বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:০৬ পি.এম
ঢাকা, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ : আন্তর্জাতিক ঋণমান নির্ধারণকারী সংস্থা ‘মুডিস’-এর সাম্প্রতিক মূল্যায়নে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির (আউটলুক) উন্নতি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন।
আজ বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। বর্তমান সরকারের গত সাত মাসের মেয়াদ এবং বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয় নিয়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও জনকল্যাণমুখী উদ্যোগ তুলে ধরতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
মাহ্দী আমিন উল্লেখ করেন, তরুণদের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, উদ্ভাবন, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি, স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন- এই সাতটি খাতকে গুরুত্ব দিয়ে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে সরকার। বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার পাশাপাশি একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক বাংলাদেশের ভিত্তি গড়ে তোলাই এসব উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য।
তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির জন্য গৃহীত পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীনে তরুণদের জন্য ৫০ কোটি টাকার একটি বিশেষ ঋণ তহবিল গঠন করা হয়েছে।
এই তহবিলের মাধ্যমে দেশজুড়ে উপজেলা পর্যায় থেকে প্রতিবছর প্রায় ৫ হাজার সম্ভাবনাময় তরুণ উদ্যোক্তাকে জামানতবিহীন প্রারম্ভিক মূলধন সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল চ্যানেলে সুদমুক্ত ‘ই-লোন’ সুবিধা চালু করা হচ্ছে এবং অনলাইন স্টার্টআপ তহবিলের সুযোগ উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
তিনি ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ আয়োজনের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে তরুণ উদ্ভাবকদের সরাসরি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এ মেলায় অংশগ্রহণকারী তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
সাইবার নিরাপত্তা নিয়ে মুখপাত্র জানান, জাতীয় আইসিটি ও সাইবার সিকিউরিটি রেটিং সিস্টেম এবং সাইবার ইনভেস্টমেন্ট রিপোর্টিং সিস্টেম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
দেশে আধুনিক স্মার্টফোন উৎপাদনে গতি আনতে নীতিগত প্রণোদনা দেওয়ার কাজও চলছে। এসব উদ্যোগ প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং প্রবৃদ্ধির সুফল সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।
অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার নিম্নমুখী এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের সরবরাহ সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।
জনগণের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে এবং গ্যাসের প্রবাহ বাড়াতে সরকার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
গতকাল থেকে গ্যাসের সরবরাহে দৃশ্যমান অগ্রগতি শুরু হয়েছে, যা সামনের দিনগুলোতে আরও স্বাভাবিক হবে। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দেশে ডিজেলের মূল্য সহনীয় রাখতে সরকার সর্বোচ্চ ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে।
মুডিসের মূল্যায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, গত মঙ্গলবার মুডিস বাংলাদেশের ঋণমানের দৃষ্টিভঙ্গি ‘নেতিবাচক’ থেকে ‘স্থিতিশীল’ বলে ঘোষণা করেছে। যদিও দেশটির দীর্ঘমেয়াদি ইস্যুয়ার এবং সিনিয়র আনসিকিউরড রেটিং ‘বি২’-তেই বহাল রাখা হয়েছে, তবে এই দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের অবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। এটি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, নির্বাচিত সরকারের পলিসির ধারাবাহিকতা, সুশাসন এবং উন্নত অর্থনৈতিক পরিবেশেরই প্রতিফলন। এর ফলে দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে, পাশাপাশি নারী ও তরুণদের বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
সরকারের সংস্কার ও জনকল্যাণমূলক কাজের প্রধান সাতটি ক্ষেত্র উল্লেখ করে তিনি জানান, এগুলো হলো- তরুণদের ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, তথ্যপ্রযুক্তি ও উদ্ভাবন; মানুষের শারীরিক কল্যাণ ও জীবনমানের উন্নয়ন; নারীর অগ্রযাত্রা, সর্বজনীন কল্যাণ ও সামাজিক সুরক্ষা; পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ও জলবায়ু-সহনশীল শিল্পায়ন; আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা, অবকাঠামো ও জনস্বাস্থ্য; যোগাযোগ ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, জনকূটনীতি ও বৈদেশিক সম্পর্ক।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতীকুর রহমান রুমনও বক্তব্য দেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, একটি সারফেস ড্রোন (সমুদ্রপৃষ্ঠে চলাচলকারী চালকবিহীন নৌযান) দখলের জন্য ইরানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) আল আরাবিয়াকে দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এই তথ্য নিশ্চিত করে।
সেন্টকমের ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স উল্লেখ করেন যে, সম্প্রতি ইরানের বেশ কয়েকটি ছোট নৌযান একটি মার্কিন চালকবিহীন সারফেস ভেসেল দখল করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু মার্কিন বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপের কারণে তারা সফল হতে পারেনি।
তিনি আরও জানান, সারফেস ড্রোনটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের অপারেশনাল নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এর আগে সোমবার, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম দাবি করে যে, মার্কিন বাহিনী দুটি মাছ ধরার নৌকায় হামলা চালিয়েছে।
এদিকে, এর আগে ইরান একটি মার্কিন আন্ডারওয়াটার ড্রোন আটক করেছিল। ড্রোনটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল এবং পেন্টাগনও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
অ্যান্ডুরিলের প্রতিষ্ঠাতা জানান, আটক করা ‘ডাইভ-এলডি’ ড্রোনটি কয়েক মাস ধরে মধ্যপ্রাচ্যের পানিসীমায় পরিচালিত হচ্ছিল।
তবে টিম হকিন্সের দাবি, এটি একটি পুরোনো এবং ত্রুটিপূর্ণ মডেল ছিল, এবং এতে কোনো সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের সক্ষমতা বা গোপনীয়তা শোনার ও রাডার সরঞ্জাম ছিল না।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
আমেরিকার শীর্ষ দৈনিক ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’-এর প্রকাশিত বছরের সেরা ৫০টি রেস্তোরাঁর মর্যাদাপূর্ণ তালিকায় স্থান পেয়েছে নিউ জার্সির বাংলাদেশি খাবারের দোকান ‘কড়াই কিচেন’। এই রেস্তোরাঁটি খাঁটি বাংলাদেশি ঘরোয়া খাবারের স্বাদের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
হাডসন কাউন্টির অবস্থানরত মা ও মেয়ের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই রেস্তোরাঁটির মালিক হলেন নূর-ই গুলশান রহমান এবং নূর-ই ফারহানা রহমান।
‘কড়াই কিচেন’ মূলত বাংলাদেশি খাবারের জন্য পরিচিত। রেস্তোরাঁটিতে সপ্তাহের অন্যান্য দিনগুলোতে পার্সেল বা টেকআউট সুবিধা প্রদান করা হয় এবং শুক্র ও শনিবার রাতে এখানে আয়োজন করা হয় আট পদের বিশেষ নৈশভোজ, যা ‘আম্মার দাওয়াত’ নামে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার ঘটনা কড়াই কিচেনের জন্য নতুন নয়। এর আগেও গত বছর এনজে ডটকমের (NJ.com) করা নিউ জার্সির সেরা ৯৯টি রেস্তোরাঁর তালিকায় শীর্ষ স্থান অর্জন করেছিল এই প্রতিষ্ঠানটি।
নিউইয়র্ক টাইমসের পর্যালোচনায় কড়াই কিচেন সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘চিকেন টিক্কা মাসালা নেই’—এটি হলো নূর-ই গুলশান রহমান এবং তার মেয়ে নূর-ই ফারহানা রহমানের পরিচালিত এই ছোট্ট বাংলাদেশি রেস্তোরাঁটির মূলমন্ত্র। তারা ২০১৮ সালে বড় মিসেস রহমানের চমৎকার হাতের তৈরি ঘরোয়া খাবার নামে যাত্রা শুরু করেছিলেন। যেখানে স্টার্নো' বা বিশেষ হিটারের সাহায্যে বুফে পরিবেশন করা হতো এবং টেক-আউট এবং ডেলিভারি সেবা প্রদান করা হতো। বর্তমানে তারা এই সেবাগুলি অব্যাহত রেখেছেন। তবে সপ্তাহে দুদিন রাতে এখানে বসে খাওয়ার সুযোগ রয়েছে—যেখানে তিন ঘণ্টা ধরে চলে আট পদে এক বিশাল ভোজ, যা শেষ পর্যন্ত পদের সংখ্যার বিচারে আটটির চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যায়। কাঁচা মরিচ ও সরিষার তেলের ব্যবহার তাদের খাবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। এছাড়া প্রতিটি চালের দানা থেকে শুরু করে সবকিছুই অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে রান্না করা হয়। এখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় আপনার পেট যেমন ভরে ওঠে, তেমনি মনটাও প্রশান্তিতে ভরে যায়।
