প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ এবং পুলিশি সেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছেন জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) গৌতম কুমার বিশ্বাস।
তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাসহ জেলার পাঁচ থানা—নাচোল, গোমস্তাপুর, শিবগঞ্জ ও ভোলাহাটে সাধারণ মানুষ সেবা নিতে এসে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার হলে কিংবা কোনো পুলিশ সদস্য চাঁদা দাবি করলে তার বিরুদ্ধে সাথে সাথে কঠোর আইনানুগ ও বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অপরাধী পুলিশ সদস্য হলেও কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করতে গিয়ে তিনি এই কড়া বার্তা ও নির্দেশনামা প্রদান করেন।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, "পুলিশের প্রধান কাজ জনগণকে সেবা দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা। সেখানে কোনো পুলিশ সদস্য যদি নিজে অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তবে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। থানায় সেবা নিতে আসা কোনো নাগরিক যেন কোনোভাবেই অহেতুক হয়রানি বা হয়রানিমূলক পরিস্থিতির মুখে না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে সব থানার দায়িত্বপ্রাপ্তদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।"
জেলা জুড়ে চুরি, ডাকাতি ও চাঁদাবাজি বন্ধে পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত শক্ত থাকবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ দমন ও মাদক নিয়ন্ত্রণে জেলা পুলিশ সার্বক্ষণিক কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
সাধারণ জনগণকে কোনো প্রকার ভয় না পেয়ে যেকোনো অনিয়ম, হয়রানি বা চাঁদাবাজির তথ্য সরাসরি পুলিশকে জানানোর আহ্বান জানিয়েছেন পুলিশ সুপার। একই সাথে তিনি নিশ্চিত করেন যে, সঠিক তথ্যপ্রদানকারীদের পরিচয় গোপন রাখা হবে এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন