বৃহস্পতিবার, ২৭শে আগস্ট, ২০২৬ ইং
০৯:৪২ এম
বাংলাদেশ সরকার মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-২ শামা ওবায়েদ। তবে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব এবং অর্থনীতির ওপর সম্ভাব্য প্রভাব বিশ্লেষণ করার পরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শামা ওবায়েদ সরকারের এই অবস্থান তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পরিবর্তিত বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোটে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা গভীরভাবে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। দেশের অর্থনীতি, সার্বভৌমত্ব এবং জনগণের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দেশ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক জোটে যুক্ত হচ্ছে। সার্ক, বিমসটেক, ইন্দো-প্যাসিফিক ও ব্রিকসের মতো বিভিন্ন কৌশলগত জোটের বিস্তার ঘটছে। সেই প্রেক্ষাপটে নতুন এই প্রতিরক্ষা জোটের বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে।
শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সম্ভাব্যভাবে জোটে যুক্ত হলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে কি না এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে কি না, সেসব বিষয়ও গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের শ্রমবাজারভিত্তিক সম্পর্ক রয়েছে। সেখানে প্রায় ৪০ লাখ বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মরত। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে তুরস্কের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়েছে। সব দিক পর্যালোচনা করেই ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’তে বাংলাদেশের যোগ দেওয়া বা না দেওয়ার বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, গত ৭ আগস্ট পবিত্র নগরী মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান ত্রিপক্ষীয় এই প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ন্যাটোর আদলে গঠিত জোটটির মূল শর্ত অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোর যেকোনো একটির ওপর হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর যৌথ আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে। তবে এই জোটের কার্যক্রম শুধু সামরিক সহযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সদস্য দেশগুলোর অর্থায়ন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও এর অন্যতম লক্ষ্য। একই সঙ্গে আগ্রহী অন্যান্য দেশের জন্যও জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানে জানিয়েছেন, মার্কিন চাপের মুখে তারা পিছু হটবেন না। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও আদালত তার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।
বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আকানে জানান, গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পর তার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের সুযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। তবে তিনি আরও বলেন, যদি আইসিসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়, তবুও তারা হাল ছাড়বে না।
তিনি আরও মন্তব্য করেন, আইসিসির মতো একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানকে কখনোই বন্ধ করে দেওয়া উচিত নয়। তিনি বলেন, "আমরা এটি বন্ধ হতে দিতে পারি না। আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করব।"
ইসরাইল নিয়ে তদন্তের জের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলি এবং সম্ভাব্য মার্কিন কর্মকর্তাদের যুদ্ধাপরাধের তদন্তের কারণে আইসিসিকে কার্যত নিষ্ক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, গত সপ্তাহে আকানে ছাড়াও আইসিসির সেনেগালিজ জ্যেষ্ঠ ট্রায়াল আইনজীবী আবদুলায়ে সেইয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন।
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগের তদন্তের কারণে এর আগে আইসিসির আরও কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
জাপানের সহায়তা চান আকানে
আইসিসির সবচেয়ে বড় অর্থদাতা জাপান। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি সরকারের নিন্দাকে ‘দুর্বল’ বলে সমালোচনা করা হলেও তিনি মঙ্গলবার বলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করা জাপানের দায়িত্ব।
তাকাইচি বলেন, "আইসিসির বৃহত্তম অর্থদাতা হিসেবে, আমাদের এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাকে রক্ষা করতে হবে।" তিনি আরও যোগ করেন যে, জাপান যখন এবং যেখানে প্রয়োজন হবে, সেখানে হস্তক্ষেপ করবে।
আকানে আশা প্রকাশ করেছেন যে, আদালতের বৃহত্তম অর্থদাতা দেশ হিসেবে জাপান মার্কিন চাপের মুখে পদক্ষেপ নেবে।
তিনি বলেন, "আমি আশা করি, জাপান কম শক্তিশালী সদস্য দেশগুলোর কাছে পৌঁছাবে, যারা [আইসিসি] ছেড়ে যাওয়ার জন্য মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করতে পারে, এবং তাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে উৎসাহিত করবে।"
সূত্র: মিডল ইস্ট আই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ এবং পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) গৌতম কুমার বিশ্বাস।
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাসহ জেলার পাঁচ থানা—নাচোল, গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে কিংবা কোনো পুলিশ সদস্য চাঁদা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে কঠোর আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী পুলিশ সদস্য হলেও কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি এই কড়া বার্তা ও নির্দেশনামা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, "পুলিশের প্রধান কাজ জনগণকে সেবা দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য যদি নিজে অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। থানায় সেবা নিতে আসা কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই অহেতুক হয়রানি বা হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সব থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
জেলা জুড়ে চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত শক্ত থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
সাধারণ জনগণকে কোনো প্রকার ভয় না পেয়ে যেকোনো অনিয়ম, হয়রানি বা চাঁদাবাজির তথ্য সরাসরি পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। একই সাথে তিনি নিশ্চিত করেন যে, সঠিক তথ্যপ্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
গায়ক আসিফ আকবরের মন্তব্যের কারণে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে নিয়ে তার বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি শিল্পী ও তারকাদের নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না হওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে আসিফ আকবরের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড ও বক্তব্যের বিরুদ্ধে নিজের ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাসে প্রতিবাদ জানান রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, শিল্পী বা তারকাদের কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকা উচিত।
রাশেদ খানের পোস্টে উল্লেখ করা হয়-
“মাথার সমস্যার কারণে মদ পান করতে হয় বলে আদালতকে জানিয়েছিলেন গায়ক আসিফ আকবর! আমি জানি না, কখন তার মাথায় কখন সমস্যা থাকে, আর কখন থাকে না। তবে ২০২৬ সালের ২৪ মার্চ সাকিব আল হাসানের জন্মদিনের অনুষ্ঠানের কেক কাটতে তিনি লন্ডনে উপস্থিত হন! এই ঘটনায় আসিফ আকবর খুব সমালোচনা মুখোমুখি হয়েছিলেন। আমার ধারণা, মাথায় সমস্যা থাকার কারণে তিনি এই ভুল করেছেন। হয়তো পরবর্তীতে মাথা ঠিক হলে তিনি নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন!
