বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৪:৩৭ পি.এম
বান্দরবানে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে কাজ করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ।
বান্দরবানে বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কাজ করছে ।
আজ বিজিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিগত কয়েক দিনের টানা অতিবৃষ্টির ফলে বান্দরবান জেলার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসের সৃষ্টি হয়েছে। এই মানবিক দুর্যোগে বান্দরবান জেলা শহরের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলার বিশেষ করে রোয়াংছড়ি উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
এছাড়াও, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে এবং ধ্বংসাবশেষ জমে মূল সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে, তার ফলে জনসাধারণ চরম দুর্ভোগে পড়ে।
এতে আরও বলা হয়, সংকট নিরসনে বিজিবি’র বান্দরবান সেক্টর সদর দপ্তরের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার ও সহায়তা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন। বিজিবি সদস্যরা নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে সড়কে উপড়ে পড়া গাছ ও ধ্বংসাবশেষ অপসারণ করে বান্দরবানের সঙ্গে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করেন। ফলে যান চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।
এছাড়াও গাছ ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি মেরামতের কাজেও বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিয়মিত সহায়তা প্রদান করছেন। বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত সচল করার লক্ষ্যে এই যৌথ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর প্রদেশে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এই প্রদেশে অবস্থিত দেশটির একমাত্র সচল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি রয়েছে।
বৃহস্পতিবার দেশটির আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আলজাজিরা।
তবে, বিস্ফোরণের শব্দের উৎস বা সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি বলে জানায় প্রতিবেদনে।
উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে বুশেহর পারমাণবিক স্থাপনাটি একাধিকবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। এই হামলার ফলে সম্ভাব্য পারমাণবিক দুর্ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
টানা ভারি বৃষ্টি এবং ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে সিলেট অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদিও অধিকাংশ নদীর পানি বিপদসীমার নিচে রয়েছে, তথাপি কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এর ফলে সিলেট এবং সুনামগঞ্জের নিম্নাঞ্চলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে টানা বর্ষণে পাহাড় ও টিলা ধসের ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সিলেট জেলা প্রশাসন ৫৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রেখেছে। পাশাপাশি ১৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ টিলা চিহ্নিত করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক করা হচ্ছে। জেলা প্রশাসন জানাচ্ছে, সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় সকল উপজেলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রাখা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ টিলা ও পাহাড়সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারী মানুষদের প্রয়োজন হলে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতিও গ্রহণ করা হয়েছে।
বুধবার (০৮ জুলাই) বিকালে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, আগামী তিন থেকে চার দিন ভারতের মেঘালয় অঞ্চলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ফলে পাহাড়ি ঢলের পানি সিলেটের নদী-নদীতে নেমে এসে পানির স্তর আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে সীমান্ত পার্শ্ববর্তী কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা অথবা ফ্ল্যাশ ফ্লাড দেখা দিতে পারে।
পাউবো জানিয়েছেন, বর্তমানে অধিকাংশ নদীর পানি বিপদসীমার নিচে থাকলেও অমলশিদ ও কানাইঘাটসহ কয়েকটি পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করার আশঙ্কা রয়েছে। তবে উজানের পানি দ্রুত মেঘনা অববাহিকায় নেমে যাওয়ার কারণে সম্ভাব্য বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার ঝুঁকি কম। সুতরাং, নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকার পাশাপাশি দুই থেকে তিন দিনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন জানান, আগামী ৭২ ঘণ্টা সিলেট বিভাগের মধ্যে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে।
বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) সিলেটের বিভাগীয় সমন্বয়ক শাহ সাহেদা আখতার জানিয়েছেন, সরকারি হিসাবে ঝুঁকিপূর্ণ টিলার সংখ্যা ১৬০টি হলেও বাস্তবে এই সংখ্যা আরও অনেক বেশি। ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয়ের তথ্য উপস্থাপনা অনুযায়ী, প্রায় ৩৮৬টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করে।
তিনি বলেন, ‘২০২২ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সিলেটে টিলা ধসে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুধুমাত্র অতিবৃষ্টি নয়, নির্বিচারে টিলা কাটার কারণেই ধসের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং টিলা কাটা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।’
পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ জানিয়েছেন, ‘আগামী তিন থেকে চার দিন মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে পাহাড়ি ঢল নেমে কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। তবে উজানের পানি দ্রুত নেমে যাওয়ার কারণে পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।’
সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, ‘সম্ভাব্য বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য সিটি কর্পোরেশন প্রস্তুত রয়েছে। বৃষ্টির মধ্যেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। ড্রেনেজ ব্যবস্থা সচল রাখতে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে। নিচু এলাকায় পানি উঠলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্র ও শুকনো খাবারের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।’
সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা জানিয়েছেন, ‘জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ টিলা এলাকায় বাসকারীদের সতর্ক করতে মাইকিং চলছে। প্রয়োজন হলে তাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তিনি বলেন, ‘জেলায় ১৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ টিলা চিহ্নিত করা হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য ৫৩৭টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আশ্রয়কেন্দ্রের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি সকল উপজেলায় পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রাখা হয়েছে এবং মাঠ প্রশাসন সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তাত্বিক পড়াশোনার সাথে সাথে গ্রামীণ ও নগর জীবনের বাস্তবতায় সমাজকর্মের বাস্তবিক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সমাজকর্ম বিভাগের ২০২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পিং কোর্স শেষে পোস্টার প্রদর্শনীর মাধ্যমে নতুনত্ব ফুটিয়ে তুলছেন।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে সমাজকর্ম বিভাগের ক্যাম্পিং কোর্সের পোস্টার শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করেন।
জানা যায়, বিভাগটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কোর্স 'সোশ্যাল ওয়ার্ক ক্যাম্পিং'। এই কোর্সের অংশ হিসাবে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে বিভিন্ন কমিউনিটিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলে, যেখানে শিক্ষার্থীরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে মানুষের জীবনযাত্রা, সমস্যা ও সম্ভাবনার গল্প।
সাধারণত ক্যাম্পিং শেষে শিক্ষার্থীদেরকে দীর্ঘ একটি রিপোর্ট জমা দিতে হয়। তবে এবার সেই পরিচিত ছক থেকে বেরিয়ে এসেছে এক নতুনত্ব। এবারের ক্যাম্পিংয়ে শিক্ষার্থীরা শুধু রিপোর্টেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। তাদের অর্জিত বাস্তবিক ও প্রায়োগিক জ্ঞানকে ভিন্ন আঙ্গিকে তুলে ধরেছে একটি দৃষ্টিনন্দন ও উদ্ভাবনী ‘পোস্টার প্রেজেন্টেশন’ বা পোস্টার প্রদর্শনীর মাধ্যমে।
ক্যাম্পিং শেষে নিজ নিজ কমিউনিটির সমস্যা, সম্ভাবনা, কেস স্টাডি এবং নিজেদের অভিজ্ঞতাকে শিক্ষার্থীরা রঙ-বেরঙের পোস্টারের মাধ্যমে সচিত্র ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করেছেন। প্রতিটি পোস্টারের মাধ্যমে সমাজের জীবন্ত চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন তারা। শিক্ষার্থীদের এই ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ও নতুনত্বে উচ্ছাস প্রকাশ করেছেন বিভাগের শিক্ষকরা।
প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে শিক্ষকরা বলেন, 'সমাজকর্ম মূলত একটি অ্যাপ্লাইড ডিসিপ্লিন (প্রায়োগিক বিষয়)। এটি শুধু শ্রেণীকক্ষের তাত্বিক পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ নয়। বাস্তব জীবনের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার পদ্ধতি শেখার ক্ষেত্রে এই ফিল্ড ক্যাম্পিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।'
শিক্ষকরা আরও বলেন, 'এবারের প্রতিটি গ্রুপই তাদের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতাকে যেভাবে পোস্টারে রূপ দিয়েছে, তা এক কথায় অসাধারণ। এটি শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা, দলগত কাজের মানসিকতা এবং সৃজনশীলতাকে অনেকখানি বাড়িয়ে দেবে।'
পুঁথিগত বিদ্যার সাথে বাস্তবতার এই মেলবন্ধন আগামী দিনে তাদের দক্ষ সমাজকর্মী হিসেবে গড়ে তুলতে অনন্য ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিভাগের শিক্ষকরা।
পোস্টার প্রদর্শনীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. ইসমাঈল হোসেন, বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন, বিভাগের অধ্যাপক ড. তুলসী কুমার দাস, অধ্যাপক ড. শফিকুর রহমান, অধ্যাপক আমিনা পারভীন, অধ্যাপক ড. আব্দুল জলিল, অধ্যাপক ড. আলী ওয়াক্কাস, অধ্যাপক ড. তাহমিনা ইসলাম, অধ্যাপক ফখরুল আলম, অধ্যাপক আবুল কাশেম, প্রভাষক তারিক এম এ কাইয়ুম, ইফতেখার আহমদ এবং ইসরাত জাহান ঝুমি উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র নগরী মাশহাদ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার, স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তাকে সমাহিত করা হবে। এটি শুরু হচ্ছে, ইরাক ও ইরানের বিভিন্ন পবিত্র নগরীতে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় ও শোকানুষ্ঠানের সমাপ্তির পর। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এই নেতার দাফন সম্পন্ন করার মাধ্যমে শেষ হতে যাচ্ছে নজিরবিহীন এক শোকের অধ্যায়।
মাশহাদের গভর্নর হাসান হোসেইনি জানিয়েছেন, বিদায়ী এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ইরানের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও লাখো শোকার্ত জনতা লাল পতাকা হাতে মশহাদের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে, ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় খামেনির কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিল।
ইরাকি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের তথ্যমতে, কেবল নাজাফেই ২৩ লাখের বেশি মানুষ এই শোকমিছিলে অংশ নিয়েছে। ইরাক সীমান্ত থেকে মাশহাদের দূরত্ব প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার হওয়ায় এবং জনগণের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে পূর্বনির্ধারিত সকাল ৬টার অনুষ্ঠান পরে দুপুর ২টায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার বিকেল থেকেই মশহাদের সড়কগুলো আমেরিকা নিপাত যাক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মেট্রো স্টেশন; সব জায়গাই ঢেকে গেছে কালো ব্যানারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরাকের শোকানুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