১০:০৯ এম
এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী সময়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের ওপর ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) কর্তৃপক্ষ গুরুত্বারোপ করেছে। একইসঙ্গে সংগঠনটি আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম-এর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ এসব বিষয় তুলে ধরেন।
সাক্ষাৎকালে তাসকীন আহমেদ বলেন, এলডিসি উত্তরণ পর বাংলাদেশের বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রতিযোগিতা মোকাবিলায় আমাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তিনি রফতানি বাজার বৈচিত্র্যকরণে বাণিজ্যিক সম্ভাবনাময় দেশগুলোর সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর ও বিভিন্ন সহযোগিতামূলক কার্যক্রমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।
আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় ঢাকা জেলা আ.লীগ নেতা আরিফুল ইসলাম গ্রেপ্তার
তিনি আরো বলেন, আফ্রিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে বাংলাদেশের রফতানি বাণিজ্য ও বিনিয়োগে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এসব সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে হবে।
তিনি আফ্রিকার দেশগুলোর সঙ্গে কন্ট্রাক্ট ফার্মিং, তথ্যপ্রযুক্তি এবং কৃষিখাতে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের জন্য সরাসরি পেমেন্ট ব্যবস্থা সহজীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
অন্যদিকে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম জবাবে বলেন, আফ্রিকাসহ সম্ভাবনাময় দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে সহায়ক বাণিজ্য চুক্তির স্বাক্ষরে সরকারের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, আফ্রিকার দেশগুলোতে বাংলাদেশের উৎপাদিত পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, ফলমূল এবং সিরামিক পণ্যের উল্লেখযোগ্য বাজার তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে। এই সুযোগ কাজে লাগাতে দেশীয় উদ্যোক্তাদের আরও মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
আরও পড়ুন: জামায়াত নেতার কথা শুনে ব্যথিত হয়েছি: ইশরাক হোসেন
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এলডিসি উত্তরণের পর দেশের বাণিজ্যিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য বেসরকারি খাতের সক্ষমতা পুরোদমে বাড়ানো প্রয়োজন। সেইসঙ্গে রফতানি পণ্যের বহুমুখীকরণ এবং নতুন বাজার সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া উচিৎ।
সাক্ষাৎকালে ডিসিসিআইয়ের ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মান, মহাসচিব (ভারপ্রাপ্ত) ড. এ কে এম আসাদুজ্জামান পাটোয়ারী এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগ) ড. সৈয়দ মুনতাসির মামুনও উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন