও পড়ুন: নওগাঁয় ভাড়া বাসায় জাল টাকার কারবার, ডিবির হাতে গ্রেপ্তার জব্বার

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী কালের কণ্ঠকে বলেন, "আমরা ওই হোটেলের সিসি টিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছি।"

ফুটেজে দেখা যায় যে, ওই কিশোরী বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে একাই হোটেলের ছাদে ওঠে। কিছুক্ষণ মোবাইল ফোন দেখার পর সে রেলিংয়ে উঠে যায়। এর পর আহালাদী সে নিচে পড়ে যায়।

সনাতন চক্রবর্তী আরও বলেন, "এটা আত্মহত্যা নাকি প্ররোচনা সেটির তদন্ত চলছে।"

এদিকে একটি অভিজাত আবাসিক হোটেলের ছাদ খোলা থাকার বিষয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি জানার পর স্থানীয় জনগণের মধ্যে এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাস্থলে থাকা আব্দুর রহমান মন্তব্য করেছেন, "এত বড় একটি হোটেল, অথচ যে কেউ ছাদে যাবে, তা কীভাবে হতে পারে?"

আরও পড়ুন: মাগুরায় বিএনপি নেতা হত্যা মামলায় সাবেক ওসি ও এসআইকে কারাগারে পাঠাল আদালত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বার্তা ইরানের জব্দ করা সম্পদ নিয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৩ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রের নতুন বার্তা ইরানের জব্দ করা সম্পদ নিয়ে

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলছেন, ওয়াশিংটনের মাধ্যমে মুক্ত করা হলে ইরানের জব্দকৃত তহবিল ব্যবহার করে দেশটির উচিত মার্কিন কৃষিপণ্য কেনা। তথ্যমতে, এই পদক্ষেপ একদিকে ইরানের জনগণের খাদ্য চাহিদা পূরণ করবে, অন্যদিকে মার্কিন কৃষকেরাও লাভবান হবেন।

সোমবার (২২ জুন) দেয়া এক বক্তব্যে ভ্যান্স জানান, এ ধারণাটি এসেছে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের কাছ থেকে। তিনি এটিকে ‘খুব ভালো এবং ট্রাম্প-ধাঁচের একটি চুক্তি’ বলে উল্লেখ করেন।

তবে ইরান এখনো এ ধরনের শর্ত মেনে নিতে আগ্রহী কি না, সে বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেয়নি।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে ইরানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সবশেষ আলোচনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিয়ে ফেরার আগে ভ্যান্স বলেন, এটি একটি খুবই আকর্ষণীয় সমাধান। যদি কখনো ইরানের সম্পদ মুক্ত করা হয়, তাহলে সেই অর্থ ইরানি জনগণের খাদ্য নিশ্চিত করতে এবং মার্কিন কৃষকদের সমৃদ্ধ করতে ব্যবহৃত হবে।

তিনি আরও বলেন, সম্পদ (ইরানের) মুক্ত করার প্রক্রিয়ায় আমাদের অনুমোদন আছে। কাতারও সেই প্রক্রিয়ায় অনুমোদন দেবে। এরপর সেই অর্থ ব্যবহার করা হবে মার্কিন সয়াবিন, ভুট্টা ও গম কেনার জন্য, যা ইরানি জনগণের উপকারে আসবে।

প্রতিবেদন অনুসারে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইরানের প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ জব্দ রয়েছে। এসব সম্পদের বড় অংশই তেল বিক্রির আয়, যা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থনের অভিযোগে আটকে রাখা হয়েছে।

গত সপ্তাহে ‘সব ফ্রন্টে’ সংঘাত বন্ধে হওয়া একটি সমঝোতার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সামনে হরমুজ প্রণালী এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য ৬০ দিনের সময়সীমা রয়েছে। ১৪ দফা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, চূড়ান্ত চুক্তি কার্যকর হলে জব্দ ইরানি সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ দেয়া হবে।

বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালী। কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত সার তৈরির জন্যও এসব জ্বালানি অপরিহার্য। প্রণালীটি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা মার্কিন কৃষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে কৃষি খাতে আয় কমে যাওয়া এবং দেউলিয়া হওয়ার হার বৃদ্ধি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য উত্তেজনা এবং বেইজিংয়ের কঠোর আমদানি নীতির কারণে মার্কিন কৃষিখাত আরও চাপে পড়েছে। একসময় যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিনের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ছিল চীন। কিন্তু শুল্কযুদ্ধের পর দেশটি ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা থেকে বেশি আমদানি শুরু করায় মার্কিন কৃষকরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন। এর ফলে অনেক কৃষককে লোকসানে ফসল বিক্রি করতে হয়েছে অথবা অতিরিক্ত খরচে সংরক্ষণ করতে হয়েছে।

