ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৬ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী দুপুরে ১০০ টাকার খাবার খান: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী দুপুরে ১০০ টাকার খাবার খান: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুপুরবেলা ১০০ টাকার খাবার খান। ১০০ টাকায় সখীপুরেও খাবার পাওয়া যাবে না।

আমরা সবাই ১০০ টাকার খাবার খাই দুপুরবেলা।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবর্তন শুরু করে দিয়েছেন। পাঁচ বছরে তিনি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, স্বাস্থ্যব্যবস্থা, পরিবেশব্যবস্থা, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাসহ সব ব্যবস্থাকে একটি পর্যায়ে নিয়ে আসতে চান। দেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক অবস্থার ইতিবাচক পরিবর্তন হবে।’

আরও পড়ুন: দীর্ঘ যাত্রায় চালকের ক্লান্তি, বাড়ছে দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঝুঁকি

আজ সোমবার বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি, সখীপুর উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলা হলরুমে অনুষ্ঠিত ‘প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন’ শীর্ষক মতবিনিময়সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমি বলব না ৫ বছরে তিনি বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবেন। তিনি যদি আরো কিছু সময় পান, তাহলে সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে নিয়ে যাবেন।’

ইতিবাচক পরিবর্তনের আশা ব্যক্ত করে মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দুপুরবেলা ১০০ টাকার খাবার খান। ১০০ টাকায় সখীপুরেও খাবার পাওয়া যাবে না। আমরা সবাই ১০০ টাকার খাবার খাই দুপুরবেলা। প্রধানমন্ত্রী সকাল পৌনে ৯টায় অফিসে আসেন। শুনেছেন? শোনেননি। আমরা মন্ত্রীরা প্রত্যেক দিন পৌনে ৯টায় অফিসে যাই। আমার দপ্তরে কোনো দিন সাড়ে ৮টা বা পৌনে ৯টায় গেলেও দেখবেন আমি হাজির। অর্থাৎ পরিবর্তনটা শুরু হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রাইমারি শিক্ষাব্যবস্থায় স্বাধীনতার পরে যে ধস নেমেছে, সেই ধস থেকে আপনারা এই শিক্ষাব্যবস্থাকে বের করে নিয়ে আসুন। আপনাদের কাছে জাতির অনেক প্রত্যাশা।’

আরও পড়ুন: গাজীপুরে আগুনে পুড়ল মসজিদ, গুদাম ও দোকান

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুর রহমানের সঞ্চালনায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব বেগম নার্গিস সিদ্দিকা, বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি সখীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি খুরশিদ জাহান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক টিটুসহ আরো অনেকে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ যোগ দিল আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৩ পি.এম


বাংলাদেশ যোগ দিল আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে

সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, উপকূলীয় জনগণের সুরক্ষা এবং টেকসই সামুদ্রিক বাণিজ্য নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে যোগদান করেছে।

লন্ডনে অনুষ্ঠিত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক দায়বদ্ধতা কনভেনশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

সোমবার (৬ জুলাই) লন্ডনে অবস্থিত আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও)-এর সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) মহাসচিব আরসেনিও ডোমিঙ্গেজ-এর হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে কনভেনশনে যোগদানের দলিল হস্তান্তর করেন।

এ পদক্ষেপের ফলে দেশের সামুদ্রিক আইনগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মান এবং সর্বোত্তম চর্চার সঙ্গে আরো সামঞ্জস্যপূর্ণ করা সম্ভব হবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্য ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার ড. এম নজরুল ইসলাম এবং নৌপরিবহন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কমোডর মো. শফিউল বারী। আজ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরাপদ নৌপরিবহন নিশ্চিতকরণ, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দায়িত্বশীল সামুদ্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই কনভেনশনসমূহে যোগদান সম্পন্ন হয়েছে।

