ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মস্কোর সুরক্ষায় ড্রোন অপারেটর নিয়োগে জোর দিচ্ছে রাশিয়া


মস্কোর সুরক্ষায় ড্রোন অপারেটর নিয়োগে জোর দিচ্ছে রাশিয়া

রাশিয়ার সবচেয়ে বড় চাকরির ওয়েবসাইট হেডহান্টার মস্কোর আকাশসীমা সুরক্ষার জন্য ড্রোন অপারেটর নিয়োগের বিজ্ঞাপন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। এই পদের জন্য আবেদন করতে হলে পূর্ব অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে।

অনলাইন বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘কমব্যাট আর্মি রিজার্ভ ফোর্স’ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী ইউনিটের জন্য কর্মী খোঁজা হচ্ছে। এবং তাদের দায়িত্ব হবে আধুনিক প্রযুক্তি ও নজরদারি ব্যবস্থা ব্যবহার করে রাজধানী মস্কোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

বিজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নিয়োগপ্রাপ্তদের শহুরে পরিবেশ সুরক্ষার জন্য তৈরী উচ্চপ্রযুক্তির সরঞ্জাম নিয়ে কাজ করতে হবে।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রেক্ষিতে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের আহ্বান ইরানি আইনপ্রণেতার

এই পদে আবেদনকারীদের জন্য কাজের মধ্যে থাকবে ড্রোন উড্ডয়নের প্রস্তুতি ও পরিচালনা, নজরদারি ও গোয়েন্দা মিশনে অংশ নেওয়া এবং দিন-রাত তথ্য সংগ্রহের জন্য ফ্লাইট পরিচালনা করা।

এছাড়া, আবেদনকারীদের মৌলিক প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং এ ক্ষেত্রে শেখার ও উন্নতির আগ্রহ থাকা প্রয়োজন। যদিও মাসিক বেতন ১ লাখ ৫০ হাজার রুবল (প্রায় ১৯৫০ মার্কিন ডলার) থেকে শুরু হওয়ায় অনেকের কাছে তা তুলনামূলকভাবে কম মনে হতে পারে। কারণ মস্কোতে গড় মাসিক বেতন ২ লাখ রুবলেরও বেশি।

রয়টার্স স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি যে চাকরির বিজ্ঞাপনটি প্রথম কবে প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে তথ্য অনুযায়ী, এটি সর্বশেষ ১ জুলাই হালনাগাদ করা হয়েছে। ইউক্রেন সম্প্রতি মস্কোকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে। জুন মাসে রাজধানীর রিং রোডের ভেতরে অবস্থিত একটি বড় তেল শোধনাগার তিন দিনের ব্যবধানে দুবার ড্রোন হামলার শিকার হয়।

এই পরিস্থিতিতে ক্রেমলিন জানিয়েছে, ড্রোন হামলা মোকাবিলায় রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, রাশিয়াও ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে এ বছরের অন্যতম প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে। ওই হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: সামান্তা শারমিনের পদাবনতি: পুনর্গঠিত এনসিপিতে কার স্থান কোথায়?

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময়সূচি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল ফিফা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৮ পি.এম


ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচের সময়সূচি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানাল ফিফা

সূচি অনুসারে আগামীকাল রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত ২টায় নরওয়ের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা রয়েছে ব্রাজিলের। কিন্তু বৈরি আবহাওয়ার আশঙ্কার কারণে শেষ ষোলোর ম্যাচের সময় পরিবর্তনের আলোচনা চলছিল। তবে শেষ পর্যন্ত পূর্ব নির্ধারিত সূচিই বহাল রাখছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা।

বিদ্যমান সূচি অনুযায়ী, মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সোমবার ভোর ৬টায় মুখোমুখি হবে মেক্সিকো ও ইংল্যান্ড।

মেক্সিকো সিটিতে ম্যাচের সময় ভারী বজ্রঝড় ও দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস থাকায় ফিফা কর্তৃপক্ষ মেক্সিকান ও ইংলিশ ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে দফায় দফায় আলোচনা করেছে।

প্রস্তাব ছিল মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচটি ৬ ঘণ্টা এগিয়ে স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় নিয়ে আসার। তবে দুই দলের লজিস্টিকস ও নানা জটিলতার কারণে শেষ পর্যন্ত সূচি অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