যদিও সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে দু’বার বৈঠক হয়েছে এবং হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চীন আগামী কৃষি মৌসুমে ২ কোটি ৫০ লাখ টন মার্কিন সয়াবিন কেনার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। তবে মার্কিন কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত বুকিং হয়েছে মাত্র ১ কোটি ৫০ লাখ টন। এছাড়া কৃষি বিভাগের এক প্রতিবেদনে ১ কোটি ৩৭ লাখ বুশেল সয়াবিন ‘অজ্ঞাত গন্তব্যে’ বিক্রির তথ্যও উল্লেখ করা হয়েছে। এর কিছু অংশ চীনের জন্য হতে পারে, তবে তা নিশ্চিত নয়।

এদিকে সারের দাম বেড়ে যাওয়ায় মার্কিন কৃষকরা এ বছর বেশি সয়াবিন এবং কম ভুট্টা চাষের পরিকল্পনা করছেন বলে সরকারি তথ্য ইঙ্গিত দিচ্ছে। চীনের ওপর নির্ভরতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে নাইজেরিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশে নতুন বাজার খুঁজছে।

এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার এ সপ্তাহে ভারত সফর করছেন সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা করতে। তবে ভারতে কৃষি একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক ইস্যু হওয়ায় এখনো কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

সূত্র: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিএইউএস-এর ২০তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৭ পি.এম


বিএইউএস-এর ২০তম বৈজ্ঞানিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইউরোলজিক্যাল সার্জনস (বিএইউএস)-এর ২০তম সায়েন্টিফিক কনফারেন্স সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এ আয়োজনটি ২০ জুন প্রি-কনফারেন্স ওয়ার্কশপের মাধ্যমে শুরু হওয়ার পর মূল বৈজ্ঞানিক অধিবেশন ২১ ও ২২ জুন রাজধানীর আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

দেশ-বিদেশের খ্যাতনামা ইউরোলজিস্টদের অংশগ্রহণে আয়োজিত এ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, তাইওয়ান, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের ১৯ জন বিদেশী বিশেষজ্ঞ ইউরোলজিস্ট উপস্থিত ছিলেন। বিদেশি অতিথিদের পাশাপাশি ৮৩০ জন বাংলাদেশি এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে রেজিস্ট্রেশন করেন। সম্মেলনে ইউরোলজি চিকিৎসার আধুনিক পদ্ধতি, নতুন গবেষণা, প্রযুক্তিগত অগ্রগতি এবং চিকিৎসা-সংক্রান্ত অভিজ্ঞতা বিনিময় নিয়ে একাধিক বৈজ্ঞানিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল বিশিষ্ট ইউরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলামের গবেষণাধর্মী প্রেজেন্টেশন। তিনি “Total Tubeless Mini-PCNL” শীর্ষক উপস্থাপনায় কিডনির জটিল পাথর অপসারণে ব্যবহৃত আধুনিক ও মিনিমালি ইনভেসিভ এই পদ্ধতির কার্যকারিতা, নিরাপত্তা, চিকিৎসা-ফলাফল এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এর সম্ভাবনা তুলে ধরেন।

প্রেজেন্টেশনে জানানো হয়, “Total Tubeless Mini-PCNL” এমন একটি আধুনিক সার্জিক্যাল পদ্ধতি, যার মাধ্যমে কোনো ধরনের নেফ্রোস্টমি টিউব বা অতিরিক্ত ড্রেনেজ টিউব ব্যবহার ছাড়াই জটিল কিডনির পাথর অপসারণ করা সম্ভব। এর ফলে রোগীর অস্ত্রোপচার-পরবর্তী ব্যথা ও শারীরিক অস্বস্তি কম হয়, হাসপাতালে থাকার সময় হ্রাস পায় এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।

গবেষণাপত্র উপস্থাপনের পাশাপাশি অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম দুইটি সায়েন্টিফিক প্রেজেন্টেশনে চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করেন।

অধ্যাপক ডা. মো. রফিকূল ইসলাম বলেন, বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এ প্রযুক্তির বিস্তৃত প্রয়োগ বাংলাদেশের ইউরোলজি চিকিৎসায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে এবং রোগীদের জন্য আরও আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