বাংলাদেশ যেসব কনভেনশনসমূহে অনুসমর্থন প্রদান করেছে সেগুলো হলো— আন্তর্জাতিক তেল দূষণজনিত ক্ষতির জন্য দায়বদ্ধতা বিষয়ক ১৯৯২ প্রোটোকল, বাঙ্কার তেল দূষণজনিত ক্ষতির জন্য দায়বদ্ধতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন ২০০১ এবং নাইরোবি আন্তর্জাতিক রেক অপসারণ কনভেনশন ২০০৭।

প্রতিদিনের ভিত্তিতে প্রচুর জাহাজ বাংলাদেশি জলসীমা অতিক্রম করে অথবা দেশের বন্দরসমূহে প্রবেশ করে। এই জাহাজ চলাচলের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে তেল নিঃসরণ, বাঙ্কার জ্বালানি দূষণ এবং জাহাজডুবির মতো ঝুঁকি, যা নৌচলাচল ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ।

এগুলি কনভেনশনের মাধ্যমে দুর্ঘটনার দায়ভার নির্ধারণ এবং বাধ্যতামূলক বীমা নিশ্চিত করবে। ফলে দুর্ঘটনার সময় দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর না করে একটি নিশ্চিত আর্থিক ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ পাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।

এই অনুসমর্থন দেশের জন্য অর্থনৈতিক সফলতা নিয়ে আসবে। বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজগুলোকে বিদেশি নৌ প্রশাসনের কাছ থেকে কনভেনশন সনদ সংগ্রহ করতে আর প্রয়োজন হবে না। এইভাবে সময় এবং বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় হবে।

এছাড়া, এসব কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা আন্তর্জাতিক চার্টারার, বীমা প্রতিষ্ঠান ও বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের পতাকাবাহী জাহাজের গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করবে, বাণিজ্যিক বিলম্ব এবং বিদেশি বন্দরের নানা কর্তৃপক্ষের অতিরিক্ত পরিদর্শনও কমাবে।

বিশ্বের শতাধিক দেশ ইতোমধ্যে এসব কনভেনশনের পক্ষভুক্ত। বাংলাদেশের অনুসমর্থনের ফলে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অবকাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যতা অর্জন করল। ক্রমবর্ধমান জাহাজ চলাচল, বন্দর কার্যক্রম ও উপকূলীয় উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে এই সিদ্ধান্ত একটি দায়িত্বশীল সামুদ্রিক রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের ভূমিকা আরো শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জিম্মিদশা থেকে অসুস্থ বাবাকে উদ্ধারে মেয়ের আকুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৪ পি.এম


জিম্মিদশা থেকে অসুস্থ বাবাকে উদ্ধারে মেয়ের আকুতি

ময়মনসিংহের ভালুকায় অসুস্থ বাবাকে জিম্মি করে রাখার অভিযোগ তুলে একমাত্র মেয়ে নাজমিন আক্তার লিজা তার বাবাকে উদ্ধারের আকুতি জানিয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) ভালুকা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।

নাজমিন আক্তার লিজা, উপজেলা ধীতপুর ইউনিয়নের ধীতপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং মো. নুরুল ইসলামের মেয়ে। সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া লিখিত বক্তব্যে লিজা উল্লেখ করেন যে, তার বাবা দীর্ঘদিন প্রবাসে ছিলেন। এই সময় তার চাচা শামছুদ্দিন ও চাচাতো ভাইয়েরা নুরুল ইসলামের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা করতেন। দেশে ফেরার পর, চাচা শামছুদ্দিন, চাচাতো ভাই আপেল এবং আপেলের স্ত্রী মোক্ষমভাবে তার বাবাকে একাধিক ফিশারি ও মুরগির খামারে এক কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগে উদ্বুদ্ধ করেন।

সম্প্রতি, তিনি অভিযোগ করেন, বিনিয়োগের হিসাব চাইলে তার বাবার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এই নির্যাতনে তার বাবার স্ট্রোক হয়ে পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হন। এরপর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে অভিযুক্তরা তার বাবার জমিজমা, পাসপোর্টসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নিজেদের দখলে নিয়ে নেন। পাশাপাশি, বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও বিনিয়োগ থেকে প্রায় এক কোটি ২০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করার কথাও বলেন তিনি।