অন্যদিকে, নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ২টায় হওয়ার কথা ব্রাজিল-নরওয়ে। গুঞ্জন চলছিল, মেক্সিকো ও ইংল্যান্ড ম্যাচের সূচিতে বদল আসলে বদলে যেতে পারে ব্রাজিল ম্যাচের সময়ও। তবে শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

আবহাওয়ার পাশাপাশি মেক্সিকান প্রশাসনের বড় চিন্তা ছিল জননিরাপত্তা। ম্যাচটি যদি প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে দেরিতে শেষ হয়, তবে গভীর রাতে ভক্তদের বিশৃঙ্খলা বা দাঙ্গার মতো পরিস্থিতির আশঙ্কা করছিল স্থানীয় সরকার।

ইতোমধ্যে মেক্সিকোর ম্যাচগুলো ঘিরে উত্তেজনায় প্রাণহানির মতো ঘটনাও ঘটেছে। এই ম্যাচটিই ২০২৬ বিশ্বকাপে মেক্সিকোর মাটিতে শেষ ম্যাচ। টুর্নামেন্টের বাকি সব ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘জুলাই অভ্যুত্থান কারও একার নয়, এটি দেশের সব মানুষের অর্জন’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩০ পি.এম


‘জুলাই অভ্যুত্থান কারও একার নয়, এটি দেশের সব মানুষের অর্জন’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানুষ দল ও মত ভুলে রাস্তায় নেমে এসেছে। তাদের সম্মান করা প্রয়োজন। জুলাই অভ্যুত্থান এককভাবে কোনো দল বা ব্যক্তির নয়। এটি দেশের সব মানুষের একসাথে অর্জন।

শনিবার (৪ জুলাই) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত জুলাই জাতীয় সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন, যেটি জুলাই আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে আয়োজন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী এইভাবেও মন্তব্য করেছেন, জুলাইতে এত মানুষ জীবন দিয়েছেন এবং তাদের লক্ষ্য ছিল এই দেশের পরিবর্তন। যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের বিচার হবে দেশের আইন অনুযায়ী। যেমনটি স্বৈরাচার বিচারের নামে অবিচার করেছে, আমাদের উচিত যেন বিচারের নামে কোনো অন্যায় না করা হয়। সেজন্য লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে সময় লাগবে, তবে আইন অনুযায়ী সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। আমরা এমনভাবে দেশ গড়তে চাই, যেখানে মানুষের অধিকার ও সম্মান থাকবে, এবং সবার জন্য নিরাপদ রাষ্ট্র হবে।

জাতিকে দ্বিধাবিভক্ত করে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায় না— এই কথাটি উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করে, তাদের উচিত দেশকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে এগিয়ে আসা।

তারেক রহমান বক্তব্যের মধ্যে উল্লেখ করেন, যদি আমি মাকে জিজ্ঞাসা করতে পারতাম— মা, আপনার ওপর ১৭ বছর যে অন্যায়-জুলুম ও মানসিক নির্যাতন হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ আছে? মা বলতেন, প্রতিহিংসা নয়, তোমার দায়িত্ব হলো সকলকে নিয়ে দেশকে এগিয়ে নেওয়া। একই প্রশ্ন করলে, আমার ভাইও একই কথা বলতো। ১৭ বছর আগে যাদের সাথে আমি কাজ করেছিলাম, তাদের মধ্যে অনেককেই হারিয়েছি এবং কিছু মানুষের অঙ্গহানি হয়েছে। শারীরিক কষ্ট ও মানসিক যন্ত্রণা আমি নিজেও অনুভব করি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের জুলাই শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে জুলাই জাতীয় সম্মেলন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্টাফ রিপোর্টার

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৮ পি.এম


দেশের জুলাই শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের বাদ দিয়ে জুলাই জাতীয় সম্মেলন

ঢাকায় জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শনিবার (৪ জুলাই) সকাল ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়েছে জুলাই জাতীয় সম্মেলন-২০২৬।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সভাপতিত্ব করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি। এছাড়া সরকারের মন্ত্রী, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য, চিকিৎসক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশ করেন বলে জানা যায়।

আয়োজকদের তথ্যমতে, জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি ও জুলাই যোদ্ধা কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি এর যৌথ উদ্যোগে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ২০২৪শে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো এবং তাদের স্মরণে আলোচনা সভার আয়োজন।

