প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্ট (আইসিআইএমওডি) যৌথভাবে একটি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে যা জলবায়ু সহনশীলতা অর্জন, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক পরিবেশগত সুশাসন জোরদার করার উদ্দেশ্যে।
আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু এবং আইসিআইএমওডি-এর মহাপরিচালক পেমা গ্যামশো-এর মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই অঙ্গীকার তুলে ধরা হয়।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে আয়োজিত বৈঠকে, আইসিআইএমওডি-এর মহাপরিচালক বাংলাদেশের ধারাবাহিক সম্পৃক্ততার প্রশংসা করে জানান যে, আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, বিশেষ করে হিমবাহ-গঠিত নদী ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায়। তিনি উল্লেখ করেন যে, যৌথ পানি সম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনার জন্য একটি সমন্বিত আন্তঃসীমান্ত কর্মপরিকল্পনা অত্যাবশ্যক এবং আইসিআইএমওডি-এর মধ্যমেয়াদি মূল্যায়ন ও কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সমর্থন কামনা করেন।
বৈঠকে, আইসিআইএমওডি -এর ‘ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট’ হিসেবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়কে বাংলাদেশে মনোনীত করার জন্য একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়। মন্ত্রী এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট নিয়ে যাবেন।
মন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী সেপ্টেম্বরের আইসিআইএমওডি -এর বোর্ড সভায় অংশগ্রহণ এবং সংস্থার মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগে বাংলাদেশের ধারাবাহিক সমর্থন দেওয়ার আশ্বাস প্রদান করেছেন।
উভয় পক্ষই পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর উৎপত্তি প্রতিবেশী দেশগুলোতে হওয়ায়, আন্তঃসীমান্ত জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু অভিযোজন এবং পর্বত-থেকে-বদ্বীপ (mountain-to-delta) বাস্তুতন্ত্রের টেকসই ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত জরুরি। বৈঠকটি বাংলাদেশ ও আইসিআইএমওডি-এর মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী অংশীদারিত্বের প্রতি সন্তোষ প্রকাশকৃত এবং ভবিষ্যতে এই সহযোগিতা আরও গভীর করার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন