ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সরকার বিরোধীদলকে সম্মান দিতে ব্যর্থ: জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল


সরকার বিরোধীদলকে সম্মান দিতে ব্যর্থ: জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন যে, বিরোধীদলকে সম্মান প্রদানে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, গতকাল সোমবার ওসমানী উদ্যানে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির এবং সেক্রেটারি জেনারেলকে দাওয়াত কার্ড পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানের সূচিতে প্রধানমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্যান্য অতিথিদের নাম থাকলেও রুলস অব প্রেসিডেন্ট অনুযায়ী পূর্ণ মন্ত্রী পদমর্যাদার বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সরকার তার প্রাপ্য সম্মান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, বিরোধী দলকে ছোট করার জন্য এই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। তাই তিনি সেখানে যাননি বলে যে অভিযোগ করা হয়েছে, সেটি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। এটি অন্যায় এবং বিরোধী দলের প্রতি অবিচার করা হয়েছে।

মিয়া গোলাম পরওয়ার মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত জরুরি প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব মন্তব্য করেন। এই প্রেস ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়েছে সমসাময়িক সাতটি বিষয়ে দলীয় অবস্থান তুলে ধরার জন্য।

তিনি বলেন, সরকারের অভ্যন্তরে গত সাত আট মাসে কি ঘটেছে, তা আমাদের জানা নেই। তবে তাদের কথাবার্তা ও সিদ্ধান্তে সমন্বয়হীনতা, বৈপরিত্য এবং দ্বিচারিতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরকারের এই হীন অপচেষ্টা বর্তমানে হাস্যকরভাবে উপভোগ করছে জাতি। সাত আট মাস না যেতেই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য, গ্যাস, তেল, বিদ্যুৎ, কেরোসিন, অকটেন ও ডিজেলের দাম চার-পাঁচবার বাড়ানো হয়েছে। এই কয়েক মাসে তিনজন মন্ত্রী ও একজন এমপি বিদায় নিয়েছেন, অথচ সামনে আরো সাড়ে চার বছর রয়েছে। সরকারের মধ্যে এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও অস্থিরতা চলছে, ফলে প্রধানমন্ত্রী, তার মন্ত্রীপরিষদের সদস্য এবং অনেক এমপি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলছেন। এ কারণে জামায়াতের পক্ষ থেকে এই অসংলগ্ন কথাবার্তার ব্যাপারে আমাদের দলীয় অবস্থান তুলে ধরতে হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশ গঠনের লক্ষ্যে বিএনপি: প্রতিমন্ত্রী টুকু

জামায়াতকে জুলাইবিরোধী হিসেবে আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তার প্রতিবাদ জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, দেশের জনগণ, জুলাইযোদ্ধা, জুলাই শহীদ পরিবারসহ সবাই সাক্ষী- জামায়াত ও বিরোধীদল জুলাইকে ধারণ করে। তিনি বলেন, "মানুষ তার দুর্বলতা, ব্যর্থতা, অকৃতজ্ঞতা ঢাকবার জন্য কথা বলে, তারও একটা মাত্রা থাকে। কিন্তু বিরোধীদল জুলাইকে ধারণ করে না- এত হাস্যস্কর অসত্য তথ্য দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে উপস্থাপন করেছেন, আমরা এটার নিন্দা জানাই।"

তিনি আরো বলেন, জামায়াতসহ ১১ দলীয় ঐক্য জুলাইকে ধারণ করে, গণভোটের গণরায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে রাজপথে আন্দোলন সংগ্রাম করছে। বিএনপি জুলাইকে ধারণ করে না, কারণ তারা গণভোটকে অস্বীকার করেছে এবং বাতিল করেছে। জামায়াত জুলাইকে ধারণ করে, কিন্তু সরকার জুলাই সনদকে ধারণ করছে না।

