ঢাকা রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ২৫শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৯ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

সাতকানিয়ার দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণ তুলে দিল সিস্টেম গ্রুপ


সাতকানিয়ার দুর্গত মানুষের হাতে ত্রাণ তুলে দিল সিস্টেম গ্রুপ

চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এলাকায় বন্যাকবলিত মানুষের জন্য ত্রাণসামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছে সিস্টেম গ্রুপ। সোমবার (১৩ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১১ জন গ্রুপ লিডারের মাধ্যমে এই সহায়তা বিতরণ করা হয়।

ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে সিস্টেম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফজলুল আজিম, ডা. আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা আবু জাফর কাদেরী, সিস্টেম গ্রুপের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মিছবাহ উদ্দীন কাদেরী, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন, বিএনপি নেতা সৈয়দ নুর ও জাফর মেম্বাররা অংশ নেন।

এই সময় মোহাম্মদ ফজলুল আজিম বলেন, ‘টানা আট দিনের ভারী বৃষ্টির ফলে সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, বাঁশখালীসহ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। অনেক মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন এবং খাদ্যসংকটে রয়েছেন। পানিবন্দি হাজারো মানুষ তাদের সহায়-সম্বল হারিয়ে ফেলেছে।’

আরও পড়ুন: নোয়াখালীতে তরুণকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই

তিনি বলেন, সামাজিক ও মানবিক দায়বদ্ধতায় সিস্টেম গ্রুপ দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি সকলকে বন্যার্তদের সহায়তা করতে আহ্বান জানান এবং বলেন, ‘সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ায় দীর্ঘমেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে মানুষকে একটি স্থায়ী সমাধানে সুবিধা পাওয়া সম্ভব হবে, যাতে তাদের বারবার বন্যার দুর্ভোগে পড়তে না হয়।’

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যাদুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত রাখা হয়েছে : ডিসি ফরিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৪৯ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যাদুর্গতদের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত রাখা হয়েছে : ডিসি ফরিদা

ডিসি ফরিদা খানম আজ রাজধানী ঢাকার ভাষানটেক এলাকার ধামালকোট উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া বন্যাদুর্গত মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত ত্রাণ মজুত রাখা হয়েছে।

আশ্রয়কেন্দ্রে ত্রাণ বিতরণকালে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘আমরা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা, স্যানিটেশন এবং শিশু খাদ্য নিশ্চিত করতে বহু দপ্তরের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছি। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, কোনো দুর্গত পরিবার যেন সহায়তা থেকে বঞ্চিত না হয়। তাই প্রশাসন সার্বক্ষণিকভাবে নজরদারি করছে। বন্যা পরিস্থিতিতে কেউ যেন খাদ্যের অভাবে কষ্ট না পায়, সেজন্য জেলা প্রশাসন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন সব সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। কোন এলাকায় ত্রাণ সংকট অথবা সহায়তা বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ আসলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডিসি ফরিদা খানম আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের খোঁজ খবর নেন এবং তাদের প্রয়োজন সম্পর্কে জানতে চান। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ, নিরাপদ সুপেয় পানি, স্যানিটেশন এবং শিশু, নারী ও বয়স্কদের বিশেষ প্রয়োজনের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

এতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে মানবিক সহায়তায় এগিয়ে আসতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমানো সম্ভব হবে।

ফরিদা খানম বলেন, ‘একটি মানুষকেও ক্ষুধার অভাবে মরতে দেওয়া যাবে না।’ সরকার বন্যাকবলিত মানুষের পাশে রয়েছে এবং যাদের প্রয়োজন, তাদের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দিতে প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা নিরলসভাবে কাজ করছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫০ পি.এম


টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শসেবা প্রদান করার লক্ষ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এ তথ্য সম্প্রতি জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান। মন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মানসিক রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী অক্ষমতাজনিত রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে বিষণ্নতা ও উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যাগুলো এখন দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা ও কর্মক্ষমতা হ্রাসের প্রধান কারণ। তবে, মৃত্যুর প্রধান কারণ এখনও হৃদরোগ ও ক্যান্সার।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০১৮-১৯ সালের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের প্রায় ১২ দশমিক ৬ শতাংশ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। তবে, তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশেরও বেশি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করে না। তিনি বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সুযোগ-সুবিধা এখনো অপর্যাপ্ত রয়েছে। বর্তমানে প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে মাত্র ১ দশমিক ১৭ জন মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন এবং সরকারি খাতে নিবন্ধিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা প্রায় ৩৫০ জন।

