ঢাকা সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ১৯ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৩ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই: ত্রাণমন্ত্রী


দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই: ত্রাণমন্ত্রী

লালমনিরহাট, ২৬ আগস্ট, ২০২৬ : দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই। সার নিয়ে যতটা না বাস্তব সংকট, তার চেয়ে বেশি রটনা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।

সার বিতরণ ব্যবস্থা গতিশীল করতে প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

বুধবার দুপুরে লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল পরিদর্শন ও পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন: বিএমইউতে ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব বিশেষজ্ঞদের

আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, সরকার কৃষকদের জন্য সারে প্রচুর পরিমাণে ভর্তুকি দিচ্ছে। সার বিতরণে যাতে কোনো ধরনের সমস্যা না হয়, সেজন্য ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে। একই সঙ্গে খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, কোনো অসাধু ডিলার সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মজুদ করা সার উদ্ধার করা হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, সার নিয়ে মানুষের মধ্যে অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কৃষকের প্রয়োজন অনুযায়ী সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিচ্ছে।

এর আগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ও জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালের রোগীদের উন্নত খাবার বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

আরও পড়ুন: শ্বাসকষ্টে হাসপাতালে ভর্তি বিএনপি নেতা বুলু, দোয়া চাইলেন পরিবার

এ সময় জেলা প্রশাসক রাশেদুল হক, জেলা পরিষদ প্রশাসক একেএম মমিনুল হকসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

৬ মাসে ২ কোটির বেশি গাছ রোপণ করেছে সরকার  

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪০ পি.এম


৬ মাসে ২ কোটির বেশি গাছ রোপণ করেছে সরকার  

ক্ষমতা গ্রহণের প্রথম ছয় মাসেই সারাদেশে প্রায় ২ কোটি ২২ লাখ ৬৮ হাজার গাছের চারা রোপণ সম্পন্ন করেছে সরকার। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। 

বর্তমানে বার্ষিক ৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৮ হাজার ৯৩০টি চারা রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে প্রশাসন। সরকারি মূল্যায়নে জানা গেছে, গত ছয় মাসে এই নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪৩ দশমিক ২৫ শতাংশ সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে। বন বিভাগসহ মোট ১১টি সরকারি সংস্থা এই সবুজায়ন উদ্যোগে সরাসরি কাজ করছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কর্মসূচি বাস্তবায়নে সর্বাগ্রে রয়েছে বন অধিদপ্তর। সংস্থাটি একা ১ কোটি ১৯ লাখ ২৮ হাজার ৪৪২টি চারা রোপণ করেছে। তালিকায় এর পরেই রয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ; তারা রোপণ করেছে ৭১ লাখ ৬৪ হাজার ১৩৫টি চারা। বাকি চারাগুলো কৃষি মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন বিভাগ, পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং গৃহায়ন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রোপণ করা হয়।

প্রতিটি অঞ্চলের মাটির চরিত্র ও উপযোগী পরিবেশ বিবেচনা করে প্রজাতির গাছ নির্বাচন করা হচ্ছে। পার্বত্য এলাকায় গর্জন, চাপালিশ, সেগুন ও বাঁশ; উপকূলবর্তী অঞ্চলে ম্যানগ্রোভজাতীয় কেওড়া, বাইন ও ঝাউ এবং হাওর-বিল পরিবেষ্টিত জলাভূমিতে হিজল, কদম ও করচ জাতীয় চারা লাগানোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. মো. সাইমুম পারভেজ জানান, সরকারি সংস্থার পাশাপাশি এনজিওগুলোর মাধ্যমেও আরও ৪০ লাখ গাছ রোপণ করা সম্ভব হয়েছে। এ ছাড়া আগস্ট-সেপ্টেম্বরের মধ্যে উপকূল রক্ষায় ২ কোটি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণের আরেকটি স্বতন্ত্র প্রকল্প চূড়ান্তের পথে রয়েছে। সব মিলিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেরা ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে পুরস্কৃত করবে সরকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৪ পি.এম


সেরা ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে পুরস্কৃত করবে সরকার

সরকার সেরা ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে পুরস্কার দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

গ্রাম আদালতের কার্যক্রমকে সারা দেশে আরো সক্রিয় করার লক্ষ্যে সেরা ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দেশের সকল জেলা প্রশাসকের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।

 

সম্প্রতি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ একটি পরিপত্র জারি করেছে।

পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ’ প্রকল্পের আওতায় গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অর্জনকারী ইউনিয়ন পরিষদগুলোকে চিহ্নিত করে স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান করা হবে। এর মাধ্যমে অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদগুলোও গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে আরো সক্রিয়ভাবে এবং মানসম্মতভাবে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত হবে।

জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারা তাদের নিজ নিজ জেলার ইউনিয়ন পরিষদগুলোর মধ্যে থেকে নির্ধারিত বহুসূচক ও মানদণ্ডের ভিত্তিতে সেরা গ্রাম আদালত পরিচালনাকারী ইউনিয়ন পরিষদ ও সেরা চেয়ারম্যান নির্বাচন করবেন।

 

নির্বাচিত ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানকে স্থানীয় পর্যায়ে স্বীকৃতি ও পুরস্কার দেওয়ার মাধ্যমে উৎসাহিত করার নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

সেরা নির্বাচন করার ক্ষেত্রে গ্রাম আদালতে দায়ের হওয়া মামলার সংখ্যা, নারী আবেদনকারীর সংখ্যা, মামলা নিষ্পত্তির হার, সালিসের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি, ফি ও জরিমানা আদায়ে বিধিবিধান অনুসরণ এবং গ্রাম আদালত পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনায় বিশেষ তহবিল বা অনুদানের যথাযথ ব্যবহারসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নেওয়া হবে।

