ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
রাশিয়া থেকে তেল আমদানি ইস্যু

ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের


ভারতসহ পাঁচ দেশের ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

যুক্তরাষ্ট্র আবারও শুল্কনীতি নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে। মার্কিন সিনেটে একটি নতুন নিষেধাজ্ঞা বিল উত্থাপন করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা রাশিয়া থেকে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস আমদানি অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর উদ্দেশ্যে হবে।

প্রস্তাবিত বিলে ভারত, চীন, স্লোভাকিয়া, হাঙ্গেরি ও আজারবাইজান থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের বিধান রাখা হয়েছে।

মার্কিন সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল মঙ্গলবার বিলটির বিষয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, রাশিয়া থেকে তেল ক্রয়কারী প্রধান কিছু দেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শুল্ক আরোপের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যার হার সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তবে বিশেষ কিছু পরিস্থিতিতে কিছু ছাড়ের ব্যবস্থাও থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু

এই প্রস্তাবিত বিলটি শুধু রাশিয়ার তেল আমদানিকারক দেশগুলোর জন্য নয়; যারা রাশিয়া থেকে প্রাকৃতিক গ্যাসও আমদানি করছে, তাদের জন্যও অর্থনৈতিক পদক্ষেপের সুযোগ রাখা হয়েছে।

গত বছর রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম একটি বিল উত্থাপন করেছিলেন, যেখানে রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর পণ্যের ওপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ছিল। যদিও সে সময় ওই বিল আইন হিসেবে কার্যকর হয়নি। বর্তমানে উত্থাপিত প্রস্তাবটিকে ওই বিলের সংশোধিত সংস্করণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মার্কিন সিনেট সূত্রে জানা গেছে, নতুন সংশোধিত বিলটির পক্ষে ইতোমধ্যে ২৬ জন সিনেটর সমর্থন জানিয়েছেন। আশা করা যায় আগামী দিনে সমর্থকের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।

শুল্কনীতি নিয়ে আগেই আদালতে ধাক্কা খেয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন। সে দেশের সর্বোচ্চ আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য ব্যবহৃত আইন প্রয়োগ করে বিভিন্ন দেশের ওপর ট্রাম্প যে আমদানি শুল্ক চাপিয়েছিলেন, তা বেআইনি। এর পরে সাময়িকভাবে ১০ শতাংশ শুল্কের ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। সম্প্রতি সেই শুল্কনীতিও আদালতে ধাক্কা খেয়েছে। সেই পরিস্থিতিতে আবার নতুন করে ভারতসহ কিছু দেশের উপর অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর চিন্তা করছে আমেরিকা।

আরও পড়ুন: কাতারের শান্তি প্রস্তাব নাকচ, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন হামলার শঙ্কা

সূত্র : আনন্দবাজার

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৩ এম


জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস

বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০২৬’ পাস হয়েছে।

এর মাধ্যমে আগে প্রণীত ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ বাতিল করা হয়েছে, যা কার্যকর হয়নি।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হলেও তা কখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রশাসনিক ও একাডেমিক প্রস্তুতি চলমান থাকায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

নতুন আইনের আওতায় প্রতিষ্ঠিত হতে যাওয়া বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, প্রযুক্তি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, কৃষি, চিকিৎসাবিজ্ঞানসহ জ্ঞানের বিভিন্ন উদীয়মান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ থাকবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০০১ সালের আইনের প্রায় ৯৫ শতাংশ বিধান সংশোধনের প্রয়োজন হওয়ায় পুরোনো আইন সংশোধনের পরিবর্তে নতুন আইন প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সরকারের প্রত্যাশা, বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বৃহত্তর উত্তরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি গবেষণা, উদ্ভাবন ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে দক্ষ জনশক্তি তৈরি, কৃষি উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও প্রতিষ্ঠানটি অবদান রাখবে।

বিল-সংযুক্ত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়তার জন্য বগুড়ায় একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা সময়োপযোগী ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির সময় সাভারে আওয়ামী লীগের ১৩ নেতাকর্মী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৪ এম


ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির সময় সাভারে আওয়ামী লীগের ১৩ নেতাকর্মী আটক

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির সময় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার কারণে পুলিশ ১৩ জন নেতাকর্মীকে আটক করেছে। এ সময় তাদের বহনকারী মোট সাতটি মোটরসাইকেল এবং চারটি হাইস গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের ভাকুর্তা ভাঙা ব্রিজ এলাকার কাছে পুলিশের তল্লাশি চালিয়ে তাদের আটক করা হয়েছে। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ রাতের সময় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রায় ৫০ জন নেতাকর্মী ভাকুর্তা ভাঙা ব্রিজ এলাকা থেকে ঝটিকা মিছিলের প্রস্তুতির কাজ শুরু করেছিল। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ও হাইস গাড়িগুলোও জব্দ করা হয়েছে।