লিজা আরও দাবি করেন, তিনি বাবার সঙ্গে দেখা করতে চাইলে অভিযুক্তরা এ বিষয়ে বাধা প্রদান করেন। তিনি বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার থানায় অভিযোগ করলেও সেখানে কোনো প্রতিকার পাননি। পরে আদালতের শরণাপন্ন হলে আদালত সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করেন। কিন্তু, সেই ওয়ারেন্ট থাকা সত্ত্বেও পুলিশ তার বাবাকে উদ্ধার করেনি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে, লিজা তার অসুস্থ বাবাকে দ্রুত উদ্ধার করার পাশাপাশি অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের আইন অধীনে আনার জন্য দাবি জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে পরবর্তী আপিল শুনানি মঙ্গলবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


পঞ্চদশ সংশোধনী নিয়ে পরবর্তী আপিল শুনানি মঙ্গলবার

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের পরবর্তী শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন রেখেছে সর্বোচ্চ আদালত।

দীর্ঘ ছয় মাসের বেশি সময় পর সোমবার প্রধান বিচারপতি নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চে পুনরায় এ মামলার শুনানি শুরু হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর রহমান হক। অন্যদিকে আপিলকারীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়াসহ মোহাম্মদ শিশির মনির।

প্রথম দিনের শুনানি শেষে আপিল বিভাগ এ মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য মঙ্গলবার দিন ঠিক করে দেয়।

গত ১৩ নভেম্বর হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন আপিল বিভাগ। এরপর আপিল শুনানি শুরু হয়।

২০১১ সালের ৩০ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলোপসহ বেশ কিছু বিষয়ে পরিবর্তন করে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন জাতীয় সংসদে পাস হয়।

রাষ্ট্রপতি ২০১১ সালের ৩ জুলাই এটির অনুমোদন দেন।

ওই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলের পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়; সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও, ওই সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিষয়টি সংযোজন করা হয়।

এই সংশোধনী বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচ বিশিষ্ট ব্যক্তি। গত বছরের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন কেন সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘোষণা করা হবে না, জানতে চাওয়া হয় রুলে।

পরে এই রুল সমর্থন করে সহায়তাকারী (ইন্টারভেনার) হিসেবে যুক্ত হন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, গণফোরাম, বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা। তাদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

এ ছাড়া নওগাঁর রানীনগরের নারায়ণপাড়ার বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও রিট করেন। রুলের শুনানি শেষে গত year's ১৭ ডিসেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট।

রায়ের দিন ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্য আবেদনকারীর আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করার বিধান বাতিল হলো, সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ এবং সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য সংক্রান্ত ৭ ক және ৭ খ বাতিল হলো, মৌলিক অধিকার বাস্তবায়নের বিধান নিয়ে হাইকোর্টের ক্ষমতা কমানো বিষয়ক ৪৪ (২) বাতিল করা হলো, এ ছাড়া ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল করা হয়েছে। ফলে সংবিধানের প্রস্তাবনা ও কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধনে আজকে রায়ে গণভোটের বিধান ফিরে আসছে।

রায়টিকে ঐতিহাসিক বলে এ আইনজীবী বলেন, ৭ ক এবং খ, ৪৪ (২) ও ১৪২ অনুচ্ছেদ বিষয় রায়ের ফলে বাস্তবায়িত হয়ে গেল।

পরে ওই রায়ের বিরুদ্ধেই সুজন সম্পাদকসহ চার বিশিষ্ট ব্যক্তি লিভ টু আপিল করেন। অন্য তিন ব্যক্তি হলেন, এম হাফিজ উদ্দিন খান, জোবাইরুল হক ভূঁইয়া এবং জাহরা রহমান। মোফাজ্জল হোসেন আরেকটি লিভ টু আপিল করেন। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও একটি লিভ টু আপিল করেন। এ ছাড়া বিএনপির পক্ষে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরীসহ কয়েকজন পক্ষভুক্ত হন।

বদিউল আলম মজুমদারের আইনজীবীর দাবি পুরো সংশোধনী বাতিল করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাজার শাসনভার ছেড়ে দিলো হামাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৭ পি.এম