এছাড়া মামলা ও বিরোধ নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত নথি ও লিখিত তথ্য সংরক্ষণ এবং গ্রাম আদালতের কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় দক্ষতাকেও মূল্যায়নের আওতায় আনা হবে।

পরিপত্রে গ্রাম আদালতের কার্যক্রমে সহায়তাকারী ইউনিয়ন পরিষদ সচিব এবং হিসাব সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটরের মাসিক সম্মানি ও যাতায়াত ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

 

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দেশের সব জেলা প্রশাসকের কাছে পরিপত্রটি পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
তিন মাসের জন্য দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা

আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নেপালে নিহত বেড়ে ২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৫ পি.এম


আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে নেপালে নিহত বেড়ে ২২

নেপালের রাসুয়া জেলায় আকস্মিক পাহাড়ি ঢল ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ জনে দাঁড়িয়েছে। একই ঘটনায় ৩৮৪ জন পর্যটক ও ভ্রমণকারীর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। তাদের মধ্যে ৯৩ জন নেপালের নাগরিক এবং ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক। নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের প্রাথমিক তালিকা অনুযায়ী, নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভারতীয় নাগরিক।

বুধবার সকালে তিব্বতের দিক থেকে হঠাৎ করে ভোতে কোশি নদীতে পানির প্রবল স্রোত নেমে এসে রাসুয়ার তিমুরে, স্যাফ্রুবেশি ও আশপাশের এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে। বন্যায় বসতবাড়ি, বাজার, সড়ক, সেতু ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, বিভিন্ন পর্যটন ও ট্রাভেল এজেন্সির কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৩৮৪ জনের প্রাথমিক তালিকা তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি এবং ৯৩ জন নেপালি। তালিকাটি এখনও যাচাই করা হচ্ছে এবং পরবর্তী সময়ে সংখ্যা বা পরিচয়ের তথ্য পরিবর্তিত হতে পারে।

নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১০৫ জন ভারতীয় নাগরিক এবং ৩৭ জন অনাবাসী ভারতীয় (এনআরআই)। এছাড়া তালিকায় যুক্তরাজ্যের ১২, মালয়েশিয়ার ১৭, দক্ষিণ আফ্রিকার চার এবং যুক্তরাষ্ট্রের তিন নাগরিকের নাম রয়েছে। অস্ট্রেলিয়া ও নেদারল্যান্ডসের একজন করে নাগরিকও তালিকায় রয়েছেন। আরও বেশ কয়েকজনের জাতীয়তা এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।

নিখোঁজদের একটি বড় অংশ কৈলাশ মানস সরোবর যাত্রায় অংশ নিতে তিব্বতের দিকে যাচ্ছিলেন। বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে তারা রাসুওয়াগাধি এলাকায় অবস্থান করছিলেন।

বন্যাকবলিত এলাকাকে তিন মাসের জন্য দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা

ভোতে কোশী নদীর বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে তিন মাসের জন্য দুর্যোগ এলাকা ঘোষণা করেছে নেপালের মন্ত্রিসভা। বুধবারের বৈঠকে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়। আহতদের বিনামূল্যে চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার ও নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও হেলিকপ্টার মোতায়েনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বন্যার সম্ভাব্য কারণ

বন্যার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধানে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, তিব্বত সীমান্তের লেন্দে নদীতে বরফধসের কারণে পানির প্রবাহ আটকে গিয়ে পরে আকস্মিকভাবে তা নেমে আসতে পারে। একই সঙ্গে কোনো হিমবাহ-হ্রদ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানিয়েছে, নিখোঁজ পর্যটকদের অবস্থান শনাক্তে ট্রাভেল এজেন্সি, ট্যুরিস্ট পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে। নিখোঁজদের স্বজনদের বিভ্রান্ত না হয়ে কর্তৃপক্ষের পরবর্তী তথ্যের জন্য অপেক্ষা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সূত্র: দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট, বিবিসি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উপকূলে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানো হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২৬শে আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ পি.এম


উপকূলে ২ কোটি কেওড়া গাছ লাগানো হবে: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন উপকূলের মানুষ। উপকূলীয় অঞ্চলকে ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষা করতে বেশি বেশি গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গাছপালা লাগালে তাপমাত্রা কমে আসবে, বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। বিভিন্ন রোগবালাইসহ মহামারি কমিয়ে আনতেও আমরা ভূমিকা রাখতে পারব।

বুধবার বিকেলে মোংলায় কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরে ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশজুড়ে বৃক্ষরোপণের মহোৎসব চলছে। অঞ্চলভেদে উপযোগী বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হবে। এ পর্যন্ত সারা দেশে ৩ কোটি ৫ লাখ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে আরও ২ কোটি গাছের চারা রোপণ করা হবে।

তিনি বলেন, বীজ সংগ্রহ করে সেই বীজ থেকে চারা তৈরি করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকাজুড়ে ২ কোটি কেওড়া গাছ রোপণ করা হবে। তাহলে এ বছরেই আমাদের ৫ কোটির বেশি গাছ লাগানো হয়ে যাবে।

শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, পরিবেশ সুরক্ষায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। তাই বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে উপকূলীয় অঞ্চলকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কারণ ঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ক্ষতি থেকে উপকূলের মানুষকে রক্ষায় ম্যানগ্রোভ বন ও গাছপালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরও বলেন, তরুণ প্রজন্ম বৃক্ষরোপণে আগ্রহী হয়ে উঠছে, যা পরিবেশ সুরক্ষার জন্য ইতিবাচক দিক।

অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ড সদর দপ্তর, ঢাকার কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন মো. মেহেদী হাসান, কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তর, মোংলার ভারপ্রাপ্ত জোনাল কমান্ডার ক্যাপ্টেন মো. মহসিন রেজা এবং রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%