সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০২:৪৪ পি.এম
জাপান-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ লীগের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এই সাক্ষাৎটি সোমবার (২৬ অক্টোবর) জাপানের স্থানীয় সময় বেলা ৩টায় অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন মৈত্রী লীগের সভাপতি ও জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী তারো আসো।
সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের নেতৃত্বে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে জোরদারে অব্যাহত অবদানের জন্য তারো আসোকে ধন্যবাদ জানান।
প্রধানমন্ত্রী ২০০৬ সালে জাপান সফরকালে বিএনপির তৎকালীন সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে তারো আসোর সঙ্গে সাক্ষাতের স্মৃতিচারণ করেন। তারো আসোও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়টি স্মরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রীসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকাকালে তারো আসো বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে ইতিবাচক ও গঠনমূলক ভূমিকা রেখেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের ব্যক্তিগত সম্পৃক্ততা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এ সময় জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্কের প্রসঙ্গ তুলে ধরে তারো আসো বলেন, বাংলাদেশের জনগণের একটি বড় অংশই তরুণ। দেশে বর্তমানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, যা বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতিতে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে অত্যন্ত আগ্রহী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরি করতে তার সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এ লক্ষ্যে কিছু আইনি পরিবর্তনও আনা হচ্ছে। শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে তাঁর সরকারের নেওয়া উদ্যোগগুলোও প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে তুলে ধরেন।
প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইকোনমিক পার্টনারশিপ এগ্রিমেন্ট — ই-পি-এ) স্বাক্ষরের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তি হস্তান্তর জোরদারে তারো আসোর সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রাধিকার বাস্তবায়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে জাপানের অব্যাহত সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন— অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী-১ হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক) ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা মো. আবদুস সাত্তার পাটোয়ারী এবং প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
এ সময় জাপান-বাংলাদেশ সংসদীয় মৈত্রী লীগের সভাপতি তারো আসোর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন— জাপানের সাবেক মন্ত্রী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ইয়াসুতোশি নিশিমুরা এবং দেশটির ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটনবিষয়ক মন্ত্রী তাতসুনোরি ইবায়াশি সহ সংসদের একদল জ্যেষ্ঠ সদস্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেছেন যে, বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা পদে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে বসানোর জন্য এখন থেকেই পরিকল্পনা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার জন্য র্যাঙ্ক চয়েস পদ্ধতির ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের ফর্মুলা বাস্তবায়ন করা আবশ্যক।
এনসিপি মুন্সীগঞ্জে ঢাকা উত্তর অঞ্চলের সাংগঠনিক সমন্বয় সভা করেছে, যেখানে সারাদেশের সাংগঠনিক অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং স্থানীয় ও জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্রিক পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। সভার শুরুতে গণমাধ্যমকর্মীদের ব্রিফিংয়ে নাহিদ ইসলাম এসব মন্তব্য করেন।
বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারে নিজেদের লোক বসানোর চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সে সময় তারা সফল হয়নি। বর্তমানে বিএনপি একই ধরনের পরিকল্পনা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বিএনপিকে এই ধরনের পরিকল্পনা থেকে সরে আসার আহ্বান জানান এবং র্যাঙ্ক চয়েস সিস্টেমের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রস্তাব বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, দেশে বিরোধী দল এবং সরকারের সমালোচনাকারী সাধারণ মানুষের ওপর দমন-পীড়ন চলছে। তিনি দাবি করেন, গত কয়েক মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মতামত প্রকাশের কারণে ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ময়মনসিংহে এক নারীকে গ্রেপ্তারের ঘটনার উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ওই নারীকে বিএনপিকে ভোট দেওয়া নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করার কারণে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে তারা সংবাদমাধ্যমে জানতে পেরেছেন।
এনসিপির এই নেতা বিএনপির বর্তমান রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন এবং বলেন, দেশে নতুন করে স্বৈরাচারী প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। তিনি সতর্ক করেন যে, শুরুতেই তা প্রতিরোধ করা না গেলে জনগণকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে। আওয়ামী লীগকে ২০০৮ সালের পরপরই প্রতিরোধ করা যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি, যার ফলে দলটি ১৬ বছর দেশে একনায়কতন্ত্র কায়েম রাখতে সক্ষম হয়েছে। তার অভিযোগ, বিএনপিও একই ধরনের কৌশলে এগোচ্ছে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, তা নিয়ে তাদের সংশয় রয়েছে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দেন যে, এ নির্বাচনে কোনো ধরনের কারচুপি বা নির্বাচন প্রকৌশল (ইঞ্জিনিয়ারিং) মেনে নেওয়া হবে না। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হলে বিএনপি পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ করতে পারবে না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে মালয়েশিয়া যুবদলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুয়ালালামপুরের একটি হোটেলে রোববার ২৫ অক্টোবর আয়োজিত এই সভায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি এবং নবগঠিত কমিটির পরিচিতি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম মুরাদ। সভাপতিত্ব করেন মালয়েশিয়া যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। সভাটি সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সহসভাপতি পদমর্যাদার প্রচার সম্পাদক বাদল কারার।
সভায় কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী যথাযথভাবে উদযাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেন নেতারা। সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় ও মতপার্থক্য দলীয় ফোরামে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
নেতারা সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
সভা শেষে নবগঠিত কমিটির নেতারা সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন ও মো. রমজান আলীকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিলাসবহুল গাড়ির ঝলমলে প্রদর্শনীর মাঝে যদি হঠাৎ করে মরিচা ধরা ঢেউটিনে মোড়ানো একটি গাড়ি দেখা যায়, তাহলে মানুষের চোখ আটকে যাওয়া স্বাভাবিক। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ডসনভিলে অনুষ্ঠিত মাউন্টেন মুনশাইন ফেস্টিভ্যালের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা এমন একটি অদ্ভুত গাড়ির ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে নজর কেড়েছে। ছবিটি শেয়ার করেছেন কেনি বেটি নামের এক ব্যবহারকারী। গাড়িটির চেহারা দেখে মনে হয়, যেন কেউ বাড়ির টিনের চালা খুলে সেটিকে গাড়ির গায়ে লাগিয়ে দিয়েছেন।
গাড়িটির ছাদ, পেছন এবং দুই পাশের বড় অংশ ঢেউটিন দিয়ে আবৃত। কোথাও মরিচার দাগ রয়েছে, আবার কোথাও অসমান ধাতব পাতের জোড়া দেখা যায়—সব মিলিয়ে গাড়িটির নকশা একেবারেই ব্যতিক্রমী। সাধারণ গাড়ির মতো ঝকঝকে রং কিংবা আধুনিক সাজসজ্জার অভাব থাকা সত্ত্বেও এর অদ্ভুত চেহারা সহজেই মানুষের কৌতূহল সৃষ্টি করে। ছবিটি দেখে রসিকতা করে বলা যায়, এটি কি গাড়ি, নাকি চাকা লাগানো একটি টিনের ঘর!
গাড়িটি সম্পর্কে মাউন্টেন মুনশাইন ফেস্টিভ্যালের পথে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন ছবির প্রকাশক। ডসনভিলের এই উৎসব ঐতিহাসিক গাড়ি প্রদর্শনী, সংগীত, খাবার এবং স্থানীয় ঐতিহ্যের জন্য সুপরিচিত। ২০২৬ সালের ২৩ থেকে ২৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে উৎসবটির ৫৯তম আসর। তবে ঢেউটিনের গাড়িটি আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
গাড়িটির নির্মাতা কে, কেন এমন নকশা বেছে নেওয়া হয়েছে এবং এটি তৈরিতে কত খরচ হয়েছে—এসব প্রশ্নের নির্ভরযোগ্য উত্তর পাওয়া যায়নি। তাই গাড়িটিকে ঘিরে বাড়তি কোনো দাবি না করে ছবির অস্বাভাবিক চেহারাটিই আপাতত আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে।
আধুনিক গাড়ির বাজারে যেখানে নির্মাতারা বিলাসিতা, গতি এবং প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত, সেখানে ঢেউটিনে মোড়ানো এই বাহন যেন একেবারেই ভিন্ন। দামি গাড়ির ভিড়ে এটি কতটা নজর কাড়বে, তা সময়ই বলবে। তবে ছবিটি দেখে একটি প্রশ্ন উঠতেই পারে—গাড়ির শোতে যাচ্ছেন চালক, নাকি সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছেন নিজের টিনের ঘরটিকেও!
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ভারতের চারু শর্মা, যিনি আইপিএলের নিলাম পরিচালনা করে পরিচিতি অর্জন করেছেন, বর্তমানে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম পরিচালনা করছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি তামিম ইকবালের এক ফোনকলের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে আসার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
চারু শর্মা গণমাধ্যমের কাছে বলেন, ‘তামিম ইকবালকে ধন্যবাদ, সে-ই আমাকে কল করে। আমি একটু ব্যস্ত ছিলাম। তবে বললাম, একদম ভেবো না, আমি চলে আসব। এখানে এসে ভালো লাগছে। মনে হচ্ছে নিজের বাড়িতে আছি।’
চারু শর্মা বাংলাদেশের সঙ্গে তার পুরোনো সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি জানান, ২০০৪ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের সময় প্রথমবার বাংলাদেশে এসেছিলেন। সেই সফরের স্মৃতিচারণা করতে গিয়ে চারু বলেন, তিনি অনেক বন্ধুর সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন। এবার এসে তিনি পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে পুনরায় দেখা করার সুযোগ পেয়েছেন।
ডি থ্রি টুর্নামেন্টের নিলাম আয়োজনের ধারণা তার কাছে ভালো লেগেছে। তবে তিনি নিলামকে দীর্ঘ না করে রোমাঞ্চকর করে তোলার চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরেন। তার মতে, ‘এ’ ক্যাটাগরির নিলাম বেশ জমজমাট ছিল এবং পরবর্তী ধাপগুলোতে নিলামের গতি আরও বাড়বে।
চারু শর্মা বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে ডি থ্রি টুর্নামেন্টকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন। তার মতে, বিপিএল বিশ্ব ক্রিকেটে বাংলাদেশের পরিচিতি বাড়াতে সাহায্য করে, আর ডি থ্রি তরুণ ক্রিকেটারদের বিকাশে সহায়তা করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