ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

কক্সবাজারে উদ্ধার মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ


কক্সবাজারে উদ্ধার মুখপোড়া হনুমান ও ১২টি কচ্ছপ

কক্সবাজারে বিলুপ্তপ্রায় বন্যপ্রাণী পাচারের সঙ্গে জড়িত একটি চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের ফলে একটি মুখপোড়া হনুমান এবং ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করেছে বনবিভাগ। এ অভিযানের সময় পাচারকারী চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোকে দেশের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় পাচারের পরিকল্পনা ছিল বলে বনবিভাগ জানিয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) বিকেল ৫টার দিকে, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ, চট্টগ্রামের অধীনে চুনতি বনরেঞ্জের একটি বিশেষ দল কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ভাঙ্গারমুখ বাজার এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালানোর মাধ্যমে এসব বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে।

অভিযানটি নেতৃত্ব দেন চুনতি বনরেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ। আটক ব্যক্তিটি হচ্ছেন মো. হাদিস রহমান (৪০)। তিনি ঢাকা জেলার মিরপুর-১১ নম্বরের রোড নং-৩ কাঁচাবাজার সংলগ্ন এলাকায় বাস করেন।

আরও পড়ুন: সোনারগাঁয়ে যুবদল নেতা হত্যায় ৩ দিন পর মামলা, প্রধান আসামী ছাত্রদল নেতা রিজভী

বনবিভাগ গণমাধ্যমকে জানাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন বনাঞ্চল থেকে বিরল ও সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে বনবিভাগ জানতে পারে যে, চকরিয়ার একটি বাড়িতে পাচারের উদ্দেশ্যে কয়েকটি বন্যপ্রাণী মজুদ করে রাখা হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে একটি মুখপোড়া হনুমান এবং ১২টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়।

একই সঙ্গে ঘটনাস্থল থেকে হাদিস রহমানকে আটক করা হয়। চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের রেঞ্জ কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান শেখ বলেন, উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলো সংরক্ষিত বন্যপ্রাণীর তালিকাভুক্ত। এ ঘটনায় আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে মামলা করা হয়েছে এবং পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণের চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা আবু নাছের মোহাম্মদ ইয়াসিন নেওয়াজ জানান, বাংলাদেশে বন্যপ্রাণী শিকার, হত্যা, আটক, ক্রয়-বিক্রয় ও পাচার গুরুতর দণ্ডনীয় অপরাধ। এর জন্য অপরাধের ধরন ও প্রাণীর গুরুত্ব অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, একটি শক্তিশালী সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের বন থেকে বন্যপ্রাণী সংগ্রহ করে ঢাকা হয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করে আসছে। এসব চক্রের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জে ভুয়া চিকিৎসক মো. আরিফ মিয়া আটক

উদ্ধার হওয়া বন্যপ্রাণীগুলোকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে প্রাকৃতিক আবাসস্থলে অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে বনবিভাগ জানিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’ ঘুরে কী দেখলেন ঋদ্ধি, কতটা সমাধান হচ্ছে মানুষের সমস্যা?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ এম


মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবার’ ঘুরে কী দেখলেন ঋদ্ধি, কতটা সমাধান হচ্ছে মানুষের সমস্যা?

সরকার গঠন হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে প্রথমে পৌঁছে গিয়েছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ কেমন ছিল এবং জনতার দরবারে তাঁর অভিজ্ঞতাও উল্লেখ করেছেন।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর ঋদ্ধি আশা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি জানিয়েছেন, গত ১২ বছরে কোনও সরকারি অনুষ্ঠানে ডাক পাননি। সরকার গঠন হওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জনতার দরবারে তাঁর উপস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেছেন কীভাবে এটি হয়ে গেল এবং কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ।

ঋদ্ধি বলেছেন, তৃণমূল ক্ষমতাধারী থাকাকালীন তাঁদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখলে সরকারি অনুষ্ঠানের ডাক পাওয়া যেত। এই কারণেই তিনি ১২ বছর ডাক পাননি। আক্ষেপ করে তিনি জানিয়েছেন, "সেই সময়ে একজন শিল্পীও প্রতিবাদ করেননি। কোনও বর্ষীয়ান শিল্পী আপত্তি জানাননি।" প্রথমে লিখিত আকারে অভিযোগ জানিয়ে ঋদ্ধি বলেছে, "আমি অভিযোগগুলি জানানোর পরদিনেই আমাকে তৎপরতার সঙ্গে ডাকা হয়েছে। বিষয়টির গুরুত্ব মুখ্যমন্ত্রী বুঝেছেন। সঙ্গে সঙ্গে ডেকেছেন। এটি আমার জন্য খুব ভালো লেগেছে।"

