ঢাকা সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ২৬শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১০ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


টেলিমেডিসিনের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের জন্য টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শসেবা প্রদান করার লক্ষ্যে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয়ের মাধ্যমে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এ তথ্য সম্প্রতি জাতীয় সংসদে কুমিল্লা-৯ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আবুল কালামের লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান। মন্ত্রী আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডাব্লিউএইচও) সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মানসিক রোগ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী অক্ষমতাজনিত রোগের অন্যতম প্রধান কারণ। বিশেষ করে বিষণ্নতা ও উদ্বেগজনিত মানসিক সমস্যাগুলো এখন দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতা ও কর্মক্ষমতা হ্রাসের প্রধান কারণ। তবে, মৃত্যুর প্রধান কারণ এখনও হৃদরোগ ও ক্যান্সার।

মন্ত্রী জানিয়েছেন, ২০১৮-১৯ সালের জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য জরিপ অনুযায়ী, দেশে প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় ১৬ দশমিক ৮ শতাংশ এবং শিশু-কিশোরদের প্রায় ১২ দশমিক ৬ শতাংশ মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত। তবে, তাদের মধ্যে ৯২ শতাংশেরও বেশি চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করে না। তিনি বলেন, জনসংখ্যার তুলনায় মানসিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার সুযোগ-সুবিধা এখনো অপর্যাপ্ত রয়েছে। বর্তমানে প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যার বিপরীতে মাত্র ১ দশমিক ১৭ জন মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী রয়েছেন এবং সরকারি খাতে নিবন্ধিত মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সংখ্যা প্রায় ৩৫০ জন।

আরও পড়ুন: ইউএনওর বিরুদ্ধে ফেসবুকে পোস্ট: এসিল্যান্ডকে সিলেটে সংযুক্তি

এ ঘাটতি পূরণ করতে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ঢাকা এবং পাবনা মানসিক হাসপাতালকে দেশের বিশেষায়িত মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচালিত করা হচ্ছে। মন্ত্রী আরো বলেন, 'মানসিক স্বাস্থ্য আইন, ২০১৮' প্রণয়ন করে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরো শক্তিশালী করা হচ্ছে এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য কৌশলপত্র ও কর্মপরিকল্পনা (২০২০-২০৩০) বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মানসিক স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পৃথক পরিচালক পদ সৃষ্টির প্রস্তাব কার্যক্রমে রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেন্টাল হেলথ গ্যাপ অ্যাকশন প্রোগ্রামের আওতায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার স্তরের চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বর্তমানে খুলনা, যশোর, ঝিনাইদহ, নোয়াখালী, বান্দরবান, সিলেট, শেরপুর, নেত্রকোনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও কুড়িগ্রামÑ এই ১০ জেলায় প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, যশোর, ঝিনাইদহ, সিলেট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জÑ এই চার জেলায় আত্মহত্যা প্রতিরোধ কর্মসূচি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। মন্ত্রী জানান, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্পেশাল ইনিশিয়েটিভ ফর মেন্টাল হেলথ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশ বিশ্বের নির্বাচিত ৯টি দেশের একটি এবং এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে মানসিক স্বাস্থ্যসেবার সমন্বয় করে মানুষের দোরগোড়ায় মানসম্মত সেবা পৌঁছে দেওয়ার কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী চার দিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জ সীমান্তে পাঁচ শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করল বিজিবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫১ পি.এম


সুনামগঞ্জ সীমান্তে পাঁচ শতাধিক মানুষকে স্বাস্থ্যসেবা ও ওষুধ প্রদান করল বিজিবি

সাম্প্রতিক অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তের দুর্গম ও প্রত্যন্ত এলাকার পাঁচ শতাধিক মানুষকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (১৩ জুলাই) দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী লাউরগড় এলাকায় বিজিবির সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে একটি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই ক্যাম্পে প্রায় পাঁচ শতাধিক নারী, পুরুষ এবং শিশুকে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়েছে, সেইসাথে বিনামূল্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণও করা হয়েছে।

