বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৩৮ পি.এম
গাইবান্ধার ফুলছড়ি সরকারি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষায় নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের ভুলবশত অনিয়মিতদের প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষোভ ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) অনুষ্ঠিত এইচএসসি বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় কেন্দ্রটির দুটি কক্ষে বসা নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের কাছে ভুলবশত অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছিল।
পরীক্ষা শেষে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকরা লিখিত প্রশ্নপত্র মিলিয়ে দেখার পর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
কেন্দ্রটির দুটি কক্ষে সাঘাটা উপজেলার উদয়ন মহিলা ডিগ্রি কলেজ এবং ফুলছড়ি উপজেলার বুড়াইল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রায় ২৫ জন পরীক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে কেন্দ্র সচিব ও কলেজের অধ্যক্ষ এস এম আসাদুল ইসলাম জানান, "যে প্রশ্নপত্রেই পরীক্ষা নেয়া হোক, সেই প্রশ্নপত্রের ভিত্তিতেই মূল্যায়ন করা হবে।" তিনি আরো জানান, সমস্যাটি নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. আতাউর রহমান জানান, "বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের আলাদা কক্ষে বসানোর কথা।" তিনি আরও বলেন, "প্রশ্নপত্র বিতরণের আগে তা যথাযথভাবে যাচাই বাছাই করে বিতরণের নির্দেশনা রয়েছে।"
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) লেনদেনে প্রধান মূল্যসূচক কমলেও ১ হাজার ৪৩৯ কোটি টাকা পরিমাণ লেনদেন হয়েছে এবং ১৬৩ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বেড়েছে।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, ওইদিন মোট ৩ লাখ ২৭ হাজার ৪০৫টি ট্রেডের মাধ্যমে ৩৯২টি কোম্পানির মোট ৪২ কোটি ১৯ লাখ ৭৮ হাজার ৪৯১টি শেয়ার ও ইউনিটের হাতবদল হয়েছে। লেনদেনে অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১৬৩টির শেয়ারের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, ১৮৫টির কমেছে এবং ৪৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ওইদিন মোট ১ হাজার ৪৩০ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার ৩৭০ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিটের লেনদেন হয়েছে।
দিন শেষে, ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৮ দশমিক ৯৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৭৪৩ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে অবস্থান করে। ডিএস-৩০ সূচক ১৬ দশমিক ৩৭ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১৬২ দশমিক ১ পয়েন্টে নেমে আসে। তবে ডিএসই শরিয়াহ সূচক (ডিএসইএস) শূন্য দশমিক ৮০ পয়েন্ট বেড়ে ১ হাজার ১৬৮ দশমিক ৯৩ পয়েন্টে দাঁড়ায়।
লেনদেনের পরিমাণের ভিত্তিতে শীর্ষ ১০ কোম্পানি ছিল মালেক স্পিনিং, ব্র্যাক ব্যাংক, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, বেক্সিমকো লিমিটেড, বেক্সিমকো ফার্মা, আইপিডিসি, সিটি ব্যাংক, আইটিসি, স্কয়ার ফার্মা এবং সোনারগাঁও টেক্সটাইল।
অন্যদিকে দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো সোনারবাংলা ইন্স্যুরেন্স, সমরিতা হাসপাতাল, মালেক স্পিনিং, গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স, তিতাস গ্যাস, শাইনপুকুর সিরামিকস, ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স, বিজিআইসি, তাকাফুল ইন্স্যুরেন্স এবং অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স।
দর পতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি ছিল রিজেন্ট টেক্সটাইল, ন্যাশনাল ফিডস, আজিজ পাইপস, ফার্স্ট প্রাইম ফাইন্যান্স, হামিদ ফেব্রিকস, রহিমা ফুডস, বিডি থাই ফুডস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, রহিম টেক্সটাইল, এবি ব্যাংক এবং এপেক্স স্পিনিং।
ক্যাটাগরিভিত্তিক হিসাবে ‘এ’ ক্যাটাগরির ১৯৮টির মধ্যে ৯৫টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৮২টির কমেছে এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
‘বি’ ক্যাটাগরির ৭৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৩১টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৩৮টির কমেছে এবং ছয়টির দর অপরিবর্তিত ছিল। ‘এন’ ক্যাটাগরির একমাত্র প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
অন্যদিকে ‘জেড’ ক্যাটাগরির ১২০টির মধ্যে ৩৭টির শেয়ারদর বেড়েছে, ৬৫টির কমেছে এবং ১৮টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে।
এ ছাড়া, লেনদেন হওয়া ৩৪টি মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে ছয়টির ইউনিটদর বেড়েছে, ১৩টির কমেছে এবং ১৫টির দর অপরিবর্তিত ছিল।
করপোরেট বন্ডের চারটি ইস্যুর মধ্যে তিনটির দর বেড়েছে এবং ১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে সরকারি সিকিউরিটিজের (জি-সেক)-এর তিনটি ইস্যুর সবকটির দর কমেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তৈরি পোশাক (আরএমজি) শিল্পে কারখানার ভবন নিরাপত্তা উন্নয়নে জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) সহায়তাপ্রাপ্ত ‘আরবান বিল্ডিং সেফটি প্রজেক্টের (ইউবিএসপি) আওতায় অর্থায়ন ত্বরান্বিত করতে অংশগ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (পিএফআই) জন্য খেলাপি ঋণ (এনপিএল) সংক্রান্ত যোগ্যতার শর্ত শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বৃহস্পতিবার প্রকল্পটির কম্পোনেন্ট-১-এর আওতায় ‘আরবান বিল্ডিং সেফটি প্রজেক্ট (বিডি-পি৮৪)’-এর পরিচালনা নির্দেশিকা (অপারেটিং গাইডলাইন) সংশোধন করে একটি সার্কুলার জারি করেছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, পরিচালনা নির্দেশিকার ৪.১(৬) ধারা সংশোধন করে অংশগ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য খেলাপি ঋণের হার সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ভবন নিরাপত্তা উন্নয়ন কার্যক্রমে অর্থায়নে সক্ষম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিধি বাড়িয়ে প্রকল্পের বাস্তবায়ন আরও গতিশীল করতেই এ সংশোধন আনা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে কারখানার সংস্কার, নিরাপত্তা উন্নয়ন এবং কর্মপরিবেশের মানোন্নয়নমূলক কার্যক্রমে ঋণ বিতরণ দ্রুততর হবে। এর মাধ্যমে দেশের রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পে কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা আরও জোরদার হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্ট (এসএমইএসপিডি) জাইকার প্রকল্প বাস্তবায়ন ইউনিটের (পিআইইউ) সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে।