জনতার দরবারে গিয়ে ঋদ্ধি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী সবকিছু মন দিয়ে শুনেছেন। তিনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন যে, এমন কিছু আগামী দিনে হবে না। আমি ১২ বছর নিষিদ্ধ ছিলাম। কেউ ১০ বছর ছিলেন। যারা দোষী, তারা শাস্তি পাক, আমরা এটা চাই। মুখ্যমন্ত্রীও এই আশ্বাস দিয়েছেন। কোনও শিল্পীকে নিষিদ্ধ করার অধিকার কারও নেই। আমরা সকলেই গান শিখে এখানে এসেছি।"

ঋদ্ধির মতো সেই দিন শুভেন্দুর ‘জনতার দরবার’-এ সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে সেখানে এসেছিলেন। গায়িকার কথায়, "রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ যোগাযোগ করছেন। গ্রামে,গঞ্জে, মফস্সল থেকে মানুষ নথিপত্র নিয়ে আসছেন। নিজেদের সমস্যার কথা জানাচ্ছেন। সকলের সমস্যাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"

‘জনতার দরবার’-এর কর্মীদের আচরণ সম্পর্কে ঋদ্ধির অভিজ্ঞতাও উল্লেখযোগ্য। তিনি বলেন, "আমি সত্যি বলতে অবাক হয়ে গিয়েছি। এত ভদ্র ব্যবহার প্রত্যেকের। অল্প বয়সিদেরও সম্মান দিয়ে কথা বলা হচ্ছে। দু’জন প্রবীণ ব্যক্তি এসেছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও লকেট ও শশীদি ছিলেন। তাঁরা প্রবীণদের সঙ্গে বিনয়ীভাবে কথা বলছিলেন।"

ঋদ্ধি জানান, জমিবাড়ি সংক্রান্ত দুর্নীতির শিকার ওই দুই প্রবীণ ব্যক্তির অভিযোগ নিয়ে তাঁরা সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন। "তৃণমূল আমলে দুর্নীতি ছাড়া কিছু হয়নি। বিশ্বের ইতিহাসে এমন নেই, একটি দলের প্রত্যেকে চোর। এই দুই প্রবীণও দুর্নীতির শিকার। তাঁদের কথা সবাই মন দিয়ে শুনছেন এবং সমাধানের জন্য পদক্ষেপ করছেন।" এইসব কথাবার্তা শুনে ঋদ্ধি অভিভূত হয়েছেন। সবশেষে তাঁর প্রত্যাশা, "যাঁরা আগে কাজ পেতেন, তাঁরা আর পাবেন না, এমন আমি চাই না। তাঁরা যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ তো অবশ্যই পাবে। কিন্তু সব কাজ নির্দিষ্ট কিছু মানুষই করবে, এমন যেন আর না হয়। প্রত্যেকে যেন সমানভাবে কাজের সুযোগ পান।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মানহানি মামলার মধ্যেই কড়া বার্তা দিলেন মিমি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৪ এম


মানহানি মামলার মধ্যেই কড়া বার্তা দিলেন মিমি

 

বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী এবং তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে আইনি লড়াইয়ের মাঝে এবার তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার জেরে মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে কিছুদিন তাকে জেল হেফাজতে থাকতে হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তনয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন।

তনয়ের দাবি, মামলার শুনানির জন্য আদালত একাধিকবার দিন ধার্য করলেও মিমি ব্যক্তিগতভাবে হাজির হননি। এই প্রেক্ষাপটে, তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন।

নতুন এই আইনি পদক্ষেপে টলিপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে। মিমি যদিও কোনো মন্তব্য করেননি, তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে পরোক্ষভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন।

মিমির অভিযোগ, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তার সম্পর্কে এমন কিছু খবর ছড়ানো হচ্ছে, যার অনেকগুলি যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে না। ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার হলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

পোস্টে অভিনেত্রী বলেন, সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং তার সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের আগে সেগুলি অবশ্যই সঠিকভাবে যাচাই করা উচিত।

মিমির এই বার্তা দেওয়ার পর, নতুন করে আলোচনায় এসেছে তনয় শাস্ত্রীর সাথে তার চলমান আইনি বিরোধ। মানহানি মামলা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে ঘটনাটি এখন টলিউড অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

এদিকে, মামলার পরবর্তী শুনানি ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। আইনি এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জীবনের মৌলিক উপাদান সৌরজগতের ভেতরেই তৈরি হয়েছে: নাসার গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


জীবনের মৌলিক উপাদান সৌরজগতের ভেতরেই তৈরি হয়েছে: নাসার গবেষণা

পৃথিবীতে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলগুলো কোথা থেকে এসেছে, সেই প্রশ্নের নতুন উত্তর বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন।