এ ঘাটতি পূরণ করতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা এবং পাবনা মানসিক হাসপাতালকে দেশের বিশেষায়িত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত করা হচ্ছে। মন্ত্রী আরো বলেন, 'মানসিক স্বাস্থ্য আইন, ২০১৮' প্রণয়ন করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলপত্র ও কর্মপরিকল্পনা (২০২০-২০৩০) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মানসিক স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক পরিচালক পদ সৃষ্টির প্রস্তাব কার্যক্রমে রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেন্টাল হেলথ গ্যাপ অ্যাকশন প্রোগ্রামের আওতায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার স্তরের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, নোয়াখালী, বান্দরবান, সিলেট, শেরপুর, নেত্রকোনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুড়িগ্রামÑ এই ১০ জেলায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যশোর, ঝিনাইদহ, সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জÑ এই চার জেলায় আত্মহত্যা প্রতিরোধ কর্মসূচি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্পেশাল ইনিশিয়েটিভ ফর মেন্টাল হেলথ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ বিশ্বের নির্বাচিত ৯টি দেশের একটি এবং এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয় করে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জ সীমান্তে পাঁচ শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করল বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


সুনামগঞ্জ সীমান্তে পাঁচ শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করল বিজিবি

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার পাঁচ শতাধিক মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী লাউরগড় এলাকায় বিজিবির সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে একটি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী, পুরুষ এবং শিশুকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে, সেইসাথে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণও করা হয়েছে।

২৮ বিজিবির সূত্র অনুযায়ী, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সীমান্ত এলাকার অসহায় ও দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন সিলেট বিজিবির ভারপ্রাপ্ত সেক্টর মেডিকেল কর্মকর্তা মেজর চৌধুরী ইমরান মাহমুদ এবং তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. নাজমুল আরেফিন।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা লাউড়েরগড় গ্রামের ফাতেমা বেগম বলেন, "বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে অনেকেই জ্বর, সর্দি, কাশি, চর্মরোগ ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। দুর্গম এলাকায় ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়ায় আমাদের উপকার হয়েছে।"

বিজিবির সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানান, "বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সীমান্ত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য এই চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ যানবাহন ইলেকট্রিকে রূপান্তর করবে সরকার: সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ যানবাহন ইলেকট্রিকে রূপান্তর করবে সরকার: সেতুমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

তিনি আরও জানিয়েছেন, একই সঙ্গে গণপরিবহনকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নানা নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩-এর সরকারি দলের সদস্য শওকত আরা আক্তারের জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এই কথা বলেন মন্ত্রী।

শেখ রবিউল আলম বলেন, যানবাহন থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ। বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের পরিবর্তে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে নিঃশর্তভাবে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্যে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী শীর্ষক বিষয়ে বলেন, এ লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতোমধ্যে ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচল সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের ব্যবহার ও পরিবেশ দূষণ কমাতে সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কমুক্ত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্কে আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

আলোচনায় সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক সংসদ সদস্য সেতুর টোল মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। তবে টোল আদায় একটি রাজস্ব-সংক্রান্ত বিষয় এবং এটি অর্থ বিভাগের আওতাধীন। তাই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এককভাবে কোনো সেতুর টোল প্রত্যাহার করতে পারে না।

তিনি বলেন, ছোট সেতুর ক্ষেত্রে টোল ছাড় দেওয়ার বিষয়টি অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু কোনো সংসদ সদস্যের সুপারিশে বা অনুরোধে টোল আদায় বন্ধ করার সুযোগ খুবই সীমিত।

রেলস্টেশনের দাবির প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবি থাকলেও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সব জায়গায় ট্রেন থামানো হলে আন্তঃনগর ট্রেনের বৈশিষ্ট্য নষ্ট হবে এবং দ্রুত যাতায়াতের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৪ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৪
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৮
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৬
সূর্যোদয় : ০৬:০০ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%