তৎক্ষণিকভাবে আটক ব্যক্তিদের পরিচয় সম্পর্কে পুলিশের পক্ষ থেকে জানা যায়নি। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নূর মোহাম্মদ জানান, আটক ব্যক্তিদের কাছে একটি ব্যানারও জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কার্যক্রমের প্রস্তুতির অভিযোগ রয়েছে।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার আবহে সাভার মডেল থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
জুলাই গণঅভ্যুত্থান

অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি নুরুল হকের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৬ এম


অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি নুরুল হকের

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী লীগের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক। তিনি অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে নিহত, আহত ও পঙ্গুত্ববরণকারীদের রাষ্ট্রীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি করেছেন। এই কথাগুলি তিনি মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২৪তম দিনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ শীর্ষক জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন। এসময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক বলেন, রাজনৈতিক সমঝোতার ভিত্তিতে ফ্যাসিবাদের বিচার প্রশ্নে জাতীয় ঐকমত্য গড়তে হবে। ভবিষ্যতে যাতে কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি ক্ষমতায় এসে গুম, খুন ও দমন-পীড়ন চালাতে না পারে, সেজন্য আওয়ামী লীগের দৃষ্টান্তমূলক বিচার প্রয়োজন। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসনের প্রয়োজনীয়তা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি আরও বলেন, জুলাই-আগস্টের ৩৬ দিনের গণঅভ্যুত্থানেই শুধু নয়, গত ১৭ বছরে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন বা স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, তাদের তালিকা প্রণয়ন করে রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়া উচিত। বক্তৃতায় তিনি দাবি করেন, প্রতিবেশী একটি রাষ্ট্রের ষড়যন্ত্র এবং ওয়ান-ইলেভেন-পরবর্তী বিতর্কিত সরকারের নীলনকশার মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্র ধ্বংস করে দেশকে একটি ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছিল। প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে পিলখানা বিদ্রোহের নামে মেধাবী সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করেছিল। কারণ, ১৯৭১, ১৯৯০ এবং সর্বশেষ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সেনাবাহিনী যখনই জনবান্ধব অবস্থান নিয়েছে, তখনই জনগণের বিজয় নিশ্চিত হয়েছে।' প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার পাশাপাশি ইসলামপ্রিয় আলেম-ওলামাদের ওপর শাপলা চত্বরে নির্মম, নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছিল।' বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে সেনানিবাসের বাসভবন থেকে উচ্ছেদের প্রসঙ্গে নুরুল হক বলেন, 'জাতীয়তাবাদী শক্তির প্রতীক বেগম খালেদা জিয়াকে তার স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে পৈশাচিকভাবে বের করে দেওয়া হয়েছিল।' তিনি দাবি করেন, 'সে সময় উল্লাস করে বলা হয়েছিল যে যেদিন আমাকে ক্যান্টনমেন্টে ঢুকতে দেওয়া হয়নি, সেদিনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম তাকে ওই বাড়ি থেকে বের করব।' বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন; বরং সংসদীয় বিতর্কের মাধ্যমে দেশ পরিচালনা করছেন। অন্তর্বর্তী সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সমালোচনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক আহত ও পঙ্গু জুলাইযোদ্ধা যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় সুস্থ হয়ে উঠতে পারেননি। এর দায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময় স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা খাতের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের নিতে হবে।' তিনি বলেন, 'বর্তমানে অনেকেই বিপ্লবী বক্তব্য দিচ্ছেন, অথচ তারা দীর্ঘ ১৮ মাস সরকারের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন। কিন্তু ওই সময়ে আহতদের ক্ষতিপূরণ ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে কার্যকর কোনো পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়নি।' এমনকি আহতদের তালিকা প্রণয়নেও নানা ধরনের অনিয়ম ও নয়ছয়ের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এলডিসি উত্তরণে এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৯ এম


এলডিসি উত্তরণে এফটিএ ও অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদারের আহ্বান ডিসিসিআইয়ের

এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের ওপর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কর্তৃপক্ষ গুরুত্বারোপ করেছে। একইসঙ্গে সংগঠনটি আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এসব বিষয় তুলে ধরেন।

সাক্ষাৎকালে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি উত্তরণ পর বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তিনি রফতানি বাজার বৈচিত্র্যকরণে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর ও বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে।

তিনি আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃষিখাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

অন্যদিকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জবাবে বলেন, আফ্রিকাসহ সম্ভাবনাময় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তির স্বাক্ষরে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল এবং সিরামিক পণ্যের উল্লেখযোগ্য বাজার তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর দেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বেসরকারি খাতের সক্ষমতা পুরোদমে বাড়ানো প্রয়োজন। সেইসঙ্গে রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।

সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগ) ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুনও উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৫
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%