বাউস-এর আহবায়ক অধ্যাপক ডা. মো. শফিকুর রহমান, সদস্য সচিব অধ্যাপক ডাঃ প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অধ্যাপক ডাঃ এম এ সালাম, অধ্যাপক ডা. জাহাঙ্গীর কবির, অধ্যাপক ডাঃ নাসিরুদ্দিন কাজলসহ বিভিন্ন হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের দেশবরেণ্য স্বনামধন্য চিকিৎসকরা সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন ও চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করেন।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক মানের বৈজ্ঞানিক সম্মেলন দেশের ইউরোলজি চিকিৎসাব্যবস্থার উন্নয়ন, চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক প্রযুক্তির প্রসার এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে রোগীদের জন্য আরও উন্নত ও যুগোপযোগী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতেও এসব আয়োজন কার্যকর অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাভারে ছাত্রদলের বিক্ষোভ আ.লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৩৯ পি.এম


সাভারে ছাত্রদলের বিক্ষোভ আ.লীগের কর্মসূচির প্রতিবাদে

 

সারাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা ও অপতৎপরাতার বিরুদ্ধে সাভারে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সারাদেশ জুড়ে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য নাশকতা ও অপতৎপরাতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধসহ ফ্যাসিবাদের বিচারের দাবিতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল বিক্ষোভ মিছিল এবং সমাবেশ করেছে সাভারে। সোমবার বিকেলে সাভারের পাকিজা মোড়ে শহীদ ইয়ামিন চত্বরে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন এবং সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল। এছাড়া সাভার থানা ছাত্রদল এবং পৌর ছাত্রদলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজিত প্রতিরোধ সমাবেশে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ছাত্রদল দীর্ঘকাল ধরে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয় রয়েছে এবং আন্দোলন-সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস ছাত্রদলের রয়েছে।

সাভার-আশুলিয়ায় কোনো নিষিদ্ধ সংগঠনের নেতাকর্মীকে রাজপথে নামতে দেওয়া হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী যাতে এলাকায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে ছাত্রদল সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মাঠে থেকে তা প্রতিহত করবে।’

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল বলেন, ‘সারাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এমতবস্থায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে এবং ফ্যাসিবাদীদের বিচারের দাবিতে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল সোচ্চার রয়েছে। যে স্বৈরাচার বাংলাদেশের মানুষের রক্ত ঝরিয়েছে, তাদেরকে বাংলার মাটিতে আর মিছিলের সুযোগ দেয়া হবে না।’

সমাবেশ থেকে বক্তারা জানান, ‘মঙ্গলবার ভোর থেকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে। এজন্য ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সক্রিয় রয়েছে।’

সমাবেশ শেষে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি পাকিজা মোড় থেকে শুরু হয়ে গেন্ডা ইউটার্ন এলাকা ঘুরে আবার একই স্থানে এসে শেষ হয়। মিছিলে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের শ্লেগান দেন নেতাকর্মীরা।

অন্যদিকে আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যে কোন ধরনের নাশকতা এবং অপতৎপরতা রুখে দিতে সাভার ও আশুলিয়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা সতর্ক অবস্থানে আছেন বলে জানান ঢাকা ১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মো: সালাউদ্দিন বাবু। সোমবার দুপুরে আশুলিয়ার দোসাইদ অধন্য কুমার স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা জানান।

এ সময়ে তিনি আরও বলেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ যেন সাভার ও আশুলিয়ায় নাশকতা বা মিছিল করতে না পারে, এ জন্য বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে প্রস্তুত রয়েছেন যাতে তাদেরকে প্রতিহত করা যায়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুসোলিনির ‘অদৃশ্য হাত’ এবং আর্জেন্টাইন বিতর্কিত গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ‘ওয়ান্ডারটিম’ অস্ট্রিয়ার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৪৭ পি.এম


মুসোলিনির ‘অদৃশ্য হাত’ এবং আর্জেন্টাইন বিতর্কিত গোলে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ‘ওয়ান্ডারটিম’ অস্ট্রিয়ার

১৯৩৪ সালের বিশ্বকাপের আসর ইতালিতে বসেছিল। তখন ফ্যাসিস্ট মুসোলিনি ইতালির ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছিল। সেই বিশ্বকাপে অস্ট্রিয়া জাতীয় দলও অংশগ্রহণ করেছিল। তাদের পরিচিতি ছিল ‘ওয়ান্ডারটিম’ হিসেবে। কোচ হুগো মেইসলের নেতৃত্বে ফুটবলে বিপ্লব ঘটানো সেই দলটি দর্শকদের সামনে অসাধারণ ফুটবল উপহার দিয়েছিল। অনেকেই সেই বছরের জুলে রিমে ট্রফির (বর্তমান বিশ্বকাপ ফুটবল) গুরুত্বপূর্ণ দাবিদার হিসেবে তাদেরকে দেখেছিল। তবে, ফ্যাসিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা ও স্বৈরশাসক বেনিতো মুসোলিনির ভাবনা ভিন্ন ছিল।

অনেক প্রত্যাশা নিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু হলেও সুইডিশ রেফারি ইভান একলিন্ডের বিতর্কিত রেফারিং এবং আর্জেন্টাইন-ইতালীয় ফুটবলার এনরিকো গুইতির বিতর্কিত গোলে অস্ট্রিয়ার যাত্রা থেমে যায় স্বাগতিকদের কাছে। মিলানে অনুষ্ঠিত সেই সেমিফাইনালে ইতালি ১-০ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং অস্ট্রিয়ার জন্য বিশ্বকাপ স্বপ্ন শেষ হয়ে যায়। সেই ম্যাচে একলিন্ড রেফারি হিসেবে যা করেছিলেন তা তাকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম কুখ্যাত চরিত্র হিসেবে চিত্রায়িত করেছে। অন্যদিকে, কেউ কেউ মনে করেন, অস্ট্রিয়ান গোলরক্ষকের ওপর ফাউল হওয়ায় গুইতার গোলটি বাতিল হওয়া উচিত ছিল। আজও অস্ট্রিয়ানরা বিশ্বাস করে, তাঁদের দলটি ট্রফি জয়ের যোগ্য ছিল এবং মুসোলিনির ‘অদৃশ্য হাত’ তাদেরকে বঞ্চিত করেছিল।

‘ওয়ান্ডারটিম’ এর সূচনা ঘটে ১৯১২ সালে, যখন সাবেক ফুটবলার হুগো মেইসল মাত্র ৩১ বছর বয়সে ইউরোপীয় দলটির ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব নেন। তিনি শুরু থেকেই দলকে এমন একটি দর্শনে দীক্ষা দেন, যেখানে বল দখল ও পাসিং-ভিত্তিক খেলাই মূল শক্তি ছিল। প্রতিপক্ষের গোলের দিকে ধীরে ধীরে আক্রমণ গড়ে তোলাই ছিল লক্ষ্য। তিনি স্কটিশ স্টাইলকে ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করলেন, যা পরে তার গুরু জিমি হোগান আরো উন্নত করেছিলেন। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, এটির প্রভাব পরবর্তীতে পেপ গার্দিওলার ফুটবল দর্শনের মধ্যে পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে।

মেইসলের উত্তরাধিকার এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে, তাকে আধুনিক ফুটবলের পাসিং-ভিত্তিক স্টাইলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে গণ্য করা হয়। অনেকের মতে, ১৯৩৪ সালের সেই অস্ট্রিয়ান দলই পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের ব্রাজিল, ১৯৭৪ সালের নেদারল্যান্ডসের ‘টোটাল ফুটবল’ এবং ২০১০ সালের স্পেনের মতো দলগুলোর জন্য পথের ভিত্তি তৈরি করেছিল।

অস্ট্রো-হাঙ্গেরীয় সাম্রাজ্যের পতন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী নানা পরিবর্তনের ফলস্বরূপ ১৯১৯ সালে অস্ট্রিয়া প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে। সেই প্রেক্ষাপটে, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও ফুটবল মানুষের জন্য একটি আশ্রয়স্থল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। এই সময়ে অসাধারণ কিছু খেলোয়াড় উঠে আসে, যার মধ্যে অন্যতম ছিলেন ম্যাথিয়াস সিন্ডেলার।

‘মোজার্ট অফ ফুটবল’ নামে পরিচিত সিন্ডেলার ৫ নম্বর জার্সি ও অসাধারণ খেলার জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠেন। ১৯২৬ সালে জাতীয় দলে অভিষেকের পর তিনি শুধু অস্ট্রিয়ার ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়ই হননি, বরং নাৎসিবাদের বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী চরিত্র হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন।

