ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার বদলে সরকার বেকারত্বকে উৎসাহ দিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ


উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার বদলে সরকার বেকারত্বকে উৎসাহ দিচ্ছে: হাসনাত আবদুল্লাহ

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এমপি বলেছেন, 'উৎপাদনমুখী দেশ গড়ার পরিবর্তে কার্ডের নামে বাড়িতে বাড়িতে বেকারত্বে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। দেশকে এগিয়ে নিতে এনসিপি নামক চারা গাছকে বৃক্ষে পরিণত করতে সমর্থন দিন, আমরা প্রতারণা করব না।'

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় যশোরের অভয়নগর পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় 'দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা' কর্মসূচির অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপির অভয়নগর উপজেলার প্রধান সমন্বয়কারী শাহজাহান কবীর।

পথসভায় তিনি আরও বলেন, 'দেশের মালিকরা ভোট বিক্রির মাধ্যমে গোলামীর জিঞ্জিরে আটকে যায়। যে কারণে ৫ বছর ঘানি টানতে হয়। সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সেটা সম্ভব হলে জনপ্রতিনিধিরা ৫ বছরের জন্য গোলাম হয়ে কাজ করবে।'

আরও পড়ুন: মিষ্টির আসনে উপনির্বাচনের জন্য এমপিদের স্বাক্ষরের তালিকা চায় ইসি

রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর তাগিদ দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, 'রাজপথে নারীদের ঢাল বানানো হলেও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের উপেক্ষা করা হয়। কিন্তু দেশের ৫১ শতাংশ নারী জনগোষ্ঠীকে বাইরে রেখে সুষম রাষ্ট্র গঠন সম্ভব না।' এজন্য নারীদের রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার বলেন, 'পলাতক শেখ হাসিনা ফিরে আসার হুমকি দেয়। কিন্তু এ দেশে শেখ হাসিনা কখনোই আসবে না। শেখ হাসিনাসহ তার পরিবারের কারো এ দেশে দাফনও হবে না।'

এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. মাহমুদা মিতু এমপি বলেন, 'বাংলাদেশের রাজনীতিতে আসতে বাধা তৈরি করা হচ্ছে। নারীদের রাজনীতিতে থামিয়ে দিতে চরিত্র হনন করা হয়। এই বাধা উপেক্ষা করে রাজনীতিতে আসতে হবে।' তিনি আরও বলেন, 'গণভোট বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র সংস্কার করতে হবে। তা না হলে জুলাইয়ের তরুণদের আবারো গুলি খেতে হবে।'

পথসভায় এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল হক, যশোর জেলা সমন্বয়কারী মো. নুরুজ্জামানসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

আরও পড়ুন: রূপপুর পারমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পৌঁছেছে ইউরেনিয়ামের তৃতীয় চালান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাতের আঁধারে সাংবাদিকের ওপর হামলা, হাতুড়িপেটার অভিযোগ ছাত্রদল-যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:২৭ এম


রাতের আঁধারে সাংবাদিকের ওপর হামলা, হাতুড়িপেটার অভিযোগ ছাত্রদল-যুবদল নেতার বিরুদ্ধে

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সংবাদ প্রকাশের সাথে সম্পর্কিত একটি ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, দৈনিক দেশ রূপান্তরের কুয়াকাটা প্রতিনিধি কে এম বাচ্চুর ওপর হামলা চালানোর ঘটনা ঘটেছে। দুর্বৃত্তরা হাতুড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে এলোপাতাড়ি আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে দেয়। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাত সাড়ে ১১টার দিকে, হোটেল সৈকতের সামনে অবস্থিত সমুদ্রসৈকতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সৈকতের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় কে এম বাচ্চুর ওপর রাতের অন্ধকারে অতর্কিতভাবে হামলা চালানো হয়। হামলার ঘটনায় লতাচাপলী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি বাইজিদ রানা এবং কুয়াকাটা পৌর যুবদলের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক হারুন মুসল্লির নেতৃত্বে আরও পাঁচ থেকে ছয় জন অংশ নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা হাতুড়ি দিয়ে বাচ্চুর মাথা ও দুই পায়ে ধারাবাহিকভাবে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

স্থানীয়দের চিৎকার শুনে তারা ছুটে এসে তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, 'হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে গিয়েছে। এই ঘটনার তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।'

এ ঘটনায় কুয়াকাটাসহ গোটা জেলার সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিক নেতারা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি প্রকাশিত একটি সংবাদকে কেন্দ্র করেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগী ওই সাংবাদিক জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতীয়দের ভিসা সুবিধা বাতিল করল চারটি দেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৫ এম