২৮ বিজিবির সূত্র অনুযায়ী, সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত সীমান্ত এলাকার অসহায় ও দরিদ্র জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। ক্যাম্পে চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন সিলেট বিজিবির ভারপ্রাপ্ত সেক্টর মেডিকেল কর্মকর্তা মেজর চৌধুরী ইমরান মাহমুদ এবং তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. মো. নাজমুল আরেফিন।

চিকিৎসাসেবা নিতে আসা লাউড়েরগড় গ্রামের ফাতেমা বেগম বলেন, "বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে অনেকেই জ্বর, সর্দি, কাশি, চর্মরোগ ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। দুর্গম এলাকায় ফ্রি চিকিৎসা ও ওষুধ দেওয়ায় আমাদের উপকার হয়েছে।"

বিজিবির সুনামগঞ্জ ২৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানান, "বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধের পাশাপাশি দেশের যেকোনো দুর্যোগ ও জরুরি পরিস্থিতিতে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে সীমান্ত এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের জন্য এই চিকিৎসা সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ যানবাহন ইলেকট্রিকে রূপান্তর করবে সরকার: সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫২ পি.এম


২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ যানবাহন ইলেকট্রিকে রূপান্তর করবে সরকার: সেতুমন্ত্রী

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

তিনি আরও জানিয়েছেন, একই সঙ্গে গণপরিবহনকে পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে রূপান্তর, কার্বন নিঃসরণ কমানো এবং টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে নানা নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন-৩৩-এর সরকারি দলের সদস্য শওকত আরা আক্তারের জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এই কথা বলেন মন্ত্রী।

শেখ রবিউল আলম বলেন, যানবাহন থেকে নির্গত গ্রিনহাউস গ্যাস, বিশেষ করে কার্বন ডাই-অক্সাইডের নিঃসরণ বৈশ্বিক উষ্ণায়নের অন্যতম কারণ। বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর যানবাহনের পরিবর্তে ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে অনেক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, ন্যাশনালি ডিটারমাইন্ড কন্ট্রিবিউশন (এনডিসি) অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে পরিবহন খাত থেকে নিঃশর্তভাবে ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন টন কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার করেছে। এ লক্ষ্যে দেশের সড়ক পরিবহন ব্যবস্থায় ব্যবহৃত যানবাহনের অন্তত ৩০ শতাংশ ইলেকট্রিক মোটরযানে রূপান্তরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী শীর্ষক বিষয়ে বলেন, এ লক্ষ্যে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ ইতোমধ্যে ইলেকট্রিক মোটরযানের নিবন্ধন ও চলাচল সংক্রান্ত নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তিনি বলেন, জ্বালানি তেলের ব্যবহার ও পরিবেশ দূষণ কমাতে সম্পূর্ণ নতুন ইলেকট্রিক বাস শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য শুল্কমুক্ত এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে মাত্র ১৫ শতাংশ শুল্কে আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।

আলোচনায় সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের সময় অনেক সংসদ সদস্য সেতুর টোল মওকুফের প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন। তবে টোল আদায় একটি রাজস্ব-সংক্রান্ত বিষয় এবং এটি অর্থ বিভাগের আওতাধীন। তাই যোগাযোগ মন্ত্রণালয় এককভাবে কোনো সেতুর টোল প্রত্যাহার করতে পারে না।

তিনি বলেন, ছোট সেতুর ক্ষেত্রে টোল ছাড় দেওয়ার বিষয়টি অর্থ বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে নীতিগত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু কোনো সংসদ সদস্যের সুপারিশে বা অনুরোধে টোল আদায় বন্ধ করার সুযোগ খুবই সীমিত।

রেলস্টেশনের দাবির প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন এলাকায় আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ বাড়ানোর দাবি থাকলেও এ বিষয়ে নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সব জায়গায় ট্রেন থামানো হলে আন্তঃনগর ট্রেনের বৈশিষ্ট্য নষ্ট হবে এবং দ্রুত যাতায়াতের উদ্দেশ্য ব্যাহত হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সংসদ ভবনের ছাদে চুইয়ে পড়ে পানি, নিজের কক্ষেও বাটি পাতেন ডেপুটি স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৫ পি.এম