তিনি বলেন, "যদি সরকার জুলাই সনদকে ধারণ করতেন, তাহলে জুলাই সনদে যে সমস্ত ব্যাপারে আমরা একমত হয়েছি- দলীয়করণ, দুর্নীতি, ভিন্ন মতের বিরুদ্ধে দমননীতি- এগুলো থেকে পরিহার করা উচিত। বিএনপি সেদিকেই হাঁটছে, অর্থাৎ তারা জুলাই সনদকে ধারণ করছে না।"

তিনি অভিযোগ করেন যে, সরকার সব সাংবিধানিক, সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ করছে। সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় রাষ্ট্র কাঠামো নির্মাণের জন্য সংবিধানকে ফ্যাসিবাদী ফ্রেমে রাখছে। তারা জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার না করে সংশোধনের নামে এগিয়ে যাচ্ছে। গোলাম পরওয়ার বলেন, "এরকম সংশোধিত গঠনতন্ত্রে যে রাষ্ট্র আসবে, যে প্রধানমন্ত্রী হবে, সে আরেকটা হাসিনাতে ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠবে। আমরা সেই পথকে থামাতে চেয়েছি।"

আরও পড়ুন: রাশেদ খাঁন: হাজার ডিসেম্বর গেলেও হাসিনা ফিরবেন না

সরকারের বিরোধিতা করতে গিয়ে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করার যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তার নিন্দা জানিয়ে গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার তিনটি জিনিসকে একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলছে। রাষ্ট্র, সরকার ও সরকারি দলের মধ্যে যে পার্থক্য আছে, তা তারা বুঝতে পারছেন না।

তিনি বলেন, বিরোধী দলের দায়িত্ব হচ্ছে সরকারের সমস্ত গণবিরোধী কাজের বিরোধিতা করা। "এটা জুলাই শহীদের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে চলে যাচ্ছে, বলবেন? আপনি তো সরকার ও সরকারি দলকে এক করে ফেলেছেন। এজন্য নিজেদের দলীয়করণ, ব্যর্থতা, দুর্নীতি ঢাকার জন্য জুজুর ভয় দেখিয়ে সব দায় বিরোধী দলের ওপরে চাপাবার চেষ্টা করা হচ্ছে।"

তিনি বলেন, "আমরা কখনো এই ফ্যাসিস্টকে আসার সুযোগ করে দিচ্ছি না। বরং আপনারা এত বড় বিরোধী দলের সমস্ত আন্দোলনকে উপেক্ষা করার মধ্য দিয়ে যে অরজকতা-অস্থিতিশীলতা তৈরি করছেন, এই পথ দিয়ে বরং আপনারা ইচ্ছা করে আওয়ামী লীগকে ঢুকার পথ করে দিচ্ছেন।"

বিএনপি মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বক্তব্য প্রসঙ্গে গোলাম পরওয়ার বলেন, তিনি জানতে চেয়েছেন- ফ্যাসিবাদের পথ কোনটা? "আপনি সাত মাসের মধ্যেই ফ্যাসিস্ট ভুলে গেলেন? আপনি ফ্যাসিস্ট চিনতে গেলে জনগণের কাছে ফেরত যান। আপনার দলীয় কর্মীদের কাছে ফেরত যান, আপনার যেসব দলের যারা ধান খেতে পালাইছিল, ওদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করেন এই ফ্যাসিস্ট কাকে বলে, ওরা বলতে পারবে।"

আরও পড়ুন: ১৩ জেলায় স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক পদে ১৩ উপসচিবের পদায়ন

তিনি বলেন, "চাদাবাজি, ধর্ষণ, খুন ও লুটপাটের পথই হল ফ্যাসিবাদের পথ। সরকারের সব পদে নিজে দলের লোক বসানোই হচ্ছে ফ্যাসিবাদের পথ। জনগণকে ভুল বুঝিয়ে ওয়াদা ভঙ্গ করে বিচারিতার পথ অবলম্বন করে জনগণের সঙ্গে বিশ্বাস ভঙ্গ করে গণভোটের রায় উপেক্ষ করাই হচ্ছে ফ্যাসিবাদের পথ। বিরোধী দলের নেতা এসব পথের কথাই বলেছেন।"