ভারতীয়দের ভিসা সুবিধা বাতিল করল চারটি দেশ

চলতি বছরে ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা বাতিল করেছে চারটি দেশ।

এই দেশগুলো হলো—ইরান, বলিভিয়া, কেপ ভার্দে ও নিকারাগুয়া। নতুন অভিবাসন নীতির কারণে এসব দেশে ভ্রমণে এখন আগাম ভিসা বা বিশেষ অনুমোদনের প্রয়োজন হবে। খবর এনডিটিভির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।

সর্বশেষ হেনলি পাসপোর্ট সূচক অনুযায়ী, ভারতের পাসপোর্টের অবস্থান ৭৫তম থেকে নেমে ৮১তম হয়েছে। এই মুহূর্তে ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা বিশ্বের ৫৫টি দেশে ভিসামুক্ত বা অন-অ্যারাইভাল সুবিধা পান এবং গত বছর এই সংখ্যা ছিল ৫৭।

ইরানের ক্ষেত্রে, স্থগিত ভিসা অব্যাহতি ঘোষণা করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের ভিসা ছাড়াই সাধারণ ভারতীয় পাসপোর্টধারীরা প্রবেশ করতে পারতেন। তবে ২০২৫ সালের নভেম্বরে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা অব্যাহতি কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে। ফলে এখন ইরান ভ্রমণের জন্য ভিসা গ্রহণ করা হবে।

বলিভিয়ায়, চালু ই-ভিসা কার্যক্রমের কারণে লাতিন আমেরিকার দেশ বলিভিয়া ভারতীয়দের জন্য আগের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা বাতিল করেছে। এখন দেশটিতে যেতে হলে ভ্রমণের আগে অনলাইনে ই-ভিসার আবেদন করতে হবে। আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

কেপ ভার্দেতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ভারতসহ ৯৬টি দেশের নাগরিকদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা বন্ধ করা হয়েছে। ফলে দেশটিতে যেতে এখন আগাম ভিসা বা নির্ধারিত অনুমোদন প্রাপ্ত করতে হবে।

নিকারাগুয়ায়, নতুন অভিবাসন নীতি কার্যকর হয়েছে ১৬ ফেব্রুয়ারি থেকে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের অন-অ্যারাইভাল ভিসা সুবিধা বাতিল করা হয়েছে এবং তাদের 'সি' ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা 'কনসালটেড ভিসা' নামে পরিচিত। এই কারণে নিকারাগুয়ায় ভ্রমণের আগে দেশটির অভিবাসন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে। অনুমোদন ছাড়াই কোনো ভারতীয় নাগরিক বিমানে উঠতে পারবেন না। নতুন এসব সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ভারতীয় পাসপোর্টধারীদের জন্য আন্তর্জাতিক ভ্রমণে আগের তুলনায় কিছুটা বেশি আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করতে হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৩৯ এম


শাহজালাল বিমানবন্দরে ১১ কেজি গাঁজাসহ ভারতীয় নাগরিক আটক

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, থাইল্যান্ড থেকে আনা প্রায় ১২ কেজি উন্নত জাতের গাঁজাসহ মো. জুলফিকার মোল্লা (৩৩) নামে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে বিমানবন্দরের আগমনী টার্মিনালের গ্রিন চ্যানেলে কাস্টমস তল্লাশির সময় তাকে আটক করা হয়। পরে তার ট্রলি ব্যাগ থেকে ২১টি প্যাকেটে লুকিয়ে রাখা ১১ কেজি ৮০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ডিএনসির সহকারী পরিচালক ড. মো. আবু সাঈদ মিয়া জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা মেট্রো (উত্তর) কার্যালয়ের বিমানবন্দর সার্কেলের পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিনের নেতৃত্বে একটি দল শুক্রবার দুপুরে বিমানবন্দরে অবস্থান নেয়। এসময় ব্যাংকক থেকে থাই এয়ারওয়েজের টিজি-৩২১ ফ্লাইটে আসা জুলফিকার মোল্লার গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে তাকে আটক করা হয়।

পরে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার ট্রলি ব্যাগ তল্লাশি করে কাপড়ের নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ২১টি পলিথিন প্যাকেট থেকে ১১ কেজি ৮০০ গ্রাম উন্নত জাতের গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