সংসদ ভবনের ছাদে চুইয়ে পড়ে পানি, নিজের কক্ষেও বাটি পাতেন ডেপুটি স্পিকার

জাতীয় সংসদ ভবনের মসজিদসহ বিভিন্ন স্থানে ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সরকারি দলের হুইপ জি কে গউছ। এ ক্ষেত্রে, ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ সময় বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করেন এবং জানান, বৃষ্টির দিনে তাঁর নিজের কক্ষের ছাদ থেকেও পানি পড়ে। এটি কি কারণে হচ্ছে এবং সমস্যাটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সে বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, তাই তাঁকেও ঘরে পানি আটকে রাখতে বাটি রাখতে হয়। আজ সোমবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে, পয়েন্ট অব অর্ডারে বিষয়টি উত্থাপন করেন হুইপ জি কে গউছ। তিনি কথা বলেন সংসদ ভবনের ওপরের তলায় থাকা মসজিদ সম্পর্কে, যেখানে অসংখ্য সংসদ সদস্য জামাতে নামাজ আদায় করেন। কিন্তু বর্তমানে মসজিদের ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে, যা সত্যিই দুশ্চিন্তার বিষয়।

পানি আটকাতে সেখানে সারিবদ্ধভাবে বালতি রাখা হয়েছে। যেই সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস হয়, সেই সংসদ ভবনের মসজিদের এমন ক্রমাবস্থা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।

এ সময়, ডেপুটি স্পিকার বলেন, সংসদ ভবনের ছাদ দিয়ে পানি পড়ার বিষয়টি তাঁরও জানা আছে এবং তিনি বলেন, 'কষ্টের কথা কাকে বলব। বৃষ্টির দিনে আমি যখন নিজের ঘরে ঘুমাতে যাই, তখন আমার ঘরের ছাদেও পানি পড়ে। তাই আমাকেও বাটি দিয়ে পানি আটকে রাখতে হয়।' এই মন্তব্যে সংসদ কক্ষে কিছুক্ষণ হাস্যরসের পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

পরে, চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম জানান, সংসদ ভবনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভবনের যেসব স্থানে পানি পড়ছে, সেগুলো মেরামতের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ সময়, গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, চিফ হুইপ বিষয়টি তুলে ধরেছেন। মন্ত্রী যদি এ বিষয়ে কিছু বলেন, তাহলে সবাই আশ্বস্ত হবেন। অন্তত বৃষ্টির দিনে নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারবেন। জবাবে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের সুমন জানান, বিষয়টি মন্ত্রণালয়ের নজরে এসেছে। সংসদ ভবনের যেসব স্থানে ছাদ চুইয়ে পানি পড়ছে, সেগুলো সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, দ্রুতই সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা সম্ভব হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৫৭ পি.এম


সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেনাবাহিনীর ৭ পদাতিক ডিভিশন ও বরিশাল এরিয়ার দায়িত্বপূর্ণ এলাকা বরিশাল জেলার রহমতপুরে গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ২০২৬ এর কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন।

আজ যখন প্রধানমন্ত্রী প্রশিক্ষণ এলাকায় পৌঁছাচ্ছিলেন, তখন তাঁকে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এবং মেজর জেনারেল এম. খায়ের উদ্দীন অভ্যর্থনা জানান।

এসময় প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধক্ষেত্রে সেনা সদস্যদের অবস্থান, রণকৌশল প্রয়োগ, মৌখিক আদেশ, উদ্ভাবিত বিভিন্ন সমরাস্ত্র প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বাস্তবধর্মী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।

প্রধানমন্ত্রী সেনাসদস্যদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং চলমান প্রশিক্ষণের মান, পেশাদারিত্ব ও অভিযানিক প্রস্তুতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। সেনা সদস্যদের উদ্দেশে তিনি দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রতি দেশের জনগণের গভীর আস্থার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি পেশাদার প্রশিক্ষণ, শৃঙ্খলা ও সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন।

এসময় তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ. কে. এম. শামছুল ইসলাম, ঊর্ধ্বতন সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন পর্যায়ের সেনাসদস্যগণও সেখানেই উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৫ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৫
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৭
মাগরিব ০৫:২৪
ইশা ০৬:৩৫
সূর্যোদয় : ০৬:০১ সূর্যাস্ত : ০৫:২৪
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%