নাসার সহায়তায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণের জন্য অপরিহার্য নাইট্রোজেন ও ফসফরাস প্রধানত সৌরজগতের ভেতরের অঞ্চল থেকেই পৃথিবীতে আসছে। একই সঙ্গে বৃহস্পতি গ্রহ এসব মৌলের বিস্তারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।

‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাটিতে নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ জীবনের পরিচিত সব রূপের জন্য এই দুই মৌল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। গবেষকেরা বিভিন্ন ধরনের উল্কাপিণ্ডে ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের অনুপাত বিশ্লেষণ করে সাড়ে ৪৫০ কোটি বছর আগে তরুণ সৌরজগতে এই মৌলগুলোর চলাচলের ইতিহাস অনুসন্ধান করেছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগত গঠিত হয়েছিল নবীন সূর্যকে ঘিরে থাকা গ্যাস ও ধুলার বিশাল মেঘ থেকে। পরে এই উপাদানগুলো একত্র হয়ে গ্রহ, উপগ্রহ এবং শেষ পর্যন্ত জীবনের ভিত্তি তৈরি করে।

গবেষণায় দুটি ধরনের উল্কাপিণ্ড পরীক্ষা করা হয়—ধাতব উল্কাপিণ্ড এবং কনড্রাইট। ধাতব উল্কাপিণ্ড সৌরজগতের প্রথম প্রজন্মের ক্ষুদ্র জ্যোতিষ্ক থেকে এসেছে, আর কনড্রাইট সৃষ্টি হয়েছে দুই থেকে তিন মিলিয়ন বছর পরে গঠিত দ্বিতীয় প্রজন্মের জ্যোতিষ্ক থেকে।

পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণ ও ভূ-রাসায়নিক মডেলের মাধ্যমে গবেষকেরা দেখতে পান, প্রথম প্রজন্মের জ্যোতিষ্কে সৌরজগতের বাইরের অঞ্চলে ফসফরাস-নাইট্রোজেন অনুপাত বেশি ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় প্রজন্মে চিত্রটি উল্টো হয়ে যায়; তখন ভেতরের অঞ্চলে এই অনুপাত বেশি দেখা যায়।

গবেষকদের ধারণা, বৃহস্পতি ধীরে ধীরে গঠিত ও বড় হওয়ার সময় তার শক্তিশালী মহাকর্ষীয় প্রভাব ভেতরের অঞ্চল থেকে বাইরের দিকে মৌলগুলোর চলাচল সীমিত করে দেয়। ফলে ভেতরের অঞ্চলে বেশি পরিমাণ ফসফরাস ও নাইট্রোজেন থেকে যায়।

হিউস্টনের রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রাজদীপ দাশগুপ্ত মন্তব্য করেছেন, বাসযোগ্য পৃথিবীর মতো জগত তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মৌলগুলোর বণ্টন নির্ধারণে বৃহস্পতির উপস্থিতি ও বিকাশের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

গবেষণার প্রধান লেখক দেবজিত পাঠক জানিয়েছেন, ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পৃথিবী তার অধিকাংশ প্রাণ-সহায়ক নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সৌরজগতের ভেতরের অঞ্চল থেকেই পেয়েছে; বাইরের অঞ্চল থেকে বড় ধরনের অবদান প্রয়োজন হয়নি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যয় বেড়ে নতুন রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যয় বেড়ে নতুন রেকর্ড

বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্র খাতে ব্যয় গত বছর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে কাজ করা সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবলিশ নিউক্লিয়ার উইপনস (আইক্যান)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের নয়টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ ২০২৫ সালে মোট ১১৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নয়টি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া এবং ইসরাইল।

আইক্যানের তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশ প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৩ হাজার ৭৬৮ ডলার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় করেছে। এর মধ্যে একাই যুক্তরাষ্ট্র ৬৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে, যা বাকি আটটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়েও বেশি।

আইক্যানের কর্মসূচি পরিচালক সুসি স্নাইডার বলেন, “যখন জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বাড়ছে এবং বহু মানুষের জন্য খাদ্য ও জ্বালানি ক্রয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তখন নিরাপত্তার এক ভ্রান্ত প্রতিশ্রুতির পেছনে এই নয়টি দেশের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা অকল্পনীয়।”

তিনি আরও বলেন, “পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার মানেই ভয়াবহ বিপর্যয়। আর পারমাণবিক প্রতিরোধনীতির এই যুক্তি আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের নিরাপত্তা শত্রুপক্ষের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে।”

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্বেগ, ভূরাজনীতি উত্তেজনা এবং সামরিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে নিরস্ত্রীকরণপন্থীরা সতর্ক করে বলছেন, এই প্রবণতা বিশ্বকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%