ডিএনসি জানায়, জব্দ করা আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি ভারতীয় পাসপোর্ট, একটি বোর্ডিং পাস এবং জিও ইন্ডিয়ার সিম ব্যবহৃত একটি ওপ্পো স্মার্টফোন। গ্রেপ্তার জুলফিকার মোল্লা ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার রাজারহাট থানার বাসিন্দা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, বাংলাদেশে দুই থেকে তিন দিন অবস্থান করে ভারতে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলার বাদী হয়েছেন ডিএনসির পরিদর্শক শাহরিয়া শারমিন।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মাদক পাচার প্রতিরোধে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন প্রবেশপথে গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান আরো জোরদার করা হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশ ও জাতির কল্যাণেই এসেছে এই পরিবর্তন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০১:৪৫ এম


দেশ ও জাতির কল্যাণেই এসেছে এই পরিবর্তন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগকে দেশের প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা একটি স্বাভাবিক এবং অবধারিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করেছেন। তাঁরা বলেছেন, তাঁর পদত্যাগের ফলে দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল ঘটেছে।

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, তিনি (মো. সাহাবুদ্দিন) স্বাস্থ্যগত কারণ উল্লেখ করে পদত্যাগ করেছেন। অনেকেই হয়তো ভাবছেন কেন হঠাৎ করে তিনি পদত্যাগ করলেন। নির্বাচনের পরে তো বেশ কিছু মাস গড়িয়েছে, তখন এটা হলো না। আমার মনে হয়, হয়তো স্বাস্থ্যগত কারণে পদত্যাগ করেছেন অথবা তিনি কমফোর্ট (স্বস্তি) ফিল করছেন না। অথবা সরকার থেকে এমন কিছু সংবাদ পেতে পারেন যা তাকে এ পদে না রাখতে চাওয়ার ইঙ্গিত দেয়। অন্যদিকে, রাষ্ট্রপতির পদে সরকার তাঁকে রেখে অস্বস্তিকর পরিবেশে ছিল, কিন্তু কিছু বলা সম্ভব হয়নি। তাই সরকারের জন্য এবং দেশের জন্য এটি ভালো হয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি ছিলেন এবং এস আলম অর্থাৎ ইসলামী ব্যাংক কেলেঙ্কারির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িত ছিল। যেখানে চাকরি করেছেন, সেখানে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকেছেন। একজন বিতর্কিত ব্যক্তি পদত্যাগ করায় দেশের ও জাতির জন্য ভালো হয়েছে।

বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ শাহদীন মালিক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, তিনি (মো. সাহাবুদ্দিন) পদত্যাগপত্র দিয়েছেন। এর বাইরে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং সরকারের পক্ষ থেকেও তেমন কিছু জানা যায়নি। তিনি বলেন, এর বেশি আমি বলতে চাই না। সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, বাংলাদেশে সরকার পরিবর্তনের পর রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন না হওয়াটাই বরং অস্বাভাবিক হবে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এক দল ক্ষমতায় থাকলে অন্য দলের সঙ্গে সহাবস্থানের রাজনীতি নেই। যে দল রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেছিল তারা যখন ক্ষমতাচ্যুত হয়, তখন নতুন কোনো দল যদি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে, তবে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তাদের ইচ্ছার বাইরে থাকা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। কারণ, যেকোনো সময় তাঁকে অপসারণ বা অভিশংসন (ইমপিচমেন্ট) করার ক্ষমতা সরকারের হাতে থাকে।

তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজেও নির্বাচনের পর পদে থাকতে চাননি বলে জানিয়েছেন। সম্ভবত তিনি সরকারের স্থিতিশীলতা আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চেয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের বয়সও পাঁচ মাস অতিবাহিত হয়েছে। তাই আমি মনে করি, সরকার এবং রাষ্ট্রপতি- উভয়ের সমঝোতার ভিত্তিতে এই পদত্যাগ কার্যকর হয়েছে। রাষ্ট্রপতির পদত্যাগে কোনো সাংবিধানিক জটিলতা দেখা দেবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মনজিল মোরসেদ বলেন, কোনো জটিলতাই নেই। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে কে দায়িত্ব নেবেন, তা নির্ধারিত আছে। এখানে স্পিকার দায়িত্ব পালন করবেন এবং পরবর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে। সেই নির্বাচনে বিজয়ী দল (বিএনপি) যাকে মনোনয়ন দেবে, তিনিই পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। এই পরিবর্তন একটি সংবিধান স্বীকৃত পদ্ধতি বলেও জানান জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%