তিনি রাজশাহীতে জামায়াতের নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান এমপির এলাকায় ওয়াজ মাহফিল করতে না দেয়ার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এছাড়া ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আলিম-ফাজিল মাদ্রাসাগুলোর গভর্নিং বডি, ম্যানেজিং কমিটিকে ভেঙে দেয়ার বিষয়ে প্রজ্ঞাপন প্রসঙ্গে বলেন, সরকার ফ্যাসিবাদী কায়দায় সরকারি নিজস্ব চিন্তার লোকদের দিয়ে মাদ্রাসাগুলোকে নিয়ন্ত্রণে নিতে চাচ্ছে। তিনি রিজভীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, "এটা কোন রাস্তা? এই পথে কিন্তু শেখ হাসিনা হাঁটছিল। হাঁটতে হাঁটতে দিল্লির দিকে চলে গেছে পথ ভুলে।"

তিনি বিরোধীদলীয় এমপিদের বরাদ্দ না দেয়ার প্রতিবাদ জানান। ভবিষ্যতে যেন জামায়াত আমিরকে নিয়ে কোন অসত্য তথ্য বক্তব্য দেওয়া না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করেন তিনি।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে গোলাম পরওয়ার বলেন, সৌদিতে দুইজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতা রয়েছে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের সঙ্গে কওমি-আলিয়া এসব ওলামায়ে কেরামের মধ্যে বাংলাদেশে কোন বিরোধ নেই। এই বিরোধকে আমরা মানি না।

আরও পড়ুন: বিদেশে বসে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে স্বৈরাচার : এমপি রনি

প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, মাওলানা আব্দুল হালিম, এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ ও ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

লোহাগড়ার নলদী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমানের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নড়াইল প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


লোহাগড়ার নলদী ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমানের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি মশিয়ার রহমান মোল্যা তার নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মী, গ্রামবাসী ও সমর্থকদের নিয়ে দু’দিন (মঙ্গল ও সোমবার) ধরে নলদী ইউনিয়নের পূজামণ্ডপগুলো পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

বিএনপি নেতা মশিয়ার রহমান মোল্যা বলেন, আপনারা (হিন্দু সম্প্রদায়) বুক উঁচিয়ে পূজা-পার্বন ও দুর্গোৎসব পালন করবেন। আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর পাশাপাশি আমরা আপনাদের পাশে আছি। কোনো ধরণের অন্যায়-অপকর্ম যেন কেউ করতে না পারেন।

প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাঁচ ধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ভোট হবে ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি। আর শেষ বা পঞ্চম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ওই বছরের ২৭ মে। এই ঘোষণার পর মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিতকায় নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার ১ নম্বর নলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী মশিয়ার রহমান মোল্যা নির্বাচন করতে আগ্রহী। তিনি নিয়মিত এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজার, পথ-প্রান্তর, সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে যাচ্ছেন। এলাকার মানুষের খোঁজখবর নিচ্ছেন ও গণসংযোগ করছেন। #

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ময়মনসিংহে ২৫৭ পূজামণ্ডপে জেলা পরিষদের ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার অনুদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৭ পি.এম


ময়মনসিংহে ২৫৭ পূজামণ্ডপে জেলা পরিষদের ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকার অনুদান

ময়মনসিংহ, ২০ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে জেলার ২৫৭ টি পূজামণ্ডপে মোট ১৪ লাখ ৫৫ হাজার টাকা অনুদান হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠার পর এই প্রথম শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে জেলার ১৪টি উপজেলা, ১০টি পৌরসভা এবং সিটি করপোরেশন এলাকাসহ ২৫৭টি মন্দির ও পূজামণ্ডপে সরকারি অর্থে আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হয়েছে।