উল্লেখ্য, এর আগে নিউ জার্সির বেশ কয়েকটি খাবার দোকান নিউ ইয়র্ক টাইমসের বার্ষিক সেরা তালিকায় স্থান পেয়েছিল। ২০২৫ সালে ফ্র্যাঙ্কলিন পার্কের ‘চাটপাটি দিল্লি’ এবং ২০২৪ সালে নিউফিল্ডের ‘সুইট আমালিয়া মার্কেট অ্যান্ড কিচেন’ এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। এ বছরের তালিকায় থাকা অন্যান্য দুই বিখ্যাত রেস্তোরাঁর মধ্যে রয়েছে শিকাগোর ‘ক্রিপিজ’ এবং ফিলাডেলফিয়ার ‘বোম্ব বোম্ব’।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম মক্কা ও মদিনার নিরাপত্তাকে সব ধরনের রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলমানের প্রাণস্পন্দন এবং এটি চূড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা রাষ্ট্রীয় রাজনীতির বিষয় নয়, তাই পবিত্র দুই নগরীর নিরাপত্তাকে রাজনৈতিক বিরোধ ও সংঘাতের ঊর্ধ্বে রাখতে হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।
মক্কা ও মদিনা অঞ্চলের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার সংবাদে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, গতকাল মক্কা-মদিনায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে উঠলে গোটা মুসলিম উম্মাহ থমকে গিয়েছিল। হারামাইন তথা মক্কা ও মদিনা বিশ্বের শতকোটি মুসলিমের প্রাণের স্পন্দন। এটি আমাদের চূড়ান্ত সীমারেখা। মক্কা ও মদিনা সব রাষ্ট্র-রাজনীতির ঊর্ধ্বের বিষয়।
চরমোনাই পীর আরও বলেন, স্বস্তির বিষয় হলো, হুতিদের পক্ষ থেকে মক্কা-মদিনার নিরাপত্তার প্রতি কোনো ধরনের হুমকি সৃষ্টি না করার বার্তা পাওয়া গেছে। তাদের এই অবস্থানের ওপর অটল থাকতে হবে।
একই সঙ্গে সৌদি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ইসলামের প্রধান দুই পবিত্র স্থানের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব সৌদি সরকারের, তাই তাদের এমন কোনো রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়া উচিত নয়, যা পবিত্র দুই শহরের প্রতি হুমকি তৈরি করতে পারে।
তিনি আরো বলেন, শুধু নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই নয়, মক্কা-মদিনা ও জাজিরাতুল আরবের শান ও মর্যাদা রক্ষা করা সৌদি সরকারের দায়িত্ব।
হারামাইনের নিরাপত্তার সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির বলেন, হারামাইনের নিরাপত্তার প্রশ্নে আমরা, বাংলাদেশের জনগণ আপনাদের পাশে আছি এবং থাকবো।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডির তথ্যের ভুলের কারণে ১১ মাস ধরে বেতন না পাওয়া শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য নতুন সুযোগ প্রদান করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আগস্ট-২০২৫ থেকে জুন-২০২৬ পর্যন্ত বেতন-বোনাস জমা দেওয়ার অপশন সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্যানেলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত সেপ্টেম্বর মাসের বেতন বিল সাবমিটের নির্দেশনা-সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এনআইডির তথ্যের ভুলের কারণে আগস্ট-২০২৫ থেকে জুন-২০২৬-এর মধ্যে এক বা একাধিক মাসের বেতন বা বোনাস পাননি এমন শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য সংশ্লিষ্ট মাসের বেতন বা বোনাস সাবমিট করার অপশন প্রতিষ্ঠানের প্যানেলে যুক্ত করা হয়েছে।
মাউশি জানিয়েছে, যদি যথাসময়ে বিল সাবমিট করার পর ব্যাংকের তথ্যের ভুলের কারণে কোনো শিক্ষক-কর্মচারীর এমপিওর অর্থ ব্যাংকে জমা না হয়ে ফেরত আসে, অর্থাৎ বাউন্স ব্যাক হলে, তখন সেটি বকেয়া হিসেবে বিল সাবমিট করার প্রয়োজন বা সুযোগ নেই। EFT salary Bounce অপশনে নাম যুক্ত হওয়ার পর সঠিক তথ্য প্রদান করা হলে বাউন্স ব্যাক হওয়া অর্থ আবার পাঠানো হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সেপ্টেম্বর-২০২৬ মাসের এমপিও বিল এবং প্রতিষ্ঠানের প্যানেলে যুক্ত আগস্ট-২০২৫ থেকে জুন-২০২৬ মাসের বকেয়া মাসওয়ারি সাবমিট করতে হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