০৫:২০ পি.এম
অর্থনৈতিক সহযোগিতার পাশাপাশি পারসী উপসাগরীয় অঞ্চলের সকল মুসলিম প্রতিবেশী দেশের সাথে ‘নিরাপত্তা চুক্তি’ স্বাক্ষরের জন্য ইরান সম্পূর্ণ প্রস্তুতি ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
আজ বুধবার আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কোঅপারেশন (ওআইসি) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সংসদীয় ইউনিয়নের সম্মেলনে তিনি এই বার্তা প্রদান করেছেন। গালিবাফ তার বক্তব্যে উল্লেখ করেছেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এর সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ের যুদ্ধটি কেবল একটি সামরিক সংঘাত ছিল না, বরং এটি ছিল এই অঞ্চলের কৌশলগত ভারসাম্য সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করার জন্য একটি সুসংগঠিত চক্রান্ত। আর এই কারণে টেকসই অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের পাশাপাশি আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করা এখন সময়ের দাবি হয়ে উঠেছে।
ইরানের পক্ষ থেকে এমন একটি প্রস্তাব এসেছে যখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও উপসাগরীয় অঞ্চল সফরে রয়েছেন। মূলত ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন শান্তিচুক্তির বিষয়ে সবচেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও কুয়েতের মতো দেশগুলিকে আশ্বস্ত করতেই তিনি সফরটি সম্পন্ন করছেন। যুদ্ধের সময় এই দেশগুলো ছিল ইরানের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু।
আরও পড়ুন: আরব দলগুলোর সঙ্গে জোট গঠনকে লজ্জাজনক বললেন নেতানিয়াহু
এদিকে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আজ বুধবার জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা পুনরায় শুরু হবে। বর্তমানে এই প্রক্রিয়ায় কেবল একটি সাময়িক বিরতি চলছে, তবে এটি কোনোভাবেই স্থগিত বা বাতিল হয়নি। গত সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী যুদ্ধ বন্ধের পেছনে, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার এবং ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। তবে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ এবং সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুতের মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর আলোচনা আগামী ৬০ দিনের উচ্চপর্যায়ের আলোচনার টেবিলে চূড়ান্ত হবে।
সূত্র: সিএনএন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন