বৃহস্পতিবার, ৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১২:৫২ পি.এম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীদূষণ রোধের জন্য কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশনা দিয়েছেন। দেশের সব নদীর পানিদূষণ রোধে পর্যায়ক্রমে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বুড়িগঙ্গা নদীর পানি ও পরিবেশ রক্ষা-সংক্রান্ত একটি সভার পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। তিনি জানান, দূষণ যেন বৃদ্ধি না পায়, সে কারণে প্রতিটি কারখানায় ইটিপি (এফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট) স্থাপনের জন্য নির্দেশনা দেওয়া হবে। এছাড়া যারা এই নির্দেশনা মানবে না, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের অনেক জায়গায়ও বৃষ্টি হতে পারে। এই সাথে দেশের কোথাও কোথাও হতে পারে মাঝারি ধরনের ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ।
এছাড়া, সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আজ সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আবহাওয়ার সিনপটিক অবস্থা সম্পর্কে বলা হয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
গতকাল বুধবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল খুলনার কয়রায় ৩২ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অপরদিকে আজ দেশে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে নারায়ণগঞ্জে ২৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কি. মি.। ভোর ৬টায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৯৭ শতাংশ।
অন্যদিকে বেলার আগে ৬টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে হাতিয়ায় ১৯৮ মিলিমিটার।
ঢাকায় আজ সূর্যাস্ত সন্ধ্যা ৬টা ৩৯ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় ভোর ৫টা ২৯ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ৬ আগস্ট, ২০২৬ : ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ পালিত হয়েছে।
দিবসটির উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইতালির নাগরিক, ইতালিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সদস্যবৃন্দ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ অংশ নেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এক মিনিট নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া বাণী পাঠ করা হয় এবং চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর থেকে পাঠানো ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়।
পরে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা এবং ‘সবার আগে বাংলাদেশ নীতিতে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় অংশগ্রহণকারী প্রবাসী বাংলাদেশিরা জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে দেশের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে বর্তমান সরকারের গৃহীত সকল কার্যক্রমে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন।
রাষ্ট্রদূত রকিবুল হক তার বক্তব্যে জুলাই-আগস্টের গণআন্দোলন এবং বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান ও তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অনুসৃত ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতিকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূল দর্শন হিসেবে গ্রহণ করে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’-এর চেতনায় বর্তমান সরকার একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গঠনে কাজ করে যাচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ইতালিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবদানের বিষয়টি উল্লেখ এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার মাধ্যমে একটি ন্যায়ভিত্তিক, স্বনির্ভর, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ গঠনে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডিয়ান ডলারের (লুনি) দরপতনের প্রভাবে জুন মাসে বিশ্বের সঙ্গে কানাডার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বেড়েছে। একই সময়ে দেশটির রফতানি এবং আমদানি- উভয়ই সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা।
মঙ্গলবার প্রকাশিত সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, জুনে কানাডার পণ্য রফতানি আগের মাসের তুলনায় ০ দশমিক ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আমদানিও ০ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এ কারণে মে মাসে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের বাণিজ্য উদ্বৃত্ত জুনে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলারে। এই হলো টানা চতুর্থ মাসের মতো কানাডার বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিশ্ব বাজারে ধরে রাখা।
এছাড়াও, স্ট্যাটিস্টিকস কানাডা জানাচ্ছে, জুনে কানাডিয়ান ডলারের গড় বিনিময় হার ছিল প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় ৭১ সেন্ট, যা মে মাসের তুলনায় প্রায় ১ দশমিক ৭ সেন্ট কম। এই হলো ২০২২ সালের অক্টোবরের পর লুনির সবচেয়ে বড় মাসিক দরপতন।
কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বেশিরভাগ লেনদেন মার্কিন ডলারে হওয়ায় কানাডিয়ান ডলারের অবমূল্যায়ন রপ্তানির মূল্যকে কানাডিয়ান ডলারে বাড়িয়ে দেখিয়েছে। এই কারণে রপ্তানি এবং আমদানির ডলার মূল্য বৃদ্ধি পেয়ে বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বাড়ছে।
হয়তো মার্কিন ডলারের হিসাবে চিত্রটি ভিন্ন রকম। সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, জুনে প্রকৃত রপ্তানি ২ শতাংশ এবং আমদানি ২ দশমিক ১ শতাংশ কমেছে।
অর্থনীতিবিদদের অভিমত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বেশিরভাগ লেনদেন মার্কিন ডলারে হওয়ায় কানাডিয়ান ডলারের অবমূল্যায়ন রফতানিকারকদের জন্য একটি সুবিধা তৈরি করেছে। বিদেশি ক্রেতাদের কাছ থেকে মার্কিন ডলারে পাওয়া অর্থ কানাডিয়ান ডলারে রূপান্তরের সময় উচ্চ মূল্য পাওয়ার ফলে রফতানি ও আমদানির কানাডিয়ান-ডলার হিসাব বৃদ্ধি হয়েছে।
এছাড়া, কানাডা মূলত স্বর্ণ ও কপার রফতানির ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ এ আই ডাটা সেন্টারের নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সরঞ্জাম আমদানি বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
এমনকি, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক শুল্ক বা ট্যারিফের ঝুঁকি সামলাতে বিশ্ববাজারে বাণিজ্যিক পরিধি সম্প্রসারণ এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদনে সহায়তা দেওয়ার জন্য কানাডা সরকার সম্প্রতি একটি স্ট্রাটেজিক এক্সপোর্ট অফিস প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইমন বর্ষণ যুক্তরাষ্ট্রের University of Wyoming-এ অর্থনীতি (Economics) বিষয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি করার সুযোগ অর্জন করেছেন। সেখানে তিনি অর্থনীতি বিভাগের রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তাঁর গবেষণার আগ্রহের ক্ষেত্র Climate Finance, Resource Economics এবং Applied Econometrics। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কাজ করে নীতিনির্ধারণ ও টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
নিজের এই দীর্ঘ যাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইমন বর্ষণ বলেন, কম সিজিপিএ থাকায় উচ্চশিক্ষার অনেক সুযোগ তাঁর জন্য সীমিত হয়ে পড়েছিল। তবে ধারাবাহিক গবেষণার অভিজ্ঞতা ও শিক্ষকতা তাঁর এই অর্জনের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।
তিনি জানান, ২০১৮ সালে বন্ধু ফিরোজ মিয়ার সঙ্গে অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিকীর তত্ত্বাবধানে গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। শুরু থেকেই অধ্যাপক সিদ্দিকী তাঁদের গবেষণাপত্র পড়তে, নোট নিতে এবং গবেষণার ভিত্তি গড়ে তুলতে উৎসাহিত করেন। গবেষণার বিভিন্ন জটিলতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি সবসময় দিকনির্দেশনা দিয়েছেন এবং হাতে-কলমে গবেষণার কৌশল শিখিয়েছেন।
ইমন বলেন, একসময় তিনি উচ্চশিক্ষার স্বপ্নও দেখতেন না। কিন্তু অধ্যাপক সিদ্দিকীর অনুপ্রেরণা, দিকনির্দেশনা ও সার্বক্ষণিক সহযোগিতা তাঁকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছে। এ সাফল্যের জন্য তিনি তাঁর বাবা-মা, বোন, সহধর্মিণী, বন্ধু ফিরোজ মিয়া এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তিনি আরও জানান, তাঁদের যৌথভাবে লেখা একাধিক গবেষণা নিবন্ধ SSCI, SCIE ও Scopus-সূচিভুক্ত আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধগুলো Elsevier, Sage, Emerald এবং Springer Nature-এর মতো বিশ্বখ্যাত প্রকাশনা সংস্থার জার্নালে প্রকাশিত হওয়ায় পিএইচডি আবেদনের ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গবেষণাপত্র উপস্থাপনের মাধ্যমে তাঁরা ‘Best Paper Award’ অর্জন করেন। যাত্রার শেষ পর্যায়ে Finland-এর LAB University of Applied Sciences-এর অধ্যাপক ড. সজল কবিরাজও তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা প্রদান করেন।
পিএইচডিতে ভর্তির অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ইমন বলেন, সামাজিক বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে ফুল-ফান্ডেড পিএইচডি অর্জন তুলনামূলকভাবে কঠিন। ভালো সিজিপিএ গুরুত্বপূর্ণ হলেও গবেষণার অভিজ্ঞতা, মানসম্মত গবেষণা প্রকাশনা এবং শক্তিশালী সুপারিশপত্র (Recommendation Letter) একজন আবেদনকারীকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রাখে। তাই তিনি শিক্ষার্থীদের স্নাতক পর্যায় থেকেই গবেষণায় সম্পৃক্ত হওয়ার পরামর্শ দেন।
ইমনের এই সাফল্যে গর্ব প্রকাশ করেছেন ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষক ও তাঁর গবেষণা-তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. নূর আলম সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ইমন ও ফিরোজ নিয়মিত গবেষণায় সময় দিয়েছেন এবং নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন। তাঁদের এই অর্জন বিভাগের জন্য অত্যন্ত আনন্দের এবং এটি ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করবে।
তিনি আরও বলেন, বিভাগের গবেষণামুখী পরিবেশই শিক্ষার্থীদের এমন সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। বিভাগীয় প্রধান ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হিসেবে তিনি ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি গবেষণাবান্ধব ও একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করে যাবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