১৯৩৮ সালে অস্ট্রিয়া তখন ইতিমধ্যেই জার্মান শাসনের অধীনে চলে গেছে। ওই পরিস্থিতিতে, তিনি জার্মানদের হয়ে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে খেলতে অস্বীকৃতি জানান, কারণ তিনি থার্ড রাইখের নীতির প্রতি ঘোর বিরোধী ছিলেন। এর mashul তাকে নির্মমভাবে দিতে হয়েছে। প্রায় এক বছর পর, তাকে তার প্রেমিকার সঙ্গে নিজের অ্যাপার্টমেন্টে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

আনুষ্ঠানিক ময়নাতদন্তে বলা হয়, এটি একটি দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু। স্টোভ (চুলা) বিকল হয়ে কার্বন মনোক্সাইড বিষক্রিয়ায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে বলা হয়। তবে এই ঘটনার আশেপাশের সন্দেহ ও বিতর্ক আজও সমাধান হয়নি।

‘ওয়ান্ডারটিম’ এর বিশ্বকাপ স্বপ্নভঙ্গ:

অস্ট্রিয়া সেই টুর্নামেন্টে গিয়েছিল অসাধারণ প্রত্যাশার সঙ্গে। জার্মানির বিরুদ্ধে ৬-০ ও ৫-০, হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে ৮-২, সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৮-১, ইতালির বিরুদ্ধে ৪-০, বেলজিয়ামের বিরুদ্ধে ৬-১, স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৫-০; এইসব ম্যাচের বড় জয় তাদেরকে শিরোপার সবচেয়ে শক্তিশালী দাবিদার করে তোলে এবং পুরো দেশকে উচ্ছ্বাসে ভরিয়ে দেয়।

তুরিনের বেনিতো মুসোলিনির স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়া প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় ফ্রান্সের। ম্যাচজুড়ে আধিপত্য থাকা সত্ত্বেও, মেইসলের দল অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় পায়। চার দিন পর কোয়ার্টার ফাইনালে তারা তাদের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী হাঙ্গেরিকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর কৃতিত্ব দেখায়। যেখানে সিন্ডেলার তার অসাধারণ পারফর্মেন্স প্রদর্শন করেন। সেমিফাইনালে তারা মুখোমুখি হয় স্বাগতিক ইতালির, যারা এর আগে স্পেনকে হারিয়ে এসেছে।

বিতর্কিত সেমিফাইনাল: ইতালি ১-০ অস্ট্রিয়া

যদিও এর কোনো চূড়ান্ত প্রমাণ নেই, তৎকালীন একাধিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, সেমিফাইনালের সুইডিশ রেফারি ইভান একলিন্ডকে ম্যাচের আগের রাতে মুসোলিনি নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। বলা হয়ে থাকে যে ভিটোরিও পোজ্জোর ইতালি দল পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে একাধিক বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্তের সুবিধা পেয়েছিল।

সত্যিই এটি হুমকি ছিল কি না, প্রলোভন ছিল কি না, তা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ম্যাচে ইতালীয়রা কর্দমাক্ত মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে আবির্ভূত হয় এবং আক্রমণাত্মক খেলতে থাকে। সবচেয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয় ম্যাচের ১৯তম মিনিটে। অস্ট্রিয়ার গোলরক্ষক পিটার প্লাটজারের ওপর ইতালীয় ফরোয়ার্ড জুসেপে মিয়াজ্জার স্পষ্ট ফাউল সুইডিশ রেফারি একলিন্ড উপেক্ষা করেন। মিয়াজ্জা গোলরক্ষকের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বল ফেলে দেন, এবং সেই সুযোগে এনরিকো গুইতা একমাত্র গোলটি করেন।

এছাড়া, ম্যাচজুড়ে সিন্ডেলারকে বারবার লাথি মারার ঘটনাও ঘটে। অস্ট্রিয়ানরা আরেক আর্জেন্টাইন-ইতালীয় সেন্টার হাফ লুইস মন্টির বিরুদ্ধে একটি স্পষ্ট পেনাল্টির দাবি তুলেছিল। রেফারি একলিন্ড সেই ঘটনাও উপেক্ষা করেন। উল্লেখ্য, এই টুর্নামেন্টে ইতালির হয়ে খেলা মন্টি ইতিহাসে একমাত্র খেলোয়াড় যিনি দুইটি ভিন্ন জাতীয় দলের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলেছেন (১৯৩০ সালে আর্জেন্টিনা, ১৯৩৪ সালে ইতালি)।

স্প্যানিশ সংবাদপত্র লা ভ্যানগার্ডিয়া দুই দলের পারফরম্যান্সের তুলনা করে লিখেছিল, ‘যেখানে ইতালীয়রা রিবাউন্ড, পাস এবং দূরত্ব ভুল করছিল (বিশেষ করে প্রথমার্ধে), অস্ট্রিয়ানরা বলকে মাটিতে পড়তে দিত না এবং সেটিকে দিয়ে যা খুশি তাই করছিল।’

অস্ট্রিয়ার ফরোয়ার্ড জোসেফ বিকান, যিনি ফুটবলের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা (৮০৫ গোল, শুধুমাত্র মেসি ও রোনালদোর পেছনে), সরাসরি রেফারিকে দোষারোপ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জানতাম রেফারি ঘুষ নিয়েছে এবং ইতালির পক্ষেই সিদ্ধান্ত নেবে। সে এমনকি তাদের সঙ্গে খেলছিল। আমি যখন ডানদিকে পাস দিতাম, আমার সতীর্থ জিসেক দৌড়ে যেত, তবে রেফারি বলটা আবার ইতালির হাতে দিয়ে দিত। এটা ছিল লজ্জাজনক।’

ম্যাচ শেষে অস্ট্রিয়ার কোচ মেইসল বলেন, ‘আমরা যা আশা করেছিলাম, সেটাই হয়েছে। যে পরিবেশ ইতালি তৈরি করেছিল, সেখানে তাদের হারানো অসম্ভব। আমাদের এটা মেনে নিতে হবে এবং ‘ব্লুজ’দের শিরোপা জিততে দিতে হবে। তবে এটা আমাদের বলতে বাধা দেবে না যে তাদের ফুটবলই সেরা ছিল না, এবং তারা বিশ্বকাপটা ন্যায্যভাবে জেতেনি।’

শেষ পর্যন্ত শিরোপা ইতালির দখলে যায়। এক সপ্তাহ পরে তারা চেকোস্লোভাকিয়াকে ফাইনালে ২–১ গোলে হারায়। অন্যদিকে অস্ট্রিয়াকে চতুর্থ স্থানে সন্তুষ্ট থাকতে হয়। নেপলসে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে তাদের জার্মানির কাছে ৩–২ গোলে পরাজিত হতে হয়।

‘ওয়ান্ডারটিমের’-এর উত্তরাধিকার

দুই বছর পর অস্ট্রিয়া বার্লিন অলিম্পিকে রৌপ্য পদক জিতেছিল। আবারও ইতালি তাদেরকে পরাজিত করে। ১৯৩৭ সালে তাদের কোচ মেইসলের মৃত্যু ঘটে। ১৯৩৯ সালের জানুয়ারিতে তারকা খেলোয়াড় সিন্ডেলারের রহস্যজনক মৃত্যু, এবং ১৯৩৮ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক আগে অ্যাডলফ হিটলারের শাসনে অস্ট্রিয়ার সম্পূর্ণ সংযুক্তি, সব ঘটনাই সেই স্বপ্নের দলের সমাপ্তি টেনে দেয়।

ওয়ান্ডারটিমের শেষ ম্যাচ ছিল ১৯৩৮ সালের এপ্রিল মাসে ভিয়েনায় বাভারিয়ান দলের বিরুদ্ধে, যা ছিল বিখ্যাত এক লড়াই। সবাই সেখানে নাৎসি জার্মানির সহজ জয় আশা করছিল, কিন্তু সিন্ডেলার ও তার সতীর্থরা সেই পরিকল্পনা ভেস্তে দেন। অস্ট্রিয়া ২–০ গোলে জয় পায় এবং তাদের তারকা খেলোয়াড় সিন্ডেলার গোল করার পর উদযাপন করতে গিয়ে নাৎসি সরকারের কর্মকর্তাদের দিকে এগিয়ে যান, যা পরবর্তীতে ঘটতে যাওয়া ঘটনার এক ধরনের পূর্বাভাস ছিল।

যদিও ‘ওয়ান্ডারটিম’ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি, তবে সেই অস্ট্রিয়ান দলটি ফুটবল ইতিহাসে প্রথম কিংবদন্তি দলগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে। ৯২ বছর পর, রালফ র‌্যাংনিকের আজকের দল ডালাসে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে অঘটন ঘটানোর স্বপ্ন দেখছে। লক্ষ্য পূরণ হলে নিশ্চিতভাবে সেই কিংবদন্তি ‘ওয়ান্ডারটিম’কে ছোট একটি শ্রদ্ধা জানাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%