তবে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানের জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সমালোচনা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, জুলাই জাতীয় সম্মেলন হিসেবে প্রচার করা হলেও দেশের বহু জুলাই শহীদ পরিবার, আন্দোলনে আহত প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। বরং সীমিত তথাকথিত কয়েকটি সংগঠনকে নিয়েই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।

সমালোচকদের দাবি, জুলাই গণঅভ্যুত্থান কোনো একক ব্যক্তি বা সংগঠনের অর্জন নয়; এটি ছিল দেশের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত একটি গণআন্দোলন। তাই জাতীয় পর্যায়ের এমন কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবার, আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের বাদ দেওয়া হলে তার গ্রহণযোগ্যতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শহীদ পরিবারের সদস্যদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না জানানো তাদের আত্মত্যাগের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের পরিপন্থী। একইভাবে আন্দোলনে আহত এবং সরাসরি অংশ নেওয়া দেশের অনেক জুলাই যোদ্ধাও অনুষ্ঠানে স্থান পাননি বলে অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্ট বাংলাদেশ সরকারের গেজেটভুক্ত জুলাই যোদ্ধারা।

দেশের জুলাই যোদ্ধারা বলেন, যাদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের এই আয়োজন সম্ভব হয়েছে, তাদেরই যদি আমন্ত্রণ জানানো না হয়, তাহলে এমন সম্মেলনের নৈতিক ভিত্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সমালোচকদের মতে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ছিল সাম্য, বৈষম্যহীন সমাজ, ন্যায়বিচার এবং মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা। তাই রাষ্ট্রীয় বা জাতীয় পর্যায়ের যেকোনো কর্মসূচিতে জুলাই শহীদ পরিবার ও আহত যোদ্ধা এবং আন্দোলনের প্রকৃত অংশগ্রহণকারীদের যথাযথ মর্যাদা ও সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা প্রয়োজন ছিলো।

এ বিষয়ে আয়োজকদের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তবে সমালোচকরা ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের কর্মসূচি আরও অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে আয়োজন এবং দেশের সব শহীদ পরিবার ও প্রকৃত জুলাই যোদ্ধাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকার আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে ৩ একর জমি চূড়ান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাদারীপুর প্রতিনিধি

শনিবার, ৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ পি.এম


মাদারীপুরে ৬২ কোটি টাকার আধুনিক ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণে ৩ একর জমি চূড়ান্ত

মাদারীপুর শহরের দীর্ঘদিনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংকট নিরসনে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট (ডাম্পিং স্টেশন) নির্মাণের জন্য সদর উপজেলার চর ব্রাহ্মমদী মৌজায় প্রায় ৩ একর জমি চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়ার উপস্থিতিতে নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন, জমি পরিমাপ এবং প্রকল্পের সীমানা চিহ্নিতকরণের কাজ সম্পন্ন হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

জানা গেছে, প্রায় দেড়শ বছরের পুরোনো মাদারীপুর পৌরসভার নিজস্ব কোনো ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শহরের বিভিন্ন সড়কের পাশে ও খোলা জায়গায় বর্জ্য ফেলা হতো। এতে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হচ্ছিল।

এই সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের লক্ষ্যে সরকারি খাসজমিতে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ইউনিট নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পৌরসভা। ইতোমধ্যে জেলা প্রশাসন প্রায় সাড়ে ৫ একর সরকারি জমি পৌরসভার অনুকূলে হস্তান্তর করেছে। এর মধ্যে প্রায় ৩ একর জমিতে ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণ করা হবে। প্রকল্পটির সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৬২ কোটি টাকা।

শনিবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনের সময় সার্ভেয়াররা জমি পরিমাপ করেন এবং সীমানা নির্ধারণের জন্য লাল নিশানা স্থাপন করেন। সংশ্লিষ্টদের আশা, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে শহরের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ও টেকসই সমাধান নিশ্চিত হবে। একই সঙ্গে পরিবেশ দূষণ কমবে এবং স্থানীয় মানুষের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাদারীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য জাহান্দার আলী মিয়া বলেন, "ডাম্পিং স্টেশন নির্মাণের কাজ শেষ হলে চর ব্রাহ্মমদীর আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে একটি দৃষ্টিনন্দন ইকোপার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে একদিকে যেমন মানুষ বিনোদনের সুযোগ পাবে, অন্যদিকে স্থানীয় পর্যায়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।"

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুর পৌরসভার প্রশাসক জেসমিন আক্তার বানু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার আবু আহম্মদ ফিরোজ ইলিয়াস, সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%