জেলা পূজা উদযাপন কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শঙ্কর সাহা উল্লেখ করেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। পূজা মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নজিরবিহীন। দুর্গাপূজায় সরকারি বরাদ্দ এবং ছুটি বাড়ানো হয়েছে। সরকারী বিভিন্ন দপ্তর এবারের পূজা আয়োজনে সম্পৃক্ত হয়েছে।

বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে দুর্গোৎসব উপলক্ষে সরকারি সহায়তা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। পূজামণ্ডপের জন্য আর্থিক বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। প্রতিটি পূজামণ্ডপের জন্য সাধারণ বরাদ্দের চাল পাঁচশ’ কেজি থেকে ছয়শ’ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে। জেলা পরিষদ, ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে পূজামণ্ডপগুলোতে সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ জেলার ১৪টি উপজেলা, ১০টি পৌরসভা এবং ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন এলাকার ২৫৭টি পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৩৮ পি.এম


কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ভাড়া বাসা থেকে রোকন কর্মকার (৩২) নামে এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেল ৩টার দিকে বসুরহাট পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের হাসপাতাল গেট এলাকার ফাইজা কটেজ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহত রোকন কর্মকার বেগমগঞ্জ উপজেলার রফিকপুর গ্রামের শংকর কর্মকারের ছেলে। তিনি বসুরহাট পৌরসভার হাসপাতাল গেট এলাকায় একটি স্টিলের (এসএস) দোকান পরিচালনা করতেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোকন কর্মকার স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতাল গেট এলাকার ভাড়া বাসায় থাকতেন। ঘটনার দিন তার স্ত্রী বাবার বাড়িতে থাকায় তিনি বাসায় একা ছিলেন। দুপুরের দিকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। পরে স্থানীয়রা তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দেনা দায়ে অথবা আর্থিক সংকটের হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন। তবে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়া বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

বার্তা প্রেরক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীতে আখচাষিদের জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:৪৩ পি.এম


রাজশাহীতে আখচাষিদের জন্য ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রাজশাহীতে জনসভায় অংশ নিয়ে আখচাষিদের জন্য প্রণোদনার অর্থ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি এ সময় ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির জন্য মোট ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা বরাদ্দের ঘোষণা দেন।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ) অনুষ্ঠিত জনসভা থেকে এই প্রণোদনার বরাদ্দের ঘোষণা দেয়া হয়।

সরকারপ্রধান ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ বলে ডিজিটাল বোতাম চাপিয়ে একযোগে প্রণোদনার অর্থ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জনসভাস্থলে উপস্থিত হাজারো মানুষও সমস্বরে ‘বিসমিল্লাহ’ উচ্চারণ করেন।

এর আগে দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে সামরিক বিমানে রাজশাহীর শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে জনসভাস্থলে যাওয়ার পথে সড়কের দুই ধারে দাঁড়িয়ে হাজারো মানুষ প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রীও বাসের ভেতর থেকে হাত নেড়ে তাদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। পরে বিকেল ৩টা ২৫ মিনিটে জনসভাস্থলে পৌঁছালে সেখানে উপস্থিত বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা তাকে স্বাগত জানান।

জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মাহফুজুর রহমান রিটন, রাজশাহী-২ আসনের সংসদ সদস্য মিজানুর রহমান মিনু, রাজশাহী-৩ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী-৫ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, রাজশাহী-৬ আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদ, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদা হাবিবা এবং রাজশাহী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ সুইটসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

জনসভা শেষে প্রধানমন্ত্রী রাজশাহীর ধর্মসভা মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। সেখানে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং মতবিনিময় সভায় অংশ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তার। রাজশাহীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে শারদীয় দুর্গোৎসবের মহানবমী উপলক্ষে এদিন সকাল ৯টায় রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে সৈয়দপুরের উদ্দেশে রওনা হন প্রধানমন্ত্রী। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। সৈয়দপুর থেকে রংপুর যাওয়ার পথে তারাগঞ্জ ও পাগলাপীরে দুটো পথসভায় অংশ নেন এবং পরে রংপুরের রাধাগোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫১
মাগরিব ০৫:২৮
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%