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় তিনি বিসিবির পরিচালক হন। কিন্তু পরবর্তীতে স্বপদে থাকতে না পেরে তিনি বেশ ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে মনে হচ্ছে। সম্প্রতি তিনি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জনাব সালাউদ্দিন আহমেদ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, 'এই লোক গুম ছিলো নাকি লুকিয়ে ছিলো, আল্লাহ জানেন, স্যুট পরে এসে এখন সংবিধান শেখাচ্ছে!' আমার প্রশ্ন হলো, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে এমন বিরূপ মন্তব্যের সময় আসিফ আকবরের মাথা কি ঠিক ছিলো? প্রয়োজনে বক্তব্য দেওয়ার আগে একটু খেয়ে, মাথা ঠিক করে নিয়ে তারপরে বক্তব্য দিতেন! মাথার অসুস্থতা নিয়ে কেউ এভাবে জনসম্মুখে বক্তব্য দেয়?
আসিফ আকবর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুম নিয়ে যে ভাষায় কথা বলেছে, ঠিক শেখ হাসিনা গুম নিয়ে এমন হাসিঠাট্টা করতো। বিদেশে যেতে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেছে মর্মে গুমের বৈধতা উৎপাদন করতো। আর সাকিব আল হাসানের সাথে সাক্ষাৎ করে আসার পরে আসিফ আকবরের কথার পরিবর্তন হয়েছে মনে হচ্ছে! তিনিও শেখ হাসিনার ভাষায় গুম নিয়ে কটাক্ষ শুরু করেছেন! হ্যা, তিনি যদি কোন রাজনৈতিক সমালোচনা করতেন, সেটি নিয়ে প্রতিবাদ জানানোর প্রয়োজন ছিলো না। কিন্তু গুম নিয়ে কটাক্ষ ও প্রশ্ন তুলেছেন। যেকারণে প্রিয় শিল্পী আসিফ আকবরের বক্তব্যের জবাব দিতে হলো!
ছোট বেলা থেকে আসিফ আকবরের গান ভাল লাগতো। পছন্দের শিল্পী তালিকায় তিনিও ছিলেন। বিএনপির লাখো মানুষ তাকে গায়ক হিসেবে পছন্দ করতো। শিল্পী বা তারকাদের কোন দল না থাকায় শ্রেয়। আর থাকলে তিনি তো সাকিবের মতোই ঘৃণিত হবেন। আমি জানিনা, হঠাৎ কেন গায়ক আসিফ আকবর ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান হতে চাইলেন? তাকে তো আমরা ভালোবাসি, এই ভালবাসার প্রতিদান এভাবে দেওয়া মোটেও উচিত হলো না, প্রিয় আসিফ আকবর ভাই!”
রাশেদ খাঁনের সেই পোস্ট-
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র নেপালের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৫ লাখ ডলার দুর্যোগ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর স্থানীয় সময় বুধবার (২৬ আগস্ট) এই ঘোষণা দেয়।
এই অর্থের মাধ্যমে বন্যাকবলিত মানুষের জন্য জরুরি আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ করা হবে বলে জানিয়েছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর। ত্রাণ কার্যক্রমে সহায়তা করার জন্য একজন দুর্যোগ সহায়তা বিষয়ক কর্মকর্তাকেও নেপালে পাঠানো হয়েছে।
একটি বিবৃতিতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর উল্লেখ করেছে, নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় প্রাণহানির ঘটনায় নিহতদের পরিবার এবং স্বজনদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্র গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছে।
বন্যায় নেপালের পার্বত্য সীমান্তবর্তী এলাকায় অন্তত ১৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, প্রতিবেশী চীনেও অন্তত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে, শত শত মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের মধ্যে ৪০০-এর বেশি পর্যটক ও যাত্রী রয়েছেন, যারা নেপাল ও বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছেন। নিখোঁজদের তালিকায় পুলিশ ও সেনাসদস্যরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
লেন্দে নদীর আকস্মিক স্রোত ভুটে কোশি নদীর সঙ্গে মিশে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করে, যার ফলে রাসুয়া জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সূত্র:
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