গাজার শাসনভার ছেড়ে দিলো হামাস

গাজায় নিজেদের প্রশাসনিক কমিটি বিলুপ্ত করার ঘোষণা দিয়েছে হামাস। এর ফলে সেখানে একটি টেকনোক্র্যাট কমিটির বেসামরিক শাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে হামাসের একটি বড় ধরনের রাজনৈতিক পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০০৭ সালে প্রতিদ্বন্দ্বী ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী ফাতাহর কাছ থেকে সশস্ত্র লড়াইয়ের মাধ্যমে গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে দীর্ঘ দুই দশক ধরে উপত্যকায় নিজেদের শাসন বজায় রেখেছিল হামাস। এর আগের বছর অর্থাৎ ২০০৬ সালের আইনসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল তারা।

গত বছরের অক্টোবরে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই হামাস বারবার বলেছে, তারা গাজার শাসনভার ছেড়ে দিতে প্রস্তুত। তবে সংগঠনটি নিরস্ত্রীকরণের পক্ষে নেই।

হামাসের সরকারি মিডিয়া অফিসের প্রধান ইসমাইল আল-তাওয়াবতা একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে বলেছেন, “সরকারের জরুরি কমিটির প্রধান মোহাম্মদ আল-ফাররা আনুষ্ঠানিকভাবে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজার (এনসিএজি) কাছে প্রশাসনিক ও সরকারি ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সহজ করতে এই কমিটি বিলুপ্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।”

২০২৫ সালের অক্টোবরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে স্বাক্ষরিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এনসিএজি গঠন করে বোর্ড অব পিস।

হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেছেন, “হামাস একটি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে যার ফলে তারা আর গাজার দায়িত্বে থাকবে না। দখলদার বাহিনীর আগ্রাসন ও ধ্বংসাত্মক যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সব অজুহাত বন্ধ করতেই এই সিদ্ধান্ত।”

তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা আশা করছি ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা দ্রুত সেখানে প্রবেশ করবে। এই কমিটির সাফল্য নিশ্চিত করতে হামাস সব ধরনের সরকারি দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।”

হামাসের প্রশাসনিক কমিটি বিলুপ্তির ফলে ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট আলি শাথের নেতৃত্বাধীন এনসিএজি’র জন্য গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব নেওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। তবে যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে এই কমিটির প্রবেশে ইসরায়েলের আপত্তির কারণে গত কয়েক মাস ধরে এনসিএজি গাজার বাইরে অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।

যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতি ও পারস্পরিক মতপার্থক্য কমিয়ে আনতে কায়রোতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে হামাস এবং অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীগুলো বেশ কয়েক দফা আলোচনা করেছে। চুক্তির প্রথম ধাপে হামাসের হাতে থাকা সর্বশেষ ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলি কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের ছেড়ে দেওয়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তবে দ্বিতীয় ধাপে যাওয়ার প্রক্রিয়াটি গত কয়েক মাস ধরে স্থবির হয়ে আছে। এই ধাপে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ এবং গাজা থেকে পর্যায়ক্রমে ইসরায়েলি সেনার প্রত্যাহারের কথা ছিল।

‘বোর্ড অব পিস’-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপের অগ্রগতির এই স্থবিরতার জন্য হামাসই দায়ী।

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হামাস এবং ফিলিস্তিনি ইসলামিক জিহাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বাড়িয়ে হামাসের পলিটব্যুরো সদস্যদেরও এর আওতাভুক্ত করেছে।

তবে বাস্তব চিত্র হচ্ছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনী গাজা উপত্যকায় তাদের উপস্থিতি আরও বাড়িয়েছে। বর্তমানে তারা উপত্যকার প্রায় ৭০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। আর যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করে এখনও গাজায় হত্যাযজ্ঞ চালাচ্ছে তারা। সবশেষ সোমবার ইসরায়েলের নির্বিচার বিমান হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত ও ২০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি, ফ্রান্স২৪, ইউরোনিউজ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১১ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৮
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%