সার্কুলারে অংশগ্রহণকারী সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সংশোধিত বিধান অবিলম্বে তাদের কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে আরও বলা হয়েছে, সংশোধিত এ বিধান ছাড়া পরিচালনা নির্দেশিকার অন্যান্য সব শর্ত ও বিধান অপরিবর্তিত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মহাখালী এলাকায় স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়ে করানোর কারণে হত্যা করে তাঁর মরদেহ ছয় টুকরো করার ঘটনায় স্ত্রী ফাতেমা বেগম ওরফে শিল্পীকে আদালত মৃত্যুদণ্ড দেন।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ঢাকার ১৬ তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু এই রায় ঘোষণা করেন।
রায়ের মধ্যে উল্লেখ করা হয়েছে, মরদেহ গুমের দায়ে ফাতেমার ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড নির্ধারণ করা হয়েছে, পাশাপাশি অনাদায়ে তিন মাসের বিনাশ্রম সাজা দেয়া হয়েছে। এই তথ্যটি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শফি নেওয়াজ নাসির।
রায় ঘোষণা করার সময় ফাতেমাকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সাজা পরোয়ানা জারি করে তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার বিবরণগুলো থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাতে সাড়ে ১০টার সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকার নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা-পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। একই রাতে ১১টার পরে মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টার এলাকায় একটি ব্যাগের ভেতর থেকে উরু থেকে খণ্ডিত দু’টি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দু’টি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ।
মোট দুই দিনে আলাদা আলাদা স্থানে লাশের ছয় টুকরো উদ্ধার করা হয়।
শুধুমাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে ফাতেমা গ্রেপ্তার হন। গ্রেপ্তারের পর আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন।
ফাতেমা পুলিশকে জানিয়েছেন, পারিবারিক কলহ, অর্থ-বণ্টন ও একাধিক বিয়ে নিয়ে ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে তাঁর মনোমালিন্য হয়। এক পর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করেন যে তিনি তাঁর অটোরিকশা চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করবেন এবং পরে তাঁকে জবাই করে লাশ ছয় টুকরো করবেন। একটি লাল কাপড়ের ব্যাগে মাথা এবং শরীরের মূল অংশকে একটি নীল পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে রেখে দেন ফাতেমা। এরপর ১ হাজার ৩০০ টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলেন। পরে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত এবং দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে বাসায় চলে যান। সেখান থেকে খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগটি বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে গুলশান লেকে ফেলে দেন এবং তারপর বাসায় ফিরে আসেন।
এই ঘটনার সাথে জড়িত ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন ১ জুন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমাকে অভিযুক্ত করে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালতে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলতে থাকাকালীন আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী তাদের সাক্ষ্য প্রদান করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি) যৌথভাবে একটি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে যা জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সুশাসন জোরদার করার উদ্দেশ্যে।
আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডি-এর মহাপরিচালক পেমা গ্যামশো-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত বৈঠকে, আইসিআইএমওডি-এর মহাপরিচালক বাংলাদেশের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করে জানান যে, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, বিশেষ করে হিমবাহ-গঠিত নদী ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, যৌথ পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত আন্তঃসীমান্ত কর্মপরিকল্পনা অত্যাবশ্যক এবং আইসিআইএমওডি-এর মধ্যমেয়াদি মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন।
বৈঠকে, আইসিআইএমওডি -এর ‘ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশে মনোনীত করার জন্য একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। মন্ত্রী এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট নিয়ে যাবেন।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরের আইসিআইএমওডি -এর বোর্ড সভায় অংশগ্রহণ এবং সংস্থার মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সমর্থন দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
উভয় পক্ষই পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তি প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়ায়, আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন এবং পর্বত-থেকে-বদ্বীপ (mountain-to-delta) বাস্তুতন্ত্রের টেকসই ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। বৈঠকটি বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডি-এর মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের প্রতি সন্তোষ প্রকাশকৃত এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